বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ, জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। পুরোনো ছবি
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দণ্ডবিধির ১৮৬, ১৮৯, ২৯৪, ৩২৩, ৩৫২, ৩৫৩, ৫০৪ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

সাবেক এই সংসদ সদস্য পূর্বে বিএনপি থেকে একাধিকবার বহিষ্কৃত হওয়ার পর গত বছরের (২০২৫) ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন এবং বর্তমানে দলটির প্রাথমিক সহযোগী সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন।
এদিকে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার মামলার এজাহার আদালতে উপস্থাপনের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করছেন বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের যাত্রীদের চাপের কারণে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলির সংকট দেখা দেয়। এতে লাগেজ পেতে দেরি হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের আহ্বানে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত করার সময় আখতারুজ্জামান তাঁর দিকে এগিয়ে গিয়ে গালাগাল করেন এবং মারধর ও বিমানবন্দর থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত (কেপিআই) এলাকায় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে থাকেন। সেখানে দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাঁদের ভিডিও ধারণে নিষেধ করলে আখতারুজ্জামান তাঁর সঙ্গে অশোভন আচরণ ও গালাগাল করেন এবং একপর্যায়ে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, ওই সময় অন্য যাত্রীদের সংগ্রহ করা জমজমের পানির বোতলও ট্রলি থেকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। এতে বোতলগুলোর ক্ষতি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গেও আখতারুজ্জামান মারমুখী আচরণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এর আগে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
সহযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণে মুখর দিন
দেবীদ্বারে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণে মুখর প্রবীণ যোদ্ধারা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মহান মুক্তিযুদ্ধের ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সাবেক সদস্যদের নিয়ে স্মৃতিচারণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার মাশিকাড়া গ্রামের মূন্সীবাড়িতে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
তৎকালীন দেবীদ্বার উপজেলা গেরিলা কমান্ডার ও বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী আব্দুল হালিম মুন্সীর আহ্বানে আয়োজিত এ মিলনমেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতি, যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের নানা ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারী গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর তৎকালীন কুমিল্লা জেলা গেরিলা কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ শিক্ষক ও রাজনীতিক বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাকুর রহমান ফুল মিয়া, লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, চিকিৎসক ডা. আবু আইয়ুব হামিদ, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী কাজী ছিদ্দিকুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আওলাদ হোসেন মুন্সী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান, রাজনীতিক পরিমল শীল, মো. সুলতান আহমেদ ও দেলোয়ার হোসেন টুটুল।
এ ছাড়া ব্যাংকার ও সমাজসেবক আল আমিন মুন্সী, ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিউল আলম রাজীব, আব্দুল আলীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মিলনমেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিচারণের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। দীর্ঘ সময় পর সহযোদ্ধাদের একত্রিত হওয়ার এ আয়োজনে পুরোনো দিনের নানা স্মৃতি ও ঘটনাও উঠে আসে আলোচনায়।
আয়োজকরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী ও অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য চা-নাশতা ও দুপুরের খাবারেরও আয়োজন করা হয়।
থানায় ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এবার মুরাদনগরের আরও ২ চোর গ্রেপ্তার

মুরাদনগরের দুইজন গ্রেপ্তার, থানায় আটক ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে
বগুড়ার ধুনটে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে থানায় দেখা করতে গিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মুরাদনগর উপজেলার দুলারামপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মো. মোস্তফা (৪০) এবং কেমতলী গ্রামের ধনু চৌধুরীর ছেলে বাবুল চৌধুরী (৪৮)।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ধুনট থানায় চুরির মামলায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে দেখা করতে আসেন মোস্তফা ও বাবুল। তাদের গতিবিধি ও আটকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে ধুনট শহরের ইছামতি ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের প্রথম তলায় মাসুদ টেলিকমে চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৫ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় দোকান মালিক মাসুদ রানা বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তার আটজন হলেন চট্টগ্রামের আল আমিন (৩০), আক্কাস আলী (৩৫) ও হৃদয় (৩৪), নরসিংদীর ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইয়াছিন আরাফাত (৩৮) এবং কুমিল্লার রবিউল ইসলাম (৩৩), আলা উদ্দিন (২৫) ও ইস্রাফিল রহমান (২৭)।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার আটজন আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মোস্তফা ও বাবুল দেখা করতে আসেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, মোস্তফা ও বাবুল চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মনোনয়ন হারিয়ে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতার এবার ধাঁধার চরে নজর, ২৪০ একর খাসজমি চেয়ে আবেদন

ধাঁধার চরে ২৪০ একর খাসজমি চেয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, স্থানীয়দের ক্ষোভ
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদের মিলনস্থলে জেগে ওঠা ধাঁধার চরে ৪৫ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ধাঁধার চরসহ ২৩৯ দশমিক ৫৭ একর খাসজমি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে সাননোভা এনার্জি ওপিসি।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক কামাল জামান মোল্লা গত ১৬ আগস্ট গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের কাছে এ আবেদন করেন। আবেদনে অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৫-এর আওতায় বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জমি বন্দোবস্ত চাওয়া হয়েছে। আবেদন করা জমির মধ্যে ৩০ একরের বেশি নদী শ্রেণির জমি রয়েছে।

এই চর ৩০০ পরিবারের জীবিকা, কৃষি ও পরিবেশের সঙ্গে জড়িত। এখানে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র হলে আমাদের জীবন-জীবিকা ও চরের প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট আবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ ও টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগের উদ্যোগও রয়েছে।
তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হলে চরের কৃষি, গবাদিপশু পালন, জীবিকা, পর্যটন সম্ভাবনা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাঁদের দাবি, শত শত পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ চরের ওপর নির্ভরশীল।
ঘিঘাট গ্রামের বাসিন্দা জাহিদুল হক ভূঁইয়া বলেন, “এই চর আমাদের রুটি-রুজির জোগান দেয়। এখানে প্রায় ৩০০ পরিবারের জীবন-জীবিকা নির্ভরশীল। কৃষিকাজের পাশাপাশি এটি পর্যটন এলাকা এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থল। এই চর আমরা হাতছাড়া হতে দেব না।”
স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক আঙ্গুর বলেন, প্রতিদিন বহু মানুষ নৌকায় করে ধাঁধার চরে যায়। সেখানে কয়েক শ পরিবারের জীবিকা নির্ভরশীল। আম, জাম, পেয়ারা, বরইসহ বিভিন্ন ফল এবং ধান, গম, আখ ও বাদামসহ নানা ফসল উৎপাদন হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীবেষ্টিত ধাঁধার চরে কৃষিজমি, গাছপালা ও ঝোপঝাড় রয়েছে। কৃষকেরা নৌকায় করে চরে যাতায়াত করছেন এবং বিভিন্ন ফসলের পরিচর্যা করছেন। চরে গবাদিপশু পালনের জন্য গোয়ালঘরও রয়েছে। বিভিন্ন গাছপালা ও ঝোপঝাড়ে পাখির বিচরণও দেখা যায়।
গাজীপুর জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ২৩৯ দশমিক ৫৭ একর জমির মধ্যে নদী, শিকস্তি ভূমি, নাল, বালুচরসহ বিভিন্ন শ্রেণির জমি রয়েছে। এর মধ্যে নদী শ্রেণির জমির পরিমাণ ৩০ দশমিক ৭০ একর।
বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, নদী ও নদীসংলগ্ন ভূমির ক্ষেত্রে জনস্বার্থ ও পরিবেশগত গুরুত্ব বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, এ ধরনের জমি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বন্দোবস্ত দেওয়ার আগে আইনগত ও পরিবেশগত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত।
এ বিষয়ে সাননোভা এনার্জির পরিচালক কামাল জামান মোল্লার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
কাপাসিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাহিদুল হক বলেন, ধাঁধার চর মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ২৩৯ দশমিক ৫৭ একর জমির শ্রেণি নদী, শিকস্তি ভূমি, নাল, ছনখোলা, বালুচর ও লায়েক পতিত। বন্দোবস্তের আবেদনের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। পরে তা জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, ধাঁধার চরে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি বন্দোবস্ত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি যাচাই-বাছাই করতে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জমি ইজারা দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।




























