কুমিল্লাকে পাত্তাই দিল না বিএনপি—২৯ প্রার্থী ফিরলেন খালি হাতে
কুমিল্লার দেবীদ্বারসহ জেলার সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আবেদন করা ২৯ জনের কেউই শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাননি। এতে দেবীদ্বার উপজেলায় ৫ জন প্রার্থী থাকলেও সেখান থেকেও কেউ তালিকাভুক্ত হতে পারেননি, যা স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশ করে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ৩৬ জনের নাম ঘোষণা করা হলেও কুমিল্লার ২৯ আবেদনকারীর কারোর নাম এতে স্থান পায়নি।
তবে ব্যতিক্রম হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ এলাকা থেকে আবেদন করে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। যদিও তিনি দেবীদ্বারের পুত্রবধূ হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।
ফোনালাপে সেলিমা রহমান জানান, তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, তবে এখনো কোন জোনে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারিত হয়নি। দায়িত্ব পেলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।
দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের কুরছাপ গ্রামের ভূঁইয়া পরিবারের পুত্রবধূ সেলিমা রহমান বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন এবং কারাভোগও করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অন্যদিকে, মনোনয়ন না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি সুফিয়া বেগম। তিনি জানান, দেবীদ্বার আসন থেকে ৫ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও কেউ মনোনয়ন পাননি। এছাড়া জেলার বিভিন্ন আসন থেকে আবেদন করা প্রায় সবাই বঞ্চিত হয়েছেন।
এতে করে কুমিল্লা বিশেষ করে দেবীদ্বার এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির কোনো প্রতিনিধিত্ব না থাকায় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
‘আমি কোনো ভিসা এজেন্ট নই’
ভিসা প্রসেসিং নয়, তথ্যভিত্তিক সচেতনতাই লক্ষ্য: সমালোচকদের জবাব দিলেন সাংবাদিক লাকমিনা জেসমিন সোমা
প্রবাস ও অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাতা এবং অভিজ্ঞ সাংবাদিক লাকমিনা জেসমিন সোমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। বুধবার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি জানান, তিনি কখনোই ভিসা প্রসেসিং, ফাইল পরিচালনা কিংবা কোনো ধরনের অভিবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “আপনারা কি কখনো আমার কোনো ভিডিও, পোস্ট বা ছবিতে দেখেছেন যে আমি ভিসা বা ফাইল প্রসেস করি?” তিনি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার জনপ্রিয়তা এবং তথ্যভিত্তিক কনটেন্টের কারণে বিরূপ মনোভাব পোষণ করছে।
লাকমিনা জেসমিন সোমা তার ফেসবুক পোস্টে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি কখনোই ভিসা প্রসেসিং, ফাইল ম্যানেজমেন্ট বা কোনো ধরনের ভিসা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নন। বরং তিনি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনলাইন গবেষণার ভিত্তিতে প্রবাস ও অভিবাসন বিষয়ক তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট তৈরি করেন। তার দাবি, সঠিক তথ্য প্রচারের কারণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, কারণ এতে সাধারণ মানুষ আর সহজে প্রতারিত হচ্ছে না। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন তার নাম ব্যবহার করে ছড়ানো ভুয়া তথ্য ও প্রতারণামূলক পেজ সম্পর্কে সতর্ক থাকে এবং প্রয়োজনে এর প্রতিবাদ করে।
সোমার ভাষ্য অনুযায়ী, এক শ্রেণির ব্যক্তি তার কনটেন্টের ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত, অন্যদিকে আরেক শ্রেণির মানুষ সঠিক তথ্য প্রচারের কারণে ক্ষুব্ধ। কারণ সচেতনতা বাড়লে সাধারণ মানুষ সহজে প্রতারিত হন না এবং নানা বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি আরও বলেন, আগে অনেকেই ভুল তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে মানুষ আগের চেয়ে বেশি সচেতন হওয়ায় এসব অসাধু চক্রের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বিভিন্নভাবে তাকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
পোস্টে লাকমিনা জেসমিন সোমা অনুসারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোথাও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হলে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে তার প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তির বিভ্রান্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে তার অনুসারীরা শক্ত অবস্থান নিয়েছেন, যা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “আমি কোনো আইনগত পরামর্শদাতা নই। আমি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং অনলাইন গবেষণার ভিত্তিতে তথ্য শেয়ার করি। আমি কোনো ভিসা এজেন্ট, রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নই এবং আমার নিজস্ব কোনো ভিসা ব্যবসাও নেই।”
তিনি আরও জানান, তিনি কোনো ফোন নম্বর প্রকাশ করেন না এবং তার নাম ব্যবহার করে তৈরি হওয়া ভুয়া পেজ বা চ্যানেল সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। কোনো প্রতারকের সঙ্গে যোগাযোগ করে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায় তিনি নেবেন না বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন।
লাকমিনা জেসমিন সোমা বাংলাদেশের একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। ২০১০ সালে জাতীয় দৈনিকের মাধ্যমে সাংবাদিকতা পেশায় যাত্রা শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করে পেশাগত দক্ষতা, তথ্যনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেন।
বর্তমানে তিনি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করে প্রবাসীদের জীবনযাপন, কর্মসংস্থান, বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া এবং বিদেশে বসবাসের বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে নিয়মিত ভিডিও ও তথ্যবহুল কনটেন্ট প্রকাশ করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কনটেন্ট বিপুল দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছে এবং অনেক প্রবাসপ্রত্যাশী তার তথ্য থেকে উপকৃত হচ্ছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ভিসা ও অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে অনলাইনে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার এই সময়ে তথ্যভিত্তিক ও সচেতনতামূলক কনটেন্ট সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ কারণেই লাকমিনা জেসমিন সোমার মতো কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও আস্থা দিন দিন বাড়ছে।
রিয়াদে দ্বিপাক্ষিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেমকে কৃতজ্ঞতা
২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দক্ষতা, সুশৃঙ্খল সমন্বয় ও সফল পরিচালনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সৌদি আরবের হজ ও উমরাহমন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল-রাবিয়াহ।
বুধবার সকালে সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত ‘দ্য পিলগ্রিমস এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম সেন্টার’-এ বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ প্রশংসা করেন।
বৈঠকে সৌদি হজ ও উমরাহমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ যে দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসার দাবিদার। বিশেষ করে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবা, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
ড. আল-রাবিয়াহ ধর্মমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশি হাজিদের জন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ধর্মমন্ত্রীর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং সফল হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বৈঠকে আগামী বছরের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে সৌদি সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ তুলে ধরেন সৌদি মন্ত্রী। পাশাপাশি হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব আধুনিকায়ন ও সেবার মানোন্নয়নের জন্য সৌদি সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি হজযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, স্মার্ট ভিড় ব্যবস্থাপনা, পরিবহন সমন্বয়, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, মাশায়ের অঞ্চলে সেবার সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিশেষ প্রশংসা করেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের লাখো মুসল্লির নির্বিঘ্ন হজ পালন নিশ্চিত করতে সৌদি সরকার যে আন্তরিকতা, দূরদর্শিতা ও ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, তা মুসলিম বিশ্বের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র হজের সফল আয়োজন এবং হাজিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করায় দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আল্লাহর মেহমানদের সেবায় সৌদি আরব যে ব্যতিক্রমী নেতৃত্ব ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। হজ ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।”
বৈঠকে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যৌতুক-চুরির মামলায় হাজত
একে অপরকে আসামি করে জেলে গেলেন স্বামী-স্ত্রী
ফেনীতে পাল্টাপাল্টি মামলায় স্বামী-স্ত্রী কারাগারে, আদালতের নির্দেশে দুজনই হাজতে
ফেনীতে একে অপরের বিরুদ্ধে দায়ের করা পৃথক মামলায় আদালতের নির্দেশে স্বামী ও স্ত্রীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগে করা দুটি মামলার শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ফেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজ উদ্দিন এ আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সুমন ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে একই উপজেলার ভোয়াগ গ্রামের নাসিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে বিরোধ দেখা দেয়।
স্বামীর পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের প্রায় দুই মাস পর নাসিমা আক্তার পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির সহযোগিতায় বাড়ি থেকে ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১ লাখ টাকা নিয়ে চলে যান। এ ঘটনায় সুমনের বাবা বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে নাসিমা আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে চুরির মামলা দায়ের করেন।
অন্যদিকে নাসিমা আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে তাকে যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এ অভিযোগে তিনি তার স্বামী মো. সুমন এবং শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করেন।
বুধবার আদালতে উভয় মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় স্বামী মো. সুমনকে এবং স্বামীর পরিবারের দায়ের করা চুরির মামলায় স্ত্রী নাসিমা আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের এ আদেশের ফলে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই পৃথক মামলায় কারাগারে যেতে হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
















