সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ভাইরাল চিঠি ঘিরে তোলপাড়

কুমিল্লা পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারের ‘ভুয়া চিঠি’ ভাইরাল, অপপ্রচারের অভিযোগ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১:৫৮ এএম
কুমিল্লা পুলিশ সুপার ভুয়া চিঠি

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। ছবি : দৈনিক আজকের কথা

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারের দাবি সম্বলিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া চিঠিটি সম্পূর্ণ ভুয়া। পুলিশ সদর দপ্তরের নাম ও সিল ব্যবহার করে তৈরি এই চিঠিটিকে জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা ‘শতভাগ ভুয়া’ বলে নিশ্চিত করেছেন। এই বিষয়ে পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন যে, একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে এই ভুয়া বিজ্ঞপ্তিটি ছড়াচ্ছে। বর্তমানে এই জাল চিঠি তৈরির সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে—এমন দাবি করে পুলিশ সদর দপ্তরের নামে একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চিঠিটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে দাবি করেছেন। পুলিশ সুপার নিজেও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, এটি একটি অপপ্রচারমূলক প্রচেষ্টা।

রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই চিঠিতে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন)-এর নাম ও সিল ব্যবহার করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে অনুষ্ঠিত একটি মিছিল এবং প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানকে অবিলম্বে বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চিঠির ভাষা, কাঠামো ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করেই এটি ভুয়া বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তাদের ভাষ্য, এ ধরনের সরকারি আদেশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, যথাযথ রেফারেন্স নম্বর এবং অনুলিপি প্রাপকদের তালিকা বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ থাকে। কিন্তু ভাইরাল হওয়া চিঠিতে এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ঘাটতি রয়েছে।

জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লায় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার কারণে একটি অসাধু চক্র বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। ইতোমধ্যে ভুয়া চিঠি তৈরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, “অনেকেই আমাকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বিজ্ঞপ্তি বা চিঠির সঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুয়া। একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর উদ্দেশ্যে এটি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করছি।”
উল্লেখ্য, বিসিএস ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান গত বছরের ২৯ নভেম্বর কুমিল্লার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া একই বছরের ১ মে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ভাইরাল হওয়া ভুয়া চিঠির ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

প্রিয় নবী মন্তব্যে বিতর্ক

এবার মন্ত্রীকে ‘প্রিয় নবী’ বলেই ভাইরাল বিএনপি নেতা খালেক

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
এবার মন্ত্রীকে ‘প্রিয় নবী’ বলেই ভাইরাল বিএনপি নেতা খালেক

পরিবেশ মন্ত্রীকে খুশি করতে গিয়ে ‘প্রিয় নবী’ বলে সম্বোধন করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া এই বক্তব্যের কারণে ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ এনে সাধারণ মানুষ এবং নেটিজেনরা এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক এম এ খালেকের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির এক অনুষ্ঠানে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে ‘প্রিয় নবী’ বলে উল্লেখ করার পর তার বক্তব্যটি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাল হয়।

শনিবার (৩১ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এম এ খালেক এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আমার, আপনার, সবার প্রিয় নবী, প্রিয় মানুষ।”

তার এই বক্তব্যের পরপরই উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ফিসফাস ও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। পরে বক্তব্যটির ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।

বক্তব্যটি নিয়ে অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে আপত্তি জানিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলেছেন। কেউ কেউ এটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দায়িত্বহীন মন্তব্য বলে অভিহিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আলেম বলেন, “ইসলামে নবী-রাসুলদের মর্যাদা স্বতন্ত্র ও অনন্য। কোনো সাধারণ মানুষকে নবীর সঙ্গে তুলনা করা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের বক্তব্য পরিহার করা উচিত।”

এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপির একাধিক নেতা অনানুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত বক্তব্যের দায় দল নেবে না। তারা মনে করেন, জনসম্মুখে দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক এম এ খালেক এর আগেও বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় এসেছেন। গত ১৬ এপ্রিল একটি বিদ্যালয়ের ক্রীড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ভিআইপি প্রটোকল গ্রহণের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এছাড়া অতীতেও তার কিছু বক্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

সর্বশেষ ‘প্রিয় নবী’ মন্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এম এ খালেকের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

অভিযানে উদ্ধার ইয়াবা ট্যাবলেট

দেবীদ্বারে ইয়াবাসহ আটক মাদক কারবারি, আদালতে প্রেরণ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
দেবীদ্বারে ইয়াবাসহ আটক মাদক কারবারি, আদালতে প্রেরণ

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় ইয়াবা বিক্রির সময় এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৩১ মে) ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার এসআই বাধন দাসের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের বরকামতা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ওই গ্রামের মনোরঞ্জন সিংহের ছেলে দিপক সিংহ (৩৯)কে আটক করা হয়।

অভিযানকালে তার কাছ থেকে ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক দিপক সিংহ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে রোববার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দিপক সিংহকে ইয়াবা ও মাদক বিক্রির টাকা সহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সুযোগ বুঝে হাতিয়ে নিল ৪ লাখ টাকার মালামাল

দেবীদ্বারে ভাড়াটিয়া সেজে চুরির অভিযোগ, আদালতে পাঠানো হলো অভিযুক্তকে

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম
দেবীদ্বারে ভাড়াটিয়া সেজে চুরির অভিযোগ, আদালতে পাঠানো হলো অভিযুক্তকে

ভাড়া নিয়ে বসবাস, সুযোগ বুঝে হাতিয়ে নিল ৪ লাখ টাকার মালামাল

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বেগমাবাদ গ্রামে ভাড়াটিয়া পরিচয়ে বাড়িতে অবস্থান করে মালিকের অনুপস্থিতির সুযোগে কয়েক প্রজন্মের ব্যবহৃত কাঁসা, পিতল ও অ্যালুমিনিয়ামের মূল্যবান তৈজসপত্র চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তি হলেন উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের ছংছাইল গ্রামের গৌরাঙ্গ সূত্রধরের ছেলে দিলিপ সূত্রধর (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিলিপ সূত্রধরের সঙ্গে বেগমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা রতন সাহার পরিচয় হয়। রতন সাহা মূলত কুমিল্লা শহরে বসবাস করলেও তার গ্রামের বাড়িটি অধিকাংশ সময় তালাবদ্ধ থাকে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তিনি সেখানে খুব কমই আসেন।

পরিচয়ের সূত্র ধরে দিলিপ সূত্রধর রতন সাহার কাছে নিজেকে ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া চান। তিনি জানান, জাফরগঞ্জ বাজারে কাঠের ব্যবসা পরিচালনার সুবিধার্থে ওই এলাকায় থাকার প্রয়োজন রয়েছে। বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং ভাড়াও পাওয়া যাবে—এমন চিন্তা থেকে রতন সাহা তাকে একটি কক্ষ ভাড়া দেন।

কিন্তু সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এসে রতন সাহা দেখতে পান, তার ঘরে সংরক্ষিত কয়েক প্রজন্মের ব্যবহৃত পিতল, কাঁসা, অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী উধাও। তার দাবি, চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য চার লাখ টাকারও বেশি।

ঘটনার পর রতন সাহা বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানায় দিলিপ সূত্রধরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার (৩০ মে) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, “ভাড়াটিয়া পরিচয়ে বসবাস করে বাড়ির মালিকের অনুপস্থিতির সুযোগে পুরনো ঐতিহ্যবাহী কাঁসা ও পিতলের তৈজসপত্র চুরির অভিযোগে দিলিপ সূত্রধরকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×