জমি দখল ঘিরে উত্তেজনা
দেবীদ্বারে কলেজের জমি দখলের অভিযোগ, বিক্ষোভে নির্মাণাধীন সড়ক-প্রাচীর গুঁড়িয়ে দিল শিক্ষার্থীরা

দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের ছাত্রীনিবাস সংলগ্ন এলাকায় নির্মাণাধীন সড়ক ও সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিচ্ছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। ছবি: আজকের কথা
কলেজের জমি দখলের অভিযোগে উত্তাল দেবীদ্বার
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ভেঙে দেওয়া হলো নির্মাণাধীন সড়ক-প্রাচীর
কুমিল্লার দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের ছাত্রীনিবাসের জমি দখল করে সড়ক, সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের আপত্তি এবং প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নির্মাণাধীন সড়ক ও প্রাচীর ভেঙে দিয়েছেন।
জানা গেছে, কলেজ হোস্টেল এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে ড্রেন নির্মাণের জন্য স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাকে সীমিত অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই অনুমতির সুযোগ নিয়ে কলেজের জায়গা দখল করে প্রায় সাত ফুট প্রশস্ত সড়ক, সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে কলেজ প্রশাসন।
ড্রেনের নামে জমি দখল! দেবীদ্বার কলেজে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পাল্টা প্রতিরোধ
দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের জমি দখলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস।
কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হলেও সেই সুযোগে ছাত্রীনিবাসের জমিতে সড়ক, সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ করা হয়েছে। অভিযোগের পরও কাজ অব্যাহত থাকায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং নির্মাণাধীন স্থাপনা ভেঙে দেয়। প্রশাসন উভয় পক্ষকে নিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নিলেও কলেজের সম্পত্তি রক্ষা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল সংকট—দুই ইস্যু এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন বিষয়টি জানতে পেরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আলোচনার জন্য ডাকা হলেও তারা উপস্থিত হননি। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ দেবীদ্বার থানা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের পর পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও রাতের আঁধারে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখা হয়।
এ সময় ছাত্রীনিবাসের দেয়াল ভাঙা, ৯টি নারিকেল গাছসহ একাধিক গাছ কেটে ফেলা এবং কলেজের সীমানা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগও ওঠে।
পরিস্থিতির একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে কলেজ শিক্ষার্থীরা বিএনসিসি সদস্যদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। পরে তারা নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেন এবং সড়কে বসানো ইট সরিয়ে দেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজের কোটি টাকার সম্পত্তি দখল হতে দেখে তারা চুপ থাকতে পারেননি।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেন, “জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেন নির্মাণে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে জানতে পারি সেখানে সড়ক, গেট ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। বিষয়টি জানার পর আমরা প্রশাসনের সহায়তা নিয়েছি।”
কলেজের শিক্ষার্থী সায়মন বলেন, “ড্রেন নির্মাণের কথা বলে কলেজের জায়গা দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে নেমেছে।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিবেশী বাবুল ভূঁইয়া বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছি। খতিয়ানে তিন ফুট চলাচলের জায়গা রয়েছে। সেই জায়গা ব্যবহার করে ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।”
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা সফিউল্লাহ মানিকও একই অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পরিবার চলাচলের চরম সংকটে রয়েছে এবং এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।
বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি অনুযায়ী ৯টি নারিকেল গাছ ও কিছু কাঠগাছ কেটে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রির অর্থ সরকারি নিয়মে কলেজ তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “কলেজ কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম বলেন, “ড্রেন নির্মাণের অনুমতিকে ব্যবহার করে অবৈধভাবে রাস্তা ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। কলেজের সম্পত্তি রক্ষায় আমরা আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছি।”
দেবীদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দিন জানান, জমিটি কলেজের নামে খতিয়ানভুক্ত। তবে মন্তব্য কলামে ড্রেনের জন্য তিন ফুট জায়গার উল্লেখ রয়েছে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশোক বিক্রম চাকমা বলেন, “উভয় পক্ষকে নিয়ে দ্রুত বৈঠক করা হবে। কলেজের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সমস্যা—দুই দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে দেবীদ্বারজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রশাসনের মধ্যস্থতায় দ্রুত সমাধান না হলে কলেজের জমি দখল ও চলাচলের অধিকার নিয়ে বিরোধ আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
অপ্রতিম হত্যায় নতুন প্রশ্ন: আসামিরা সত্যিই কিশোর তো? ডিএনএ টেস্ট চান মা

কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে পুরোনো বিরোধের যোগসূত্র খতিয়ে দেখার দাবি, প্রয়োজনে আইন সংশোধনেরও আহ্বান
কুমিল্লায় আলোচিত কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড ঘিরে নতুন তথ্য ও তিন দফা দাবি জানিয়েছেন তার মা এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে যাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছে, তারা প্রকৃতপক্ষে কিশোর কি না—তা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব তথ্য ও দাবি তুলে ধরা হয়। অপ্রতিমের মায়ের পক্ষে তার সহকর্মী বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে কুবি শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক শামীমা নাসরিন, ইউট্যাব কুবি ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও হলের প্রভোস্টরা।
মানববন্ধনে ড. কামরুন নাহার জানান, অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদকে (১৬) ঘটনার প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে বিনা বেতনে চাকরি দেওয়া হয়েছিল।
এ ছাড়া অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মাদকবিরোধী অভিযানে কুমিল্লার স্থানীয় কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন বলে মানববন্ধনে জানানো হয়। ওই কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বে মামলার আরেক আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিন ছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
অপ্রতিমের মা মনে করছেন, অতীতে ওই কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের সঙ্গে তার ছেলেকে হত্যার কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। তিনি বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তার দ্বিতীয় দাবি, মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছে, তাদের প্রকৃত বয়স ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করতে হবে।
এ ছাড়া অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

আমি অপ্রতিমের মায়ের সঙ্গে দেখা করেছি। তার অবস্থা খুবই খারাপ। তারপরও তিনি আমাকে কয়েকটি দাবি জানাতে বলেছেন। তার পক্ষ হয়ে আমি এসব দাবি জানিয়েছি।
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এরই মধ্যে একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, আসামিদের ভূমিকা এবং তাদের বয়স নিয়ে ওঠা প্রশ্নেরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন অপ্রতিমের মা।
আদমদীঘিতে বাবার চেয়ে মেয়ের বয়স ১৫ বছর বেশি!

এনআইডিতে মেয়ের জন্ম ১৯২২, জন্মনিবন্ধনে ১৯৮৯
বগুড়ার আদমদীঘিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্যের ভুলে অদ্ভুত বিড়ম্বনায় পড়েছেন রাজিয়া সুলতানা নামে এক নারী। সরকারি নথিতে তাঁর বয়স বাবার চেয়েও ১৫ বছর বেশি দেখাচ্ছে। এনআইডির তথ্য অনুযায়ী, রাজিয়ার জন্ম ১৯২২ সালের ২০ জুন। সে হিসাবে তাঁর বর্তমান বয়স ১০৪ বছর। অথচ তাঁর বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের এনআইডিতে জন্মতারিখ ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। সে হিসাবে বাবার বয়স ৮৯ বছর।
অর্থাৎ সরকারি নথির হিসাব অনুযায়ী, মেয়ের বয়স বাবার চেয়ে ১৫ বছর বেশি!
জানা গেছে, রাজিয়া সুলতানা আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ইন্দইল গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম খন্দকারের সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে। চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
রাজিয়ার জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী, তাঁর জন্ম ১৯৮৯ সালের ১২ এপ্রিল। সেই হিসাবে তাঁর বর্তমান বয়স ৩৭ বছর। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল করে জন্মতারিখ ১৯২২ সালের ২০ জুন উল্লেখ হওয়ায় সরকারি নথিতে তাঁর বয়স দেখাচ্ছে ১০৪ বছর।
অন্যদিকে, রাজিয়ার বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের এনআইডি অনুযায়ী জন্ম ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। সে হিসাবে তাঁর বয়স ৮৯ বছর। ফলে এনআইডির তথ্য অনুযায়ী বাবা-মেয়ের বয়সের হিসাবেই তৈরি হয়েছে এমন অস্বাভাবিক পরিস্থিতি।
ভুক্তভোগী রাজিয়া সুলতানার অভিযোগ, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় নির্বাচন অফিসের সংশ্লিষ্টদের ভুলের কারণে তাঁর প্রকৃত জন্মসাল ১৯৮৯-এর পরিবর্তে ১৯২২ লেখা হয়েছে। এই ভুল সংশোধনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি তিনি।
এনআইডির তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত বয়সের মিল না থাকায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে তাঁকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলেও জানান রাজিয়া।
এ বিষয়ে বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
কুমিল্লায় ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

সীমান্তের ১০০ গজ ভেতরে বিজিবির অভিযান, জব্দ শাড়ির মূল্য ৭৪ লাখ ২০ হাজার টাকা
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭৪ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর আমানগন্ডা বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব শাড়ি জব্দ করে। পরে দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানায় বিজিবি।
বিজিবি জানায়, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আমানগন্ডা বিওপির টহল দল সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১০০ গজ দূরে সোনাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়।
জব্দ করা শাড়িগুলোর আনুমানিক মূল্য ৭৪ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জব্দ করা মালামালের বিষয়ে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

























