বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ভিসা নিষেধাজ্ঞায় সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে জনগণকে দায়ী: কতটা নির্লজ্জ এই কৌশল?

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫, ১০:৩৩ পিএম
ভিসা নিষেধাজ্ঞায় সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে জনগণকে দায়ী: কতটা নির্লজ্জ এই কৌশল?
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 


🔍 সংক্ষেপে হাইলাইটস:

  • ভিসা বন্ধের জন্য জনগণ ও ব্যবসায়ীকে দায়ী করলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন
  • মার্কিন স্টুডেন্ট ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ‘সরকারের কিছু করার নেই’— অস্বীকারমূলক মনোভাব
  • ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট বন্ধ করায় ‘শাপেবর’ মন্তব্য— বাস্তবতা থেকে কতটা দূরে?
  • নির্বাচনের সময়সূচি বিষয়ে অস্পষ্টতা এবং বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রশ্নে কূটনৈতিক কৌশলের অভাব

🧭 সরকার ব্যর্থ, দায় চাপায় জনগণের ওপর

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেন, “বিভিন্ন দেশের ভিসা নিষেধাজ্ঞার জন্য দেশের মানুষ ও ব্যবসায়ীরাই দায়ী।” এই মন্তব্যে গোটা জাতিকে অবাক করে দিয়েছেন তিনি। যেখানে সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতা, নীতির অসংগতি ও দুর্নীতি আন্তর্জাতিক আস্থার সংকটে পরিণত হয়েছে, সেখানে সাধারণ মানুষকে দায়ী করাটা কতটা যৌক্তিক?

বিশ্লেষকদের মতে, এটি সরকারের একটি চিরাচরিত কৌশল—নিজেদের গাফিলতি আড়াল করে জনগণকেই অপরাধী বানানো। এভাবে কি রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব?

বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের ওপর সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা সৌদির


🎓 স্টুডেন্ট ভিসা নিষেধাজ্ঞায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যুতে তৌহিদ হোসেন বলেন, “এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই।” অথচ প্রতিবেশী দেশ ভারতের শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে ভিসা পাচ্ছে। কূটনৈতিক তৎপরতার অভাবে আজ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে। তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখার অধিকার কি বাংলাদেশের তরুণদের নেই?


🚢 ট্রান্সশিপমেন্ট বন্ধ: ‘শাপেবর’ না ‘শাপে বিপদ’?

ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট বন্ধ করায় তৌহিদ হোসেন বলেন, “আমরা বিকল্প তৈরি করেছি, এটা আমাদের জন্য শাপেবর।” কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, পণ্য পরিবহনে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ, সময়ও লাগছে বেশি।
সুতরাং, সরকারের মুখে যতই ‘শাপেবর’ বলা হোক, বাস্তবতা হলো—ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, এবং অর্থনীতিতে চাপ।


🗳 নির্বাচন নিয়ে বিদেশি উদ্বেগ: সরকারের জবাব এড়িয়ে যাওয়া

নির্বাচন নিয়ে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, “সরকারের সিদ্ধান্তই বিদেশিদের জানানো হয়।” অথচ আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা ফেরাতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে—এই অস্পষ্ট বার্তা আরও সন্দেহ বাড়িয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতে এমন অনির্দিষ্টতা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত।

সরকারের চরম ব্যর্থতা পড়তে নিচের লিঙ্কসে ক্লিক করুন

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষায় অনিশ্চয়তা, ইউনিসেফের কার্যক্রমে বড় কাটছাঁট


⚠️ বিশ্লেষণ: দায় এড়ানোর কৌশলেই চলছে রাজনীতি

সরকারি বক্তব্যে বারবার একটি চিত্রই পরিষ্কার— সরকার দায় নিচ্ছে না, বরং জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে সব ব্যর্থতা।
যদি সরকারই কূটনৈতিক ব্যর্থতা, দুর্নীতি, ও অব্যবস্থাপনাকে স্বীকার না করে, তাহলে জনগণের ভিসা পাওয়া বা আন্তর্জাতিক আস্থা ফেরানো কোন যুক্তিতে সম্ভব?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার নিজের ঘরে আগুন লাগিয়ে এখন ধোঁয়ার জন্য জনসাধারণকে দায়ী করছে। অথচ এই সংকট থেকে উত্তরণে দরকার নৈতিক জবাবদিহিতা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে চলা, এবং জনগণের প্রতি সম্মানজনক দৃষ্টিভঙ্গি।


📌 শেষ কথা:

জনগণ যদি সব কিছুর জন্য দায়ী হয়, তাহলে শাসকের দায়িত্ব কি শুধুই বাহানা দেওয়া? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য এক ভয়াবহ বাস্তবতা তুলে ধরছে—এখানে জনগণ শুধু শাসিত, সম্মানিত নয়।


 

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বাড়ছে পুশব্যাক আতঙ্ক

পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক পুলক ঘটকের স্ট্যাটাস: দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। ছবির গ্রাফিকস : আজকের কথা

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে শত শত মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী পুলক ঘটক। এ ঘটনায় বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমের নীরবতা নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে পুলক ঘটক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “ভারতীয় সীমান্তের কোনো কোনো চেকপোস্টে শত শত মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য জড়ো করা হয়েছে। এটা কি পুশব্যাক? বাংলাদেশ কি তাদের স্বেচ্ছায় নিচ্ছে? ব্যাপারটা কী?”
তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কোনো খবর প্রকাশ না হলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ভিডিওসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সীমান্তে অবস্থান নেওয়া মানুষের বক্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলক ঘটক লেখেন, “এ বিষয়ে বাংলাদেশের মিডিয়ায় কোনো নিউজ নেই… কিন্তু এখানে সবাই চুপচাপ!”
তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনেকেই সীমান্ত পরিস্থিতি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা এবং সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় আদৌ পুশব্যাক চলছে কি না, কিংবা জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক কি না—তা নিয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে এসব পুশব্যাক নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলার আসামিকে আদালতে পাঠালো পুলিশ

দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

দেবীদ্বারে হত‍্যাসহ ১১ মামলার আসামী সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিস মেম্বার। ছবি : এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

দেবীদ্বারে ‘সন্ত্রাসের গডফাদার’ আনিস মেম্বার গ্রেফতার, ঝুলছে ১১ মামলা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, সন্ত্রাসী হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার ওরফে আনিস মেম্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতার আনিস মেম্বার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

🔺 হত্যা, হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার
🔺 ছাত্র আন্দোলনের হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায়ও রয়েছে অভিযোগ
🔺 অটোচালককে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার মামলায় অভিযান চালায় পুলিশ
🔺 রুবেল-ছাব্বির হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় ছিলেন জামিনে
🔺 আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রসুলপুর বাজার এলাকায় অটোরিকশাচালক মো. মামুনকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার (২৫ মে) তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন আহত মামুনের স্ত্রী শারমিন আক্তারুজ্জামান।অভিযোগ রয়েছে, আনিস মেম্বার তার বাড়িতে দুটি সিমেন্টের বস্তা পৌঁছে দিতে বললে অন্যত্র ভাড়া থাকায় অটোচালক মামুন যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়।এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত শিক্ষার্থী আবুবকরকে হত্যাচেষ্টার মামলাতেও তাকে সন্দেহভাজন আসামি দেখানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আনিস মেম্বার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেল ও ছাব্বির হত্যা মামলাসহ আরও ৯টি মামলায় জামিনে রয়েছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আনিস মেম্বার এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।

    দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আনিস মেম্বারের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বরগুনার আমতলীতে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রাতের আঁধারে খাল খনন-গাছ কেটে সাবাড়, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ। ছবি : আজকের কথা

বরগুনার আমতলী উপজেলায় রাতের আঁধারে খাল খনন ও খালের দুই পাড়ের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. কায়েসুর রহমান ফকুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় গত এপ্রিল মাসে কুকুয়া ইউনিয়নের কালিপুরা খালের ২ হাজার ৫০০ মিটার খননের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ পান সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। গত ২০ মে থেকে খননকাজ শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সেচ দিয়ে খাল খননের কথা থাকলেও তা না করে রাতের আঁধারে দায়সারাভাবে ভরা খাল কাটা হচ্ছে। পাশাপাশি ভেকু মেশিন ব্যবহার করে খালের দুই পাড়ের অসংখ্য গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দিলেও কাজ বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে খাল খননের নামে প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করা হচ্ছে। এতে কৃষকদের কোনো উপকার হবে না, বরং পরিবেশ ও খালপাড়ের মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা আব্দুল জব্বার, নাদিম আহম্মেদ, রাসেল ও খলিল অভিযোগ করে বলেন, সঠিক নিয়ম না মেনে খননকাজ করায় পুরো প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত অনিয়ম বন্ধ ও সঠিকভাবে খাল খননের দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মুনসুরা বেগম বলেন, তার কয়েকটি গাছ ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গভীর রাতে খাল কাটার এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেননি।

এ বিষয়ে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল আউয়াল ও তাসলিমা বেগম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম করছেন। অভিযোগ জানানো হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রকৌশলীর পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে। তবে খননকাজে দু-একটি গাছ কাটা পড়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী জানান, রাতের আঁধারে সেচ ছাড়াই খাল খননের অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সঠিক নিয়ম না মানলে প্রকল্প বাতিল করা হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×