শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

মায়ের আইফোন নিয়ে নিখোঁজ অপ্রতিম, লালমাই পাহাড়ে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৫ পিএম
লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার অপ্রতীমের মরদেহ।

লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার অপ্রতীমের মরদেহ। ছবি : ফাইলফটো

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের (নাহিদা নাহিদ) নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
  • নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
  • অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের (নাহিদা নাহিদ) নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার অপ্রতীমের মরদেহ।
লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার অপ্রতীমের মরদেহ। ছবি : দৈনিক আজকের কথা

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

দৈনিক আজকের কথা
মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতীমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
— মাহমুদুল হাসান
সহকারী প্রক্টর, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

শনিবার দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ লালমাই পাহাড় এলাকার জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতীমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও ডিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে।

দৈনিক আজকের কথা
এটি হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও ডিবিসহ বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
— রকিবুল ইসলাম
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে একমাত্র সন্তান অপ্রতীমকে হারিয়ে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। তার মৃত্যুর ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

ব্রাহ্মণপাড়ায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ, সাড়ে ১২ লাখ টাকায় মীমাংসা

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
ব্রাহ্মণপাড়ায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ, সাড়ে ১২ লাখ টাকায় মীমাংসা

ভুল চিকিৎসার অভিযোগে হাসপাতালে উত্তেজনা, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর পপি আক্তার (২৫) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুরের চেষ্টা করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত সালিস বৈঠকে সাড়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিহত পপি আক্তার উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাকুই রহমতপুর গ্রামের মো. মোহন মিয়ার স্ত্রী। তাঁর দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। এছাড়া ১৪ দিন বয়সী একটি নবজাতকও রয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, গত ৪ অক্টোবর ব্রাহ্মণপাড়া সদর এলাকার আল বারাকা হাসপাতালে পপি আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের সময় ভুল চিকিৎসার কারণে তাঁর রক্তনালি কেটে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৮ অক্টোবর মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পপি আক্তারের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে তারা হাসপাতালটিতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে সাহেবাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাড়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

সাহেবাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, “মেয়েটির অকালমৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। ঘটনার খবর পেয়ে আমি সরাসরি গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। মাতৃহীন দুটি অবুঝ শিশুর ভবিষ্যৎ এবং সার্বিক দিক বিবেচনা করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সাড়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে আল বারাকা হাসপাতালের মালিক কাফির সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

দৈনিক আজকের কথা
এলাকাবাসী হাসপাতালে ভাঙচুরের প্রস্তুতি নিলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
— মো. ফারুক হোসেন
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), ব্রাহ্মণপাড়া থানা।

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ হাসিবুর রেজা বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ অপ্রতিম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের আকুতি

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩০ পিএম
মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ অপ্রতিম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের আকুতি

কুমিল্লায় ১৩ বছরের অপ্রতিম নিখোঁজ, ছেলেকে বাঁচাতে মায়ের আকুতি

কোটবাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ, সিসিটিভিতে অজ্ঞাত এক কিশোরের সঙ্গে দেখা গেছে

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে অপ্রতিম নামে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তার পরিবার।

নিখোঁজ অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল পাঞ্জাবি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে মায়ের আইফোন নিয়ে শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অপ্রতিম একটি অটোরিকশায় করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যায়। সেখানে এক কিশোরের সঙ্গে তার হাত মেলানো এবং প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে পাওয়া গেছে। তবে ওই কিশোরের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, “আমাদের দুটি টিম গতকাল থেকে কাজ করছে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম ছেলেকে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার ছেলেকে বেলা ৩টা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে আমার আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। এরপর আর ফিরে আসেনি। সবাইকে অনুরোধ করছি, যে যেখান থেকে পারেন আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে সহায়তা করুন।”

এদিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে ছেলেকে উদ্ধারে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন নাহিদা বেগম। তিনি লিখেছেন, “আমার ছেলেকে বিকাল ৩টা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর নাম অপ্রতিম। বয়স ১৩। ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় পরনের এই পাঞ্জাবিটা ছিল গায়ে। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।”

তিনি আরও লেখেন, “আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাতজোড় করছি, আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নেই। ফেসবুক আইডি যে ফোনে, সেটা বাসায় রেখে গেছে। আপডেট থাকলে জানাবো। আপনারা দয়া করে চেষ্টা করেন।”

অপ্রতিমের সন্ধান পেলে তার বাবা শাহরিয়ারের ০১৭১৯-৬২৫৬৯০ অথবা মা ড. নাহিদা বেগমের ০১৭১৯-৯০০৭৬৯ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পরিবার।

নিখোঁজ কিশোরের পরিচয়:
নাম: অপ্রতিম
বয়স: ১৩ বছর
শ্রেণি: সপ্তম
উচ্চতা: প্রায় ৫ ফুট
গায়ের রং: শ্যামলা
নিখোঁজের সময় পরনে: পাঞ্জাবি
শেষ অবস্থান: কুমিল্লার কোটবাড়ি, গন্ধমতি এলাকা

‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি গোপন এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে’ —অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০২ এএম
‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি গোপন এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে’ —অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন

মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভিত্তির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানকে পরিবর্তন বা নস্যাৎ করার জন্য একটি ‘গোপন এজেন্ডা’ নিয়ে কাজ করা হয়েছে। তার অভিযোগ, রাষ্ট্র সংস্কারের আড়ালে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, সংবিধান, জাতীয় সংগীত ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক-সাংস্কৃতিক পরিচয়কে পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আদালতপাড়ায় সংবিধান হাতে নিয়ে তা সমুন্নত রাখার কথা বলেছিলেন অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন। এ সময় তিনি দীর্ঘ তিন মাস কারাভোগ করেছেন বলে জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, জুলাই আন্দোলন, জুলাই সনদ, গণভোট, রাষ্ট্র সংস্কার, দায়মুক্তি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ-এর বার্তা প্রধান রাশেদ আহমেদের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন তিনি।

‘মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার মানে নিজের শেকড় অস্বীকার’

ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং সংবিধান—এই দুটি বিষয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রের ভিত্তি। তার ভাষায়, মুক্তিযুদ্ধ করেই বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের জায়গা থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্লেষণ করলে তার কাছে প্রশ্ন আসে—বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মকে কেউ অস্বীকার করলে তার অবস্থান কী হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা মানে নিজের শেকড়, নিজের মা-বাবাকে অস্বীকার করার মতো—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।

‘রাষ্ট্র সংস্কারকে ঢাল বানিয়ে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা’

৫ আগস্টের পরের পরিস্থিতি সম্পর্কে অধ্যাপক কার্জন বলেন, তখন রাষ্ট্রে একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা ছিল না এবং সংসদ সদস্যদের অধিকাংশই অনুপস্থিত ছিলেন। তার মতে, ওই পরিস্থিতিতে ‘ডকট্রিন অব নেসেসিটি’ বা প্রয়োজনীয়তার নীতির ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।

তবে তার অভিযোগ, ক্ষমতায় যাওয়ার পর পুলিশ ঠিকমতো কাজ করতে পারেনি, সেনাবাহিনীকে কাজ করতে দেওয়া হয়নি, আমলাতন্ত্রে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন এবং অর্থনীতিও স্বাভাবিকভাবে চলছিল না।

দৈনিক আজকের কথা
মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি গোপন এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে। রাষ্ট্র সংস্কারের নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধান ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক-সাংস্কৃতিক ভিত্তিকে পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছে।
— অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন
আইন বিভাগের শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

অধ্যাপক কার্জনের অভিযোগ, একপর্যায়ে রাষ্ট্র সংস্কারকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পাঁচ বছর, দশ বছর কিংবা অনির্দিষ্ট সময় ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

‘রিসেট বাটন দিয়ে বাংলাদেশকে পাল্টানোর চেষ্টা’

ড. ইউনূসের ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ এবং ‘রিসেট বাটন’ প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক কার্জন বলেন, এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি মনে করেন বাংলাদেশকে একটি ভিন্ন কাঠামোয় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

তার অভিযোগ, ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’-এর কথা বলা হয়েছে, সংবিধান কবর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ফ্যাসিবাদের চেতনা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরের ভবন ভাঙা, মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মারক ও ইতিহাসের ওপর আক্রমণ, বেগম রোকেয়ার মুখ কালো কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া, বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু ও কবি জীবনানন্দ দাশের নাম মুছে ফেলার মতো ঘটনাগুলোও তিনি এ প্রসঙ্গে তুলে ধরেন।

সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে অধ্যাপক কার্জন বলেন, শুধু হিন্দু পরিচয়ের কারণে অনেকে পেশাগতভাবে পদচ্যুত বা পদাবনতি পেয়েছেন এবং তাদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছিল।

‘সংবিধানে সমস্যা থাকলে সংশোধনের সুযোগ আছে’

বাংলাদেশের সংবিধানের সমস্যা কোথায়—এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক কার্জন বলেন, পৃথিবীর কোনো সংবিধানই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। সময়ের সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন ও আধুনিকায়নের সুযোগ থাকে।

তার মতে, ১৯৭২ সালের সংবিধানে একটি সংবিধানের প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যগুলো ছিল এবং সেখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা কিংবা সাংবিধানিক কাউন্সিলের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের মতো বিষয়গুলো সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমেই করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

তার প্রশ্ন—তাহলে সংবিধানের বাইরে গিয়ে ‘এক্সট্রা-কনস্টিটিউশনাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’-এর প্রয়োজন কেন?

‘জনগণের অর্ধেককে বাদ দিয়ে জনগণের চার্টার হয় না’

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে অধ্যাপক কার্জন বলেন, একটি দেশের অর্ধেক মানুষকে বাদ দিয়ে কোনো চার্টারকে জনগণের চার্টার বলা যায় না।

তার দাবি, রাজনৈতিকভাবে দীর্ঘ সময় ধরে যে ঘাটতি ছিল, তার মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলকতার অভাব অন্যতম। ফলে যে চার্টারকে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র সংস্কারের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, সেখানে জনসংশ্লিষ্টতা থাকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কিছু নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষক জুলাই সনদকে ‘এলিট সেটেলমেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ অসাংবিধানিক’

বিএনপি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি—এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক কার্জন বলেন, বিএনপি এ ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তার বক্তব্য, বর্তমান সংবিধানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো বিধান নেই। তাই সংবিধানের বাইরে গিয়ে ওই পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগও নেই।

‘গণভোটের বিধান সংবিধানে নেই’

গণভোট প্রসঙ্গে অধ্যাপক কার্জন বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে গণভোটের কোনো বিধান নেই। ফলে এ জন্য অধ্যাদেশ করতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ওই অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদিত না হলে গণভোটের আইনগত ভিত্তি কী থাকবে।

এ ছাড়া গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার সুযোগ না দেওয়া এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠে নামানোর অভিযোগও তিনি তোলেন।

নির্বাচন কমিশন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটের পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নেওয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেছে—এমন দাবি করে অধ্যাপক কার্জন এ নিয়ে ভবিষ্যৎ আইনি প্রশ্নের কথাও উল্লেখ করেন।

তার দেওয়া হিসাবে, গণভোটে ৬৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ এবং ৩০ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছে এবং ১১টি জেলায় ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। তার মতে, ৩০ শতাংশ ‘না’ ভোটকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

‘চার প্রশ্নের মধ্যে ৪৮টি প্রশ্ন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে’

জুলাই সনদের চারটি প্রশ্নের মধ্যে ৪৮টি প্রশ্ন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অধ্যাপক কার্জন।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের উল্লেখ করে তিনি বলেন, সালাহউদ্দিন সাহেব নিজে পড়তে আড়াই ঘণ্টা সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন। তিনি হুকুমত কমিশনে বিএনপির প্রতিনিধি ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া অধ্যাপক শাহদীন মালিকসহ বিভিন্ন অধ্যাপক, বিশ্লেষক ও আইনজীবী বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

‘প্রত্যেকটি হত্যার বিচার হতে হবে’

জুলাই আন্দোলন ও পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে অধ্যাপক কার্জন বলেন, পুলিশ হোক কিংবা সাধারণ মানুষ—প্রত্যেকটি জীবন গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রত্যেকটি হত্যার বিচার হওয়া প্রয়োজন।

তার বক্তব্য, পুলিশ যেমন ইচ্ছেমতো কাউকে হত্যা করতে পারে না, তেমনি আন্দোলনকারীরাও ইচ্ছেমতো পুলিশকে হত্যা করতে পারে না।

পুলিশ হত্যার ভয়াবহতার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের হত্যা করে লাশ জ্বালিয়ে দেওয়া, গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া, কোপানোর পর গুলি করার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

তার দাবি, সরকারি হিসাবে ৪৬ জন পুলিশ নিহত হয়েছেন এবং বেসরকারি হিসাবে সংখ্যাটি আরও বেশি।

আইনের অধ্যাপক হিসেবে তিনি বলেন, কোনো হত্যাকাণ্ড আত্মরক্ষার কারণে হয়ে থাকলে সেটিও আইনের নির্ধারিত মানদণ্ডে প্রমাণ করতে হবে।

‘নিঃশর্ত দায়মুক্তি পৃথিবীর কোনো দেশে দেওয়া হয় না’

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে দেওয়া দায়মুক্তির সমালোচনা করে অধ্যাপক কার্জন বলেন, এটি ‘নিঃশর্ত দায়মুক্তি’ এবং পৃথিবীর কোনো দেশে এ ধরনের দায়মুক্তি দেওয়া হয় না বলে তিনি মনে করেন।

তার বক্তব্য, আন্দোলনকারীদের হাতে পুলিশ হত্যা যেমন তদন্তের আওতায় আসতে হবে, তেমনি পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্ত করতে হবে।

কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করতে পারে এবং সেই শক্তি প্রয়োগ আইনসঙ্গত ছিল কি না—তা আইনের মানদণ্ডে নির্ধারণ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

‘মেটিকুলাস ডিজাইন দিয়ে রাষ্ট্র চলতে পারে না’

অধ্যাপক কার্জনের ভাষ্য, ড. ইউনূসের কথিত ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে দেশকে বিদেশি স্বার্থের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা কথিত ২২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া যদি কোনো চুক্তি থেকে বের হয়ে আসতে পারে, তাহলে বাংলাদেশও বের হওয়ার পথ খুঁজে নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত শিক্ষা, অর্থনীতি ও স্বাস্থ্য। সামরিক শক্তির ক্ষেত্রেও দেশের প্রয়োজন ও সক্ষমতার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত।

‘জনগণের সামনে পরিষ্কার এজেন্ডা দিতে হবে’

গোপন এজেন্ডা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সমালোচনা করে অধ্যাপক কার্জন বলেন, কোনো রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের পরিকল্পনা থাকলে তা জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে হবে।

তার ভাষায়, ‘এই আমার এজেন্ডা, এটা আমি করতে চাই’—এভাবে জনগণের সামনে বিষয়টি উপস্থাপন করতে হবে এবং জনগণই সিদ্ধান্ত দেবে তারা সেটি সমর্থন করবে কি না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় সংগীত ও সংবিধান নিয়ে পরিবর্তনের নানা বক্তব্য সামনে এসেছে এবং সংশ্লিষ্টরা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির ‘বি-টিমে’ পরিণত হয়েছে।

‘দায়মুক্তির প্রশ্ন তিনবার এসেছে’

দায়মুক্তির প্রসঙ্গে অধ্যাপক কার্জন বলেন, এই প্রশ্ন তিনবার সামনে এসেছে। একবার নির্বাহী আদেশে ১৫ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট—এবং ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরে আরও দুটি অধ্যাদেশ দায়মুক্তির জন্য করা হয়েছে।

তার প্রশ্ন, ১৯৬৯ সালের আন্দোলনে দায়মুক্তির প্রশ্ন ওঠেনি, ১৯৯০ সালের আন্দোলনেও ওঠেনি—তাহলে এবার দায়মুক্তির প্রশ্ন কেন এসেছে?

তার মতে, আগে নির্ধারণ করতে হবে—এটা কতটা আন্দোলন, কতটা নাশকতা, কতটা ষড়যন্ত্র এবং কতটা ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’। এরপরই বোঝা যাবে কোথায় কী ঘটেছে।

শেষ কথা

দীর্ঘ এই আলাপচারিতায় অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধান, রাষ্ট্র সংস্কার, জুলাই সনদ, গণভোট, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং দায়মুক্তি নিয়ে তার অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন ও অভিযোগ উত্থাপন করেন।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ: রাশেদ আহমেদ
বার্তা প্রধান, সংবাদ

অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন
আইন বিভাগের শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

×
ENG