“১০ বছরেও মিলেনি তনুর বিচার”
তনু হত্যা মামলায় ফের গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর

তনু হত্যা মামলায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আত্মসমর্পণ না করায় কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে পিবিআইয়ের হাতে পুনরায় গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান। ছবিতে হাফিজুর রহমান ও নিহত সোহাগী জাহান তনু। ছবি : দৈনিক আজকের কথা
আদালতের নির্দেশ অমান্য, কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে আটক
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শনিবার (৮ আগস্ট) পিবিআইয়ের এক বার্তায় জানানো হয়, ঢাকার কেরানীগঞ্জে তাঁর নিজ বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করায় এবং একই আদেশে তাঁকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ থাকায় পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থাটি। তাঁকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ হাফিজুর রহমানকে জামিন দেন। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
হাইকোর্টের ওই জামিনাদেশে রাষ্ট্রপক্ষ সংক্ষুব্ধ হয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। বৃহস্পতিবার আপিল আদালত হাফিজুর রহমানের জামিন বাতিল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাঁকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
শুক্রবার সন্ধ্যায় আদালতের নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হলেও হাফিজুর রহমান আত্মসমর্পণ করেননি। এর কয়েক ঘণ্টা পরই পিবিআই তাঁকে ফের গ্রেপ্তার করে।
এপ্রিলেও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন হাফিজুর
তনু হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জে হাফিজুর রহমানের বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মামলাটিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরদিন তাঁকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পিবিআই। শুনানি শেষে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক তাঁর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারের পর হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে ডিএনএ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
যেভাবে তনু হত্যাকাণ্ড
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। পরে সেনানিবাসের একটি ঝোপ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২১ মার্চ তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
ডোবায় ভাসল যুবদল নেতার লাশ
কবিরহাটে যুবদল নেতা আজাদকে হত্যা, লাশ গুমের চেষ্টা

ডোবায় ভাসল মরদেহ, গলায় দড়ি-চোখে আঘাতের চিহ্ন
নোয়াখালীর কবিরহাটে যুবদল নেতা আজাদ হোসেন (৩৪)কে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের বোন লাভলী বেগম বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) দায়ের করা মামলাটির নম্বর-৪। এতে দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা), ২০১ (আলামত বিনষ্ট ও লাশ গুমের চেষ্টা) এবং ৩৪ (পরস্পর যোগসাজশ) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় দুজনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে আজাদের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো এবং চোখের ওপর গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এসব আলামত থেকে প্রাথমিকভাবে তাঁকে শ্বাসরোধ ও নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত আজাদ হোসেন দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাবঘর এলাকায় ব্যবসা করতেন।
রাতে ডেকে নেওয়ার পর নিখোঁজ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে একদল লোক আজাদকে তাঁর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। সারারাত ও পরদিন সকাল পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ডোবায় আজাদের মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আজাদের চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) তাঁকে রাতে ডেকে নিয়ে যান। পূর্বশত্রুতা কিংবা স্থানীয় কোনো বিরোধের জেরে তাঁরা আজাদকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ডোবায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ স্বজনদের।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দুই ভাই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাদকবিরোধিতা নাকি রাজনৈতিক বিরোধ?
তদন্তসংশ্লিষ্টরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, মাদক সেবনে বাধা দেওয়া কিংবা স্থানীয় কোনো আড্ডাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরেও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে। তবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন,
“আজাদ শুধু একজন ব্যবসায়ী ছিলেন না, তিনি যুবদলের একজন সক্রিয় ও ত্যাগী নেতা ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে অতীতেও একাধিকবার তাঁর ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছিল। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত মূল পরিকল্পনাকারী ও ঘাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
পুলিশের অভিযান
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কবিরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো এবং চোখে আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে। নিহতের বোনের দায়ের করা হত্যা মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে। দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বর্ষীয়ান মুক্তিযোদ্ধার প্রয়াণে শোক
কোটালীপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী লুৎফর রহমানের মৃত্যু

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সফল কমান্ডার এবং কোটালীপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী লুৎফর রহমান শেখ আর নেই।
শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে (২টা ৩০ মিনিট) কোটালীপাড়া পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, চার মেয়ে, আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে হাজী লুৎফর রহমান শেখ সাহসিকতার সঙ্গে সম্মুখসমরে অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং স্থানীয় মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।
দীর্ঘদিন তিনি কোটালীপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি কোটালীপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও মানুষের পাশে থাকার কারণে স্থানীয়ভাবে তিনি ছিলেন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তি।
তাঁর মৃত্যুতে কোটালীপাড়াজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় শিক্ষক সমাজ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
শোকবার্তায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে হাজী লুৎফর রহমান শেখের অবদান এবং স্বাধীনতার পর সমাজ গঠনে তাঁর ভূমিকা কোটালীপাড়ার মানুষ দীর্ঘদিন স্মরণ করবে। তাঁর মতো একজন বর্ষীয়ান মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজহিতৈষী ব্যক্তির শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।
স্মরণসভায় দলীয় ঐক্যের আহ্বান
‘বিএনপির পতাকা লাগিয়ে এনসিপির নির্বাচন করা ব্যক্তিদের দলে থাকার অধিকার নেই’— অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি

আমাদের দল কখনো এনসিপিকে সমর্থন করেনি। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল নির্বাচনে তাদের সমর্থন দিয়েছে। যারা বিএনপির পতাকা লাগিয়ে এনসিপির নির্বাচন করেছে, তাদের বিএনপি করার কোনো অধিকার নেই।
এমন মন্তব্য করেছেন কুমিল্লার হোমনা-তিতাস আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদ হলরুমে আ. আউয়াল খান স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় (কুমিল্লা বিভাগ) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক প্রয়াত আব্দুল আউয়াল খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, প্রয়াত আব্দুল আউয়াল খান কখনো নিজের পরিবার নিয়ে ভাবেননি; রাজনীতিই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান কর্ম। করোনা মহামারির সময় যখন মানুষ ঘর থেকে বের হতে ভয় পেত, তখনও তিনি ঘরে বসে থাকেননি; দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তিনি বিএনপির জন্য যা করেছেন, তার বিনিময়ে বিএনপি তাঁর জন্য তেমন কিছুই করতে পারেনি। এটি দলের জন্য দুর্ভাগ্যের বিষয়।
দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য তিন মাস সময় নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “এনসিপির কমিটি দিয়ে তো আর বিএনপি চলবে না। তাই দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করলে প্রতিপক্ষেরই লাভ হয়। তাই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে সবাইকে দলকে শক্তিশালী করতে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, “আপনারা যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিএনপির পতাকার আড়ালে যারা এনসিপির নির্বাচন করেছে, তারা সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। আর কেউ যদি টাকা দিয়ে নেতৃত্ব কিনতে চায়, সেই খবর পেলে তার পদ বাতিল করা হবে।”
দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং যুবদল নেতা আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন তিতুমীর কলেজের সাবেক ভিপি ও গুলশান থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম. এ. আউয়াল খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সহ-যুববিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য একরামুল হক বিপ্লব, অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, ওমর ফারুক সাফিন ও সালাহউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম, রেজভিউল আহসান মুন্সী, সুফিয়া বেগম এবং দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ।
এ ছাড়া প্রয়াত বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল খানের পুত্র, কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা আসাদুজ্জামান খানসহ কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রয়াত নেতা আ. আউয়াল খানের রাজনৈতিক জীবন, দলীয় অবদান ও কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন।
আলোচনা সভার আগে প্রয়াত আব্দুল আউয়াল খানের নিজ গ্রামে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।























