নজরুল নিকেতন-এর সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান সরকারের নেতৃত্বে কবিতীর্থ দৌলতপুর জাতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নজরুল জন্মবার্ষিকীতে এই ঐতিহাসিক অর্জন নজরুল প্রেমীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করল।
দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
জাতীয় কবির ১২৬তম জন্মবার্ষিকীতে নজরুল নিকেতন-এর উদ্যোগে তাঁর শ্বশুরবাড়ি কবিতীর্থ দৌলতপুর জাতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এই সফলতার পেছনে ছিলেন কুমিল্লার সন্তান মো. মিজানুর রহমান সরকার।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর শ্বশুরবাড়ি কবিতীর্থ দৌলতপুরকে জাতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করার অভূতপূর্ব অর্জন অর্জিত হয়েছে।
স্থানীয় জনগণ এবং সারাদেশের নজরুলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল কবিতীর্থ দৌলতপুরকে জাতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করা। সেই স্বপ্নপূরণের দিন এসেছে ২০২৫ সালের ২৫ মে নজরুলের জন্মদিনে।
মিজানুর রহমান সরকার বলেন—
“এই অর্জন আমার একার নয়, এটি দৌলতপুরবাসীর সম্মিলিত ভালোবাসা ও নজরুল নিকেতনের সংগ্রামের ফসল। আমি দেশবাসীর দোয়া কামনা করছি, যেন কবি নজরুলের আদর্শ বাস্তবায়নে আরও নিবেদিত হতে পারি।”
নজরুল নিকেতন-এর পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মো. মিজানুর রহমান সরকার। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও জাতীয় পর্যায়ে নজরুল গবেষণা ও ঐতিহাসিক স্থাপনার স্বীকৃতিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
নজরুল নিকেতনের তাৎপর্য :
নজরুল নিকেতন শুধুমাত্র একটি সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা, আদর্শ এবং ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার এক প্রগতিশীল প্রয়াস। কুমিল্লার দৌলতপুরে অবস্থিত মূলত কবির শ্বশুরবাড়ি কেন্দ্রিক ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। এখান থেকেই নজরুল তাঁর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অতিবাহিত করেছেন, এবং এখানে রচিত হয়েছে বহু কালজয়ী সাহিত্যকর্ম। এই স্থানের ইতিহাসকে সংরক্ষণ ও তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে তাঁর মানবতাবাদ, সাম্যবাদ ও বিদ্রোহী চিন্তাধারায় অনুপ্রাণিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনটি নজরুল-গবেষণা, স্মারক অনুষ্ঠান, সংস্কৃতি চর্চা এবং ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দৌলতপুরকে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পাওয়ার লক্ষ্যে জোরালো ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমানের একক প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে। নজরুল নিকেতন আজ শুধু কুমিল্লার গর্ব নয়, এটি জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতীক।
When you login first time using a Social Login button, we collect your account public profile information shared by Social Login provider, based on your privacy settings. We also get your email address to automatically create an account for you in our website. Once your account is created, you'll be logged-in to this account.
DisagreeAgree
Connect with
I allow to create an account
When you login first time using a Social Login button, we collect your account public profile information shared by Social Login provider, based on your privacy settings. We also get your email address to automatically create an account for you in our website. Once your account is created, you'll be logged-in to this account.
DisagreeAgree
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
NewestMost Voted
আওয়ামীলীগের ভয়ে নিরাপত্তা জোরদার
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রুখতে, ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত
আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ২:৫২ পিএম
আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন এর মতো গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
গুরুত্বপূর্ণ হাইলাইটস
• আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে উত্তেজনা
• ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত
• নাশকতা আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার
• জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সমন্বয় করবে
• সোমবারের মধ্যেই আদেশ জারির সম্ভাবনা
ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও চট্টগ্রাম—এই ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন করা হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল বা সমাবেশের আড়ালে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা বা নাশকতার চেষ্টা হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষিত রাখতে সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আরও জানান, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার থাকবে।
তিনি বলেন, সোমবারের মধ্যেই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা হতে পারে। আদেশ জারির পরপরই নির্ধারিত জেলাগুলোতে সেনা মোতায়েন কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।
কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জসীম উদ্দিন সরকার নামে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। তাকে আরো পৃথক দুটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছিল। তারপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি দেবীদ্বারের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিতর্কিত ইউপি চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন সরকার সম্পর্কে আরো কিছু অজানা তথ্য
জানা যায়, রুবেল হত্যা ও আবু বকর হত্যা চেষ্টার মামলা ব্যতিত উল্লেখিত আসামী জসিম উদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ঘটনায় দেবীদ্বার সিআর-৩১৬/২১ ও সাংবাদিক বিল্লাল হত্যা চেষ্টার ঘটনায় দেবীদ্বার জিআর-১৪৫/২৪ মামলাসহ একাধিক মামলা আদালতে চলমান আছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২২ জুন) দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪নং আমলী আদালতে হাজির হয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রাজ্জাক রুবেল হত্যা মামলার ১০ নম্বর এজাহারনামীয় এবং আবুবকর হত্যাচেষ্টা মামলার ৭২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে তিনি জামিনের আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সায়মা শরীফ নিশাত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার আসামি মো. জসীম উদ্দিন সরকার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের রাজামেহার গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী সরকারের ছেলে।
তিনি রাজামেহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য এবং একই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
সোমবার আদালতে হাজির হয়ে তিনি ওই হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিনের আবেদন করে আত্মসমর্পণ করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হত্যা মামলার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করার বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি আদালতে খোঁজ নিয়ে পরে জানাবেন।
ম্যারাডোনার হ্যাটট্রিকের সেই প্রতিপক্ষ আজ আবার সামনে, ইতিহাস কি বলছে আর্জেন্টিনা–অস্ট্রিয়া লড়াইয়ে?
ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আবারও অপেক্ষা আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া দ্বৈরথের। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে খুব বেশি দেখা না হলেও দুই দলের পূর্ববর্তী লড়াইগুলোতে রয়েছে বেশ কিছু স্মরণীয় অধ্যায়। বিশেষ করে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার একমাত্র আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিক আজও ফুটবল ইতিহাসের আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি।
⚽ ম্যাচের আগে যা জানা জরুরি
🔹 ৩৬ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়া।
🔹 দুই দলের আনুষ্ঠানিক দেখার সংখ্যা মাত্র ২টি।
🔹 আর্জেন্টিনা জিতেছে ১ ম্যাচ, অন্যটি হয়েছে ড্র।
🔹 দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার গোল ৬, অস্ট্রিয়ার ২।
🔹 ডিয়েগো ম্যারাডোনার একমাত্র আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিক এসেছিল অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেই।
🔹 ইতিহাস বলছে, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এখনো অপরাজিত আলবিসেলেস্তেরা।
আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই দুই ম্যাচে মোট ৮টি গোল হয়েছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা করেছে ৬ গোল, আর অস্ট্রিয়া করেছে ২ গোল। জয়ের পাল্লাও স্পষ্টভাবে আর্জেন্টিনার দিকেই ঝুঁকে আছে।
দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৮০ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। সে সময়ের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত এক প্রদর্শনীতে ৫-১ গোলের বড় জয় তুলে নেয়। ম্যাচটি ইতিহাসে স্থান করে নেয় মূলত ডিয়েগো ম্যারাডোনার কারণে।
ভিয়েনার সেই ম্যাচে ৬৭ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৩ মিনিটে সান্তিয়াগো সান্তামারিয়া গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ১০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লিওপোলদো লুকুয়ে।
এরপর ১৫ মিনিটে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পঞ্চম গোল করেন তরুণ ম্যারাডোনা। যদিও ২০ মিনিটে কুর্ট জারা একটি গোল শোধ করে অস্ট্রিয়াকে কিছুটা আশা দেখান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আবারও জ্বলে ওঠেন ম্যারাডোনা। আরও দুটি গোল করে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, সেটিই ছিল ম্যারাডোনার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম এবং শেষ হ্যাটট্রিক। পরবর্তীতে জাতীয় দলের হয়ে একাধিকবার জোড়া গোল করলেও আর কখনো তিন গোল করতে পারেননি ফুটবলের এই কিংবদন্তি। ফলে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে করা সেই হ্যাটট্রিকই তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের একমাত্র হ্যাটট্রিক হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।
দুই দলের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক লড়াই অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৩ মে। ভিয়েনাতেই অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শুরুতেই ধাক্কা খায়। ম্যাচের ৩ মিনিটে মানফ্রেড জাকের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক অস্ট্রিয়া।
তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচের প্রায় আধঘণ্টা পার হওয়ার আগেই হোর্হে বুরুচাগার গোলে সমতা ফেরায় আলবিসেলেস্তেরা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি রেকর্ডে এখন পর্যন্ত কোনো জয় নেই অস্ট্রিয়ার। দুই ম্যাচের একটিতে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা, অন্যটি ড্র হয়েছে।
মুখোমুখি পরিসংখ্যান
মোট ম্যাচ: ২
আর্জেন্টিনার জয়: ১
অস্ট্রিয়ার জয়: ০
ড্র: ১
আর্জেন্টিনার গোল: ৬
অস্ট্রিয়ার গোল: ২
তবে ইতিহাসে দুই দলের একটি অনানুষ্ঠানিক ম্যাচের তথ্যও পাওয়া যায়। ১৯৬৬ সালের ২৫ জুন অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল অস্ট্রিয়া। তবে ম্যাচটি ফিফার স্বীকৃত পূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে গণ্য নয়।
সব মিলিয়ে আনুষ্ঠানিক রেকর্ডে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এখনো অপরাজিত আর্জেন্টিনা। দুই দলের সর্বশেষ দেখার পর কেটে গেছে ৩৬ বছরেরও বেশি সময়। তাই আজকের লড়াই শুধু নতুন একটি ম্যাচ নয়, বরং ইতিহাসের পুরোনো হিসাব-নিকাশেরও নতুন অধ্যায়। ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন মাঠে—অস্ট্রিয়া কি প্রথম জয় পাবে, নাকি আর্জেন্টিনা ধরে রাখবে নিজেদের অপরাজিত আধিপত্য?