বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শেখ হাসিনা বিরোধী সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন ১০০১ প্রগতিশীল শিক্ষক

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:২৬ পিএম
শেখ হাসিনা বিরোধী সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন ১০০১ প্রগতিশীল শিক্ষক
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

শেখ হাসিনা বিরোধী রায়কে নিন্দা জানালেন প্রগতিশীল শিক্ষকরা

শেখ হাসিনা –এর বিরুদ্ধে সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশের ১০০১ জন প্রগতিশীল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম প্রদীপ কর্তৃক পাঠানো এক বিবৃতিতে শিক্ষকবৃন্দ জানান, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই রায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষপাতদুষ্ট, অগ্রহণযোগ্য ও প্রহসনমূলক।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এ দেশের কোটি জনতা আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্রমূলক এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ দেশের জনগণের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, অধ্যাপক ড. মো: আখতারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, প্রফেসর ড. হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ড. পূর্বা ইসলাম, প্রফেসর ড. এম. জেড মামুন, অধ্যাপক ড. হারুনর রশীদ খান, অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রফেসর ড. লায়লা আরজুমান বানু, অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, অধ্যাপক মশিউর রহমান, অধ্যাপক ম. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন, অধ্যাপক ডাঃ আহসান হাবীব হেলাল, অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানা মুক্তা, অধ্যাপক ড. কাজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি, অধ্যাপক ড. মো: আমিনুল হক ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. শবনম জাহান, অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন, অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া, ড. মাহবুব আলম প্রদীপ, অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. ফাজরিন হুদা, প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. সিতেশ চন্দ্র বাছার, প্রফেসর ড. আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক খান, অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আক্তার, অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর, অধ্যাপক ড. সুব্রত সাহা, অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন, ড. সিদ্ধার্থ দে, অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. ওসমান গণি তালুকদার, প্রফেসর ড. আহসানুল আম্বিয়া, অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ, অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন, ড. বেলাল হোসেন, অধ্যাপক ড. মো: শামীম হোসেন, অধ্যাপক ড. ফিরোজ জামান, ড. নীলিমা আখতার, অধ্যাপক ড. মাহবুব আল মারুফ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ, প্রফেসর ড. ওমর ফারুক, অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল হোসেন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. অমল কান্তি দেব, ড. সোমা দে, ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আখতার, অধ্যাপক ড. জাহানারা আরজু, অধ্যাপক মো: জামাল হোসেন, অধ্যাপক ড. ফারুক উদ্দিন, অধ্যাপক ড. ইমরান কবির চৌধুরী, অধ্যাপক ড. জাভীদ ইকবাল বাঙালী, প্রফেসর ড. মুসতাক আহমেদ, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ড. আব্দুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মুহিত, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ড. কে. এম. সালাউদ্দীন, অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. ফারমিন ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ড. মো: মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. সীমা জামান, অধ্যাপক ড. কায়সার আহমেদ রকি, অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা, অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল ফারুক, অধ্যাপক ড. রুমানা ইসলাম, অধ্যাপক এস এম মাসুম বিল্লাহ, অধ্যাপক ড. এম বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. মু. সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো: শফিকুল ইসলাম, কামরুন নাহার, অধ্যাপক মো: রবিউল ইসলাম জাবেদ, প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল্লাহ, প্রফেসর ড. ইয়াহিয়া খন্দকার, প্রফেসর ড. আফরিনা মুস্তারি, প্রফেসর ড. আকতার হোসেন, প্রফেসর হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর মো: হানিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস লাভলু, অধ্যাপক রন্তু দাস, প্রফেসর ড. মো: আনোরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. এম এল পলাশ, অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরিন, অধ্যাপক ড. আরমিন খাতুন, অধ্যাপক ড. মো: আনিছুর রহমান, জনাব শামীমা খাতুন, অধ্যাপক ড. অতিশ কুমার জোয়ার্দার, ড. আশরাফুন্নাহার, অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, অধ্যাপক ড. হিমাদ্রী শেখর, অধ্যাপক প্রভাস কুমার চাকলাদার, ড. মোঃ মাহমুদুল হাসান, অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ, অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু, প্রফেসর ড. রহমান নাছি, প্রফেসর ড. খাইরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুবিনা চৌধুরী কেয়া, প্রফেসর ড. সজিব ঘোষ, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক আরিফা রহমান রুমা, অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. সামছুজ্জোহা, অধ্যাপক নুরে আলম সিদ্দিকী, অধ্যাপক শাহ আজম, অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক বাদশা মিয়া, অধ্যাপক আব্দুল আলীম, অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা, অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, প্রফেসর সাইদুল ইসলাম, অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন, প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার, অধ্যাপক ড. মঈন উদ্দিন, অধ্যাপক নূর ইসরাত জাহান, ড. মাহমুদুর রহমান, ড. মোঃ নাসির উদ্দিন, অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন আহমেদ, ড. ইব্রাহীম আব্দুল্লাহ, অধ‍্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. তানভীর আহমেদ, প্রফেসর ড. মো আলমগীর হোসেন, ড. মোঃ আব্দুল কাইউম, প্রফেসর ড. আবুল হোসেন, অধ্যাপক এনামুল কবির, অধ্যাপক আলতাফ রাসেল, অধ্যাপক শামিমুর রহমান, প্রফেসর ফারজানা ইসলাম, অধ্যাপক সাব্বির সাত্তার, অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত নয়ন, অধ্যাপক ড. অনীক কৃষ্ণ কর্মকার, অধ্যাপক ড. জেবুন্নেসা তালুকদার, প্রফেসর ড. বশির আহমেদ, অধ্যাপক সঞ্জয় মুখার্জি, অধ্যাপক আজিজুর রহমান, অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, অধ্যাপক রেদোয়ান আহমদ, অধ্যাপক খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক রাশেদ মোশাররফ, অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশিদ, অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন, প্রফেসর ড. ফারমাইন, প্রফেসর সীমা জামান, প্রফেসর রোমানা ইসলাম, অধ্যাপক ড. মামুন, প্রফেসর আব্দুস সোবহান, অধ্যাপক জুলফিকার, অধ্যাপক ড. মোল্লা হক, অধ্যাপক শহীদুল্লাহ হাওলাদার, অধ্যাপক ড. মোঃ আইনুল ইসলাম, প্রফেসর ড. কাজী শাহানারা আহমেদ, অধ্যাপক হুমায়ুন কবির বকুল, অধ্যাপক আব্দুল হক, অধ্যাপক ড. লাইলা খালেদা, প্রফেসর ড. জামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার, অধ্যাপক অমিত রায়, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম, অধ্যাপক সিদ্ধার্থ সংকর, প্রফেসর ড. ফারহানা হক, প্রফেসর ড. পলিট আহমেদ, প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন, প্রফেসর ড. তানভীর রহমান, প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুজিব উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মাযাহারুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: কামরুজ্জামান সরকার, প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্ৰ, অধ্যাপক জুলকার নাইম, অধ্যাপক ড. মো. কবির হোসেন, অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ, ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সোবহান ইকবাল, অধ্যাপক জুবায়ের আহমেদ, প্রফেসর ড. সুভাষ চন্দ্ৰ, অধ্যাপক সোহান আহমেদ, অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, আবু জাফর মিয়া, অধ্যাপক ড. সুজন সেন, অধ্যাপক ড. টোভেল, অধ্যাপক ড. আউয়াল কবির জয়, অধ্যাপক জনাব ইলিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান, ড. মোঃ নাজমুল হাসান সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক, অধ্যাপক আসাদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জাকের আহমেদ, অধ্যাপক আসমা বিনতে শফিক, অধ্যাপক শারমিন আফরোজ, অধ্যাপক ড. সুলাইমান হোসেন, অধ্যাপক ড. সৌরভ পাল, অধ্যাপক ড. জহির আহমেদ, প্রফেসর ড. নাসরিন সুলতানা, অধ্যাপক ড. কল্যাণ দে, অধ্যাপক ড. নাজনীন নাহার ইসলাম, অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য, অধ্যাপক ড. শুক্লা দাস, প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন, অধ্যাপক সাজেদা আখতার, অধ্যাপক সিফাত শারমিন, অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ডক্টর মোল্লা হক, অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম সাজিব, অধ্যাপক ড. নির্মল কুমার সাহা, অধ্যাপক ড. হাসান মুহাম্মদ, অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন ইলিয়াস, অধ্যাপক ড. কাজী আয়েশা, প্রফেসর ড. আজমল হুদা, অধ্যাপক রোকনুজ্জামান জুয়েল, ড. সুজন চৌধুরী, অধ্যাপক সুলতান ইসলাম, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক মেহেদী হাসান, অধ্যাপক জয়শ্রী সেন, অধ্যাপক ড. শারমিন, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক মেহেদী হাসান ইকবাল, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, প্রফেসর জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. নাঈম হাসান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. এস. এম. জিয়াউল ইসলাম সাজল, অধ্যাপক আলাউদ্দিন খোকন, অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজ উদ্দৌলা, অধ্যাপক হোসেন মোহাম্মদ ইউনুস সিরাজী, অধ্যাপক ফয়সাল বিন মোনির জনি, অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম সরকার, প্রফেসর আহসান হাবীব, অধ্যাপক ড. মো. হেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. এম. দানেশ মিয়া, অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ইলিয়াস হোসেন, অধ্যাপক সুবাস কান্তি দাস, অধ্যাপক ড. আবুল মানছুর, অধ্যাপক ড. রোবিউল হোসেন ভূঁইয়া, অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মোতাহার হোসেন, অধ্যাপক আলমগীর সরকার, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলা উদ্দিন, প্রফেসর আবু জাফর সিদ্দিকী, অধ্যাপক বাহার উদ্দিন, অধ্যাপক মামুন আল আসাদ, অধ্যাপক আলী আজগর আহমেদ, অধ্যাপক আবুল কাশেম, অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম প্রামানিক, অধ্যাপক শাহনেওয়াজ মাহমুদ, প্রফেসর আবু নাসের সরকার, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল আবির, অধ্যাপক বোরন ইকবাল সিদ্দিকী, অধ্যাপক ফজলুর রহমান, অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. কাজী কাশরুল আলম কুদ্দুসী, অধ্যাপক ড. গোলাম কবির, অধ্যাপক এম আবু নোমান, অধ্যাপক হাসিবুল আলম, অধ্যাপক সুবেন কুমার, অধ্যাপক ড. শামীমা ফেরদৌসী, অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান, অধ্যাপক ফাইসাল গণি টিপু, অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র, অধ্যাপক সুজন সেন, অধ্যাপক সুলতান আহমদ, অধ্যাপক জাহিদ হাসান, অধ্যাপক জান্নাতুল বারি, অধ্যাপক সৈয়দ হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক সেলিম নাসরীন, প্রফেসর নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, অধ্যাপক ওমর ফারুক দিদার, অধ্যাপক ড. আনোয়ার সাঈদ, অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী, অধ্যাপক শেখ সাদী, অধ্যাপক ড. আহসানুল কবির পালাশ, অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র, অধ্যাপক মনজুরুল আলম সরকার, অধ্যাপক রাশেদ হাসান নবী, অধ্যাপক দিলীপ কুমার, অধ‍্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর নাজির মোল্লা জালাল, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান, অধ্যাপক স্বপন চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. দীপিকা রানী, অধ্যাপক ড. রাশেদ উদ নবীসহ ১০০১ জন শিক্ষক।

শেখ হাসিনা–এর নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রক্ষা করতে সকল শিক্ষার্থীদের, নাগরিকদের এবং মুক্তচিন্তার মানুষদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষকরা। তারা বলেন, এই রায় কখনো বাস্তবতা প্রতিফলিত করতে পারবে না, কারণ জনগণ সত্যের পাশে দাঁড়াবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

বাড়ছে পুশব্যাক আতঙ্ক

পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক পুলক ঘটকের স্ট্যাটাস: দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। ছবির গ্রাফিকস : আজকের কথা

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে শত শত মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী পুলক ঘটক। এ ঘটনায় বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমের নীরবতা নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে পুলক ঘটক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “ভারতীয় সীমান্তের কোনো কোনো চেকপোস্টে শত শত মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য জড়ো করা হয়েছে। এটা কি পুশব্যাক? বাংলাদেশ কি তাদের স্বেচ্ছায় নিচ্ছে? ব্যাপারটা কী?”
তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কোনো খবর প্রকাশ না হলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ভিডিওসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সীমান্তে অবস্থান নেওয়া মানুষের বক্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলক ঘটক লেখেন, “এ বিষয়ে বাংলাদেশের মিডিয়ায় কোনো নিউজ নেই… কিন্তু এখানে সবাই চুপচাপ!”
তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনেকেই সীমান্ত পরিস্থিতি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা এবং সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় আদৌ পুশব্যাক চলছে কি না, কিংবা জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক কি না—তা নিয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে এসব পুশব্যাক নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলার আসামিকে আদালতে পাঠালো পুলিশ

দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

দেবীদ্বারে হত‍্যাসহ ১১ মামলার আসামী সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিস মেম্বার। ছবি : এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

দেবীদ্বারে ‘সন্ত্রাসের গডফাদার’ আনিস মেম্বার গ্রেফতার, ঝুলছে ১১ মামলা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, সন্ত্রাসী হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার ওরফে আনিস মেম্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতার আনিস মেম্বার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

🔺 হত্যা, হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার
🔺 ছাত্র আন্দোলনের হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায়ও রয়েছে অভিযোগ
🔺 অটোচালককে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার মামলায় অভিযান চালায় পুলিশ
🔺 রুবেল-ছাব্বির হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় ছিলেন জামিনে
🔺 আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রসুলপুর বাজার এলাকায় অটোরিকশাচালক মো. মামুনকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার (২৫ মে) তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন আহত মামুনের স্ত্রী শারমিন আক্তারুজ্জামান।অভিযোগ রয়েছে, আনিস মেম্বার তার বাড়িতে দুটি সিমেন্টের বস্তা পৌঁছে দিতে বললে অন্যত্র ভাড়া থাকায় অটোচালক মামুন যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়।এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত শিক্ষার্থী আবুবকরকে হত্যাচেষ্টার মামলাতেও তাকে সন্দেহভাজন আসামি দেখানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আনিস মেম্বার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেল ও ছাব্বির হত্যা মামলাসহ আরও ৯টি মামলায় জামিনে রয়েছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আনিস মেম্বার এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।

    দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আনিস মেম্বারের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বরগুনার আমতলীতে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রাতের আঁধারে খাল খনন-গাছ কেটে সাবাড়, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ। ছবি : আজকের কথা

বরগুনার আমতলী উপজেলায় রাতের আঁধারে খাল খনন ও খালের দুই পাড়ের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. কায়েসুর রহমান ফকুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় গত এপ্রিল মাসে কুকুয়া ইউনিয়নের কালিপুরা খালের ২ হাজার ৫০০ মিটার খননের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ পান সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। গত ২০ মে থেকে খননকাজ শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সেচ দিয়ে খাল খননের কথা থাকলেও তা না করে রাতের আঁধারে দায়সারাভাবে ভরা খাল কাটা হচ্ছে। পাশাপাশি ভেকু মেশিন ব্যবহার করে খালের দুই পাড়ের অসংখ্য গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দিলেও কাজ বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে খাল খননের নামে প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করা হচ্ছে। এতে কৃষকদের কোনো উপকার হবে না, বরং পরিবেশ ও খালপাড়ের মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা আব্দুল জব্বার, নাদিম আহম্মেদ, রাসেল ও খলিল অভিযোগ করে বলেন, সঠিক নিয়ম না মেনে খননকাজ করায় পুরো প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত অনিয়ম বন্ধ ও সঠিকভাবে খাল খননের দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মুনসুরা বেগম বলেন, তার কয়েকটি গাছ ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গভীর রাতে খাল কাটার এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেননি।

এ বিষয়ে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল আউয়াল ও তাসলিমা বেগম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম করছেন। অভিযোগ জানানো হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রকৌশলীর পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে। তবে খননকাজে দু-একটি গাছ কাটা পড়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী জানান, রাতের আঁধারে সেচ ছাড়াই খাল খননের অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সঠিক নিয়ম না মানলে প্রকল্প বাতিল করা হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×