সফর শেষ, ইটও শেষ
প্রধানমন্ত্রীর যাবার পরপরই তুলে নেয়া হলো সেই রাস্তার ইট সফরে, বৃষ্টিতে কাদায় ডুবছে জনপদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী সফরের সময় আধা কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় ইট-বালু ফেলে রাতারাতি নির্মাণ করেছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হয়েছে। ছবি : আজকের কথা
বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে তৈরি হওয়া একটি সড়ক এখন স্থানীয়দের হাস্যরস ট্রল ও ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সফরের আগে রাতারাতি কাঁচা রাস্তায় ইট-বালু ফেলে চলাচল উপযোগী করা হলেও তার সফর শেষ হওয়ার পরপরই সেই ইট তুলে নেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক রসালো হাস্যরস ব্যাঙ্গাত্মক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী সফর উপলক্ষে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চৌকির খাল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মিটার কাঁচা সড়কে অস্থায়ীভাবে ইট ও বালু ফেলে পরিস্কার ঝকেঝকে চলাচলের ব্যবস্থা করে।
তবে সফর শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ওই সড়ক থেকে ইট তুলে নেওয়া হয়।
বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি আবারও কাদাময় হয়ে পড়েছে। এতে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি চলার জন্য রাতারাতি রাস্তা তৈরি হলেও সাধারণ মানুষের চলাচলের কথা কেউ ভাবেনি। এতে স্পষ্ট বুঝাযায় জনগনের কোন মূল্যই নাই।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নশিপুর ইউনিয়নের ওই সড়কটি পাকাকরণের জন্য আগেই এলজিইডি থেকে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গত বছরের আগস্টে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশও দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও ঠিকাদার কাজ শুরু করেননি।
এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে দ্রুত সড়কটি লোক দেখানো চলাচল উপযোগী করতে অস্থায়ীভাবে ইট বিছানো হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ কাজে আনুমানিক ১০ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।
অথচ সফর শেষ হওয়ার পর সেই ইটও তুলে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এলজিইডির বগুড়া নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, সড়কটি স্থায়ীভাবে নির্মাণের জন্য আগেই ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। যেহেতু মূল কাজ শুরু হয়নি, তাই প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় অস্থায়ীভাবে সোলিং করা হয়েছিল। পরে সেই ইট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ইটগুলো কেনা হয়নি, বরং ভাড়ায় আনা হয়েছিল। ইট কিনলে ব্যয় আরও বেশি হতো। তাই নিয়ম মেনেই অস্থায়ীভাবে ব্যবহার শেষে তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, বাগবাড়ি-সোনাহাটা সড়ক থেকে জিয়াবাড়ি পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি কার্পেটিংয়ের জন্য গত অর্থবছরে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কার্যাদেশ অনুযায়ী চলতি বছরের আগস্টের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মূল সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।
গাবতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান জানান, সড়কের জমি ও সীমানা সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে ঠিকাদারকে সাইট বুঝিয়ে দিতে বিলম্ব হয়েছে। বর্তমানে রাস্তার পাশে প্যালাসাইডিংয়ের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের কারণে দ্রুত রাস্তা ব্যবহার উপযোগী করতে ইট বিছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় ১৫০ মিটার অতিরিক্ত রাস্তা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজসহ মোট ব্যয় প্রায় ১০ লাখ টাকা হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলা পরিষদ থেকে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাকি অর্থ এখনও ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়নি।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, যদি সড়ক নির্মাণের জন্য আগেই ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ এবং কার্যাদেশ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ ছিল কেন? আর শুধু প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় একটি সড়কে স্থায়ী উন্নয়নের পরিবর্তে কেন ‘ভাড়ার ইট’ দিয়ে সাময়িক সমাধানের পথ বেছে নেওয়া হলো?
এদিকে বর্ষার শুরুতেই কাঁচা রাস্তাটি কাদাময় হয়ে পড়ায় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কের স্থায়ী নির্মাণকাজ শুরু ও শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
দেবীদ্বারে নাশকতা মামলায় যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দেবীদ্বার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন বাজার এলাকার আলফু মিয়ার ছেলে ও পৌর যুবলীগের সহসভাপতি মো. রাসেল (৪০), সুবিল ইউনিয়নের মধ্যপাড়া চানবক্স সরকার বাড়ির মো. আমির হোসেনের ছেলে ও সুবিল ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন (৩২) এবং সুলতানপুর ইউনিয়নের ছেচরাপুকুরিয়া গ্রামের মো. জসিম উদ্দীনের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মেহেদী হাসান (২৩)।

নাশকতা মামলায় আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের পর নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে অভিযান জোরদার করা হয়। ওই মিছিলের নেতৃত্বে দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মামুনুর রশীদ মামুন ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই।
এরপর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নাশকতা মামলায় আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়ায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ, সাড়ে ১২ লাখ টাকায় মীমাংসা

ভুল চিকিৎসার অভিযোগে হাসপাতালে উত্তেজনা, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর পপি আক্তার (২৫) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুরের চেষ্টা করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত সালিস বৈঠকে সাড়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহত পপি আক্তার উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাকুই রহমতপুর গ্রামের মো. মোহন মিয়ার স্ত্রী। তাঁর দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। এছাড়া ১৪ দিন বয়সী একটি নবজাতকও রয়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, গত ৪ অক্টোবর ব্রাহ্মণপাড়া সদর এলাকার আল বারাকা হাসপাতালে পপি আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের সময় ভুল চিকিৎসার কারণে তাঁর রক্তনালি কেটে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৮ অক্টোবর মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পপি আক্তারের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে তারা হাসপাতালটিতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে সাহেবাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাড়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
সাহেবাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, “মেয়েটির অকালমৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। ঘটনার খবর পেয়ে আমি সরাসরি গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। মাতৃহীন দুটি অবুঝ শিশুর ভবিষ্যৎ এবং সার্বিক দিক বিবেচনা করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সাড়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে আল বারাকা হাসপাতালের মালিক কাফির সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এলাকাবাসী হাসপাতালে ভাঙচুরের প্রস্তুতি নিলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ হাসিবুর রেজা বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মায়ের আইফোন নিয়ে নিখোঁজ অপ্রতিম, লালমাই পাহাড়ে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের (নাহিদা নাহিদ) নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতীমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
শনিবার দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ লালমাই পাহাড় এলাকার জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতীমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও ডিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে।

এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও ডিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে একমাত্র সন্তান অপ্রতীমকে হারিয়ে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। তার মৃত্যুর ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।


























সুন্দর