রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এক বছরে চারবার আইন বদলে ট্রাইব্যুনাল— ন্যায়বিচার নয়, ‘রাজনৈতিক লক্ষ্যেই’ সংশোধনী?

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:০৮ পিএম
এক বছরে চারবার আইন বদলে ট্রাইব্যুনাল— ন্যায়বিচার নয়, ‘রাজনৈতিক লক্ষ্যেই’ সংশোধনী?
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ট্রাইব্যুনাল সংশোধনী : এক বছরে চারবার আইন পাল্টাল সরকার

ট্রাইব্যুনাল সংশোধনী নিয়ে এক বছরের মধ্যেই চারবার আইন পাল্টেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছর ১৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। এর আগে ১৪ আগস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল হয়, যা পরবর্তী আইন পরিবর্তনের পথ তৈরি করে।

গত বছর নভেম্বরে প্রথম সংশোধনী আনা হয়। আগে ট্রাইব্যুনাল শুধু বাংলাদেশের ভেতরে সংঘটিত অপরাধ বিচার করতে পারত; কিন্তু ২৪ নভেম্বর সংশোধন করে দেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধও বিচারযোগ্য করা হয়। একই ধারায় ভারতে বসে ‘উসকানিমূলক বক্তব্য’ দেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে আদালত অবমাননার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এই সংশোধনীতে আরও বড় পরিবর্তন যোগ হয়—
যে কোনো দেশের নাগরিক যদি বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ করে, তার বিচার করা যাবে; সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, গোয়েন্দা সংস্থা— যে কোনো বাহিনীই এ আইনের আওতায় আসবে।
গুম, যৌনদাসী, জোরপূর্বক গর্ভধারণ, জোর করে বন্ধ্যা করা— এসবকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তাকে তল্লাশি ও নথিপত্র জব্দ করার ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়।
আসামিপক্ষের জন্য নতুন শর্ত যোগ হয়— অতিরিক্ত সাক্ষী হাজির বা নথি উপস্থাপনের জন্য ট্রাইব্যুনালের অনুমতি লাগবে।
এছাড়া প্রথমবার ট্রাইব্যুনালকে অডিও–ভিডিও ধারণ, প্রদর্শন ও ভার্চুয়াল শুনানির অনুমোদন দেওয়া হয়। বিদেশি আইনজীবী অংশ নেওয়ার সুযোগও যুক্ত হয়।

সংশোধনী কার্যকর হওয়ার পর শেখ হাসিনার বিভিন্ন অডিও ক্লিপ আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

দ্বিতীয় দফা সংশোধনী আসে চলতি বছর ১০ ফেব্রুয়ারি— ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’। এতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় ছয় সপ্তাহ থেকে কমিয়ে তিন সপ্তাহ করা হয়। বিচার ত্বরান্বিত করার কথা বলে আরও ক্ষমতা যুক্ত করা হয়—
ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দিতে অভিযুক্তের সম্পদ জব্দ করা যাবে,
বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যাবে,
তল্লাশি ও জব্দে তদন্ত কর্মকর্তাকে আর অনুমতি নিতে হবে না।

এই সংশোধনের পর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ আসে। এরপর ১০ মে তৃতীয় সংশোধনীতে রাজনৈতিক দল, সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও ব্যক্তি–গোষ্ঠীকে ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন করা হয়।

চতুর্থ সংশোধনী জারি হয় ৬ অক্টোবর। এতে নতুন ধারা ২০ (সি) যোগ করা হয়— আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলেই কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না; জনপ্রতিনিধি হলে পদ হারাবেন। এর ফলে ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথও বন্ধ হয়ে যায়।

নতুন ধারায় আরও বলা হয়— স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন বা যে কোনো জনপ্রতিনিধিত্বমূলক পদে মনোনয়ন বা নিয়োগ পাওয়া যাবে না; এমনকি সরকারি চাকরিতেও অযোগ্য হবেন। তবে ট্রাইব্যুনাল যদি কাউকে অব্যাহতি বা খালাস দেয়, তার ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

গেজেট ৬ অক্টোবর প্রকাশিত হলেও এ সংশোধনীকে ‘ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা’ দেওয়া হয়েছে— অর্থাৎ আইন হওয়ার আগের সময় থেকেই এটি কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। সাধারণ আইনব্যবস্থায় যেখানে নতুন আইন ভবিষ্যতের ঘটনার ওপর প্রয়োগ হয়, সেখানে এই ব্যতিক্রমটি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয় ১৯৭৩ সালের আইন অনুযায়ী ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্য দিয়ে। সেই আইনেও ২০০৯ ও ২০১৩ সালে দুটি সংশোধনী আনা হয়েছিল; তবে এবার এক বছরে চারবার সংশোধন নজিরবিহীন।

ট্রাইব্যুনাল সংশোধনীগুলো এত দ্রুত প্রয়োগ হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাধীনতা, ন্যায্যতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে— এগুলো কি বিচার সমৃদ্ধ করার প্রয়াস, নাকি বিশেষ মামলাগুলো টার্গেট করতে ত্বরান্বিত আইন প্রণয়ন?

মহাসড়কে হঠাৎ শক্তি প্রদর্শন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আওয়ামী লীগের বিশাল শোডাউন, চাঙ্গা তৃণমূল

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আওয়ামী লীগের বিশাল শোডাউন, চাঙ্গা তৃণমূল

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশের উপস্থিতিতেই ছত্রভঙ্গ নেতাকর্মীরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের নিমসার এলাকায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের আকস্মিক মিছিল ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) সকাল ৭টার দিকে অনুষ্ঠিত এ মিছিলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর থেকেই আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হতে শুরু করেন। পরে সকাল ৭টার দিকে নিমসার ও কোরপাই এলাকায় মিছিল বের করেন তারা। মিছিল চলাকালে বিভিন্ন স্লোগানও দেওয়া হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

আয়োজকদের দাবি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এহেতাসামুল হাসান রুমির পৃষ্ঠপোষকতায় বুড়িচং উপজেলা যুবলীগ নেতা জালাল উদ্দিন মিছিলের আয়োজন করেন।

যুবলীগ নেতা জালাল উদ্দিন বলেন, “প্রায় এক হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার বাজারের পশ্চিম পাশে শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

এদিকে মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাসের মুন্সী বলেন, “আওয়ামী লীগ গোপনে মিছিল করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমাদের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন এবং উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রশাসন কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি, সেটিও জানতে চাওয়া হবে।”

তবে পুলিশের বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুর রহমান বলেন, “কোরপাই এলাকায় কিছু লোকজন জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা দ্রুত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই গাছ উপড়ে মহাসড়কে, কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই গাছ উপড়ে মহাসড়কে, কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

কোনো ধরনের ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই হঠাৎ একটি বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ উপড়ে পড়ে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ঈদ-পরবর্তী সময়ে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

রবিবার (৩১ মে) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে দেবীদ্বার থানার পশ্চিম পাশে মহাসড়কের ওপর গাছটি পড়ে গেলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেবীদ্বার থানা মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে থাকা একটি বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ আকস্মিকভাবে সড়কের ওপর ভেঙে পড়ে। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চট্টগ্রামগামী একটি পণ্যবাহী লরির ওপর গাছের একটি অংশ পড়ে। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি এবং লরির চালক ও সহকারীরা অক্ষত থাকেন।

গাছটি পড়ে যাওয়ার ফলে দেবীদ্বার থানার পশ্চিম পাশের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে। এছাড়া একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই মহাসড়কের দুই পাশে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পিকআপসহ শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। বিশেষ করে কাঁচামাল পরিবহনকারী যানবাহন, নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।

খবর পেয়ে মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল, দেবীদ্বার থানা পুলিশ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বেলা ১টার দিকে গাছটি কেটে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “কৃষ্ণচূড়া গাছটি আগের কয়েকটি ঝড়ের কারণে কিছুটা হেলে ছিল। রবিবার সকালে সেটি উপড়ে মহাসড়কের ওপর পড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহযোগিতায় দ্রুত গাছটি অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। লরিটি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।”

স্থানীয়রা মহাসড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ ও হেলে পড়া গাছগুলো দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ও জনভোগান্তি এড়ানো যায়।

হামলা মামলায় দুই ভাই আটক

মুরাদনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা মামলায় দুই সহোদর আটক

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ২:২৮ পিএম
মুরাদনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা মামলায় দুই সহোদর আটক

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের কাজিয়াতল গ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের দফায় দফায় হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া অভিযোগের পর অভিযান চালিয়ে একই পরিবারের দুই সহোদরকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, কাজিয়াতল গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে মো. জহির (২৮) ও তার আপন ছোট ভাই মো. সায়মন (২০)। তারা পূর্বে দায়ের করা দুইটি পৃথক অভিযোগের এজাহারভুক্ত আসামি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ও ২৯ মে কাজিয়াতল গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও মোটরসাইকেল চালানোকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দফায় দফায় হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একই আসামিদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় পৃথক দুইটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে লোহার রড, লাঠি, বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বাড়িঘরে ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরদিনও একই পরিবারের সদস্যদের ওপর পুনরায় হামলার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করলে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার রাতে দুই সহোদর জহির ও সায়মনকে আটক করা হয়েছে।

মুরাদনগর থানার একটি সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্যও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে অভিযুক্তদের আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা হামলার ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

×