বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

বর্ষার দূত কদমফুল

আষাঢ়ের আগমনী বার্তা নিয়ে ফুটেছে কদমফুল

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১:৫২ এএম
আষাঢ়ের কদমফুল

আষাঢ়ের আগমনী বার্তা নিয়ে ফুটেছে কদমফুল। বর্ষার শুরুতেই সুগন্ধ আর সৌন্দর্যে মুগ্ধ করছে প্রকৃতিপ্রেমীদের। ছবি : আজকের কথা

বর্ষার সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

বাংলার ছয় ঋতুর মধ্যে বর্ষা এক অনন্য সৌন্দর্যের ঋতু। আষাঢ়ের প্রথম প্রহরেই প্রকৃতি যেন নতুন সাজে সেজে ওঠে। কালো মেঘ, টিপটিপ বৃষ্টি আর স্নিগ্ধ সবুজের মাঝখানে বর্ষার আগমনী বার্তা নিয়ে ফুটে ওঠে কদমফুল। প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টি যেন বর্ষার সৌন্দর্যকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

আজ থেকে শুরু হয়েছে আষাঢ় মাস। তবে তার আগেই গ্রামবাংলার পথঘাট, বাড়ির আঙিনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চত্বর ও শহরের বিভিন্ন স্থানে কদমগাছগুলো সেজে উঠেছে অসংখ্য কদমফুলে। গোলাকার হলুদাভ-কমলা রঙের ফুলগুলো দূর থেকেই নজর কাড়ছে পথচারীদের।

কদমগাছের নিচ দিয়ে হেঁটে গেলে ভেসে আসে মিষ্টি সুগন্ধ। অনেক সময় ফুল চোখে না পড়লেও তার সুবাস জানান দেয় আশপাশেই কোথাও ফুটে আছে বর্ষার প্রিয় ফুল কদম। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এই সুগন্ধ আর সৌন্দর্য এক বিশেষ অনুভূতির জন্ম দেয়।

বর্ষাকাল ছাড়া বছরের অন্য সময়ে কদমফুলের দেখা মেলে না বললেই চলে। তাই আষাঢ়-শ্রাবণের এই সময়টুকুই কদমফুলের রাজত্ব। বর্তমানে কদমগাছের ডালপালা জুড়ে ফুটে থাকা ফুলগুলো প্রকৃতিতে এনে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। অনেকেই গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, আবার কেউ কেউ হাতে নিয়ে উপভোগ করছেন ফুলের মাদকতাময় সৌরভ।

বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, গান ও কবিতায় কদমফুলের বিশেষ স্থান রয়েছে। যুগ যুগ ধরে বর্ষার প্রতীক হিসেবে কদমফুলের নাম উচ্চারিত হয়ে আসছে। কবিদের কবিতায়, গীতিকারদের গানে এবং গল্পকারদের লেখায় কদমফুল বারবার ফিরে এসেছে প্রেম, প্রকৃতি ও আবেগের প্রতীক হয়ে।

স্থানীয়দের মতে, কদমফুল ফুটলেই বোঝা যায় বর্ষা এসে গেছে। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য শুধু চোখ জুড়ায় না, মনেও এনে দেয় প্রশান্তির ছোঁয়া। তাই ছোট-বড় সবার কাছেই কদমফুল সমান প্রিয়।

আষাঢ়ের প্রথম দিনে ফুটে থাকা কদমফুল যেন প্রকৃতির পক্ষ থেকে বর্ষাকে স্বাগত জানানোর এক নীরব আয়োজন। আর সেই আয়োজনেই নতুন প্রাণ ফিরে পায় বাংলার চিরচেনা প্রকৃতি।

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

বিশ্ববরেণ্যদের কাতারে কুমিল্লার মানবিক চিকিৎসক ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৮ পিএম
বিশ্ববরেণ্যদের কাতারে কুমিল্লার মানবিক চিকিৎসক ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ

‘এশিয়ান স্টেট’ জার্নালের প্রচ্ছদ নিবন্ধে স্থান পেলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সমাজসেবক

এশিয়ার রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজসেবা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মানের জার্নাল ‘এশিয়ান স্টেট’-এর প্রচ্ছদ নিবন্ধে এবার স্থান পেয়েছেন কুমিল্লার প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, মানবিক চিকিৎসক ও সমাজহিতৈষী প্রফেসর ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ

এর আগে একই জার্নালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আবদুল কালাম, ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি, বিল গেটস, অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং হানিফ সংকেতসহ বিশ্বের খ্যাতিমান ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত সংখ্যায় ‘Heartbeat and Humanity’ শিরোনামে ৫০ পৃষ্ঠার একটি বিস্তৃত ফিচারে ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষের চিকিৎসাসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং সমাজকল্যাণে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান তুলে ধরা হয়েছে।

নিবন্ধে বলা হয়েছে, হৃদরোগ চিকিৎসায় দক্ষতা, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োগ এবং রোগীদের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ড. তৃপ্তীশ শুধু কুমিল্লা নয়, সারা দেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

প্রতিবেদনটিতে তাঁর প্রতিষ্ঠিত হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা-র মাধ্যমে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরামর্শ প্রদানের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

এছাড়া মানবিক স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন থেকে প্রাপ্ত ওয়ার্ল্ড হার্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের বিষয়টিও নিবন্ধে গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।

জার্নালটিতে আরও বলা হয়, হৃদরোগ সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী কল্যাণ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, রোটারি কার্যক্রম এবং সমাজসেবামূলক নানা উদ্যোগের মাধ্যমে ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

রোটারি ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পৃক্ততার কথাও নিবন্ধে স্থান পেয়েছে। বিশেষ করে তাঁর রচিত ‘Rotary International: From Individual to the World’ গ্রন্থকে রোটারির দর্শন ও বৈশ্বিক মানবিক চেতনার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ড. তৃপ্তীশ তাঁর কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন—জ্ঞান তখনই অর্থবহ, যখন তা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

এ বিষয়ে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট স্কাউট ব্যক্তিত্ব মাসুক আলতাফ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক মানের একটি জার্নালে ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষকে নিয়ে প্রচ্ছদ নিবন্ধ প্রকাশ কেবল তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি কুমিল্লার জন্যও গর্বের বিষয়। একজন চিকিৎসক কীভাবে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবসেবাকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, সেই অনন্য উদাহরণ তিনি স্থাপন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি কুমিল্লাকে এশিয়ার পরিসরে নতুনভাবে পরিচিত করেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মানবিক সমাজ গঠনে অনুপ্রাণিত করবে।

গ্যাস সংকটে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ পিএম
গ্যাস সংকটে কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

গ্যাস সরবরাহে সংকট, যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ এবং টানা বৃষ্টির কারণে কুমিল্লার দাউদকান্দি অংশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েন।

বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত দাউদকান্দির গৌরীপুর পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। যানজটের কারণে মহাসড়কে ধীরগতিতে যান চলাচল করতে থাকে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেম দাস জানান, ভোর থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এর সঙ্গে বৃষ্টি ও গ্যাস সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় চালকরা গৌরীপুরের একটি চালু স্টেশনে ভিড় করেন। এতে মহাসড়কের একপাশজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়ে চট্টগ্রামমুখী লেনে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস না থাকায় শত শত ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও অন্যান্য যানবাহন গৌরীপুরের একটি স্টেশনে গ্যাস নেওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। এসব যানবাহন মহাসড়কের একটি লেন দখল করে রাখায় কয়েক কিলোমিটার এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়ে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী লরিচালক আবুল মিয়া বলেন, “এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গৌরীপুর এলাকায় আটকে আছি। ভোরে চট্টগ্রাম থেকে মালামাল আনতে রওনা হয়েছিলাম। এখনো গৌরীপুর পার হতে পারিনি। এতে সময়ের পাশাপাশি জ্বালানিও অপচয় হচ্ছে।”

যানজটে আটকে থাকা যাত্রীরা জানান, দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকায় নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, রোগীবাহী যান এবং পণ্য পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকার মাস্টার্স পাম্পের ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই এ সংকট চলছে। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।

ওসি প্রেম দাস জানান, যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম সকাল থেকেই মহাসড়কে কাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে যান চলাচলও দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

সম্পাদকীয় নোট: সম্পাদক মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

ড. হান্নান ফিরোজের ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগে টিকে ছিল ‘আমাদের সময়’: জানালেন নঈম নিজাম

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৬ পিএম
ড. হান্নান ফিরোজের ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগে টিকে ছিল ‘আমাদের সময়’: জানালেন নঈম নিজাম

‘আমাদের সময়’-এর শুরু, ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগ ও মালিকানা পরিবর্তনের অজানা গল্প শোনালেন নঈম নিজাম

দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকাল, আর্থিক সংকট, ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং পরবর্তী মালিকানা পরিবর্তনের নেপথ্যের নানা ঘটনা তুলে ধরে স্মৃতিচারণ করেছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সাবেক সিইও নঈম নিজাম।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, একসময় তিনি নিজেও দৈনিক আমাদের সময়-এর একজন পরিচালক ছিলেন। সে সময় তিনি এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

নঈম নিজামের ভাষ্য অনুযায়ী, পত্রিকাটি প্রকাশের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এর প্রতিষ্ঠাতা নাঈমুল ইসলাম খান গুরুতর আর্থিক সংকটে পড়েন। সে সময় নাঈমুল ইসলাম খান তাঁর বাসায় গিয়ে সহযোগিতা চান এবং বলেন, “তুমি আমার পাশে দাঁড়াও। পত্রিকা চালাতে পারছি না। শুরু করেছি, এখনই বন্ধ হয়ে গেলে মান-সম্মান থাকবে না।”

এরপর নঈম নিজাম নাঈমুল ইসলাম খানকে নিয়ে তৎকালীন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হান্নান ফিরোজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং যৌথভাবে পত্রিকাটি পরিচালনার প্রস্তাব দেন। ড. হান্নান ফিরোজ এতে সম্মতি দিলে গঠিত হয় ‘আমাদের সময় লিমিটেড’

তিনি জানান, নতুন কোম্পানির চেয়ারম্যান হন ড. হান্নান ফিরোজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হন নাঈমুল ইসলাম খান এবং তিনি নিজে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বাংলামোটরে পত্রিকাটির প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়। নঈম নিজামের দাবি, সে সময় ড. হান্নান ফিরোজ প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন।

তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। নঈম নিজাম দাবি করেন, একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, নাঈমুল ইসলাম খান ‘আমাদের সময়’–এর বাইরে ‘নতুন ধারা’ নামে আরেকটি কোম্পানি গঠন করেছেন। বিষয়টি তাঁকে বিস্মিত ও হতাশ করেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, একসময় পত্রিকার প্রথম পাতায় ড. হান্নান ফিরোজ ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করা হয়। তবে পরবর্তীতে নাঈমুল ইসলাম খান পত্রিকাটি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুর আলীর কাছে প্রায় ২০ কোটি টাকায় বিক্রি করে দেন বলেও দাবি করেন নঈম নিজাম।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নঈম নিজাম লেখেন, বর্তমানে তাঁকে প্রায়ই নানা সমালোচনা, এমনকি গালিগালাজও শুনতে হয়। এর জবাবে তিনি বলেন, তাঁর জীবনের বড় একটি সময় কেটেছে নতুন নতুন সংবাদমাধ্যম গড়ে তোলার কাজে। তিনি যেসব প্রতিষ্ঠানে শ্রম, সময় ও মেধা দিয়েছেন, সেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আজ অসংখ্য মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন। এটিই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও তৃপ্তি বলে উল্লেখ করেন।

×
CLOSE X