রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আধুনিক প্রযুক্তিতে পুনঃজরিপ

তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

সামস উদ্দীন চৌধুরী কালাম, পঞ্চগড় থেকে প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন জরিপ পরিচালনা এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে সচেতন নাগরিক কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সচেতন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন হানিফ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পঞ্চগড়ের সভাপতি এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের, সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের যুগ্ম সমন্বয়ক মানিক খান, সাংবাদিক এমএ বাসেদ, সোহরাব আলীসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, ১৯৮০-এর দশকে পঞ্চগড়ের শালবাহান এলাকায় একটি বৃহৎ তেল খনির সন্ধান পাওয়া যায়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আনুষ্ঠানিকভাবে তেল উত্তোলন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। তবে রহস্যজনক কারণে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই খনিটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ৩৭ বছর পেরিয়ে গেলেও কেন তেল খনি বন্ধ করা হয়েছিল সে বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ বিরাজ করছে।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে শালবাহান তেল খনি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। জাতীয় স্বার্থে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনরায় জরিপ পরিচালনা এবং খনিটির প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাই করা জরুরি।

মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা। তারা বলেন, তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে সরকারের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

বিশ্বকাপ কে জিতবে? ফেবারিট কারা, কী বলছে পরিসংখ্যান ও বিশ্লেষণ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১:৫৮ এএম
বিশ্বকাপ কে জিতবে? ফেবারিট কারা, কী বলছে পরিসংখ্যান ও বিশ্লেষণ

বিশ্বকাপের লড়াইয়ে শক্তির সমীকরণ বদলাচ্ছে, তবু কয়েকটি দলই শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে

বিশ্বকাপের আগে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রশ্ন—‘এবার বিশ্বকাপ কে জিতবে ?’ এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর আগে থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ ফুটবল বা ক্রিকেট—দুই ক্ষেত্রেই বিশ্বকাপের ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, মাঠের লড়াইই শেষ কথা বলে। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের ফর্ম, দলীয় ভারসাম্য, পরিসংখ্যান এবং বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ মিলিয়ে কয়েকটি দলকে শিরোপার সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে শুধু তারকা খেলোয়াড় থাকলেই হয় না। প্রয়োজন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, শক্তিশালী বেঞ্চ, দক্ষ অধিনায়কত্ব, মানসিক দৃঢ়তা এবং চাপ সামলানোর সক্ষমতা। এসব বিবেচনায় বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

শক্তির বিচারে এগিয়ে যেসব দল

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পারফরম্যান্সে কয়েকটি দল অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। বর্তমান ফর্ম, র‌্যাঙ্কিং, স্কোয়াডের গভীরতা এবং বড় ম্যাচ জয়ের অভিজ্ঞতার কারণে এসব দলকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার ধরা হচ্ছে।

বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচই আলাদা চ্যালেঞ্জ। গ্রুপ পর্বের পর নকআউট পর্যায়ে একটি ভুলই বিদায় নিশ্চিত করতে পারে। ফলে ফেবারিট দলগুলোকেও প্রতিটি ম্যাচে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দেখাতে হবে।

কেন ভবিষ্যদ্বাণী কঠিন?

বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, অনেক সময় সবচেয়ে শক্তিশালী দলও শিরোপা জিততে পারেনি। ইনজুরি, লাল কার্ড, টাইব্রেকার, আবহাওয়া কিংবা একটি মুহূর্তের ভুল পুরো টুর্নামেন্টের চিত্র বদলে দিতে পারে।

এ কারণে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোনো দলকে নিশ্চিত চ্যাম্পিয়ন বলা বাস্তবসম্মত নয়।

পরিসংখ্যান কী বলছে?

সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ, র‌্যাঙ্কিং এবং বড় টুর্নামেন্টের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—

  • ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করা দলগুলোর সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • শক্তিশালী ডিফেন্স থাকা দল সাধারণত দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়।
  • অভিজ্ঞ কোচ ও বড় ম্যাচে সফল খেলোয়াড়রা পার্থক্য গড়ে দেন।
  • নকআউট পর্যায়ে মানসিক দৃঢ়তাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে ওঠে।

চমক দেখাতে পারে যেসব দল

বিশ্বকাপ মানেই অঘটনের মঞ্চ। প্রায় প্রতিটি আসরেই এক বা একাধিক দল প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো খেলে সেমিফাইনাল বা ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

তাই শিরোপার লড়াই শুধু ঐতিহ্যবাহী দলগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের প্রকৃত ফেবারিট নির্ধারণ হবে টুর্নামেন্টের শুরুতে দলগুলোর পারফরম্যান্স দেখে। প্রস্তুতি ম্যাচ, ইনজুরি পরিস্থিতি এবং প্রথম কয়েকটি ম্যাচের ফলাফল শিরোপার সমীকরণ বদলে দিতে পারে।

শেষ কথা

বিশ্বকাপের ট্রফি কার হাতে উঠবে—তার উত্তর এখনই নিশ্চিতভাবে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে শক্তির বিচারে কয়েকটি দল এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হবে সেই দল, যারা পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে সবচেয়ে ধারাবাহিক, সংগঠিত এবং চাপের মুহূর্তে সেরা ফুটবল বা ক্রিকেট খেলতে পারবে।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্যই হলো—এখানে কাগজে-কলমের হিসাব অনেক সময় মাঠে বদলে যায়। তাই কোটি কোটি সমর্থকের মতো বিশ্বও অপেক্ষা করছে, শেষ পর্যন্ত কোন দল ইতিহাস গড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

মাদকমুক্ত সমাজের প্রত্যয়

শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসমাবেশ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসমাবেশ

মাদক প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে ইউনিয়ন সমাজ সংস্কার ফোরামের উদ্যোগে এক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টায় সোনাকান্দা দারুল হুদা বহুমুখী কামিল মাদ্রাসা মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফের পীর ও অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, মাদকমুক্ত ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সমাজ সংস্কার ফোরামের মাধ্যমে মুরাদনগরসহ সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, শুধু পীরগীরির মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে তিনি সর্বদা প্রস্তুত।

  হাইলাইটস

  • শ্রীকাইলে মাদকবিরোধী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত
  • নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বান
  • মাদক প্রতিরোধে সামাজিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব
  • বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ
  • তরুণদের রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

শ্রীকাইল কৃষ্ণকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাছির উদ্দিন, মাওলানা সাইদুল ইসলাম ও ডা. মোশাররফ হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী, শ্রীকাইল কলেজ গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি মনিরুল হক জর্জ, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক (অব.) শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, উপাধ্যক্ষ মিয়া গোলাম সারোয়ার, শ্রীকাইল কে. কে. উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল মোমেন, শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল বাহার, সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বশীর, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আলমগীর সরকার, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. আবু মোছা, মো. সফিকুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা এবং ডা. নাজমুস সাকিবসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য অন্যতম বড় হুমকি। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জনসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

প্রশাসনের তৎপরতায় ফিরল নাফিসা

কক্সবাজার যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে শিশুকন্যাকে রেখে চলে গেল পাকিস্তানি পরিবার, প্রশাসনের তৎপরতায় নিরাপদে ফিরল নাফিসা

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম
কক্সবাজার যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে শিশুকন্যাকে রেখে চলে গেল পাকিস্তানি পরিবার, প্রশাসনের তৎপরতায় নিরাপদে ফিরল নাফিসা

ভুলে রেখে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার

কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে গিয়ে ভুলবশত নিজেদের শিশুকন্যাকে রেখে চলে যায় পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে আসা একটি পরিবার। পরে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় পাকিস্তানি শিশুকন্যা নাফিসাকে তার পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

   হাইলাইটস

  • কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্টুরেন্টে থেকে যায় শিশুকন্যা
  • জাইতুন রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়
  • প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ
  • কর্ণফুলী টানেলে পৌঁছে শিশুর অনুপস্থিতি টের পায় পরিবার
  • নিরাপদে নাফিসাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শিশুটির নাম নাফিসা। পাকিস্তানের কাশ্মীর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসে তারা সড়কপথে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে পরিবারের প্রায় ১৫ সদস্য দুটি গাড়িতে করে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে যান। নাস্তা শেষে তাড়াহুড়ার মধ্যে সবাই গাড়িতে উঠে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিলেও ভুলবশত শিশু নাফিসা রেস্টুরেন্টেই থেকে যায়।

রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা নাস্তার সময় গল্প-আড্ডায় ব্যস্ত ছিলেন। পরে দুটি গাড়িতে করে তারা রেস্টুরেন্ট ত্যাগ করেন, কিন্তু শিশুটি সেখানে রয়ে যায়।

জাইতুন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন জানান, পরিবারের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর রেস্টুরেন্টে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে তারা তাকে নিজেদের হেফাজতে নেন এবং বিষয়টি সদর দক্ষিণ থানাকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দ্রুত ফিরে আসেন। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে শিশুটিকে নিরাপদে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় জানান, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল পরিবারটি কাশ্মীরের বাসিন্দা। পরে তারা শিশুটিকে নিতে এলে জানা যায়, তারা পাকিস্তানের নাগরিক এবং সপরিবারে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের একটি গাড়িতে ছিলেন শিশুটির বাবা-মা এবং অন্য গাড়িতে ছিলেন দাদা-দাদি। বাবা-মা ভেবেছিলেন নাফিসা দাদা-দাদির সঙ্গে রয়েছে, আর দাদা-দাদি মনে করেছিলেন সে বাবা-মায়ের গাড়িতে উঠেছে। এই ভুল বোঝাবুঝির কারণেই শিশুটি রেস্টুরেন্টে থেকে যায়।

ইউএনও জানান, পরিবারটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় পৌঁছানোর পর শিশুটিকে না দেখে বিষয়টি বুঝতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লার দিকে ফিরে আসে। এরই মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা অফিস তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির নিরাপদ অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে পরিবারটি জাইতুন রেস্টুরেন্টে এসে নাফিসাকে নিয়ে পুনরায় কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x