অভিযানে উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র
অস্ত্রসহ শীর্ষ ছিনতাইকারী রিগান গ্রেপ্তার, রয়েছে হত্যা-ডাকাতিসহ ১৩ মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুর বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়া কথিত শীর্ষ ছিনতাইকারী মো. রিগান। ছবি : আজকের কথা
সুহিলপুর বাজারে পুলিশের অভিযানে আটক, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ কথিত শীর্ষ ছিনতাইকারী মো. রিগানকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃত রিগানের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত রিগান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার কান্দিপাড়া এলাকার মৃত ইয়াছিন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুন রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সদর উপজেলার ৩ নম্বর সুহিলপুর ইউনিয়নের সুহিলপুর বাজার এলাকায় জনতা ব্যাংকের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
এ সময় তার হেফাজত থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে অস্ত্রটি জব্দ করে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রিগানের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির ৯টি, হত্যা মামলার ১টি, মাদক সংক্রান্ত ১টি এবং অন্যান্য অপরাধে আরও ২টি মামলাসহ মোট ১৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় নতুন একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
মোবাইলেই বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ
আর কিছুক্ষণ পরই মাঠে গড়াবে বিশ্বকাপের লড়াই, যেভাবে মোবাইলে দেখবেন লাইভ ম্যাচ

মোবাইল ফোনে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ মানেই বাংলাদেশজুড়ে উৎসবের আমেজ। প্রিয় দলের খেলা দেখতে এরই মধ্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন কোটি ফুটবলভক্ত। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার আয়োজন করছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টিভি পর্দার সামনে বসার অপেক্ষায়।
তবে এবার শুধু টেলিভিশনেই নয়, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কিংবা ল্যাপটপ থেকেও সহজেই দেখা যাবে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ। ফলে বাসা, অফিস কিংবা যেকোনো জায়গা থেকেই খেলার রোমাঞ্চ উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা।
বাংলাদেশে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি, টি স্পোর্টস এবং সময় টিভি। ফিফার কাছ থেকে সম্প্রচারস্বত্ব নিয়ে চ্যানেলগুলো দেশের দর্শকদের জন্য এই আয়োজন নিশ্চিত করেছে।
এছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও থাকছে ম্যাচ দেখার সুযোগ। নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে মোবাইল ও স্মার্ট ডিভাইসে লাইভ স্ট্রিমিং উপভোগ করা যাবে।
মোবাইলে খেলা দেখতে দর্শকরা ব্যবহার করতে পারবেন মাই রবি, টফি এবং বায়োস্কোপ অ্যাপ। এসব প্ল্যাটফর্মে লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখা যাবে সহজেই।
জানা গেছে, এবারের বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কিনতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ থেকে ৪৯ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
তাই টিভি কিংবা মোবাইল—যে মাধ্যমই বেছে নিন, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের উত্তেজনা উপভোগ করতে প্রস্তুত থাকুন। ফুটবলের মহারণ দেখতে এবার কোনো সমর্থকেরই খেলা মিস হওয়ার সুযোগ নেই।
রক্তদাতা-গ্রহীতার সরাসরি সংযোগ
রক্তদাতার খোঁজে আর নয় ভোগান্তি, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন ‘ব্লাডরিচ’

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন ‘ব্লাডরিচ’: এক ক্লিকেই মিলবে রক্তদাতা
জরুরি মুহূর্তে রক্তের সন্ধানে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এবং রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) তিন শিক্ষার্থী। তাঁদের উদ্ভাবিত ‘ব্লাডরিচ’ (BloodReach) নামের আধুনিক ওয়েব অ্যাপ ইতোমধ্যে রক্তসেবা কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইয়াসিন ইসলাম, ফারহানা আক্তার ইশা এবং মো. তৌফিক হোসেন শিমুলের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, গবেষণা ও প্রচেষ্টার ফল এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। গত ৩ জুন ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ব্লাডরিচ’ সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বর্তমানে ৩৭ জন স্বেচ্ছাসেবী তরুণ-তরুণী প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
উদ্যোক্তারা জানান, রক্তদানের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতা থেকেই এ উদ্যোগের সূচনা। ব্লাডরিচের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মো. ইয়াসিন ইসলাম কলেজ জীবন থেকেই নিয়মিত রক্তদাতা হিসেবে কাজ করছেন। স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে যুক্ত থেকে তিনি দেখেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য ব্লাড ডোনেশন গ্রুপ থাকলেও জরুরি মুহূর্তে কাঙ্ক্ষিত রক্তদাতাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এই বাস্তব সমস্যা থেকেই ব্লাডরিচ তৈরির চিন্তা মাথায় আসে।
জরুরি মুহূর্তে রক্তের জন্য ভোগান্তি কমাতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর উদ্ভাবন ‘ব্লাডরিচ’ (BloodReach) ওয়েব অ্যাপ ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে। ব্লাড গ্রুপ ও অবস্থানভিত্তিক দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে পাওয়া, সরাসরি যোগাযোগ, ইমার্জেন্সি রিকোয়েস্ট এবং স্বয়ংক্রিয় ডোনার ম্যানেজমেন্ট সুবিধাসহ সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি এই প্ল্যাটফর্মটি দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল রক্তসেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। বর্তমানে ৩৭ জন স্বেচ্ছাসেবী এর কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
প্রথমে একটি সাধারণ গুগল শিটে রক্তদাতাদের তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর চালু করা হয় ব্লাডরিচের ফেসবুক পেজ। ধীরে ধীরে পরিকল্পনাটি আরও বিস্তৃত রূপ নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের পরামর্শ ও উৎসাহে এবং নিজেদের সঞ্চিত অর্থে তৈরি করা হয় পূর্ণাঙ্গ ওয়েব অ্যাপটি।
ব্লাডরিচের প্রধান লক্ষ্য হলো কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই রক্তগ্রহীতাকে সরাসরি রক্তদাতার সঙ্গে যুক্ত করা। ব্যবহারকারীরা ব্লাড গ্রুপ ও অবস্থানভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে মুহূর্তেই সম্ভাব্য রক্তদাতার তথ্য খুঁজে পেতে পারেন। এছাড়া ওয়েব অ্যাপ থেকেই ডোনারের মোবাইল নম্বর বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে।
ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত করা হয়েছে বেশ কিছু আধুনিক ফিচার। একজন রক্তদাতা রক্ত দেওয়ার পর তাঁর প্রোফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে চার মাসের জন্য অদৃশ্য (হাইড) হয়ে যায়। ফলে ওই সময়ের মধ্যে তাঁকে বারবার ফোন বা অনুরোধের সম্মুখীন হতে হয় না। নির্ধারিত সময় শেষে প্রোফাইলটি আবার সক্রিয় হয়ে যায়।
এছাড়া গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মাত্র এক ক্লিকেই নিবন্ধন করা যায়। জরুরি রক্তের প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ব্লাড রিকোয়েস্ট পোস্ট করার সুযোগও পাচ্ছেন।
উদ্যোক্তারা জানান, কোনো বড় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বা করপোরেট সহায়তা ছাড়াই সম্পূর্ণ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে। তাঁদের লক্ষ্য ব্লাডরিচকে দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর রক্তসেবা প্ল্যাটফর্মে পরিণত করা।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তাঁরা জানান, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ব্লাডরিচের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, ব্লাড ব্যাংক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তরুণ উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে রক্তসংকটজনিত দুর্ভোগ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে চলছে ব্লাডরিচ।
বর্তমানে ইন্টারনেট সংযোগ এবং একটি গুগল অ্যাকাউন্ট থাকলেই যে কেউ BloodReach প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে রক্তদাতা হিসেবে নিবন্ধন করতে অথবা প্রয়োজনীয় রক্তের সন্ধান পেতে পারেন। জীবন বাঁচানোর এই ডিজিটাল উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সচেতন মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিজিবির উদ্ধার, স্বজনদের খোঁজ
জামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় ২৪ ঘণ্টা আটকে থাকা বৃদ্ধের মিল্লো পরিচয়

ছবি ভাইরাল হতেই পরিবারের খোঁজ, পরিচয় মিলল সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তে বাংলাদেশ-ভারত শূন্যরেখায় দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টা আটকে থাকা বৃদ্ধের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তার নাম ষষ্টি চন্দ্র বর্মন (৬৮)। সে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চাঁন্দলাই গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাকে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে। ধানুয়া কামালপুর বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা এসে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলে তাকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বর্তমানে তিনি থানার নিরাপদ হেফাজতে রয়েছেন।
এর আগে বুধবার (১০ জুন) সকালে রামরামপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ওই বৃদ্ধকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ-ইন) করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় দেশের সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের শক্ত অবস্থানের মধ্যে পড়ে বৃদ্ধটি দীর্ঘ সময় শূন্যরেখায় আটকে থেকে মানবেতর জীবনযাপন করেছেন।
পরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ছবি ও খবর প্রকাশিত হলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর তারা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে বৃদ্ধের পরিচয় নিশ্চিত করেন।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ষষ্টি চন্দ্র বর্মনের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করা হয়েছে। বিজিবি তাকে থানায় হস্তান্তর করেছে এবং তার স্বজনরা রাজশাহী থেকে বকশীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তারা আসলে সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সীমান্তে এই অমানবিক এই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘ সময় শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর অবশেষে বৃদ্ধের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।





















