শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

রপ্তানি সংকট ২০২৫: ৪০ বছরে এমন অবস্থা দেখিনি—এ. কে. আজাদ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫, ৬:০১ পিএম
রপ্তানি সংকট ২০২৫: ৪০ বছরে এমন অবস্থা দেখিনি—এ. কে. আজাদ

রপ্তানি সংকট ২০২৫: শুল্ক, ক্রেতার চাপ ও নীতির অস্পষ্টতায় হতাশ ব্যবসায়ীরা

রপ্তানি সংকট ২০২৫ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের অন্যতম বড় রপ্তানিকারক হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ. কে. আজাদ। তিনি বলেন, “৪০ বছরের ব্যবসায়িক জীবনে এমন সংকট কখনো দেখিনি। আমরা রপ্তানি খাতকে সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে গেছি। কিন্তু এখন আমরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ।”

আজ রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে প্রথম আলো আয়োজিত ‘যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক: কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও গবেষকেরা অংশ নেন।

হা-মীম গ্রুপের এমডি জানান, সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, তারা নিজ দেশের সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবস্থান বোঝার চেষ্টা করেছে। তাদের বক্তব্য ছিল, ‘তোমাদের অবস্থান দুর্বল, ভালো ফল আশা করা যাচ্ছে না।’ এই বক্তব্য শুনে হতাশ হন তিনি।

রপ্তানি সংকট ২০২৫
রপ্তানি সংকট ২০২৫: ৪০ বছরে এমন অবস্থা দেখিনি—এ. কে. আজাদ।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি একাধিক উপদেষ্টাকে ফোন করেন। পরদিন বাণিজ্য উপদেষ্টা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং জানান, ৯৫ শতাংশ সমস্যা সমাধান হয়েছে, বাকি ৫ শতাংশ নিয়ে মন্ত্রণালয়গুলো কাজ করছে।

তিনি যুক্তি দেন, যদি ২ থেকে ৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব কমও আসে, তবুও যদি ৫ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত রপ্তানি হয়, তাহলে সেটাই দেশের লাভ।

কিন্তু ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে। এ. কে. আজাদ বলেন, “এক ক্রেতা মেইলে জানিয়েছেন, ১ তারিখ থেকে যদি শুল্ক না ওঠে, তবে শুল্কের ৩৫ শতাংশ আমাকে বহন করতে হবে। প্রশ্ন হলো, আমি কিভাবে এই শুল্ক বহন করব?”

ইন্দোনেশিয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “সেখানে সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসাথে কাজ করছে, লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশে আমরা এমনটা পাইনি।”

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আপনারা বলছেন সাত-আট মাস দায়িত্বে থাকবেন, তারপর চলে যাবেন। তখন আমরা যাব কোথায়? আমাদের কে দেখবে?”

তিনি বলেন, “সবাই ধরে নিয়েছেন, আমাদের মাথার ওপর একজন আছেন, যিনি সবকিছু ঠিক করে দেবেন। তাই আমাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না, লবিস্ট নিয়োগের কথাও কেউ ভাবছে না।”

গতকাল শনিবার সরকার জানায়, শুল্ক নির্ধারণ করবে ট্রাম্প প্রশাসন, ইউএসটিআর নয়। এ. কে. আজাদ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, “আপনারা যদি পারেন, সেখানেও কিছু চেষ্টা করুন।”

সরকার জানিয়েছে, লবিস্ট নিয়োগসহ অন্যান্য পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়া হচ্ছে। তবে এ. কে. আজাদ বলেন, “এখন লবিস্ট নিয়োগ করে কত দূর কী করা যাবে, তা আমরা জানি না। বাংলাদেশ এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।”

রপ্তানি সংকট ২০২৫ নিয়ে এ. কে. আজাদ যে হতাশা প্রকাশ করেছেন, তা দেশের রপ্তানি ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

Call to Action:
📢 সরকারের উচিত দ্রুত উচ্চপর্যায়ে কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক আলোচনায় নামা এবং পেশাদার লবিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে সংকট মোকাবেলা করা—না হলে রপ্তানি খাত আরও ক্ষতির মুখে পড়বে।

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা

সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির | ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ পিএম
সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাইয়ে সচিবের পরিদর্শন

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর ওপর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে তারা নলছিটি উপজেলার ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা সম্ভাব্য সেতুর অবস্থান, নদীর প্রবাহ, সংযোগ সড়ক, ভূমি পরিস্থিতি এবং অন্যান্য কারিগরি বিষয়ে সচিবকে অবহিত করেন। সচিবও বিভিন্ন দিক নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে ঝালকাঠি, নলছিটিসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং নদীর দুই তীরের জনপদে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত সুগন্ধা সেতু বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে।

স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণরক্ষা

ঝালকাঠিতে শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ মায়ের, স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচল দুজন

গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির | ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৪ এএম
ঝালকাঠিতে শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ মায়ের, স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচল দুজন

ঝালকাঠির নলছিটিতে পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন এক নারী। তবে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা দুজনই নিরাপদ রয়েছেন।

 প্রতিবেদনের হাইলাইটস


  • শুক্রবার রাতে ঝালকাঠির নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

  • পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন এক নারী।

  • স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

  • উদ্ধারের পর দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং বর্তমানে তারা নিরাপদ রয়েছেন।

  • ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ; অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার হওয়া নারীর নাম লাকি আক্তার। তিনি নলছিটি শহরের বাসিন্দা আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকি আক্তার তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে নিয়ে হঠাৎ সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত নদীতে নেমে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

লাকি আক্তারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে তার দাম্পত্য কলহ চলছিল। কিছুদিন আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর সাবেক স্বামীর পক্ষ থেকে মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং আবেগপ্রবণ হয়ে এমন পদক্ষেপ নেন বলে জানান।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মা ও শিশু বর্তমানে নিরাপদ রয়েছেন। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা সাইদুল ইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দেবীদ্বারে ১৫০ জনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ৩০ রোগীকে ছানি অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৭ পিএম
দেবীদ্বারে ১৫০ জনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ৩০ রোগীকে ছানি অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছল মানুষের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং চক্ষুরোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজনে প্রায় ১৫০ জন চক্ষুরোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ছানি আক্রান্ত ৩০ জন রোগীকে অস্ত্রোপচারের জন্য নিজস্ব পরিবহনে কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 প্রতিবেদনের হাইলাইটস

  • 👁️ দেবীদ্বারের বাকসার উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিনামূল্যের চক্ষু চিকিৎসা শিবির।
  • 💊 প্রায় ১৫০ জন চক্ষুরোগীকে বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা, ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।
  • 🏥 ছানি আক্রান্ত ৩০ জন রোগীকে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের জন্য কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
  • 🤝 বাংলাদেশ অন্ধ কল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতাল এবং সমাজসেবক মো. আবুল কালাম আজাদের সহযোগিতায় কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।
  • 🌿 সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় ৯ নম্বর গুনাইঘর ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে এ ধরনের চক্ষু চিকিৎসা শিবির পর্যায়ক্রমে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন আয়োজক।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেবীদ্বার উপজেলার বাকসার উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিনামূল্যের চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ অন্ধ কল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালের আয়োজনে এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দেবীদ্বার গ্রীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মো. আবুল কালাম আজাদের সহযোগিতায় এ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজি (বিআইসিও) এবং কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালের অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রোগীদের চোখ পরীক্ষা, ছানি রোগী শনাক্তকরণ, বিনামূল্যে ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি যাদের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল, তাদের মধ্যে ৩০ জনকে বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের জন্য কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়।

চিকিৎসা কার্যক্রমে অংশ নেন ডা. মো. রায়হান মাহমুদ আশিক, শাহাদাৎ হোসেন, সমীর রঞ্জন দাস, আব্দুর রায়হান, আব্দুল হান্নান, মো. আবির ও দুলাল মিয়াসহ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কর্মসূচির প্রোগ্রাম অফিসার মো. শাহজাহান।

আয়োজক ও সমাজসেবক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এলাকার অসচ্ছল ও বয়স্ক মানুষের অনেকেই অর্থাভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। তাদের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ৯ নম্বর গুনাইঘর ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি গ্রামে কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় সফলভাবে এ ধরনের চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় বিশেষায়িত চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, যা ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

×
CLOSE X