মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শরীফুল মার্কিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেলেন

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৩০ এএম
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শরীফুল মার্কিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেলেন

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শরীফুল, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শরীফুল খান মার্কিন সামরিক বাহিনীতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন।
  • তিনি মার্কিন বিমান বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ সামরিক পদ।
  • মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শরীফুল, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শরীফুল খান মার্কিন সামরিক বাহিনীতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন। তিনি মার্কিন বিমান বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ সামরিক পদ।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শরীফুল

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত এম. ওসমান সিদ্দিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ খবর নিশ্চিত করেন।

শরীফুল খান বর্তমানে মার্কিন বিমান বাহিনীর ‘গোল্ডেন ডোম ফর আমেরিকা’ স্টাফ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জুনে তাঁকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে মনোনীত করেন। ওই তালিকায় ১৫ জনকে মেজর জেনারেল এবং ৫৫ জনকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত করার সুপারিশ ছিল।

১৯৯৭ সালে ইউনাইটেড স্টেটস এয়ার ফোর্স একাডেমি থেকে স্নাতক হয়ে শরীফুল খান কমিশনড অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি স্পেস অপারেশনস, স্যাটেলাইট অপারেশন, উৎক্ষেপণ মিশনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কাজ করেছেন। স্কোয়াড্রন এবং উইং পর্যায়ে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি।

তাঁর এই পদোন্নতি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের জন্য এক বিশাল গর্ব। এটি প্রমাণ করে, কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে অভিবাসী পরিবার থেকে আসা একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূতও মার্কিন সামরিক বাহিনীর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেন।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

চান্দিনায় ঘরে ঢুকে গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩২ পিএম
চান্দিনায় ঘরে ঢুকে গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন

কুমিল্লার চান্দিনায় নিজ ঘরে ঢুকে বীনা রানী রায় (৫৮) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে বরকইট ইউনিয়নের বরকইট দক্ষিণপাড়া শীলবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের কপাল ও মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত বীনা রানী রায় ওই এলাকার দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত অথবা দেয়ালের সঙ্গে মাথা ঠুকে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডে কী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বীনা রানী পূজা-অর্চনা শেষে নিজ ঘরে বসে টেলিভিশন দেখছিলেন। এ সময় তাঁর স্বামী দিলীপ কুমার রায় বাড়ির বাইরে একটি দোকানে চা পান করতে যান। পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিভিন্ন স্থানে চাকরির কারণে বাড়ির বাইরে ছিলেন।

নিহতের ছেলে তাপস রায় জানান, এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে তাঁর মায়ের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। তাঁর মায়ের চিৎকার শুনে পাশের ঘরের এক জ্যাঠা বাড়ির লোকজন নিয়ে এগিয়ে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বীনা রানীকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

তাপস রায় বলেন, তাঁর মাকে কেন এবং কারা হত্যা করেছে, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

এদিকে বরকইট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান, স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পেরেছেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে আশপাশের কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। পূর্বশত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা। তবে প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছে, নাকি দেয়ালে মাথা ঠুকে আঘাত করা হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মো. নুরুজ্জামান
অফিসার ইনচার্জ (ওসি), চান্দিনা থানা

মঙ্গলবার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি; তবে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।

চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে হত্যার দায়ে মো. আজাদ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আজাদ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।

যেভাবে হত্যাকাণ্ড

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পারিবারিক কলহের জেরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই রাতে তিন সন্তানের জননী তানিয়া বেগমকে হাতে-পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর নিহত তানিয়া বেগমের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে তার জামাতা মো. আজাদকে একমাত্র আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা তদন্তের পর পুলিশ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তানিয়ার মৃত্যু বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে হত্যার ঘটনা বলে উল্লেখ করে। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা আজাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালতে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ, জেরা এবং মামলার বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়। শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রায়ের পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান তিনি।

বেগমগঞ্জে ১৪ দিনের নবজাতককে পানির ড্রামে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ, মা গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১০ পিএম
বেগমগঞ্জে ১৪ দিনের নবজাতককে পানির ড্রামে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ, মা গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাত্র ১৪ দিন বয়সী এক নবজাতককে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সৌরভ হোসেন বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় শিশুটির মা ফাতেমা বেগম (১৯)কে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের মজুমদারহাট সংলগ্ন বাজার বাড়ি এলাকায় সৌরভের বসতঘরে ঘটনাটি ঘটে। পরে রাত ১০টার দিকে ঘরের ভেতরে রাখা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত নবজাতক সৌরভ হোসেনের ছেলে। অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের শরীফ উল্যার মেয়ে।

নবজাতককে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগে শিশুটির মাকে গ্রেপ্তার এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের তথ্য জানিয়েছেন।
মো. শামসুজ্জামান
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বেগমগঞ্জ থানা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রেমের সম্পর্কের পর সৌরভ ও ফাতেমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর নবজাতককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ সময় ফাতেমাকে শিশুটির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি প্রথমে দাবি করেন, পেছন থেকে কেউ তাকে মাথায় আঘাত করে শিশুটিকে নিয়ে গেছে। পরে আবার বলেন, জিন শিশুটিকে নিয়ে গেছে। তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়।

পরে রাত ১০টার দিকে বসতঘরের এক কোণে রাখা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের প্লাস্টিকের ড্রাম খুলে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা শিশুটিকে ড্রামের পানিতে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটি কান্নাকাটি করত, ঘুমাত না এবং তার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটত—এমন বিরক্তি ও মানসিক চাপ থেকেই তিনি এ ঘটনা ঘটান বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান জানান, নবজাতককে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ পাওয়ার পরপরই শিশুটির মাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তদন্তের ভিত্তিতে তাকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, শিশুটিকে বসতঘরে রাখা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ড্রামে ফেলে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফাতেমা বেগমকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে শিশুটিকে হত্যার পেছনে শুধু পারিবারিক কলহ ও মানসিক চাপ ছিল, নাকি এর সঙ্গে অন্য কোনো কারণ জড়িত—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

×
ENG