শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

জাতিসংঘের প্রতিনিধি গুয়েন লুইসের বক্তব্যে বিতর্ক

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫, ১২:৫৮ এএম
জাতিসংঘের প্রতিনিধি গুয়েন লুইসের বক্তব্যে বিতর্ক

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • 🔹 সংক্ষিপ্ত হাইলাইটস (Highlights): জাতিসংঘ প্রতিনিধি গোয়েন লুইসের বক্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ না থাকলেও নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে” বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের শামিল অতীতে প্যালেস্টাইন, আফগানিস্তান, কসোভোতেও তার ভূমিকা বিতর্কিত ছিল সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘ধ্বংসের দূত’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে গোয়েন লুইসের অবস্থান জাতিসংঘের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আ.লীগ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত: জাতিসংঘ সম্পূর্ণ রিপোর্ট:  বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইসের সাম্প্রতিক এক মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
  • জাতিসংঘের প্রতিনিধি গোয়েন লুইস  , “আওয়ামী লীগ না থাকলেও জনগণের অংশগ্রহণ সঠিকভাবে হলে আগামী নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে।” এই বক্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে—তিনি কি একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, নাকি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের অংশ?
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী নাগরিকদের একটি বড় অংশ গোয়েন লুইসের এমন মন্তব্যকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

🔹 সংক্ষিপ্ত হাইলাইটস (Highlights):

  • জাতিসংঘ প্রতিনিধি গোয়েন লুইসের বক্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়
  • তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ না থাকলেও নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে”
  • বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের শামিল
  • অতীতে প্যালেস্টাইন, আফগানিস্তান, কসোভোতেও তার ভূমিকা বিতর্কিত ছিল
  • সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘ধ্বংসের দূত’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে
  • গোয়েন লুইসের অবস্থান জাতিসংঘের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে
  • আ.লীগ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত: জাতিসংঘ

সম্পূর্ণ রিপোর্ট: 
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইসের সাম্প্রতিক এক মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিনিধি গোয়েন লুইস  , “আওয়ামী লীগ না থাকলেও জনগণের অংশগ্রহণ সঠিকভাবে হলে আগামী নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে।” এই বক্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে—তিনি কি একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, নাকি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের অংশ?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী নাগরিকদের একটি বড় অংশ গোয়েন লুইসের এমন মন্তব্যকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। একটি নিরীক্ষা জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪২% ভোটার এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে মত দিয়েছেন। তারা মনে করছেন, একজন জাতিসংঘ দূতের এমন মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট এবং তা দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

পেছনের গল্প কী?
বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিসংঘের প্রতিনিধি গোয়েন লুইসের অতীত কার্যক্রমও প্রশ্নের বাইরে নয়। প্যালেস্টাইন, আফগানিস্তান ও কসোভোতে তার ‘উন্নয়নমূলক কাজ’ বলয়ের আড়ালে অস্থিরতা, সংঘর্ষ ও বিদেশি প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, তিনি ‘chaos diplomacy’-এর ধারক, যাঁর উদ্দেশ্য উন্নয়ন নয়, বরং একটি দেশের অভ্যন্তরীণ কাঠামোকে নড়বড়ে করা।

জাতিসংঘের প্রতিনিধি গোয়েন লুইস কি ইউনূস-ঘনিষ্ঠ চক্রের অংশ?

সম্প্রতি রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, তিনি বাংলাদেশের বিতর্কিত একাংশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক লবিং চক্রের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত:
একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “জাতিসংঘের প্রতিনিধি গোয়েন লুইস এর দায়িত্ব হলো শান্তি প্রতিষ্ঠা, মতাদর্শ ছড়ানো নয়। গোয়েন লুইস সেই মানদণ্ডে ব্যর্থ।”

জনগণের চোখে ‘ধ্বংসের দূত’
সামাজিক মাধ্যমে তাকে অনেকে ‘chaos ambassador’ আখ্যা দিয়েছেন। কারণ তিনি যেখানে গেছেন, সেখানেই থেকে গেছেন রাজনৈতিক অব্যবস্থা ও জনমানুষের দুর্ভোগ। এখন বাংলাদেশেও সেই ছায়া দেখা যাচ্ছে।

জাতির জন্য সতর্কবার্তা:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণকে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে—এমনটাই বলছেন অনেকে। একটি পরিপক্ব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বিদেশি কূটনীতিকের প্রকাশ্য মন্তব্য আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে।


জাতি সংঘের মানবাধিকার বিভাগ কি এসব দেখেন না- তা পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কসে—

নির্যাতনের পর ছবি ছাপা—তসলিমার চোখে ‘ধর্মনিরপেক্ষ প্রতারণা’

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

দারোরায় বাজিমাত করালেন সৈয়দ কায়েস মীর, ২১ কিমি সড়ক পুনর্নির্মাণে অনুমোদন

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
দারোরায় বাজিমাত করালেন সৈয়দ কায়েস মীর, ২১ কিমি সড়ক পুনর্নির্মাণে অনুমোদন

বি-স্ট্রং প্রকল্পে মুরাদনগরের ১০ সড়ক ও একাধিক কালভার্ট-ড্রেনের উন্নয়ন, দারোরা ইউনিয়নেই প্রায় ২০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজের প্রত্যাশা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দারোরা ইউনিয়নে গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও কালভার্ট পুনর্নির্মাণে প্রায় ২১ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ সাস্টেইনেবল রিকভারি, ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স (বি-স্ট্রং) প্রকল্পের আওতায় এসব কাজ বাস্তবায়িত হবে।

স্থানীয়ভাবে এ উন্নয়ন উদ্যোগের পেছনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের আপন মামা, জননেতা সৈয়দ কায়েস আহমেদ মীরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁর প্রচেষ্টায় দারোরা ইউনিয়নের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন ও পুনর্নির্মাণের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

এলজিইডি হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা থেকে জারি করা দাপ্তরিক স্মারক অনুযায়ী, মুরাদনগর উপজেলার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসনে পৃথক দুটি প্যাকেজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই প্যাকেজে মোট ২০ দশমিক ৮২৯ কিলোমিটার সড়ক পুনর্বাসনের পাশাপাশি বক্স কালভার্ট ও ইউ-ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রথম প্যাকেজের আওতায় ১১ দশমিক ৪০১ কিলোমিটার সড়ক পুনর্বাসন এবং ৫ দশমিক ৪০ মিটার বক্স কালভার্ট/ইউ-ড্রেন নির্মাণ করা হবে। এ প্যাকেজে রয়েছে খুরুইল বাজার-শিদ্বেশ্বরী বাজার-দারোরা ইউপি-দারোরা বাজার-রায়তলা সড়ক, চন্দানাইল-সালপা-পান্নাই সড়ক (পিপুরিয়াকান্দা সড়ক হয়ে), পুষ্করুনিপার সড়ক (শহীদ রামিউদ্দিন সড়ক), দৌলতপুর-ধনপতিখোলা সড়ক এবং নাঈরপাড়-আলখাল সড়ক।

দ্বিতীয় প্যাকেজের আওতায় ৯ দশমিক ৪২৮ কিলোমিটার সড়ক পুনর্বাসন এবং ১ দশমিক ৮০ মিটার ইউ-ড্রেন নির্মাণ করা হবে। এ তালিকায় রয়েছে পালাসুতা (দারোরা ইউপি)-সুবিলাড়চর (বুরারচর বাজার) সড়ক, শুশুন্ডা বাজার-দারোরা বাজার সড়ক (পায়ব রোড হয়ে), সুরানন্দি-নিয়ামতকান্দি আরএইচডি সড়ক, চাপিতলা-বাইড়া সড়ক এবং পিপুরিয়া-রোয়াচলা-দানাপাতিখোলা সড়ক।

বিশেষ করে দারোরা ইউনিয়নের খুরুইল বাজার-শিদ্বেশ্বরী বাজার-দারোরা ইউপি-দারোরা বাজার-রায়তলা সড়ক, পালাসুতা-সুবিলাড়চর সড়ক, শুশুন্ডা বাজার-দারোরা বাজার সড়ক এবং সুরানন্দি-নিয়ামতকান্দি সড়কের উন্নয়ন স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দারোরা বাজারের উন্নয়নেও প্রায় কোটি টাকার বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, উভয় প্যাকেজের কাজ শেষ করতে ৫৪০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে ই-জিপি পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বানের জন্য কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তবে অনুমোদিত দাপ্তরিক স্মারকে প্রকল্পগুলোর নির্দিষ্ট আর্থিক বরাদ্দ উল্লেখ করা হয়নি। প্রাক্কলন যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের পর দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রকৃত ব্যয় নির্ধারিত হবে।

এদিকে সৈয়দ কায়েস আহমেদ মীরের প্রচেষ্টায় দারোরা ইউনিয়নে সড়ক, কালভার্ট ও বাজার উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ২০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ইউনিয়নের গ্রামীণ যোগাযোগ, কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনসাধারণের দৈনন্দিন চলাচলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সকালের স্নিগ্ধতায় চা-বিস্কুটের অমৃত ছোঁয়া: দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে একটু প্রশান্তি

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
সকালের স্নিগ্ধতায় চা-বিস্কুটের অমৃত ছোঁয়া: দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে একটু প্রশান্তি

সোনালী টোস্টে চায়ের চুমুক: যান্ত্রিকতার ভিড়ে এক টুকরো স্নিগ্ধ সকাল

জীবনের যান্ত্রিকতা আর কর্মব্যস্ততার ভিড়ে আমরা অনেকেই নিজেদের জন্য একটু সময় বের করতে ভুলে যাই। অথচ সকালের স্নিগ্ধ আলোয় কিংবা একান্তে কাটানো কিছু মুহূর্ত পুরো দিনের জন্য আমাদের শক্তি জোগাতে পারে। আজ খুব ভোরে নিজ হাতে তৈরি এক কাপ গরম ধোঁয়া ওঠা চা আর মুচমুচে টোস্ট বিস্কুট দিয়ে এমনই এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত সকালের শুরু হয়েছে।

বাঙালি সংস্কৃতিতে সকালের নাশতায় কিংবা আড্ডায় চা-বিস্কুট এক চিরচেনা ও আরামদায়ক নাম। ঘুম জড়ানো ভোরে চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার অনুভূতিটাই আলাদা। বিশেষ করে সোনালী রঙের মুচমুচে টোস্ট বিস্কুট যখন চায়ের ছোঁয়া পেয়ে নরম হয়ে আসে, তখন তা কেবল একটি খাবারই থাকে না, বরং এটি হয়ে ওঠে স্মৃতির পাতায় ডুব দেওয়ার এক জাদুকরি মাধ্যম।

ব্যস্ততম সাংবাদিকতা ও সংবাদ পরিচালনার নানা ঝক্কিঝামেলা আর খবরের অন্তহীন দুনিয়ায় ডুব দেওয়ার আগে এমন একটি গোছানো ও ঘরোয়া সকালের নাশতা মনকে সতেজ ও ফুরফুরে রাখতে দারুণ ভূমিকা রাখে। কাচের বয়াম থেকে পছন্দের টোস্ট বিস্কুট তুলে নিয়ে চায়ের পেয়ালার পাশে সাজিয়ে রাখার এই ছোট আয়োজনটুকু আমাদের শিকড়ের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

আধুনিকতার ছোঁয়া যতই লাগুক না কেন, খাঁটি বাঙালিিয়ানার এই ছোট অভ্যাসগুলোই আমাদের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে তোলে। ব্যস্ত জীবনের হাজারো কাজের মাঝেও এমন ছোট্ট কিছু মুহূর্ত নিজের জন্য বাঁচিয়ে রাখাটাই আসল জীবনবোধ।

সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর বাবা নেওয়াজ আলী সর্দার আর নেই

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ পিএম
সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর বাবা নেওয়াজ আলী সর্দার আর নেই

বুড়িচংয়ে জানাজা সম্পন্ন, বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা এবং দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ ও ডেইলি বাংলাদেশ আপডেট পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর বাবা নেওয়াজ আলী সর্দার আর নেই। বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বাদ আসর কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জরুইন গ্রামের বাড়ির ঈদগাহ মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদদীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

নেওয়াজ আলী সর্দার জীবদ্দশায় এলাকায় শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাবার মৃত্যুতে শোকাহত সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবু মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এদিকে নেওয়াজ আলী সর্দারের মৃত্যুতে সাংবাদিক সহকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

×
ENG