মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

তারকাদের সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক

শাকিব-বুবলি-অপু প্রসঙ্গে অনসূয়া যূথিকার মন্তব্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা

আজকের কথা বিনোদন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৩০ এএম
অনসূয়া যূথিকা

ফেসবুক পোস্টে শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মন্তব্য করেছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট অনসূয়া যূথিকা। ছবি : আজকের কথা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান, অভিনেত্রী শবনম বুবলি ও অপু বিশ্বাসকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক লেখক অনসূয়া যূথিকা।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, বিয়ে, বিচ্ছেদ ও পারিবারিক জীবন নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। পোস্টটিতে বিশেষভাবে শাকিব খান, শবনম বুবলি এবং অপু বিশ্বাসের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে নিজের মতামত প্রকাশ করেন তিনি।

সম্পর্ক, বিয়ে ও তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট ভাইরাল

পোস্টে অনসূয়া যূথিকা দাবি করেন, বাংলাদেশের বিনোদন জগতে তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পারিবারিক বিষয়গুলো প্রায়ই জনআলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। তিনি শবনম বুবলির মাতৃত্ব, অপু বিশ্বাসের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং শাকিব খানের একাধিক সম্পর্কের বিষয় নিয়ে সমালোচনামূলক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

একই সঙ্গে তিনি শাকিব খানের ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্কের বিষয়ে নিজের মূল্যায়নও প্রকাশ করেন। তার ভাষ্যে, অভিনেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলো বারবার আলোচনায় আসার পেছনে তারকা খ্যাতি ও জনপ্রিয়তারও ভূমিকা রয়েছে।

পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ অনসূয়া যূথিকার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন, আবার অনেকে এটিকে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেছেন।

অনসূয়া যূথিকার হুবহু ফেসবুক পোস্টটি হলো-

বিখাউজ টাইপের কিছু নারী আছে যাদের বিয়াইত্তা ব্যাডাই ভাল্লাগে৷ বাচ্চার বাপ হলে আরো ভালো, তারেই যেকোনো ভাবে বশ করতেই হবে৷ গ্রাম দেশে কাঁচা বাংলায় বলে কিছু মেয়ের *দার *লে ছেমা পালে, মানে হলো পিউবিক হেয়ারে তাদের উকুন থাকে। আরেক নারীর স্বামী সংসার তার দখলে নিতে হবেই। পারলে ওই নারীর বিয়ের শাড়ি গহনা পরেই তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসে যাবেন৷

আমাদের নাইকা বুবুলিকে আমার সেরকম লাগে। তার অভিনয় ক্ষমতার জোর সারাটা বছর জুড়ে মিডিয়ার কল্যাণে সবারই জানতে হয়। স্ত্রী হিসেবে সামাজিক স্বীকৃতির তোয়াক্কা না করেই দুইটা বাচ্চার জন্ম তিনি দিয়ে ফেলেছেন৷ তো তার স্বামী নামক পুরুষটি প্রকাশ্যেই বলছেন বুবলি তার প্রাক্তন, বর্তমান নন,হাহহহহ!!

আর আমাদের অপু রানী, তিনিও কিছু কম না মশকরা করার ক্ষেত্রে। সিনেমার পর্দার তার অভিনয় ক্ষমতার দাপট তো দেখা গেলো না এবার তিনি নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শাকিব খানের বাহুলগ্না হলেন। যেকোনো প্রকারে গোপনে হলেও বিয়ে সারলেন!! যে পুরুষ কোনো নারীকে গোপনে বিয়ে করে তার মানসিকতা না বোঝার মতো বোকা অপু বিশ্বাস নন মোটেই। আবার তিনি নিজেই বলেছেন, একাধিক ভ্রুণ তিনি নস্ট করেছেন তার প্রাক্তন স্বামীর কথা মেনে!!

শরীর আপনার কিন্তু ভ্রুণ হত্যায় দায় হলো আরেকজনের??? অপু, বহু ছলেবলে নিজের পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তো সেটা তো তিনি আগেও করতে পারতেন! তার তো আসল উদ্দেশ্য ছিলো শাকিব খানের সন্তান জগতে আনতে পারলে তার জীবনের একটা গতি হয়, এর জন্য পিতৃপুরুষের ধর্ম ত্যাগ করতেও তার আটকায় নাই। অপু বিশ্বাস অভিনয়ে পারদর্শী বটে তবে সেটা সিনেমার পর্দায় না, বাস্তবে৷ যে সম্পর্কই নাই সেটাই দেখানোর আর প্রমাণের চেষ্টায় অভিনয় করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

আমাদের শাকিব্বাই অভিনয় না পারুক, কথা বলার সময় বাংলা ভাষা নিয়ে ক্যারিকেচার করুক তবুও এদেশের একশ্রেণীর মানুষ তার প্রচন্ড ভক্ত৷ এরা সিনেমার কিচ্ছু বোঝে না, কিন্তু শাকিব্বাইয়ের ক্রেজ বোঝে। তার স্টারডম এদেশে এমনই যে একের পর এক নারীর সাথে অবলীলায় তিনি প্রেম করেন৷

আমার বিশ্বাস, শাকিব খান নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে ভোগেন। সঙ্গে তার কমিটমেন্ট ফোবিয়াও আছেন৷ বারবার তিনি প্রেমে পড়েন, কিন্তু কোথাও তিনি স্হির হন না৷ এই যে এখন আবার বলেছেন, তার বাসা থেকে পাত্রী দেখা হচ্ছে। মানে হলো তিনি আরো একবার বিয়ে করতেও রাজী। তিন বাচ্চার বাপ, দুই নারীর প্রাক্তন স্বামী এই শাকিব্বাইকে বিয়ে করার জন্য বহু মেয়ে মুখিয়ে আছে৷ এই মেয়েগুলারও ব্যপক চুলকানি, বিয়াইত্তা ব্যাডারেই স্বামী বানাতে চায়। ব্যাডার এমনই স্টারডম, বিয়ে করবে আর ভাঙবে তবু তার প্রেমে পড়ার জন্য মেয়ের অভাব হবে না কখনোই।

বিনোদন বিশ্লেষকদের মতে, দেশের তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জনমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগ্রহ নতুন নয়। তবে এ ধরনের আলোচনায় ব্যক্তিগত মর্যাদা ও গোপনীয়তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলির সম্পর্ক, বিয়ে, সন্তান ও বিচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়গুলো দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বিনোদন অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত ইস্যু হিসেবে রয়েছে।

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

​দেবীদ্বারে বিএনপির রাজনীতিতে চরম তোলপাড়: তারিখহীন চিঠিতে বিলুপ্ত সব ইউনিয়ন-ওয়ার্ড কমিটি

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
​দেবীদ্বারে বিএনপির রাজনীতিতে চরম তোলপাড়: তারিখহীন চিঠিতে বিলুপ্ত সব ইউনিয়ন-ওয়ার্ড কমিটি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ওই উপজেলা বিএনপির অধীনস্থ সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিজ্ঞপ্তির মূল প্যাডে কোনো প্রকার ‘তারিখ’ ও ‘স্মারক/সূত্র নম্বর’ উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চরম তোলপাড় ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

​সম্প্রতি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন এবং সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলকে আরও গতিশীল ও পুনর্গঠন করার লক্ষ্যেই অধীনস্থ সকল ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটি একযোগে বিলুপ্ত করা হলো। বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেমের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।

​তবে প্রেস বিজ্ঞপ্তিটিতে কোনো প্রকাশনার তারিখ উল্লেখ না থাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, দাপ্তরিক চিঠিতে তারিখ না থাকা সাংগঠনিক নিয়মরীতির স্পষ্ট ব্যাঘাত ঘটায়। অন্যদিকে, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

​উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীলদের সূত্রে জানানো হয়েছে, দলকে আরও সুসংগঠিত করতে এবং নিষ্ক্রিয়তা দূর করতে শীঘ্রই নতুন প্রক্রিয়ায় এসব কমিটি পুনর্গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জসিম উদ্দিন ও সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাদের কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ৩২ সাবেক ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ৩২ সাবেক ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী ৩২ জন সাবেক জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানায়। বর্তমানে তারা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী ২৫ বছর চাকরিকাল পূর্ণ হওয়া কর্মকর্তাদের কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সব অবসর-সুবিধা পাবেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা সবাই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের সদস্য। এর আগে ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছিল।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, সুনামগঞ্জের মো. আব্দুল আহাদ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, খাগড়াছড়ির মো. শহিদুল ইসলাম, ফেনীর মো. ওয়াহিদুজ্জামান, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস এবং চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটগ্রহণের আগের রাতে ব্যালটে সিল দেওয়ার অভিযোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। এ কারণেই নির্বাচনটি বিভিন্ন মহলে ‘রাতের ভোট’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

কুমিল্লায় ভুয়া কর পরিদর্শক সেজে নির্বাচন অফিসে, আটক ২ প্রতারক

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
কুমিল্লায় ভুয়া কর পরিদর্শক সেজে নির্বাচন অফিসে, আটক ২ প্রতারক

ভুয়া কর পরিদর্শক পরিচয় এবং জাল সনদ ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের চেষ্টা করতে গিয়ে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে দুই প্রতারককে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে নগরীর ছোটরা এলাকায় অবস্থিত কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন, চান্দিনা উপজেলার বামতিয়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদ এবং দেবীদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের শামছুল হক।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, আবুল কালাম আজাদ নিজেকে কর পরিদর্শক পরিচয় দিয়ে অন্য এক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য অফিসে আসেন। একই সময়ে শামছুল হক জাল সনদ ব্যবহার করে তার এক স্বজনের এনআইডি সংশোধনের চেষ্টা করেন। তাদের আচরণ ও উপস্থাপনায় সন্দেহ হলে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করলে তাদের আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, নির্বাচন অফিস থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

×
CLOSE X