1. nagorikit@gmail.com : Mohammad Shariful Alam Chowdhury :
  2. sharifulchowdhury81@gmail.com : administrator :
  3. : Temp User : Temp User
"সরকারি সফর" ঘিরে কূটনৈতিকভাবে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন রাজনৈতিক ও  
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
  •                      
ব্রেকিং নিউজ:
নিষিদ্ধের দিনেই উল্টো স্রোত,ফেসবুকে বিক্ষোভের ঝড়, আ’লীগে যোগ দিয়ে শক্ত বার্তা হারুন আল রশিদের! কুমিল্লা মেডিকেলে শিশুদের ‘গাদাগাদি’—দেড় বছর ধরে তালাবদ্ধ পড়ে ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল! নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনা: মুরাদনগরের বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিক আটক—১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি, দেবীদ্বারে তোলপাড়! ৪৫ হাজার টাকার চাকরি, ৫৯ কোটির সাম্রাজ্য—পাসপোর্ট কর্মকর্তার সম্পদে চাঞ্চল্য! ৩ মাসে ২৫০ আগুন: কুমিল্লায় ফায়ার স্টেশন সংকটে বাড়ছে কোটি টাকার ক্ষতি ইউনূস ও আসিফ নজরুল ইস্যুতে তোলপাড়—নাঈম নিজামের পোস্টে উত্তপ্ত সোশ্যাল মিডিয়া ১০ বছরেও বিচারহীন তনু হত্যা—অবশেষে ৩ সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের সুদখোর ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলো ইতালির উপকূলে ভয়াবহ নৌকাডুবি, ১০৫ আরোহীর মধ্যে নিখোঁজ অন্তত ৭১

“সরকারি সফর হলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ দিলেন না: বিবিসির চাপে ইউনূসের ব্যাখ্যা”

আজকের কথা ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

যুক্তরাজ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চার দিনের “সরকারি সফর” নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে তার কোনো বৈঠক হয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড টুনাইট’ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস ব্যাখ্যা দেন, স্টারমার ব্যস্ত থাকায় হয়তো সময় দিতে পারেননি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এসে বাস্তবতা বুঝতে পারবেন।

বিবিসির সাংবাদিক রাজিনি বৈদ্যনাথন একের পর এক কঠিন প্রশ্ন করেন ইউনূসকে—ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক না হওয়া, টিউলিপ সিদ্দিক ইস্যু, দুদকের মামলা এবং ব্রিটেনের সাহায্য বন্ধ—সব নিয়েই।

স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া প্রসঙ্গে ইউনূস বলেন, “আমরা দেখা করতে আগ্রহী ছিলাম, হয়তো সময় হয়নি। তবে আমি তাকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”

সরকারি সফর

ব্যক্তিগত সফরকে সরকারি সফর বলে চালিয়ে দিয়ে ধরা বিবিসির কাছে ড. ইউনুস।

রাজিনি পাল্টা বলেন, “আপনি প্রধান উপদেষ্টা—প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদার ব্যক্তি। তাহলে সাক্ষাৎ হলো না কেন? হতাশ না?” ইউনূস উত্তরে বলেন, “আমি জানি না আমি হতাশ হব, না তিনি। এটা তার জন্যও সুযোগ হারানোর বিষয়।”

টিউলিপ সিদ্দিক ইস্যুতে, যিনি লেবার পার্টির এমপি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি, ইউনূস সরাসরি বলেন, তিনি দেখা করবেন না। কারণ এটি একটি “আইনি প্রক্রিয়া” এবং তিনি হস্তক্ষেপ করতে চান না।

টিউলিপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার প্রক্রিয়া নিয়েও নানা প্রশ্ন তোলা হয়। সাংবাদিক বারবার বলেন, টিউলিপের আইনজীবীদের সঙ্গে দুদক কোনো যোগাযোগ করেনি। ইউনূস তখন বলেন, “প্রক্রিয়া সময় নেয়। আদালতই সিদ্ধান্ত নেবে, মামলা চলবে কিনা।”

দুদকের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইউনূস বলেন, তিনি দুদকের ওপর “পূর্ণ আস্থা” রাখেন এবং প্রতিষ্ঠানটি সঠিক কাজ করছে।

এছাড়া, বিদেশি সাহায্যের বাজেট কমে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের উপর প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়। ইউনূস বলেন, “যদি সহায়তা না-ও আসে, আমরা চেষ্টা করে যাব।” তবে তিনি স্বীকার করেন, ব্রিটেনের ও ইউএসএইড-এর সাহায্য হঠাৎ করে বন্ধ হওয়া বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল ধাক্কা। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটে, যেটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

টিউলিপের প্রতিক্রিয়া:
বিবিসিতে তিনি অংশ না নিলেও, একটি বিবৃতিতে বলেন, “ইউনূস দেখা না করায় আমি হতাশ। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং প্রমাণহীন। আমি চাই এটি আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হোক।”

ইউনূস সরকারি সফর” ঘিরে কূটনৈতিকভাবে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কে রূপ নিয়েছে। ব্রিটেনের সঙ্গে সম্পর্ক, টিউলিপ ইস্যু এবং দুদকের কার্যক্রম—সব মিলিয়ে এই সফর শুধু ‘পুরস্কার গ্রহণ’ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও রাজনীতির অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন
 

কপিরাইট © [২০২৫] দৈনিক আজকের কথা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত। প্রকাশকের ছাড়া কোনো অংশ পুনঃপ্রকাশ, বিতরণ বা সংরক্ষণ করা আইনত দণ্ডনীয়।

যোগাযোগ   আমাদের সম্পর্কে   শর্তাবলি ও নীতিমালা