জনবল নেই, তবুও কাজ থেমে নেই—বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের নজির

চার গুরুত্বপূর্ণ পদ ফাঁকা, তবুও সচল বাহুবল প্রশাসন—নির্ভার দায়িত্বে ইউএনও উজ্জ্বল রায়
জনবল সংকটে চরম চাপে পড়েছে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা প্রশাসন। সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মতো চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে তৈরি হয়েছে অতিরিক্ত চাপ।
তবে এই সংকটের মধ্যেও প্রশাসনের গতি থামতে দেননি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়। একাই একাধিক দপ্তরের দায়িত্ব সামলিয়ে তিনি উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রেখেছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নিয়মিতভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং জনসেবা কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি।
বিশেষ করে অবৈধ বালু উত্তোলন, মাটি কাটা এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে ভূমি সেবা কার্যক্রম, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির তদারকিও সরাসরি মনিটরিং করছেন ইউএনও উজ্জ্বল রায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও একজন কর্মকর্তার পক্ষে এতগুলো দায়িত্ব একসাথে সামলানো অত্যন্ত কঠিন। তারপরও তাঁর কার্যকর উদ্যোগ ও কঠোর অবস্থানের কারণে প্রশাসনে শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। নতুন কর্মকর্তা যোগদান করলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে জনবল সংকটের মধ্যেও বাহুবল উপজেলায় প্রশাসন সচল রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের ভূমিকা স্থানীয়ভাবে দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
চান্দিনার রেজাউল নিজেকে সচিবের ভাই পরিচয়ে ইউএনওর কাছে চাইলেন লাখ টাকা

ইউএনওর সন্দেহে বেরিয়ে এলো আসল পরিচয়
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক সচিবের বড় ভাই পরিচয়ে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী শামীমের কাছে এক লাখ টাকা ধার চাওয়ার অভিযোগে মো. রেজাউল করিম (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আটক রেজাউল করিমের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এম এ খালেকের ছেলে। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনি ঢাকার মিরপুরে বসবাস করেন।
রামগড়ের ইউএনও কাজী শামীম জানান, ঘটনার দুই দিন আগে এক ব্যক্তি তাকে ফোন করে নিজেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক সচিবের বড় ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। মঙ্গলবার সকালে ওই ব্যক্তি ফোনে জানান, তিনি রামগড়ে অবস্থান করছেন। পরে তাকে ইউএনও কার্যালয়ে আসতে বলা হয়।

পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে জানতে পারি, তার দেওয়া পরিচয়ের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই।
কার্যালয়ে আসার পর ওই ব্যক্তিকে নাশতা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি ইউএনওর বদলির প্রসঙ্গ তোলেন। এরপর নিজের আর্থিক সংকটের কথা জানিয়ে ইউএনওর কাছে এক লাখ টাকা ধার চান। ঢাকায় ফিরে সেই টাকা পরিশোধ করবেন বলেও জানান তিনি।
বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সন্দেহ হলে তিনি সংশ্লিষ্ট সচিবের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। তবে ওই ব্যক্তি সচিবের বড় ভাই কি না, সে বিষয়ে সচিব স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
এরপর রেজাউল করিমের পরিচয় ও রামগড়ে তার অবস্থানের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। ইউএনও জানান, রামগড়ে অবস্থানের সময় রেজাউল করিম থানার ওসির পরিচয় ব্যবহার করে একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছিলেন বলে জানা যায়। তবে রামগড় থানার ওসি তাকে চেনেন না বলে নিশ্চিত করেন।
পরে প্রতারণার অভিযোগে রেজাউল করিমকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, “প্রতারণার অভিযোগে রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ইউএনও কার্যালয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
৩৮ বছরের সাংবাদিকতায় রাশেদ আহমেদ: কলম থামলেও স্বপ্ন থামেনি

৩৮ বছরের সাংবাদিকতায় রাশেদ আহমেদ: ‘কলম আটকে রাখতে হয়েছে, মুখ বন্ধ রাখতে হয়েছে’
ক্ষমতার পালাবদল দেখেছেন চোখের সামনে, তবু স্বাধীন সাংবাদিকতার স্বপ্ন অধরা
সাংবাদিকতায় ৩৮ বছরের দীর্ঘ পথচলা। এই সময়ে দেখেছেন দেশের রাজনীতির বহু উত্থান-পতন, ক্ষমতার পালাবদল ও সময়ের নানা বাঁক। দেখেছেন এমন অনেক ঘটনা, যা হয়তো একদিন বইয়ের পাতায় ঠাঁই পেতে পারে। কিন্তু সবকিছু কি লেখা সম্ভব? সংবাদপত্রে সব বলা যায়? টেলিভিশনের পর্দায় সব তুলে ধরা যায়?
জন্মদিনে নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের দিকে ফিরে এমনই কিছু কঠিন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন সাংবাদিক রাশেদ আহমেদ।
জন্মদিন উপলক্ষে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সাংবাদিকতার দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন তিনি। এই পথের অভিজ্ঞতাগুলো বইয়ের মলাটে বন্দী করলে সেটি হয়তো বিশাল আকার ধারণ করবে। কিন্তু সেই সঙ্গে তাঁর উপলব্ধি—সব কথা হয়তো লেখা সম্ভব নয়।

সাংবাদিকতায় এসেছিলাম অসংকোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস নিয়ে। কিন্তু সময়ের বাস্তবতায় কখনো কলম আটকে রাখতে হয়েছে, কখনো মুখ বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবু উদার, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা থামাইনি।
কারণ সাংবাদিকতায় এসেছিলেন তিনি “অসংকোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস” নিয়ে। সত্যকে তুলে ধরার প্রত্যয় ছিল, হাতে ছিল কলম, সামনে ছিল মাইক্রোফোন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সমাজ, দেশ, উগ্রবাদিতা ও পুঁজিতান্ত্রিক ব্যবস্থার নানা বাস্তবতা তাঁর সামনে তৈরি করেছে একের পর এক প্রতিবন্ধকতা।
রাশেদ আহমেদের নিজের ভাষায়, এসব বাস্তবতার কারণে তাঁকে কখনো থামতে হয়েছে, কখনো আপস করতে হয়েছে, কখনো কলম আটকে রাখতে হয়েছে, মুখ বন্ধ রাখতে হয়েছে।
তাঁর এই বক্তব্যে উঠে এসেছে সাংবাদিকতার পেশাগত জীবনের এমন এক বাস্তবতা, যেখানে একজন সাংবাদিকের দেখা ও জানা সবকিছু সবসময় প্রকাশের সুযোগ থাকে না।
যে স্বপ্ন এখনো অধরা
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে রাশেদ আহমেদ যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন, সেটিও স্পষ্ট করেছেন তাঁর জন্মদিনের লেখায়।
তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ হবে উদার গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, বুদ্ধিভিত্তিক ও আধুনিক।
সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি হাতে নিয়েছেন কলম ও মাইক্রোফোন। সাংবাদিকতাকে শুধু পেশা হিসেবে নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রকে দেখার এবং প্রশ্ন করার একটি মাধ্যম হিসেবেও নিয়েছেন।
কিন্তু ৩৮ বছর পরও সেই স্বপ্ন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি—এমন আক্ষেপই ফুটে উঠেছে তাঁর কথায়।
তাঁর প্রশ্ন, এই স্বপ্ন কি এভাবেই অধরা থেকে যাবে? নাকি একদিন “ষড়ঋতুর আকাশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা” ফিরে আসবে?
উত্তরটি তিনি দেননি। বরং ভবিষ্যতের কাছে রেখে দিয়েছেন সেই প্রশ্ন।
সংবাদপত্র থেকে টেলিভিশন—দীর্ঘ অভিজ্ঞতা
সাংবাদিক রাশেদ আহমেদের কর্মজীবন দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক। সংবাদপত্র ও টেলিভিশন—দুই মাধ্যমেই তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে রিপোর্টিং, সম্পাদনা ও সংবাদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে তিনি দৈনিক সংবাদের প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিস্তারের সময়ে সংবাদমাধ্যমের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গেও তাঁর দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা যুক্ত হয়েছে।
তাঁর ৩৮ বছরের সাংবাদিকতা জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ এবং সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে।
জন্মদিনে কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা সংবাদ পরিবারের প্রতি
জন্মদিনের লেখার শেষাংশে অবশ্য কঠিন অভিজ্ঞতার বদলে কৃতজ্ঞতাই সামনে এনেছেন রাশেদ আহমেদ।
টেলিফোন, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ফেসবুকের মাধ্যমে যারা তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি জানিয়েছেন অশেষ কৃতজ্ঞতা।
তিনি লিখেছেন, পেয়েছেন “নিরন্তর ঝরনাধারার ভালোবাসা”।
কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সংবাদ পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আপনজনদের প্রতিও।
৩৮ বছরের সাংবাদিকতা জীবনের এই মাইলফলকে দাঁড়িয়ে তাই রাশেদ আহমেদের বক্তব্যে একসঙ্গে ধরা পড়েছে তিনটি ছবি—দীর্ঘ পথচলার অভিজ্ঞতা, না-বলা কথার ভার এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার অপূর্ণ স্বপ্ন।
একজন সাংবাদিকের কাছে ৩৮ বছর শুধু সময়ের হিসাব নয়। এটি একটি দেশের পরিবর্তনকে কাছ থেকে দেখার সময়, অসংখ্য সংবাদ ও ঘটনার সাক্ষী থাকার সময় এবং কখনো কখনো নিজের দেখা সত্য প্রকাশ করতে না পারারও সময়।
রাশেদ আহমেদের জন্মদিনের পোস্টে সেই দীর্ঘ পথেরই যেন সংক্ষিপ্ত আত্মকথন—
কলম থামাতে হয়েছে, কথা আটকে রাখতে হয়েছে; কিন্তু সাংবাদিকতার স্বাধীনতার স্বপ্ন এখনো থামেনি।
লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা-সংস্কৃতিতে যুক্ত হতে হবে: শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান

মেধা বিকাশে বই, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি
“ভালোভাবে লেখাপড়া করতে হবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের যুক্ত করতে হবে। এতে মনন বিকাশের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকবে।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কথাগুলো বলেছেন কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান সামাজিক ব্যবস্থায় অনেক শিক্ষার্থী মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। এতে পরিবার প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি সমাজও কলুষিত হচ্ছে। তাই সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের মেধাবী ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

ভালোভাবে লেখাপড়া করবে, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের যুক্ত করবে। এতে মনন বিকাশের সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষা হবে।
তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মনন বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি বই পড়া, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের যুক্ত থাকার বিকল্প নেই।
কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জহিরুল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক মো. কবির হোসাইনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহিবুস সালাম খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মো. জাহাঙ্গীর, পূবালী ব্যাংক দেবীদ্বার শাখার এজিএম মো. ওয়ায়েস মাসুম চৌধুরী, ডা. সাদাত-ই-সাম এবং দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথিদের পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হয়।





























