ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ, সাংবাদিক বাণীর প্রতিবাদী পোস্টে ভেসে উঠল কর্মীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও বঞ্চনার ইতিহাস ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ এখন আর গুজব নয়, বরং প্রমাণিত বাস্তবতা।
বর্তমান কমিটির কয়েকজন নেতার পূর্ব শিবির সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে আসতেই সারা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এই ইস্যুতে মুখ খুলেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বাণী ইয়াসমিন হাসি।
ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ, সাংবাদিক বাণীর প্রতিবাদী পোস্টে ভেসে উঠল কর্মীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও বঞ্চনার ইতিহাস
ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ এখন আর গুজব নয়, বরং প্রমাণিত বাস্তবতা। বর্তমান কমিটির কয়েকজন নেতার পূর্ব শিবির সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে আসতেই সারা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এই ইস্যুতে মুখ খুলেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বাণী ইয়াসমিন হাসি। তার স্পষ্ট ও সাহসী ফেসবুক পোস্টে উঠে এসেছে সংগঠনের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা, দীর্ঘদিনের অবক্ষয় এবং শুদ্ধির প্রয়োজনীয়তা।
তিনি লিখেছেন—
“ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এসেছে। তার আগের ৬ টি কমিটির গুপ্ত শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এলেই ৫ আগস্ট তৈরির প্রেক্ষাপটটা পরিস্কার হয়ে যেতো। ঘুনপোকায় সংগঠনকে অনেক আগে থেকেই খাওয়া শুরু করেছিলো। ভালোবেসে যারা রাজনীতিটা করতে চেয়েছে, সবার আগে তাদেরকেই বঞ্চিত বা কোনঠাসা করা হয়েছে। তাই এই ধাক্কাটা অবশ্যম্ভাবী ছিল। কর্মীর চোখের জলের মূল্য তো চুকাতেই হতো। তবে আশার কথা হচ্ছে—আগুনে পুড়ে শুধু ছাই হয় না, ইস্পাতকঠিন দৃঢ়ও হয়। আগাছামুক্ত, শুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে রুখার সাধ্য কারো নেই। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যে আদর্শ বহমান, তার কোনো ক্ষয় বা লয় নেই। আছে শুধু পুনর্জাগরণ।”
ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ
তার এই লেখায় হাজারো কর্মীর আবেগ মিশে আছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তার সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করছেন—”এই প্রতিবাদটাই সময়ের দাবি”। কেউ বলছেন—”আমরা হারিয়ে ফেলছিলাম আশা, বাণী আপার পোস্টে আবার জেগে উঠলাম”।
বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ দীর্ঘদিন ধরে দলটির আদর্শিক ভিত্তিকে দুর্বল করেছে। সংগঠনটি ক্রমেই হয়ে পড়ছিল পদ-পদবী ভাগাভাগির একটা স্রোতের অংশ, যেখানে ত্যাগ নয়, বরং চাটুকারিতা ও পরিচয়ের জোরে জায়গা করে নিচ্ছিলো অনুপ্রবেশকারীরা।
অনেকেই অভিযোগ করছেন, শুধুমাত্র বর্তমান কমিটি নয়, এর আগের বেশ কয়েকটি কমিটিতেও শিবিরপন্থী কিংবা জামায়াতপন্থী প্রভাবশালীরা ছদ্মবেশে পদ পেয়ে গেছেন। তারা সংগঠনের মধ্যে থেকে আদর্শ বিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন, যা ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এসেছে। তার আগের ৬ টি কমিটির গুপ্ত শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এলেই ৫…
এ বিষয়ে একাধিক সাবেক ছাত্রনেতা বলছেন—“দলকে বাঁচাতে হলে এখনই শুদ্ধি অভিযান শুরু করতে হবে। যারা আদর্শহীন, যারা ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
সাংবাদিক বাণী ইয়াসমিন হাসির লেখার আরেকটি দিক হলো আদর্শিক পুনর্জাগরণের আহ্বান। তিনি বলেন,
“প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যে আদর্শ বহমান, তার ক্ষয় নেই, বরং প্রয়োজন সৎ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক শুদ্ধতা।”
এই প্রেক্ষাপটে সরকারপন্থী বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে—বিগত কমিটিগুলোর সদস্যদের পরিচয় পুনঃমূল্যায়ন হবে কি না? কর্মীদের ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানিয়ে কি দল শুদ্ধি অভিযান চালাবে?
ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ বিষয়ক এই আলোচনার পর ছাত্রসমাজের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কর্মীরা চাইছে একটি আদর্শনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব—যারা রাজনীতিকে ভালোবেসে করবে, পদ নয়, সংগ্রামের স্বীকৃতি চায়।
ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ রোধে এখন সময় এসেছে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার, কারণ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রস্তুতের এই পথ যেন আবার ভ্রষ্ট না হয়। সাংবাদিক বাণী ইয়াসমিন হাসির প্রতিবাদী কণ্ঠ সেই সংগ্রামেরই প্রতিচ্ছবি, যা কর্মীদের দীর্ঘদিনের কষ্ট আর বঞ্চনার প্রতিবাদে সাহস জুগিয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
দেবীদ্বারে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির উপজেলা শাখা গঠন, সভাপতি আহমেদ হোসাইন ও সম্পাদক শফিউল আলম রাজীব
গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির উপজেলা শাখা গঠন উপলক্ষে আয়োজিত স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আহমেদ আবু জাফর বলেন, “আমাদের সবাইকে নতুন করে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হতে হবে। দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। শুধু কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন বাস্তব উদ্যোগ, ঐক্য ও দায়িত্বশীল ভূমিকা।”
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক এ বি এম আতিকুর রহমান বাশারের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক শফিউল আলম রাজীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা।
সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা জরুরি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, বিএমএসএফের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজী, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতা মেহেদী হাসান।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন কমিটির সহসভাপতি মনোয়ার হোসেন ও মো. আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী মাহমুদ হৃদয়, দৈনিক আজকালের খবরের দেবীদ্বার প্রতিনিধি এ আর আহমেদ হোসাইন, দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীব, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি ফারুক হোসাইন জনি, ঢাকা নিউজের প্রতিনিধি এ কে এম মিজানুর রহমান কাউছার, ডা. মাসুদ হাসান, শিক্ষক প্রতিনিধি রুহুল আমিন ও অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমানসহ স্থানীয় সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন জাহিদ হাজারী। গীতা পাঠ করেন ভজন সাহা। পরে সম্মিলিতভাবে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির দলীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধ, সাংবাদিকদের ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং অধিকার রক্ষায় সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
২১ সদস্যের উপজেলা কমিটি ঘোষণা
মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক ২১ সদস্যবিশিষ্ট দেবীদ্বার উপজেলা শাখার কমিটি ঘোষণা করেন।
কমিটিতে দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি এ আর আহমেদ হোসাইনকে সভাপতি এবং দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি শফিউল আলম রাজীবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
কমিটির অন্য পদধারীরা হলেন—সহসভাপতি ময়নাল হোসেন (ভিপি), দৈনিক মুক্ত খবর; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন হাজারী, দৈনিক জবাবদিহি; সাংগঠনিক সম্পাদক জনি ফারুক, দৈনিক ইনকিলাব; সহসাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হালিম, দৈনিক বাংলার আলোড়ন; দপ্তর সম্পাদক মনির মোশাররফ, দৈনিক নাগরিক ভাবনা; অর্থবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. শাহিন; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এ কে এম মিজানুর রহমান কাউছার, দৈনিক ঢাকা নিউজ; তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক শিক্ষক মো. শাখাওয়াত হোসেন; আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আনিছুর রহমান খান; সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ডা. শাহ জালাল; শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মো. রুহুল আমিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক; পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক দিন প্রতিদিন; মামলা ও নির্যাতন মনিটরিং সেলের দায়িত্বে বিল্লাল হোসেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার; জরুরি সহায়তা ও চিকিৎসাবিষয়ক দায়িত্বে ডা. মাসুদ হাসান।
নির্বাহী সদস্য করা হয়েছে আব্দুল আউয়াল, দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ এবং আব্দুল আলিম, ফেইস দ্য পিপল নিউজকে। সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন এমজে মামুন, দৈনিক নাগরিক ভাবনা; রাসেল সরকার, দৈনিক মানবজমিন এবং মামুনুর রশীদ, দৈনিক খবরের আয়না।
লালমাইয়ে মর্মান্তিক ঘটনা, নিহত দুই শিশু সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে আবদুর রহমান (৪) ও জুবায়ের (৫) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের বরইয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুর রহমান ওই গ্রামের প্রবাসী সোহেল রানার ছেলে। অন্যদিকে জুবায়ের একই গ্রামের জুয়েল রানার সন্তান। তারা সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বাড়ির কাছেই খেলাধুলা করছিল দুই শিশু। খেলার একপর্যায়ে তারা পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে শিশু দুটিকে দীর্ঘ সময় দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুকুরে তাদের ভাসতে দেখে স্বজনরা উদ্ধার করেন। এরপর দ্রুত স্থানীয় বাগমারা বাজারে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে পরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
লালমাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
কুমিল্লার মুরাদনগর ও বাঙ্গরা উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্যোগ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার কঠোর সমালোচনা করেছেন মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।
কামাল ভূঁইয়া বলেন, “যার নিজের ওয়ার্ডে মেম্বার হওয়ার মতো অবস্থান নেই, তিনি দুই উপজেলার ২২টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করতে এসেছেন—এটা হাস্যকর।”
২৬ অক্টোবর বিকেলে বাঙ্গরা উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের আমতলী বাজারসংলগ্ন এনসিপির কার্যালয়ে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। এতে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপস্থিত থেকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন।
যার নিজের ওয়ার্ডে মেম্বার হওয়ার মতো অবস্থান নেই, তিনি দুই উপজেলার ২২টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করতে এসেছেন—এটা হাস্যকর।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে মুরাদনগর ও বাঙ্গরা উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছিল এনসিপি। তবে সব ইউনিয়ন থেকে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ নিয়ে কেউ যোগাযোগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে দলটির স্থানীয় নেতাদের কেউ নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি।
এনসিপির এ উদ্যোগের সমালোচনা করে বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া দাবি করেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নিজের এলাকায় রাজনৈতিক জনসমর্থন নেই। এমনকি নিজের ভোট মুরাদনগর থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করে চলে যেতে হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
কামাল ভূঁইয়া আরও বলেন, মুরাদনগর ও বাঙ্গরার মাটিতে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে।
তাঁর এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ঘিরে অনলাইনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
তবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কিংবা এনসিপির পক্ষ থেকে কামাল ভূঁইয়ার এসব বক্তব্যের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।