বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বিশেষজ্ঞ সংকটে রোগীরা

পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৮ চিকিৎসক পদ শূন্য, চিকিৎসা সেবা চরম সংকটে

সিরাজুল ইসলাম রতন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ পিএম
পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৮ চিকিৎসক পদ শূন্য, চিকিৎসা সেবা চরম সংকটে
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় চিকিৎসা সেবা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য এই ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এখানে মোট ৪০ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১২ জন। ফলে ২৮টি পদ শূন্য রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে সার্জারি, মেডিসিন, নাক-কান-গলা, চর্মরোগ, হৃদরোগ, চক্ষু, অর্থোপেডিক ও শিশুরোগ বিভাগের সেবা কার্যত বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়েছে।
চিকিৎসক সংকটের কারণে অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এতে রোগীদের সময় ও অর্থ দুটিই বেশি ব্যয় হচ্ছে।

এছাড়া হাসপাতালের অবকাঠামোগত সমস্যাও গুরুতর আকার ধারণ করেছে। দুটি অ্যাম্বুলেন্স থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে একটি সচল রয়েছে। এক্স-রে মেশিন থাকলেও প্রয়োজনীয় ফিল্ম না থাকায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ডেন্টাল চিকিৎসক থাকলেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বিদ্যুৎ সমস্যাও বড় একটি প্রতিবন্ধকতা। জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে যায়, যা জরুরি সেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাও দুর্বল। পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারপাশে বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটে এবং চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত শূন্য পদ পূরণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন না হলে স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাবে।

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পর চাঁদাবাজি ও দখল অনেকাংশে কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

দৌলতপুরে কবির শ্বশুরালয় ঘিরে আয়োজনে সমালোচনা

মুরাদনগরে শ্বশুরবাড়িতেই অবহেলায় কবি নজরুল : ব্যানারহীন প্রস্তুতি সভা, ক্ষোভ

ফাহিমা বেগম প্রিয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
মুরাদনগরে শ্বশুরবাড়িতেই অবহেলায় কবি নজরুল : ব্যানারহীন প্রস্তুতি সভা, ক্ষোভ

কুমিল্লার মুরাদনগরের দৌলতপুরে, যা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শ্বশুরবাড়ি হিসেবে পরিচিত, সেখানে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা ব্যানার ছাড়াই অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সভা আগামী ২৫ মে জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনকে সামনে রেখে আয়োজন করা হয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ এ আয়োজনে কোনো ব্যানার বা দৃশ্যমান প্রস্তুতি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, দৌলতপুর জাতীয় কবির জীবনের স্মৃতিবিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। বিশেষ করে এটি কবির শ্বশুরালয় হওয়ায় এখানকার আয়োজন আরও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া উচিত ছিল।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনা চলছে। অনেকেই এটিকে জাতীয় কবির প্রতি অবহেলা হিসেবে দেখছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল আশা করছে, ভবিষ্যতে দৌলতপুরে নজরুলকে ঘিরে আয়োজনগুলো আরও গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জমি বিরোধে কুপিয়ে হত্যা ব্যবসায়ীকে

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আনোয়ার হোসেন নয়ন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের দক্ষিণ বেতিয়ারা মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আনোয়ার হোসেন নয়ন উপজেলার গাংরা বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি দক্ষিণ বেতিয়ারা গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে মসজিদের সামনে দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
নিহতের বোন কোহিনুর আক্তার জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভোরে তার মৃত্যু হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

গুলির উৎস অজানা, নিরাপত্তা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স পার করল পুলিশ

খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, পথে অ্যাম্বুলেন্সে আবারও গুলি

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:১৭ এএম
খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, পথে অ্যাম্বুলেন্সে আবারও গুলি

খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে আবারও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত রাজু হাওলাদার (৩৮) লবণচরা থানার শিপইয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় হত্যা ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং অন্তত চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার নগরীর লবণচরা থানার কোবা মসজিদসংলগ্ন এলাকায় পেটে গুলিবিদ্ধ হন রাজু। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি কীভাবে বা কখন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অ্যাম্বুলেন্সটি রূপসার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সেটিকে লক্ষ্য করে আবারও গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, রাজু কখন ও কোথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। রাতে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাওয়া যায় এবং তার পেটে গুলির চিহ্ন ছিল। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। অ্যাম্বুলেন্সে গুলির বিষয়টি তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছেন বলে জানান।

এদিকে কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, ঢাকায় নেওয়ার পথে কুদির বটতলা এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে তারা জেনেছেন। পরে নিরাপত্তার জন্য পুলিশের সহায়তা চাইলে তাদের পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে থানা এলাকা পার করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। গুলি অ্যাম্বুলেন্সে লেগেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট থানা আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাতের নিস্তব্ধতায় হঠাৎ গুলির শব্দে অনেকে ঘর থেকে বের হয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। তবে অন্ধকার ও ভীতিকর পরিবেশের কারণে কেউই স্পষ্টভাবে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পারেননি। এলাকাবাসীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি তাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য সকল দিক বিবেচনায় নিয়ে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে, পূর্বের শত্রুতা, অপরাধ জগতের সম্পৃক্ততা কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না—সেসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

এদিকে নিরাপত্তা জোরদারে সংশ্লিষ্ট এলাকায় টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য দ্রুত পুলিশের কাছে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়, যাতে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি এলাকা ত্যাগ করতে না পারে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ জন্য গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে চিকিৎসকদের মতে, গুলিবিদ্ধ রাজু হাওলাদারের অবস্থা শুরুতে আশঙ্কাজনক ছিল। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি রোগীর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, পূর্ব শত্রুতা বা অপরাধ জগতের দ্বন্দ্বের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও পুলিশ এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি, তবুও বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি যেকোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×