বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

❝শোকের মুখোশে উৎসব: এনসিপি কি ছায়া প্রশাসনের নাম?❞

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫, ৫:৪২ এএম
❝শোকের মুখোশে উৎসব: এনসিপি কি ছায়া প্রশাসনের নাম?❞
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মতামত

বাংলাদেশ সরকার যখন শিশু ও ছাত্রদের মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জাতীয়ভাবে শোক প্রকাশে নিমগ্ন থাকার কথা, তখন একদল রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি উপদেষ্টা একটি অনুষ্ঠানে হাস্যজ্জ্বল মুখে দাঁড়িয়ে থাকেন—এই চিত্র নিঃসন্দেহে জনমনে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভের জন্ম দেয়।

ছবিটির দিকে নজর দিলে দেখা যায়—সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও একটি অনিবন্ধিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী এনসিপি-র কোনো নেতার গলায় অফিসিয়াল আইডি কার্ড নেই।
অথচ তারা একটি প্রায়-সরকারি বৈঠকে অংশ নিয়েছেন—সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী ‘সংশ্লিষ্ট মহলের অনুমোদনপ্রাপ্ত’ হয়েও।

মূল প্রশ্নটি এখানেই—নিবন্ধনহীন ও সাংবিধানিক স্বীকৃতিহীন একটি গোষ্ঠী কিভাবে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেয়?

এনসিপি এখনো নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত কোনো রাজনৈতিক দল নয়। ফলে তাদের দলীয় পরিচয় রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়—এই বাস্তবতায় তাদেরকে “রাজনৈতিক দল” বলাও ভুল।

তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—
🔴 এনসিপি কি আসলেই কোনো সরকারি সংস্থা?
🔴 নাকি এটা সরকার ব্যবস্থার ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা একটি ছায়া প্রশাসন, যাদের কার্যক্রম দায়বদ্ধতার বাইরে?

শিশু ও ছাত্রদের মৃত্যুর শোককে ঘিরে পুরো জাতি যখন বিমর্ষ, তখন এই রকম উৎসবমুখর উপস্থিতি রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। শোক কি তবে শুধুই আনুষ্ঠানিকতা?
নাকি এটা শুধুমাত্র জনতার অনুভূতিকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ধোঁয়াশায় রাখার একটি কৌশল?

এনসিপি-র প্রকৃতি, অবস্থান ও দায়বদ্ধতা—এই প্রশ্নগুলো আজ উত্তরহীন।
আর এই অনুলিখিত প্রশ্নের জবাব চায় এই দেশের নাগরিক সমাজ।

🔎 সম্পাদকীয় নোট:
এটি একটি মতামতধর্মী বিশ্লেষণ। এই প্রতিবেদন এনসিপি বা সংশ্লিষ্ট কারো অবস্থান ব্যাখ্যার সুযোগ স্বীকার করে। দয়া করে ভিন্নমত জানাতে info@dainikajkerkotha.com এ যোগাযোগ করুন।

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

মহাসড়কে পুলিশের অভিযান

দাউদকান্দিতে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক, জব্দ প্রাইভেটকার

শাহ সাহিদ উদ্দিন | স্টাফ রিপোর্টার : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩২ পিএম
দাউদকান্দিতে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক, জব্দ প্রাইভেটকার

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে।এক নজরে

স্থান: দাউদকান্দি, মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজা সংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক।
উদ্ধার: বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬ হাজার পিস ইয়াবা
আটক: দুই মাদক কারবারিকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জব্দ: মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।
পরবর্তী ব্যবস্থা: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন; আসামিদের আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল পৌনে ১১টার দিকে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজার ঢাকামুখী লেনে নিয়মিত তল্লাশির সময় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটকরা হলেন চট্টগ্রাম জেলার ডবলমুরিং থানার পশ্চিম নাসিরাবাদ এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে মো. ফিরোজ (৪৬) এবং মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার নয়ানগর গ্রামের মৃত দুলাল গাজীর ছেলে মো. মিলন গাজী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের একটি দল দক্ষিণ সতানন্দি এলাকায় নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এ সময় সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে টোল প্লাজার প্রায় ১০০ গজ পশ্চিমে একটি সন্দেহভাজন প্রাইভেটকারকে থামানোর সংকেত দেওয়া হয়।

পরে গাড়িটি তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা আটটি প্যাকেট থেকে মোট ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা, জব্দ করা প্রাইভেটকার এবং আটক দুই আসামিকে আদালতে পাঠানোর আইনগত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কর্মচারীদের গালিগালাজের অভিযোগ

বাকিতে তেল না পেয়ে পাম্প বন্ধের হুমকির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
বাকিতে তেল না পেয়ে পাম্প বন্ধের হুমকির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাকিতে তেল না পেয়ে একটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি এবং কর্মচারীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ উঠেছে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খোরশেদ আলম খোকনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়েছে।

গত রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত খোরশেদ আলম খোকন উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং লালমনিরহাট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

ফিলিং স্টেশন সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সকালে খোরশেদ আলম খোকনের মালিকানাধীন দুটি ট্রাক্টর তেল নিতে পাম্পে আসে। ট্রাক্টরচালকরা পরে টাকা পরিশোধের কথা জানালে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বাকিতে তেল দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে কর্মচারীদের সঙ্গে ট্রাক্টরচালকদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা টাকা না দিয়েই সেখান থেকে চলে যান।

অভিযোগ রয়েছে, পরে বিষয়টি জানতে পেরে খোরশেদ আলম খোকন ফিলিং স্টেশনে এসে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। তিনি পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং কর্তব্যরত কর্মচারীদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। ঘটনার পর থেকে পাম্পের মালিক ও কর্মচারীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী কৃষ্ণ চন্দ্র রায় বলেন, দুটি ট্রাক্টরে তেল দেওয়ার পর মূল্য চাইলে চালকেরা জানান, পরে খোকন টাকা পরিশোধ করবেন। কিন্তু মালিকের নির্দেশ অনুযায়ী বাকিতে তেল বিক্রি না করায় তারা ক্ষুব্ধ হন। কিছুক্ষণ পর খোরশেদ আলম খোকন এসে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং তাঁকে ও অন্য কর্মচারীদের গালিগালাজ করেন।

হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচ এম মমতাজুল মনোয়ার উদয় বলেন, কিছু জটিলতার কারণে তাঁদের প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে বাকিতে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। এরপরও ট্রাক্টরচালকেরা বাকিতে তেল নিতে চাইলে তা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে খোরশেদ আলম খোকন পাম্পে এসে হুমকি ও কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে খোরশেদ আলম খোকনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাঁর দাবি, বিষয়টি ফিলিং স্টেশনের মালিকের সঙ্গে ইতোমধ্যে মীমাংসা হয়েছে।

থানায় অভিযোগ, আলোচনায় ফুটবল

বিশ্বকাপ ম্যাচ নিয়ে ক্ষোভ, ফিফা সভাপতি-রেফারির বিরুদ্ধে থানায় নোয়াখালীর তরুণ

গিয়াস উদ্দিন রনি, নোয়াখালী থেকে : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১৩ পিএম
বিশ্বকাপ ম্যাচ নিয়ে ক্ষোভ, ফিফা সভাপতি-রেফারির বিরুদ্ধে থানায় নোয়াখালীর তরুণ

বিশ্বকাপ ম্যাচ নিয়ে ক্ষোভ, অতপর: বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি ম্যাচে রেফারিংয়ে পক্ষপাত ও ফলাফল প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নোয়াখালীর এক তরুণ। একই সঙ্গে তিনি পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।এক নজরে গুরুত্বপূর্ণতথ্য

বিশ্বকাপ ম্যাচে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন নোয়াখালীর এক তরুণ।
💰 ফিফার কাছে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি এবং আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান।
🌍 অভিযোগে ফিফা সভাপতি, ম্যাচ রেফারিসহ ১৫–২০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
🚔 পুলিশ বলছে, এমন বিষয়ে স্থানীয় থানার আইনগত এখতিয়ার নেই।
⚖️ মামলা না হওয়ায় আদালতে যাওয়ার পাশাপাশি মানববন্ধনেরও ঘোষণা দিয়েছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগকারী মো. রাকিব (২২) নোয়াখালী সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার রাতে তিনি সুধারাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হন। তবে পুলিশ জানায়, আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কর্মকর্তা বা বিদেশে সংঘটিত এমন ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় থানার কোনো আইনগত এখতিয়ার নেই।

অভিযোগপত্রে রাকিব দাবি করেন, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় করমুল্যা বাজারে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার সময় তিনি রেফারিংয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত লক্ষ্য করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাচে একটি দলকে ইচ্ছাকৃতভাবে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যার ফলে তাঁর সমর্থিত দল মিসর পরাজিত হয়েছে।

তিনি অভিযোগে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরসহ ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। অভিযোগে বলা হয়, অন্যায্য পেনাল্টি প্রদান, বৈধ গোল বাতিল এবং একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। এর ফলে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর আবেগের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে এবং সমর্থকেরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

রাকিব অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ফিফার কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, অভিযোগকারী থানায় এসেছিলেন। তবে বিষয়টি স্থানীয় পুলিশের এখতিয়ারের বাইরে হওয়ায় অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। তাঁকে প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে মো. রাকিব বলেন, ম্যাচের পর থেকে তিনি ও তাঁর মতো অনেক সমর্থক মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। থানায় মামলা না নেওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে মানববন্ধনসহ অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবেন বলেও জানান।

×
CLOSE X