খবরের কাগজ যার খেলার সাথী: পত্রিকা পাঠে ব্যতিক্রমী পাঁচ বছরের সাবিহা
পত্রিকা পড়ার নেশা—এই শব্দগুলো আমরা সাধারণত বড়দের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করি। কিন্তু পাঁচ বছরের এক শিশুর যদি প্রতিদিন সকালে চোখ খুলেই প্রথম কাজ হয় সংবাদপত্র হাতে নেওয়া, তখন সেটা আর শুধু ‘নেশা’ নয়, সেটা হয়ে ওঠে জানার আগ্রহে দগদগে এক আশ্চর্য আলোকবর্তিকা। কুমিল্লার মুরাদনগরের কাজিয়াতল গ্রামের ছোট্ট পাঠক সাবিহা ইসলাম সেই ব্যতিক্রমী শিশু, যে বয়সে অন্যরা কার্টুন আর খেলনায় ব্যস্ত, সেই বয়সে সাবিহা শব্দ চিনে, হেডলাইন ধরে ধরে খবর বোঝার চেষ্টা করে, প্রশ্ন করে, আর ভাবিয়ে তোলে আশেপাশের সবাইকে—”এই শিশুটার চোখে এত প্রশ্ন কেন?”
খবরের কাগজ যার খেলনা নয়, চিন্তার হাতিয়ার: সাবিহার ভেতরেই জেগে উঠেছে আগামীর সাংবাদিকতা
সংবাদপত্র ভালোবাসা এই বয়সে যার রক্তে মিশে গেছে, সে বড় হয়ে কেবল ভালো শিক্ষার্থী হবে না—সে হবে সমাজ সচেতন, মননশীল এক পথপ্রদর্শক। সাবিহার প্রশ্ন, তার চোখের কৌতূহল, শব্দ চিনে খবর বোঝার চেষ্টা যেন আগামী দিনের বাংলাদেশের জন্য এক প্রতীকী আশাবাদ। পত্রিকার পাতায় মুখ গুঁজে বসে থাকা এই শিশুটা যেন বলে—“আমি জানবো, আমি বুঝবো, আমি বদলাবো।” আজকের সাবিহা শুধু পত্রিকার পাঠক নয়, সে খবরের কাগজের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা এক আগামীর প্রতিশ্রুতি।
*হাইলাইটস:*
মাত্র ৫ বছর বয়সে পত্রিকা পড়ার নেশা তার অভ্যাস গড়ে তুলেছে সাবিহা
প্রতিদিন শিরোনাম ধরে প্রশ্ন করে, বোঝার চেষ্টা করে দেশ-সমাজ
মা একজন নারী সাংবাদিক, বাবা ধর্মানুরাগী ব্যবসায়ী
সাবিহার স্বপ্ন দেখে মা-বাবা, “সে যেন মানুষের জন্য কিছু করতে পারে”
বড় বোন সাবা ইউটিউবে দেখে সংবাদ অনুষ্ঠান, সাবিহা পড়ে কাগজে ছাপা খবর।



















