কুমিল্লা মহাসড়কে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, চান্দিনায় আটক ৩

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঝটিকা মিছিল থেকে আটক মো. সারোয়ার, সাদ্দাম হোসেন ও সারোয়ার হোসেন রাকিব। ছবি: সংগৃহীত
আদালতের রায়ের প্রতিবাদে মিছিল; ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ, বাকিরা পালিয়ে যায়
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশে ঝটিকা মিছিল করার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চান্দিনা, দাউদকান্দি ও মুরাদনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী তীরচর-লাজৈর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটের দিকে মুরাদনগরের লাজৈর এলাকা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি চান্দিনার তীরচরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়। অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, সাবেক সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই ও দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুনের নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয়। মিছিলে শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এ সময় ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয় বলেও জানা গেছে।
পুলিশের হাতে আটক তিনজন হলেন—কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার হাটাশ গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মো. সারোয়ার (১৬), একই থানার দৌলবাড়ি গ্রামের মৃত শিশু মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৭) এবং দেবীদ্বার উপজেলার ছেচরাপুকুরিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে সারোয়ার হোসেন রাকিব (৩০)।
আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ‘কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগ’ লেখা একটি ব্যানার ও কয়েকটি বাংলাদেশের পতাকা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, মহাসড়কে টহল দেওয়ার সময় মিছিলকারীদের আটক করা হয়েছে। তবে আটকের স্থানটি মুরাদনগর থানা এলাকার মধ্যে পড়ায় আটক ব্যক্তিদের মুরাদনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আমরা মহাসড়কে টহলরত অবস্থায় তাদের আটক করি। যে স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়েছে, সেটি থানার সীমানার দিক থেকে মুরাদনগর থানা এলাকার মধ্যে পড়ে। সে কারণে তাদের মুরাদনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশের এই আটকের ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ দেখছে।
এদিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
অপ্রতিমের জানাজা-দাফন রোববার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের জানাজা ও দাফন আগামীকাল রোববার অনুষ্ঠিত হবে। অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ সেপ্টেম্বর সাধারণ শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবদুল হাকিম শনিবার রাতে জানান, রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে সকাল ১১টায় গন্ধমতি এলাকার তার বর্তমান বাসার কাছে দ্বিতীয় জানাজা শেষে সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস ও পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষা রোববার স্থগিত থাকবে। স্থগিত পরীক্ষার নতুন সময়সূচি পরে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো হবে।
শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০ সেপ্টেম্বর সাধারণ শোক ঘোষণা করেছে।
এর আগে শনিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
অপ্রতিম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়। পরিবারের ভাষ্য, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। এরপর আর সে বাসায় ফেরেনি। তার সঙ্গে থাকা আইফোনটিও এখনো উদ্ধার হয়নি।
অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় অপ্রতিমের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ বছর বয়সী দুই কিশোরকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
অপ্রতিমের মৃত্যু নিয়ে তার পরিবার, সহপাঠী ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
কুমিল্লায় অপ্রতীমের মৃত্যুতে কান্না, নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮ শিশু কোথায়?

কুমিল্লার ১৩ বছর বয়সী ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের নিখোঁজ হওয়ার পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোক নেমে এসেছে। পরিবারের পাশাপাশি বিভিন্ন মহল থেকেও ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিশুদের নিরাপত্তা এবং নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বাংলাদেশ পুলিশের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে সারা দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা হলেও ২ হাজার ৩৮ জন শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
এই পরিসংখ্যানের মধ্যে কুমিল্লার অপ্রতীমের ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একটি শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা যেমন জরুরি, তেমনি এখনো নিখোঁজ থাকা হাজারো শিশুর সন্ধান এবং তাদের পরিবারের উদ্বেগের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি রাখে।
অপ্রতীমের ঘটনায় একজন সংসদ সদস্যকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অনলাইনে কথা বলতে এবং শিশুটির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এ ধরনের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও, একই সময়ে দেশের হাজারো নিখোঁজ শিশুর পরিবারের কাছে রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও তদন্তের অগ্রগতি কতটা পৌঁছাচ্ছে, সেটিও আলোচনায় আসছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অনলাইন যোগাযোগ বা ব্যক্তিগত কথোপকথন প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিষ্টাচারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
কুমিল্লায় জেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় শিশু নিখোঁজ, কিশোর অপরাধ এবং শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়গুলো কতটা গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এসব সভার সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবি নিয়ে আলোচনা চলার পাশাপাশি জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের দাবিও উঠেছে। কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোকে সরকারি হেরিটেজের আওতায় এনে সংরক্ষণ, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের দাবি জানানো হয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে।
তবে ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ও স্থাপনার মালিকানা, জমির রেকর্ড এবং আইনগত অধিকারও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ যেন কোনোভাবেই ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি নিয়ে নতুন বিরোধ বা দখলসংক্রান্ত পরিস্থিতি তৈরি না করে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি।
অপ্রতীমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি দেশের অন্য নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
ছবির ক্যাপশন : ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম…. ছবি।
দেবীদ্বারে নাশকতা মামলায় যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দেবীদ্বার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন বাজার এলাকার আলফু মিয়ার ছেলে ও পৌর যুবলীগের সহসভাপতি মো. রাসেল (৪০), সুবিল ইউনিয়নের মধ্যপাড়া চানবক্স সরকার বাড়ির মো. আমির হোসেনের ছেলে ও সুবিল ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন (৩২) এবং সুলতানপুর ইউনিয়নের ছেচরাপুকুরিয়া গ্রামের মো. জসিম উদ্দীনের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মেহেদী হাসান (২৩)।

নাশকতা মামলায় আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের পর নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে অভিযান জোরদার করা হয়। ওই মিছিলের নেতৃত্বে দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মামুনুর রশীদ মামুন ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই।
এরপর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নাশকতা মামলায় আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
























