তিস্তার পানিতে বন্যা শঙ্কা
তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট খুলে দিল কর্তৃপক্ষ

তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় ডালিয়া ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। ছবি : আজকের কথা
উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে লালমনিরহাটের চরাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু, তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির প্রভাবে লালমনিরহাটে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে একই দিন বিকেল ৩টায় ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করে।
তিস্তা নদীর পরিস্থিতি
- ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে।
- পানির চাপ সামলাতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।
- লালমনিরহাটের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু।
- শত শত একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি।
- পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরদারি জোরদার।
পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লালমনিরহাটের তিস্তাপাড়ের বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। একই সঙ্গে শত শত একর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল থেকেই তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করে। সন্ধ্যার দিকে পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, ডাউয়াবাড়ী এবং আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
আকস্মিকভাবে বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় চরাঞ্চলের বাসিন্দারা গবাদিপশু, খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন।
হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বাসিন্দা রবিউল হাসান বলেন, এত দ্রুত নদীর পানি বাড়বে তা তারা কল্পনাও করেননি। তার চরের জমিতে বাদাম চাষ ছিল। আর কয়েকদিন সময় পেলে ফসল ঘরে তুলতে পারতেন। কিন্তু এখন পুরো ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
একই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কথা জানান সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের পাকার মাথা এলাকার কৃষক মশিয়ার রহমান। তিনি বলেন, হঠাৎ করেই পানি বেড়ে যাওয়ায় তার বাদামক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। এতে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীর পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় বলেন, উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ডালিয়া পয়েন্টে তা বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলোতে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ক্ষোভ
নওগাঁর মান্দায় কমিউনিটি ক্লিনিকে অনিয়মের অভিযোগ, স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসী

দেরিতে উপস্থিতি, ওষুধ বিতরণে বৈষম্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ; তদন্তের আশ্বাস সিভিল সার্জনের
নওগাঁর মান্দা উপজেলার নূরুল্যাবাদ ইউনিয়নের কদমতলী কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) রোকসানার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, সরকারি ওষুধ বিতরণে অনিয়ম এবং রোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়মের কারণে নারী, শিশু ও সাধারণ রোগীরা কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময় ক্লিনিক খোলা থাকার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট সিএইচসিপি অধিকাংশ দিন সকাল ১১টার দিকে কর্মস্থলে আসেন এবং দুপুর ১২টার আগেই চলে যান। এতে সকাল থেকে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যপরামর্শের আশায় আসা নারী, শিশু, বয়স্কসহ অনেক রোগী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
খবরের হাইলাইটস
- কদমতলী কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ।
- দেরিতে আসা ও আগেই চলে যাওয়ার অভিযোগ সিএইচসিপির বিরুদ্ধে।
- সরকারি ওষুধ বিতরণে বৈষম্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ।
- নারী, শিশু ও সাধারণ রোগীরা কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার দাবি।
- অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সিভিল সার্জন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গৃহবধূ অভিযোগ করেন, ক্লিনিকে ওষুধ চাইলে অনেক সময় বলা হয় ওষুধ নেই। পরে দেখা যায়, অন্যদের একই ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, রোগীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা হয় না এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরামর্শও অনেক ক্ষেত্রে দেওয়া হয় না।
আরেক গৃহবধূ বলেন, গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করলেও কদমতলী কমিউনিটি ক্লিনিকে এসে অধিকাংশ সময়ই হতাশ হতে হয়। সেবার চেয়ে দুর্ব্যবহারই বেশি পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তিনি।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, ক্লিনিকে সরকারি ওষুধের সরবরাহ থাকলেও অনেক প্রকৃত রোগীকে ওষুধ দেওয়া হয় না। বরং পরিচিত ব্যক্তি বা আত্মীয়স্বজনদের অগ্রাধিকার দিয়ে ওষুধ বিতরণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সুফল থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন বলে তারা দাবি করেন।
এছাড়া রোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরামর্শ না দেওয়া এবং ক্লিনিকের পাশের টিউবওয়েল থেকে গ্রামবাসীদের পানি পান করতেও নিরুৎসাহিত করার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সহজলভ্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, প্রসূতি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্লিনিকে নিয়মিত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে কদমতলী কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি রোকসানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ক্যাসিনো জুয়া ও মাদকসেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৮

পৃথক অভিযানে অনলাইন জুয়ার আসর ভেঙে আটক ৪, মাদকসেবনের সময় ধরা আরও ৪
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক পুলিশের অভিযানে অনলাইন ক্যাসিনো জুয়া ও মাদকসেবনের অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান। তিনি জানান, শনিবার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
হাইলাইটস
- কিশোরগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৮ জন।
- অনলাইন ক্যাসিনো জুয়া খেলার সময় আটক ৪ জন।
- মাদকসেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও ৪ জন।
- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান পরিচালনা করা হয়।
- আদালতের মাধ্যমে সকলকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সদর ইউনিয়নের বাজেডুমরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইনে ক্যাসিনো জুয়া খেলার সময় চারজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন— সদর উপজেলার বাজেডুমরিয়া এলাকার রাজ্জাকের ছেলে আতিকুজ্জামান অনিক (২৬), মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে আশরাফুল আলম মিলন (৪০), মজনু মিয়ার ছেলে সাজু মিয়া (২৩) এবং মৃত টেপু বর্মনের ছেলে দিপীল রায় (২৮)।
একই রাতে নিতাই ইউনিয়নের পানিয়ালপুকুর এলাকায় মাদকসেবনের সময় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন— মৃত আবতাফ আলীর ছেলে মনিকুল ইসলাম (৩০), মনজব আলীর ছেলে সাঈদী ইসলাম (২১), মুশরুত বালাপাড়া এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে সায়েম ইসলাম (১৯) এবং মহিদুল ইসলামের ছেলে ডালিম মিয়া (২০)।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক অভিযানে অনলাইন ক্যাসিনো জুয়া খেলার সময় চারজন এবং মাদকসেবনের সময় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ছবির ক্যাপশন: কিশোরগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ার আসরের চারজন ও মাদকসেবনের অভিযোগে আটক চারজন।

শিশুর সুস্থতায় ভিটামিন কর্মসূচি
নওগাঁয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন, ৩ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিশুকে ক্যাপসুল প্রদান

জেলার ২ হাজার ৪৬০ কেন্দ্রে একযোগে চলছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন
নওগাঁ জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। জেলার ১১টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভায় একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৮ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় নওগাঁ পৌরসভা চত্বরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু।
হাইলাইটস
- নওগাঁয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন।
- জেলার ২ হাজার ৪৬০টি কেন্দ্রে একযোগে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৮ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য।
- ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সীদের লাল ক্যাপসুল প্রদান।
- স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে কর্মসূচি।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. আব্দুল আল মামুন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক টি. এম. এ. মমিন, সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আযম রানা এবং ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুনির আলী আকন্দ।
এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, জেলার ২ হাজার ৪৬০টি কেন্দ্রে একযোগে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৪ হাজার ৭৬৫ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৯৩ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, পরিবার কল্যাণ সহকারী (এফডব্লিউএ), পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (এফপিআই), কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) এবং বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।






















