মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র কেয়া পদত্যাগ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫, ১:০৫ পিএম
কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র কেয়া পদত্যাগ
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লায়-বৈষম্যবিরোধী-ছাত্র-আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তের সঙ্গে ‘বেইমানি নয়’— বললেন কেয়া

কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নতুন মোড় নিয়েছে। মুরাদনগর উপজেলার এই আন্দোলনের মুখপাত্র খাদিজা আক্তার কেয়া হঠাৎ করেই পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ফেসবুক পোস্টে কেয়া লেখেন,

“আমরা গণঅভ্যুত্থানের পর একটি প্ল্যাটফর্মে এসেছিলাম মুরাদনগর থেকে। সেই অভ্যুত্থানে আমাদের হাজারো ভাই-বোন শহীদ হয়েছেন। আমি তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করতে পারি না। তাই আমি নিজেই এসব কিছু থেকে সরে দাঁড়ালাম। আজ (শনিবার) থেকে এ প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।”

তিনি আরও লেখেন,

“যার জন্য করলাম চুরি, সেই বলে চোর! এটা আমার ক্ষেত্রেই যে প্রযোজ্য হবে না, কে বলল?”

কেয়া দাবি করেন, তিনি সবসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন দায়িত্বশীল কর্মী ছিলেন। তবে আজকের পর থেকে তার আর কোনো সম্পৃক্ততা থাকছে না।

তিনি আরও বলেন,

“দেশের স্বার্থে আমি সবসময় লড়াই করে যাব। আমাকে সবসময় দেশের পক্ষে পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।”

কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে— আন্দোলন কি নতুন নেতৃত্বের দিকে যাচ্ছে?

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বরগুনার আমতলীতে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রাতের আঁধারে খাল খনন-গাছ কেটে সাবাড়, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ। ছবি : আজকের কথা

বরগুনার আমতলী উপজেলায় রাতের আঁধারে খাল খনন ও খালের দুই পাড়ের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. কায়েসুর রহমান ফকুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় গত এপ্রিল মাসে কুকুয়া ইউনিয়নের কালিপুরা খালের ২ হাজার ৫০০ মিটার খননের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ পান সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। গত ২০ মে থেকে খননকাজ শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সেচ দিয়ে খাল খননের কথা থাকলেও তা না করে রাতের আঁধারে দায়সারাভাবে ভরা খাল কাটা হচ্ছে। পাশাপাশি ভেকু মেশিন ব্যবহার করে খালের দুই পাড়ের অসংখ্য গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দিলেও কাজ বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে খাল খননের নামে প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করা হচ্ছে। এতে কৃষকদের কোনো উপকার হবে না, বরং পরিবেশ ও খালপাড়ের মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা আব্দুল জব্বার, নাদিম আহম্মেদ, রাসেল ও খলিল অভিযোগ করে বলেন, সঠিক নিয়ম না মেনে খননকাজ করায় পুরো প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত অনিয়ম বন্ধ ও সঠিকভাবে খাল খননের দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মুনসুরা বেগম বলেন, তার কয়েকটি গাছ ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গভীর রাতে খাল কাটার এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেননি।

এ বিষয়ে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল আউয়াল ও তাসলিমা বেগম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম করছেন। অভিযোগ জানানো হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রকৌশলীর পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে। তবে খননকাজে দু-একটি গাছ কাটা পড়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী জানান, রাতের আঁধারে সেচ ছাড়াই খাল খননের অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সঠিক নিয়ম না মানলে প্রকল্প বাতিল করা হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

উদ্ধার সাংবাদিক ও সংগঠনের পরিচয়পত্র

টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, টেকনাফে আটক ১

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম
টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, টেকনাফে আটক ১

কক্সবাজারের টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ছবি : আজকের কথা

কক্সবাজারের টেকনাফে সাংবাদিক পরিচয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি মাইক্রোবাস থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় টেকনাফের হোয়াইক্যং চেকপোস্ট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ নুরের ছেলে মোহাম্মদ আনোয়ার (৫০)। তিনি পেশায় একজন চালক।

বিজিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাস হোয়াইক্যং চেকপোস্টে পৌঁছালে বিজিবির সদস্যরা নারকোটিক্স ডগ ‘হেনরী’র সহায়তায় গাড়িটিতে তল্লাশি চালান।

তল্লাশির সময় চালক আনোয়ার নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চেকপোস্ট অতিক্রমের চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে অশোভন আচরণও করেন।

পরে গাড়ির সিট কভারের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ নারী ও শিশু উন্নয়ন সোসাইটি এবং ‘দেশ সকাল’ নামের দুটি পরিচয়পত্রও জব্দ করা হয়।

উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ইয়াবার মূল সরবরাহকারী ও জড়িত চক্রকে শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

‘বর্তমান সরকার অবৈধ, শেখ হাসিনাই বৈধ প্রধানমন্ত্রী’— রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড়!

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২:৫০ এএম
‘বর্তমান সরকার অবৈধ, শেখ হাসিনাই বৈধ প্রধানমন্ত্রী’— রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড়!

গ্রাফিকস : দৈনিক আজকের কথা ও জয় বাংলার জয়

“আসামি ফিরলে বৈধ প্রধানমন্ত্রী কেন নয়?”— রীতা রায় মিঠুর স্ট্যাটাস ঘিরে উত্তাল নেটদুনিয়া


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিস্ফোরক রাজনৈতিক পোস্ট দিয়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছেন দেশের সুপরিচিত প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক ও কলামিস্ট রীতা রায় মিঠু। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সপক্ষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত এই লেখিকার সাম্প্রতিক রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাসটি সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন বা বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের বৈধতাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছে। একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টিকে সামনে এনে এটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা তৈরি করেছে।
সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ইস্যু ও ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে একটি কড়া প্রশ্ন ছুড়ে দেন এই কলামিস্ট।
পাঠকদের জন্য ভাইরাল হওয়া রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো:
“রাজনীতির খাতিরে গ্রেনেড মামলার প্রধান আসামি যদি ১৭ বছর পর দেশে ফিরতে পারে, দেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী কেন দেশে ফিরতে পারবে না!”

বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ’ ও শেখ হাসিনাকে ‘বৈধ’ দাবি

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেটিজেনদের মতে, এই ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে লেখিকা রীতা রায় মিঠু বর্তমান ক্ষমতাসীন শক্তিকে ‘মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী’ এবং ‘জোর করে ক্ষমতায় বসে থাকা অবৈধ সরকার’ হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। একই সাথে, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড মামলার প্রধান আসামির দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার ঘটনাকে রাজনীতির চাল চালার সাথে তুলনা করেছেন। তিনি পরোক্ষভাবে বর্তমান সরকার প্রধানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে শেখ হাসিনাকেই ‘দেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং তাঁর দেশে ফেরার জোর দাবি জানিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বনাম বর্তমান সরকার

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির একজন আজীবন সমর্থক ও স্পষ্টভাষী সাহিত্যিক হিসেবে রীতা রায় মিঠুর এমন কড়া অবস্থান ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপক ঝড় তুলেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান নানা নাটকীয়তার মধ্যে একজন প্রথম সারির লেখকের এমন সাহসী মন্তব্য দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
পোস্টটি শেয়ার হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্ট বক্সে আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং বর্তমান সরকারের সমর্থকদের মধ্যে তুমুল বাকযুদ্ধ ও মতাদর্শগত সংঘাত শুরু হয়েছে।

নেটিজেনদের তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  • সমর্থকদের দাবি: বর্তমান সরকার জোরপূর্বক ক্ষমতায় বসে দেশের গণতান্ত্রিক ও আইনি প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করেছে। একজন সচেতন নাগরিক ও দেশপ্রেমিক লেখিকা হিসেবে তিনি আসল সত্যটিই সাহসের সাথে তুলে ধরেছেন।
  • বিরোধীদের বক্তব্য: আদালতের রায় এবং ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সরকারকে এভাবে ‘অবৈধ’ বলা এবং সাবেক বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রীকে ‘বৈধ’ দাবি করা দেশের সাধারণ জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।

কথাসাহিত্যিক রীতা রায় মিঠুর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১৯৬৪ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করা এই প্রখ্যাত সাহিত্যিকের পৈতৃক নিবাস নারায়ণগঞ্জে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ড. জীবেন রায়-এর সহধর্মিণী এবং তিন কন্যাসন্তানের জননী। সাহিত্যাঙ্গনে ‘তুমি বন্ধু তুমি সখা’, ‘প্রত্যাবর্তন’, ‘তিমির হননের পালা’ এবং ‘অন্তহীন অপেক্ষা’-এর মতো বেশ কিছু জনপ্রিয় উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপরিচিত।
সাহিত্যের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁর এই সরাসরি ও কড়া রাজনৈতিক অবস্থান বর্তমান অস্থিতিশীল বাংলাদেশে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন দেশের রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×