মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পদ্মা সেতু প্রকল্পের রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস: ঈদের আনন্দে কান্নার রূপ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৮ জুন, ২০২৫, ১১:০৪ এএম
পদ্মা সেতু প্রকল্পের রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস: ঈদের আনন্দে কান্নার রূপ
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু রক্ষা বাঁধ ধস পড়ায় ঈদের দিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকান। স্থানীয়দের আতঙ্ক, সরকারি ব্যর্থতা

ঈদের সকালে যখন গোটা দেশ কোরবানির উৎসবে মেতেছে, তখন শরীয়তপুরের জাজিরায় প্রান্তে পদ্মা সেতু রক্ষা বাঁধ ধস পড়া তার ভয়াল রূপে শুরু করেছে। নদী পাড়ের মানুষদের জন্য এ দিনটি ছিল না কোনো উৎসবের, বরং কান্না, আতঙ্ক আর সর্বস্ব হারানোর দিন।

💥 এক রাতেই আড়াইশ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে

হঠাৎ ভোররাতে শুরু হওয়া ভাঙনে পদ্মা সেতু প্রকল্পের রক্ষা বাঁধের প্রায় আড়াইশ মিটার অংশ ধসে পড়ে। এই বাঁধটি মাঝিরঘাট থেকে পূর্ব নাওডোবা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। পানির চাপে মুহূর্তেই তা অন্ধকার জলে বিলীন হয়ে যায়।

📉 ক্ষতির পরিমাণ ও ভবিষ্যৎ হুমকি

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে শতাধিক ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও হাটবাজারের। বিশেষ করে মাঝিরঘাট বাজারের প্রায় ২০০টি দোকান এখন হুমকির মুখে। এর মধ্যে অনেক দোকানেই ঈদ উপলক্ষে নতুন মালামাল আনা হয়েছিল।

"

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ সেলিম বলেন,

> “ঢাকা থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসে দেখি ঘরই নেই। ঈদের নামাজ পড়াও হয়নি, ঘর সরাতেই ব্যস্ত ছিলাম।”

🧱 পুরোনো দুর্বলতা ও নতুন ধস

২০১০-১১ অর্থবছরে প্রায় ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রক্ষা বাঁধে এর আগেও ধস নেমেছিল। গত বছর নভেম্বরেও নাওডোবা এলাকায় ১০০ মিটার বাঁধ ধসে পড়ে। সেখানে নতুন করে সংস্কার করে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়, কিন্তু তা টেকেনি। এবার একই এলাকায় আবারো ধস দেখা দেয়।

🏗️ প্রকৌশল ব্যর্থতা ও দুর্নীতির অভিযোগ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বারবার বাঁধ ধসে যাওয়ার পেছনে রয়েছে দুর্বল পরিকল্পনা ও দুর্নীতি। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও বাঁধের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়নি। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন ও প্রকৌশল ত্রুটির সমন্বয়ে এই বিপর্যয় হয়েছে।

🛑 অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রভাব

স্থানীয় বাদশা শেখ বলেন,

> “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পাল্টে গেছে। এখন নদী চলে এসেছে আমাদের দোয়ার পাশে।”

⚠️ আশু ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের কথা বলেছে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র বনিক জানিয়েছেন,

“আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দ্রুত ভাঙন ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এটি কেবল বাঁধ ধস নয়, বরং রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি

ঈদের দিনে শরীয়তপুরের মানুষ ঘরহারা হয়ে আশ্রয় খুঁজছেন। এটি কেবল একটি বাঁধ ধস নয় — এটি সরকারের অবহেলা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনার ব্যর্থতার এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। পদ্মা এবার কেড়ে নিচ্ছে কেবল ঘরবাড়ি নয়, ঈদের আনন্দ, মানুষের স্বপ্ন এবং জীবনের নিরাপত্তাও।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

‘বর্তমান সরকার অবৈধ, শেখ হাসিনাই বৈধ প্রধানমন্ত্রী’— রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড়!

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২:৫০ এএম
‘বর্তমান সরকার অবৈধ, শেখ হাসিনাই বৈধ প্রধানমন্ত্রী’— রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড়!

গ্রাফিকস : দৈনিক আজকের কথা ও জয় বাংলার জয়

“আসামি ফিরলে বৈধ প্রধানমন্ত্রী কেন নয়?”— রীতা রায় মিঠুর স্ট্যাটাস ঘিরে উত্তাল নেটদুনিয়া


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিস্ফোরক রাজনৈতিক পোস্ট দিয়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছেন দেশের সুপরিচিত প্রগতিশীল কথাসাহিত্যিক ও কলামিস্ট রীতা রায় মিঠু। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সপক্ষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত এই লেখিকার সাম্প্রতিক রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাসটি সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন বা বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের বৈধতাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছে। একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টিকে সামনে এনে এটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা তৈরি করেছে।
সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ইস্যু ও ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে একটি কড়া প্রশ্ন ছুড়ে দেন এই কলামিস্ট।
পাঠকদের জন্য ভাইরাল হওয়া রীতা রায় মিঠু ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো:
“রাজনীতির খাতিরে গ্রেনেড মামলার প্রধান আসামি যদি ১৭ বছর পর দেশে ফিরতে পারে, দেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী কেন দেশে ফিরতে পারবে না!”

বর্তমান সরকারকে ‘অবৈধ’ ও শেখ হাসিনাকে ‘বৈধ’ দাবি

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেটিজেনদের মতে, এই ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে লেখিকা রীতা রায় মিঠু বর্তমান ক্ষমতাসীন শক্তিকে ‘মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী’ এবং ‘জোর করে ক্ষমতায় বসে থাকা অবৈধ সরকার’ হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। একই সাথে, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড মামলার প্রধান আসামির দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার ঘটনাকে রাজনীতির চাল চালার সাথে তুলনা করেছেন। তিনি পরোক্ষভাবে বর্তমান সরকার প্রধানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে শেখ হাসিনাকেই ‘দেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং তাঁর দেশে ফেরার জোর দাবি জানিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বনাম বর্তমান সরকার

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির একজন আজীবন সমর্থক ও স্পষ্টভাষী সাহিত্যিক হিসেবে রীতা রায় মিঠুর এমন কড়া অবস্থান ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপক ঝড় তুলেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান নানা নাটকীয়তার মধ্যে একজন প্রথম সারির লেখকের এমন সাহসী মন্তব্য দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
পোস্টটি শেয়ার হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্ট বক্সে আওয়ামী লীগ সমর্থক এবং বর্তমান সরকারের সমর্থকদের মধ্যে তুমুল বাকযুদ্ধ ও মতাদর্শগত সংঘাত শুরু হয়েছে।

নেটিজেনদের তীব্র মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  • সমর্থকদের দাবি: বর্তমান সরকার জোরপূর্বক ক্ষমতায় বসে দেশের গণতান্ত্রিক ও আইনি প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করেছে। একজন সচেতন নাগরিক ও দেশপ্রেমিক লেখিকা হিসেবে তিনি আসল সত্যটিই সাহসের সাথে তুলে ধরেছেন।
  • বিরোধীদের বক্তব্য: আদালতের রায় এবং ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান সরকারকে এভাবে ‘অবৈধ’ বলা এবং সাবেক বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রীকে ‘বৈধ’ দাবি করা দেশের সাধারণ জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।

কথাসাহিত্যিক রীতা রায় মিঠুর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১৯৬৪ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করা এই প্রখ্যাত সাহিত্যিকের পৈতৃক নিবাস নারায়ণগঞ্জে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ড. জীবেন রায়-এর সহধর্মিণী এবং তিন কন্যাসন্তানের জননী। সাহিত্যাঙ্গনে ‘তুমি বন্ধু তুমি সখা’, ‘প্রত্যাবর্তন’, ‘তিমির হননের পালা’ এবং ‘অন্তহীন অপেক্ষা’-এর মতো বেশ কিছু জনপ্রিয় উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপরিচিত।
সাহিত্যের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁর এই সরাসরি ও কড়া রাজনৈতিক অবস্থান বর্তমান অস্থিতিশীল বাংলাদেশে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন দেশের রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

কোরবানির আগে শোক

হোমনায় হৃদয়বিদারক ঘটনা, নিজের পালিত কোরবানীর গরুর আঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু

ফাহিমা বেগম প্রিয়া প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
হোমনায় হৃদয়বিদারক ঘটনা, নিজের পালিত কোরবানীর গরুর আঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু

কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য আনা গরু। ছবি : দৈনিক আজকের কথা

কুমিল্লার হোমনায় কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য আনা নিজের পালিত গরুর শিংয়ের গুঁতোয় আমেনা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে উপজেলার ঘাড়মোড়া বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আমেনা বেগম উপজেলার ভাসানিয়া ইউনিয়নের ওমরাবাদ গ্রামের আবুল হাশেমের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি পালিত গরু বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘাড়মোড়া বাজারে নিয়ে যান আমেনা বেগম। হাটে গরুটি রাখার একপর্যায়ে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আচমকা শিং দিয়ে সজোরে গুঁতো দিলে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গরুটি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠলে কেউ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাননি। মুহূর্তেই ঘটে যায় হৃদয়বিদারক এ ঘটনা।

গরুর গুঁতোয় গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টমাস বড়ুয়া বলেন, এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

আশুলিয়া থেকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আল আমিন গ্রেফতার

সিরাজুল ইসলাম রতন, গাইবান্ধা থেকে : প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
আশুলিয়া থেকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আল আমিন গ্রেফতার

গ্রেফতার হওয়া ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আল আমিন। ছবি : আজকের কথা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দায়ের করা ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আল আমিনকে (২৪) ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

সোমবার (২৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‌্যাবের মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক এক তরুণীর সঙ্গে আল আমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে ওই গৃহবধূর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর আল আমিন একতরফাভাবে স্ত্রীকে তালাক দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তালাকের পর পুনরায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সাবেক স্ত্রীকে খালার বাসায় ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী সাবেক স্বামীকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে আল আমিন রাজি না হওয়ায় চলতি বছরের ৫ মে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর-০৯।

ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-১৩, সিপিসি-৩ গাইবান্ধা ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ সাভার নবীনগর ক্যাম্প যৌথভাবে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার কাঠগড়া ও বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আল আমিন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে।

র‌্যাব জানিয়েছে, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধর্ষণ, হত্যা, অপহরণসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×