সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

জাককানইবির সিন্ডিকেটে অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান

মো.. মুশফিকুর রহমান তুহিন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম
জাককানইবির সিন্ডিকেটে অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান

জাককানইবির সিন্ডিকেটে অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান। ছবি : আজকের কথা

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • দুই বছরের জন্য সরকারের মনোনয়ন, বাতিল আগের সদস্যের নিয়োগ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবির) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খানকে দুই বছরের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে সরকার।
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে গত ৩০ জুলাই জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
  • প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর ১৭(১)(ঘ) ও ১৭(২) ধারা অনুযায়ী সমধর্মী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার মনোনীত সদস্য হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দুই বছরের জন্য সরকারের মনোনয়ন, বাতিল আগের সদস্যের নিয়োগ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবির) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খানকে দুই বছরের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে সরকার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে গত ৩০ জুলাই জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর ১৭(১)(ঘ) ও ১৭(২) ধারা অনুযায়ী সমধর্মী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার মনোনীত সদস্য হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মনোনীত সদস্য এম. জাকির হোসেন খানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
✔️ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান

✔️ তিনি বর্তমানে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

✔️ দুই বছরের জন্য সরকার তাঁকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে।

✔️ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

✔️ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, অর্থনীতি, নিয়োগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সিন্ডিকেট সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থাগুলোর অন্যতম।

বর্তমানে অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি আগামী দুই বছর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে সিন্ডিকেট অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনে সিন্ডিকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

অপ্রতিম হত্যায় নতুন প্রশ্ন: আসামিরা সত্যিই কিশোর তো? ডিএনএ টেস্ট চান মা

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৯ পিএম
অপ্রতিম হত্যায় নতুন প্রশ্ন: আসামিরা সত্যিই কিশোর তো? ডিএনএ টেস্ট চান মা

কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে পুরোনো বিরোধের যোগসূত্র খতিয়ে দেখার দাবি, প্রয়োজনে আইন সংশোধনেরও আহ্বান

কুমিল্লায় আলোচিত কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড ঘিরে নতুন তথ্য ও তিন দফা দাবি জানিয়েছেন তার মা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে যাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছে, তারা প্রকৃতপক্ষে কিশোর কি না—তা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব তথ্য ও দাবি তুলে ধরা হয়। অপ্রতিমের মায়ের পক্ষে তার সহকর্মী বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে কুবি শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক শামীমা নাসরিন, ইউট্যাব কুবি ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও হলের প্রভোস্টরা।

মানববন্ধনে ড. কামরুন নাহার জানান, অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদকে (১৬) ঘটনার প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে বিনা বেতনে চাকরি দেওয়া হয়েছিল।

এ ছাড়া অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মাদকবিরোধী অভিযানে কুমিল্লার স্থানীয় কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন বলে মানববন্ধনে জানানো হয়। ওই কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বে মামলার আরেক আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিন ছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

অপ্রতিমের মা মনে করছেন, অতীতে ওই কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের সঙ্গে তার ছেলেকে হত্যার কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। তিনি বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

তার দ্বিতীয় দাবি, মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছে, তাদের প্রকৃত বয়স ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করতে হবে।

এ ছাড়া অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

দৈনিক আজকের কথা
আমি অপ্রতিমের মায়ের সঙ্গে দেখা করেছি। তার অবস্থা খুবই খারাপ। তারপরও তিনি আমাকে কয়েকটি দাবি জানাতে বলেছেন। তার পক্ষ হয়ে আমি এসব দাবি জানিয়েছি।
— ড. কামরুন নাহার
সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এরই মধ্যে একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, আসামিদের ভূমিকা এবং তাদের বয়স নিয়ে ওঠা প্রশ্নেরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন অপ্রতিমের মা।

আদমদীঘিতে বাবার চেয়ে মেয়ের বয়স ১৫ বছর বেশি!

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৭ পিএম
আদমদীঘিতে বাবার চেয়ে মেয়ের বয়স ১৫ বছর বেশি!

এনআইডিতে মেয়ের জন্ম ১৯২২, জন্মনিবন্ধনে ১৯৮৯

বগুড়ার আদমদীঘিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্যের ভুলে অদ্ভুত বিড়ম্বনায় পড়েছেন রাজিয়া সুলতানা নামে এক নারী। সরকারি নথিতে তাঁর বয়স বাবার চেয়েও ১৫ বছর বেশি দেখাচ্ছে। এনআইডির তথ্য অনুযায়ী, রাজিয়ার জন্ম ১৯২২ সালের ২০ জুন। সে হিসাবে তাঁর বর্তমান বয়স ১০৪ বছর। অথচ তাঁর বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের এনআইডিতে জন্মতারিখ ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। সে হিসাবে বাবার বয়স ৮৯ বছর।

অর্থাৎ সরকারি নথির হিসাব অনুযায়ী, মেয়ের বয়স বাবার চেয়ে ১৫ বছর বেশি!

জানা গেছে, রাজিয়া সুলতানা আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ইন্দইল গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম খন্দকারের সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে। চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

রাজিয়ার জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী, তাঁর জন্ম ১৯৮৯ সালের ১২ এপ্রিল। সেই হিসাবে তাঁর বর্তমান বয়স ৩৭ বছর। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল করে জন্মতারিখ ১৯২২ সালের ২০ জুন উল্লেখ হওয়ায় সরকারি নথিতে তাঁর বয়স দেখাচ্ছে ১০৪ বছর।

অন্যদিকে, রাজিয়ার বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের এনআইডি অনুযায়ী জন্ম ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। সে হিসাবে তাঁর বয়স ৮৯ বছর। ফলে এনআইডির তথ্য অনুযায়ী বাবা-মেয়ের বয়সের হিসাবেই তৈরি হয়েছে এমন অস্বাভাবিক পরিস্থিতি।

ভুক্তভোগী রাজিয়া সুলতানার অভিযোগ, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় নির্বাচন অফিসের সংশ্লিষ্টদের ভুলের কারণে তাঁর প্রকৃত জন্মসাল ১৯৮৯-এর পরিবর্তে ১৯২২ লেখা হয়েছে। এই ভুল সংশোধনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি তিনি।

এনআইডির তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত বয়সের মিল না থাকায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে তাঁকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলেও জানান রাজিয়া।

এ বিষয়ে বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কুমিল্লায় ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

এবাদুল্লাহ ভূঁইয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩১ পিএম
কুমিল্লায় ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

সীমান্তের ১০০ গজ ভেতরে বিজিবির অভিযান, জব্দ শাড়ির মূল্য ৭৪ লাখ ২০ হাজার টাকা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭৪ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর আমানগন্ডা বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব শাড়ি জব্দ করে। পরে দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানায় বিজিবি।

বিজিবি জানায়, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আমানগন্ডা বিওপির টহল দল সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১০০ গজ দূরে সোনাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়।

জব্দ করা শাড়িগুলোর আনুমানিক মূল্য ৭৪ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জব্দ করা মালামালের বিষয়ে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
ENG