1. nagorikit@gmail.com : Mohammad Shariful Alam Chowdhury :
  2. sharifulchowdhury81@gmail.com : administrator :
  3. : Temp User : Temp User
ছোট্ট সাদিয়া ইসলাম সাবা : এ,কে স্কুল এন্ড কলেজে পড়ার স্বপ্নে চোখভরা আলো, কিন্তু বাধা অর্থাভাব | দৈনিক আজকের কথা  
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
  •                      
ব্রেকিং নিউজ:
নিষিদ্ধের দিনেই উল্টো স্রোত,ফেসবুকে বিক্ষোভের ঝড়, আ’লীগে যোগ দিয়ে শক্ত বার্তা হারুন আল রশিদের! কুমিল্লা মেডিকেলে শিশুদের ‘গাদাগাদি’—দেড় বছর ধরে তালাবদ্ধ পড়ে ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল! নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনা: মুরাদনগরের বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিক আটক—১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি, দেবীদ্বারে তোলপাড়! ৪৫ হাজার টাকার চাকরি, ৫৯ কোটির সাম্রাজ্য—পাসপোর্ট কর্মকর্তার সম্পদে চাঞ্চল্য! ৩ মাসে ২৫০ আগুন: কুমিল্লায় ফায়ার স্টেশন সংকটে বাড়ছে কোটি টাকার ক্ষতি ইউনূস ও আসিফ নজরুল ইস্যুতে তোলপাড়—নাঈম নিজামের পোস্টে উত্তপ্ত সোশ্যাল মিডিয়া ১০ বছরেও বিচারহীন তনু হত্যা—অবশেষে ৩ সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের সুদখোর ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলো ইতালির উপকূলে ভয়াবহ নৌকাডুবি, ১০৫ আরোহীর মধ্যে নিখোঁজ অন্তত ৭১

ছোট্ট সাদিয়া ইসলাম সাবা : এ,কে স্কুল এন্ড কলেজে পড়ার স্বপ্নে চোখভরা আলো, কিন্তু বাধা অর্থাভাব

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী
  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

ছোট্ট সাদিয়া ইসলাম সাবা : এ,কে স্কুল এন্ড কলেজে পড়ার স্বপ্নে চোখভরা আলো, কিন্তু বাধা অর্থাভাব

ছোট্ট সাদিয়ার জেদ : “আমি পড়বো শুধু এ,কে স্কুলে।”

কিছু স্কুল ছোট্ট সাদিয়াকে বিনা বেতনে ভর্তি করাতে চাইলেও, সে রাজি হয়নি।
মিষ্টি কণ্ঠে একরকম জেদ করেই বলে—
“না, আমি পড়বো শুধু এ,কে স্কুলেই।”

তার সেই দৃঢ়তা শুনে মা–বাবার চোখে জল আসে,
তবু তারা মেয়ের জেদ ভাঙাতে পারেন না—কারণ সেই জেদে আছে এক শিশু হৃদয়ের স্বপ্ন, বিশ্বাস আর অনন্ত ভালোবাসা।

ছোট্ট সাদিয়া ইসলাম সাবা—দশ বছরের এক নিষ্পাপ শিশু, যার চোখে স্বপ্নের আলো আর মুখে অদ্ভুত দৃঢ়তা।
প্রতিদিন সকালে হাসিমুখে সে মাকে বলে,
“আমি এ,কে স্কুলে পড়বো।”

একটি ছোট্ট শিশুর এই সরল ইচ্ছা হয়তো সাধারণ মনে হতে পারে,
কিন্তু এর পেছনে আছে এক কষ্টের গল্প,
যা শুনলে যে কারও চোখ ভিজে উঠবে।

সাদিয়ার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে।
বাবা-মায়ের সঙ্গে এখন তারা ঢাকার শনি আখড়ায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
সাদিয়ার ছোট বোন সাবিহা ইসলাম—এই এলাকারই স্টার লাইট নামক এক প্রাইভেট প্রাইমারি স্কুলে পড়তে চায়।
কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের সাধ্য তার বাবা-মায়ের আর নেই।

বাবা বর্তমানে বেকার, আর মা গৃহকর্মীর কাজ করেন। তাছাড়া অন্যের অধিকারের জন্য দিনরাত লিখেন, ছুটে বেড়ান—কিন্তু নিজের মেয়ের শিক্ষার অধিকারটা যেন এখন তাদের নাগালের বাইরে।

সংসার চলে টানাটানির ভেতর দিয়ে।
তবু কেউ জানে না তাদের এই কষ্টের কথা।
মা–বাবা লজ্জা ও আত্মসম্মানের কারণে কারও কাছে বিষয়টি প্রকাশ করতে পারেন না।
তারা চান না কেউ জানুক—তাদের ছোট্ট মেয়েটির স্কুলে ভর্তি হওয়ার টাকাটুকুও জোগাড় করা তাদের জন্য কত কঠিন হয়ে পড়েছে।

এলাকার কয়েকটি স্কুল সাদিয়া ইসলাম সাবাকে বিনা বেতনে ৭ম শ্রেণিতে ভর্তি করানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
কিন্তু সাদিয়া দৃঢ় কণ্ঠে বলেছে—
“না, আমি পড়বো শুধু এ,কে স্কুলে।”

তার চোখে সেই কথাগুলো উচ্চারণের সময় এমন এক আলো জ্বলে,
যা হয়তো অনেক বড় মানুষের মনও গলিয়ে দিতে পারে।

মা ফাহিমা বেগম প্রিয়া অশ্রুসিক্ত চোখে বলেন,
“আমরা হয়তো টাকায় গরিব, কিন্তু মেয়ের স্বপ্নে আমরা গরিব নই। আমি প্রতিদিন অন্যের অধিকার নিয়ে লিখি, কিন্তু নিজের মেয়েকে পছন্দের স্কুলে ভর্তি করাতে না পারার কষ্টটা বুকের ভেতর পাথর হয়ে জমে আছে।”

আজ ছোট্ট সাদিয়া ইসলাম সাবার হাতে বই নেই, ব্যাগ নেই, ইউনিফর্ম নেই—তবু তার চোখে আছে জানার তৃষ্ণা।

✨ যদি এ,কে স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ মানবিকতার জায়গা থেকে একটুখানি স্নেহের হাত বাড়িয়ে দেন,
বিনা বেতনে সাদিয়া ইসলাম সাবাকে পড়ার সুযোগ করে দেন,
তবে শুধু এক শিশুর নয়—একটি অসহায় পরিবারের ভবিষ্যৎও আলোকিত হয়ে উঠবে।

কারণ, এক শিশুর স্বপ্নের পেছনে যে ভালোবাসা থাকে,
তা কোনো আর্থিক মূল্যে মাপা যায় না—
এটাই এক জাতির আশার প্রতীক।

শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন
 

কপিরাইট © [২০২৫] দৈনিক আজকের কথা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত। প্রকাশকের ছাড়া কোনো অংশ পুনঃপ্রকাশ, বিতরণ বা সংরক্ষণ করা আইনত দণ্ডনীয়।

যোগাযোগ   আমাদের সম্পর্কে   শর্তাবলি ও নীতিমালা