প্রবাসে থেকেও বিবর্ন আওয়ামী লীগকে অক্সিজেন দিচ্ছেন সুশান্ত

🧭 বিবর্ণ আওয়ামী লীগকে শক্তি জুগিয়ে চলেছেন সুশান্ত দাস গুপ্ত— নেতৃত্বশূন্য সময়ে রাজনৈতিক দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ছবি- সংগৃহিত।
দল যখন নেতৃত্বশূন্য, মাঠ যখন ফাঁকা, কর্মীরা যখন দিশেহারা—ঠিক তখন দৃশ্যের আড়ালে থেকেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়ে রাখছেন আন্তর্জাতিকভাবে সফল, অথচ নিঃশব্দ এক কর্মী: প্রকৌশলী সুশান্ত দাস গুপ্ত। যুক্তরাজ্যে বসবাস করলেও, রাজনীতির টান আর দলের প্রতি দায়বদ্ধতাই তাকে করে তুলেছে বর্তমান আওয়ামী লীগের একজন অঘোষিত চালক। দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন যেন দল হারিয়ে না যায়, ভেঙে না পড়ে।
সুশান্ত দাস গুপ্ত বর্তমানে ব্রিটেনের মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্সের রয়্যাল মেরিনে পরিবেশ-স্বাস্থ্য-অগ্নিনিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত। তিনি শুধু একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রকৌশলী নন, বরং “AmarMP.com” এর মতো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে বাংলাদেশের রাজনীতিকে নাগরিকদের কাছে নিয়ে গেছেন।
তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, সেইসঙ্গে প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, মানবাধিকারসহ বহু প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে চলেছেন। আন্তর্জাতিক জগতে নিজের অবস্থান শক্ত করেও দেশের রাজনৈতিক দলকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে তার ভূমিকা নিঃসন্দেহে অনন্য।

— নেতৃত্বশূন্য সময়ে রাজনৈতিক দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ছবি- সংগৃহিত।
দলের ক্রান্তিকালে যখন কেউ পাশে নেই, তখন প্রবাসে থেকেও সুশান্ত দাস গুপ্ত হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অক্সিজেন। প্রযুক্তি, যোগাযোগ ও কৌশলে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে চলেছেন তিনি। তার এ প্রয়াস এখন কর্মীদের মনে সাহস জাগায়, অনুপ্রেরণা দেয় এবং ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করে সংগঠনের মজবুত ভিত।
তিনি হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বিএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের ইস্ট লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে দীর্ঘদিন “টেকশেড” নামক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম পরিচালনা করেন।
পেশাগতভাবে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের সদস্য—যেমন: American Society of Civil Engineers, Chartered Institute of Environmental Health, এবং Institute of Occupational Health। ব্যক্তিজীবনে তিনি দুই কন্যার জনক এবং ২০০৬ সাল থেকে লন্ডনে বসবাস করছেন।
সুশান্ত সামাজিক উদ্যোগেও সক্রিয়। তিনি AmarMP.com ও amarprotinidhi.org ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা, যেগুলোর মাধ্যমে জনগণ তাঁদের সংসদ সদস্যদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মটি সরকারের আইসিটি বিভাগের সহায়তায় গঠিত এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত।
তিনি International Federation of Journalists (IFJ)-এর সদস্য এবং GenocideBangladesh.org প্রজেক্ট হোস্ট। এছাড়া আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটিরও একজন সদস্য তিনি।
তিনি দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতাও বটে, যার কার্যালয় থেকে ২০২০ সালের ২১ মে তাঁকে একবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
ব্রিটিশ রয়্যাল মেরিনের উপদেষ্টা হিসেবে তার নিয়োগে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্টজনেরা অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ রয়্যাল মেরিনে বাংলাদেশি উপদেষ্টা— এই পরিচয় এখন আমাদের গর্বের অংশ।
দল যখন নেতৃত্বশূন্য, তখন প্রবাস থেকে নিঃশব্দে হাল ধরেছেন সুশান্ত দাস গুপ্ত। সংগঠনের দুঃসময়ে সামনে এসে দাঁড়ানোর মানুষ খুব কম থাকে—আর তেমনই এক বিরল উদাহরণ হয়ে উঠেছেন তিনি। রাজনৈতিক সংকটে দিশেহারা আওয়ামী লীগকে প্রযুক্তি, সংগঠন ও আস্থার এক নতুন ভাষা শিখিয়ে দিচ্ছেন সুশান্ত। দল পুনর্গঠনে তার চিন্তা, কাজ ও দূরদর্শিতাই আজ অনেক নেতাকর্মীর অনুপ্রেরণার উৎস। দৃশ্যের আড়ালে থেকে হলেও, তিনি যেন হয়ে উঠেছেন এ সময়ের আওয়ামী লীগের অপ্রকাশিত প্রেরণাদায়ী চালক।
৪০ দিন বন্ধ উৎপাদন
গ্যাস সংকটে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার

গ্যাস সংকটের কারণে চলতি অর্থবছরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা। টানা ৪০ দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন কম সার উৎপাদন হয়েছে বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদনের হাইলাইটস
- গ্যাস সংকটে টানা ৪০ দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- ৮.৫০ লাখ মেট্রিক টনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ৭,৬৪,৫৩৫ মেট্রিক টন।
- লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কম উৎপাদিত হয়েছে।
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯.৪০ লাখ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে গ্যাসের সংকটের কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অর্থবছর শেষে মোট উৎপাদন হয়েছে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল ইসলাম।
তিনি জানান, পরিবেশবান্ধব এই আধুনিক কারখানাটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন এবং বছরে প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জিত হলেও চলতি অর্থবছরে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উৎপাদন কমে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টনে নেমে আসে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কম উৎপাদিত হয়েছে।
তবে এ ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে নতুন অর্থবছরের জন্য উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ এবং যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, এমনকি অতিক্রম করাও সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা ২৩২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারি মালিকানাধীন পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে এটিই ছিল একমাত্র লাভজনক প্রতিষ্ঠান।
এর আগে দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা দৈনিক ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষম ঘোড়াশাল সার কারখানা এবং ৩০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষম পলাশ সার কারখানা ভেঙে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একীভূত ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণ করা হয়।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)-এর অধীনে প্রায় ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১০ একর জমির ওপর নির্মিত কারখানাটির উদ্বোধন করা হয় ২০২৩ সালের নভেম্বরে। পরে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে কারখানাটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন, যা দেশের সার উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বন্যপ্রাণী সেবার উদ্ধার অভিযান
চা পাতা তুলতে গিয়ে অজগর, শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আতঙ্ক

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার একটি চা বাগানে চা পাতা সংগ্রহের সময় একটি অজগর সাপ দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। নিরাপত্তার স্বার্থে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) সংলগ্ন ভুরভুরিয়া চা বাগানের সেক্টর-৯ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রমিকরা নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে চা পাতা সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় ঝোপের মধ্যে একটি বড় আকৃতির অজগর সাপ দেখতে পেয়ে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা দ্রুত কাজ বন্ধ করে বাগান কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে চা বাগানের ব্যবস্থাপক সিদ্দিকুর রহমান বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত অজগরটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর অভিযান
দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষিজমি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে দুটি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথমে উপজেলার তুলাগাঁও গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরে রামের দিঘিরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ড্রেজার পরিচালনার দায়ে মো. আব্দুস ছামাদকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত আরও একটি ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমির মাটি কাটার কারণে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ছিল। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে অবৈধ ড্রেজার ব্যবহার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, কৃষিজমি ধ্বংস, খাল-বিল ও জলাশয়ের ক্ষতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।





















