শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ নিয়ে ফুঁসে উঠলেন বাণী ইয়াসমিন হাসি

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৩৫ এএম
ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ নিয়ে ফুঁসে উঠলেন বাণী ইয়াসমিন হাসি

ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ, সাংবাদিক বাণীর প্রতিবাদী পোস্টে ভেসে উঠল কর্মীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও বঞ্চনার ইতিহাস

ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ এখন আর গুজব নয়, বরং প্রমাণিত বাস্তবতা। বর্তমান কমিটির কয়েকজন নেতার পূর্ব শিবির সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে আসতেই সারা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এই ইস্যুতে মুখ খুলেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বাণী ইয়াসমিন হাসি। তার স্পষ্ট ও সাহসী ফেসবুক পোস্টে উঠে এসেছে সংগঠনের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা, দীর্ঘদিনের অবক্ষয় এবং শুদ্ধির প্রয়োজনীয়তা।

তিনি লিখেছেন—

“ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এসেছে। তার আগের ৬ টি কমিটির গুপ্ত শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এলেই ৫ আগস্ট তৈরির প্রেক্ষাপটটা পরিস্কার হয়ে যেতো। ঘুনপোকায় সংগঠনকে অনেক আগে থেকেই খাওয়া শুরু করেছিলো। ভালোবেসে যারা রাজনীতিটা করতে চেয়েছে, সবার আগে তাদেরকেই বঞ্চিত বা কোনঠাসা করা হয়েছে। তাই এই ধাক্কাটা অবশ্যম্ভাবী ছিল। কর্মীর চোখের জলের মূল্য তো চুকাতেই হতো। তবে আশার কথা হচ্ছে—আগুনে পুড়ে শুধু ছাই হয় না, ইস্পাতকঠিন দৃঢ়ও হয়। আগাছামুক্ত, শুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে রুখার সাধ‍্য কারো নেই। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যে আদর্শ বহমান, তার কোনো ক্ষয় বা লয় নেই। আছে শুধু পুনর্জাগরণ।”

ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ
ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ

তার এই লেখায় হাজারো কর্মীর আবেগ মিশে আছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তার সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করছেন—”এই প্রতিবাদটাই সময়ের দাবি”। কেউ বলছেন—”আমরা হারিয়ে ফেলছিলাম আশা, বাণী আপার পোস্টে আবার জেগে উঠলাম”।

বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ দীর্ঘদিন ধরে দলটির আদর্শিক ভিত্তিকে দুর্বল করেছে। সংগঠনটি ক্রমেই হয়ে পড়ছিল পদ-পদবী ভাগাভাগির একটা স্রোতের অংশ, যেখানে ত্যাগ নয়, বরং চাটুকারিতা ও পরিচয়ের জোরে জায়গা করে নিচ্ছিলো অনুপ্রবেশকারীরা।

অনেকেই অভিযোগ করছেন, শুধুমাত্র বর্তমান কমিটি নয়, এর আগের বেশ কয়েকটি কমিটিতেও শিবিরপন্থী কিংবা জামায়াতপন্থী প্রভাবশালীরা ছদ্মবেশে পদ পেয়ে গেছেন। তারা সংগঠনের মধ্যে থেকে আদর্শ বিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন, যা ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এসেছে। তার আগের ৬ টি কমিটির গুপ্ত শিবির নেতাদের পরিচয় সামনে এলেই ৫…

Posted by বাণী ইয়াসমিন হাসি on Sunday, August 3, 2025

এ বিষয়ে একাধিক সাবেক ছাত্রনেতা বলছেন—“দলকে বাঁচাতে হলে এখনই শুদ্ধি অভিযান শুরু করতে হবে। যারা আদর্শহীন, যারা ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সাংবাদিক বাণী ইয়াসমিন হাসির লেখার আরেকটি দিক হলো আদর্শিক পুনর্জাগরণের আহ্বান। তিনি বলেন,

“প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যে আদর্শ বহমান, তার ক্ষয় নেই, বরং প্রয়োজন সৎ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক শুদ্ধতা।”

এই প্রেক্ষাপটে সরকারপন্থী বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে—বিগত কমিটিগুলোর সদস্যদের পরিচয় পুনঃমূল্যায়ন হবে কি না? কর্মীদের ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানিয়ে কি দল শুদ্ধি অভিযান চালাবে?

ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ বিষয়ক এই আলোচনার পর ছাত্রসমাজের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কর্মীরা চাইছে একটি আদর্শনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব—যারা রাজনীতিকে ভালোবেসে করবে, পদ নয়, সংগ্রামের স্বীকৃতি চায়।

ছাত্রলীগে শিবির অনুপ্রবেশ রোধে এখন সময় এসেছে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার, কারণ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রস্তুতের এই পথ যেন আবার ভ্রষ্ট না হয়। সাংবাদিক বাণী ইয়াসমিন হাসির প্রতিবাদী কণ্ঠ সেই সংগ্রামেরই প্রতিচ্ছবি, যা কর্মীদের দীর্ঘদিনের কষ্ট আর বঞ্চনার প্রতিবাদে সাহস জুগিয়েছে।

এলাকার খবর

কৃষকের ওপর হামলার অভিযোগ

কালিগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
কালিগঞ্জে কৃষককে পিটিয়ে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে এক কৃষককে পিটিয়ে ও বেধড়ক মারধরের পর মৃত ভেবে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দেবাড়িয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত কৃষক শফিকুল ইসলাম দেবাড়িয়া গ্রামের রশিদ গাজীর ছেলে। তার পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের মেহেদী হাসান, মাসুদ, ইমরান হোসেন, কাদের, মাহাবুবসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, এর আগে একই পক্ষ শফিকুল ইসলামের প্রায় আড়াই বিঘা মাছের ঘের দখল করে নেয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশসহ নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭ (গ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযুক্তদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তারা মুচলেকা দিয়ে জামিন লাভ করেন। এরপর থেকেই তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং কয়েক দিন আগে এক দফা মারধরের পর শনিবার আবারও হামলা চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

শফিকুল ইসলামের স্বজনদের দাবি, হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে মৃত ভেবে সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, খবর পেয়ে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় শফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরিবারের আরও অভিযোগ, হামলার সময় শফিকুলকে রক্ষা করতে গেলে তার বাবা রশিদ গাজী, মা ফাতেমা বেগম এবং চাচা মজিদকেও মারধর করা হয়।

এদিকে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মদদে হামলাকারীরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযুক্তদের একজন মাহাবুব মারধরের ঘটনার বিষয়ে বলেন, “একটু হাতাহাতি হয়েছে।”

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা

সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির | ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ পিএম
সেতু সচিবের পরিদর্শন, সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণে নতুন আশার আলো

সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাইয়ে সচিবের পরিদর্শন

সেতু সচিবের পরিদর্শন ঘিরে আশার আলো দেখছে ঝালকাঠিবাসী। দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর ওপর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে তারা নলছিটি উপজেলার ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা সম্ভাব্য সেতুর অবস্থান, নদীর প্রবাহ, সংযোগ সড়ক, ভূমি পরিস্থিতি এবং অন্যান্য কারিগরি বিষয়ে সচিবকে অবহিত করেন। সচিবও বিভিন্ন দিক নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে ঝালকাঠি, নলছিটিসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং নদীর দুই তীরের জনপদে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত সুগন্ধা সেতু বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে।

স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণরক্ষা

ঝালকাঠিতে শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ মায়ের, স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচল দুজন

গাজী গিয়াস উদ্দিন বশির | ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৪ এএম
ঝালকাঠিতে শিশুকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ মায়ের, স্থানীয়দের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচল দুজন

ঝালকাঠির নলছিটিতে পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন এক নারী। তবে স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা দুজনই নিরাপদ রয়েছেন।

 প্রতিবেদনের হাইলাইটস


  • শুক্রবার রাতে ঝালকাঠির নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

  • পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন এক নারী।

  • স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

  • উদ্ধারের পর দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং বর্তমানে তারা নিরাপদ রয়েছেন।

  • ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ; অভিযোগের বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উদ্ধার হওয়া নারীর নাম লাকি আক্তার। তিনি নলছিটি শহরের বাসিন্দা আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকি আক্তার তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে নিয়ে হঠাৎ সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত নদীতে নেমে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

লাকি আক্তারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে তার দাম্পত্য কলহ চলছিল। কিছুদিন আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর সাবেক স্বামীর পক্ষ থেকে মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং আবেগপ্রবণ হয়ে এমন পদক্ষেপ নেন বলে জানান।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মা ও শিশু বর্তমানে নিরাপদ রয়েছেন। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা সাইদুল ইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

×
CLOSE X