বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

“সরকারি সফর হলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ দিলেন না: বিবিসির চাপে ইউনূসের ব্যাখ্যা”

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৩:৩০ পিএম
“সরকারি সফর হলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ দিলেন না: বিবিসির চাপে ইউনূসের ব্যাখ্যা”
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

যুক্তরাজ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চার দিনের “সরকারি সফর” নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে তার কোনো বৈঠক হয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড টুনাইট’ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস ব্যাখ্যা দেন, স্টারমার ব্যস্ত থাকায় হয়তো সময় দিতে পারেননি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এসে বাস্তবতা বুঝতে পারবেন।

বিবিসির সাংবাদিক রাজিনি বৈদ্যনাথন একের পর এক কঠিন প্রশ্ন করেন ইউনূসকে—ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক না হওয়া, টিউলিপ সিদ্দিক ইস্যু, দুদকের মামলা এবং ব্রিটেনের সাহায্য বন্ধ—সব নিয়েই।

স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া প্রসঙ্গে ইউনূস বলেন, “আমরা দেখা করতে আগ্রহী ছিলাম, হয়তো সময় হয়নি। তবে আমি তাকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”

সরকারি সফর
ব্যক্তিগত সফরকে সরকারি সফর বলে চালিয়ে দিয়ে ধরা বিবিসির কাছে ড. ইউনুস।

রাজিনি পাল্টা বলেন, “আপনি প্রধান উপদেষ্টা—প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদার ব্যক্তি। তাহলে সাক্ষাৎ হলো না কেন? হতাশ না?” ইউনূস উত্তরে বলেন, “আমি জানি না আমি হতাশ হব, না তিনি। এটা তার জন্যও সুযোগ হারানোর বিষয়।”

টিউলিপ সিদ্দিক ইস্যুতে, যিনি লেবার পার্টির এমপি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি, ইউনূস সরাসরি বলেন, তিনি দেখা করবেন না। কারণ এটি একটি “আইনি প্রক্রিয়া” এবং তিনি হস্তক্ষেপ করতে চান না।

টিউলিপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার প্রক্রিয়া নিয়েও নানা প্রশ্ন তোলা হয়। সাংবাদিক বারবার বলেন, টিউলিপের আইনজীবীদের সঙ্গে দুদক কোনো যোগাযোগ করেনি। ইউনূস তখন বলেন, “প্রক্রিয়া সময় নেয়। আদালতই সিদ্ধান্ত নেবে, মামলা চলবে কিনা।”

দুদকের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইউনূস বলেন, তিনি দুদকের ওপর “পূর্ণ আস্থা” রাখেন এবং প্রতিষ্ঠানটি সঠিক কাজ করছে।

এছাড়া, বিদেশি সাহায্যের বাজেট কমে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের উপর প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়। ইউনূস বলেন, “যদি সহায়তা না-ও আসে, আমরা চেষ্টা করে যাব।” তবে তিনি স্বীকার করেন, ব্রিটেনের ও ইউএসএইড-এর সাহায্য হঠাৎ করে বন্ধ হওয়া বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল ধাক্কা। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটে, যেটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

টিউলিপের প্রতিক্রিয়া:
বিবিসিতে তিনি অংশ না নিলেও, একটি বিবৃতিতে বলেন, “ইউনূস দেখা না করায় আমি হতাশ। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং প্রমাণহীন। আমি চাই এটি আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হোক।”

ইউনূস সরকারি সফর” ঘিরে কূটনৈতিকভাবে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কে রূপ নিয়েছে। ব্রিটেনের সঙ্গে সম্পর্ক, টিউলিপ ইস্যু এবং দুদকের কার্যক্রম—সব মিলিয়ে এই সফর শুধু ‘পুরস্কার গ্রহণ’ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও রাজনীতির অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সারা দিন অপেক্ষায় কাটল বাজার

মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৯:৪২ এএম
মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

মুরাদনগরের ৭ লাখ টাকার গরু এক বুক আশা আর দুশ্চিন্তার দোলাচল নিয়ে সোমবার সকালে কুমিল্লার এক পশুর হাটে হাজির হন এক সাধারণ খামারি। সঙ্গে ছিল তাঁর অতি আদরের, নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা ১৭ থেকে ১৮ মণের বিশাল আকৃতির একটি গরু। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরুটির দাম তিনি হাঁকান ৭ লাখ টাকা।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাচকিত্তা এলাকার বাহেরচর গ্রাম থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে গরুটি স্থানীয় বাজারে আনা হয়। সকাল থেকেই এটি হাটুরেদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বাজারের অন্য সব গরুর তুলনায় এর আকার, উচ্চতা এবং রাজকীয় শারীরিক গঠন ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।

হাটে আসা শত শত মানুষ গরুটিকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। কেউ কেউ পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে, কেউ আবার বিস্ময়ভরা চোখে মোবাইলে ছবি তোলে। কিন্তু সেই ভিড়ের মাঝেও গরুর মালিক হৃদয় খান খুঁজছিলেন এমন একজন ক্রেতাকে, যিনি তাঁর যত্নে বড় করা প্রাণীটির প্রকৃত কদর বুঝবেন।

দিন গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। হাটের কোলাহল বাড়লেও খামারির মনে আশা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে থাকে। ভিড় থাকলেও ৭ লাখ টাকার বিশাল অঙ্ক শুনে কেউই কেনার সাহস দেখাননি, এমনকি দরদাম করতেও এগিয়ে আসেননি কেউ।

বাহেরচর গ্রামের খামারি হৃদয় খান আক্ষেপ করে বলেন, “সকাল থেকে একটা আশায় বসে ছিলাম। কত মানুষ আসলো, দেখলো, ছবি তুললো। কিন্তু কেউ একটা বারের জন্যও দামাদামি করতে এগিয়ে আসলো না। এতো সাধের গরুটা কেউ নিতে পারলো না, এই কষ্ট বোঝানো যাবে না।”

বিকেলের সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ছিল, তখন হাটের ছোট ও মাঝারি গরুগুলো বিক্রি হয়ে একে একে খালি হয়ে যায়। অথচ সবার নজর কাড়া সেই বিশাল গরুটি এক কোণে দাঁড়িয়ে শান্ত চোখে তার মালিকের দিকে তাকিয়ে থাকে। দিনশেষে কোনো ক্রেতা না পেয়ে, এক বুক হতাশা আর ক্লান্ত শরীর নিয়ে গরুটি আবারও বাড়ির চেনা গোয়ালে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, বড় গরুর প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ সবসময়ই থাকে। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং মানুষের সীমিত ক্রয়ক্ষমতার কারণে শখ আর সাধ্যের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। মধ্যবিত্ত বা উচ্চ-মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পক্ষে এককভাবে এত বড় অঙ্কের টাকা খরচ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে বড় গরু হাটে নিয়ে আসার পেছনে খামারিদের যেমন বড় বিনিয়োগ থাকে, তেমনি বিক্রি না হলে লোকসানের ঝুঁকিও বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু একটি গরু বিক্রি না হওয়ার গল্প নয়, বরং বর্তমান বাজার বাস্তবতার এক নির্মম চিত্র। খামারিদের পরিশ্রম ও ভালোবাসার আর্থিক মূল্য থাকলেও ক্রেতার সামর্থ্যের সঙ্গে সমন্বয় না হলে এমন দৃশ্য আরও বাড়তে পারে। হৃদয় খানের মতো অনেক খামারি এখন তাকিয়ে আছেন ঈদের শেষ মুহূর্তের বাজারের দিকে, কোনো ক্রেতার সঙ্গে তাদের স্বপ্নের মিলনের আশায়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বড় ব্যবধানে সহজ জয় নিশ্চিত

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ এএম
গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে উঠেছে রজত পাতিদার ও বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

ধর্মশালায় টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বেঙ্গালুরু। ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ব্যাটাররা। বিরাট কোহলি ২৫ বলে ৪৩ রান করে দলকে ভালো ভিত গড়ে দেন।

দেবদূত পাডিক্কেল ও কোহলি ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন। এরপর রজত পাতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া ৪৭ বলে ৯৫ রানের ঝড়ো জুটি উপহার দেন।

ক্রুনাল পান্ডিয়া ২৮ বলে ৪৩ রান করেন। তবে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। তিনি ৩৩ বলে ৫ চার ও ৯ ছক্কায় ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গুজরাট টাইটান্স। ২৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ফিরে যান। দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে দলটি।

জস বাটলার ২৯ রানের ইনিংস খেললেও তা যথেষ্ট হয়নি। ৩৭ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় ধস নামে গুজরাটের ইনিংসে।

রাহুল তেয়াতিয়া ৩৩ বলে ফিফটি তুলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে ১৯ ওভার ৩ বলে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় গুজরাট।

শেষ পর্যন্ত গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু দাপুটে পারফরম্যান্সে ৯২ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে জায়গা করে নেয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ধানখেতে নির্মম হত্যাকাণ্ডে ধরা

বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৭ এএম
বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় রাজমিস্ত্রী শাহ আলম (৩৫) হত্যার ঘটনায় তাঁর ভাবি আরিফা বেগম (৩২) ও একই গ্রামের শাহিন শেখ ওরফে সায়েম (৩২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার সংসারদীঘি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আরিফা বেগম নিহত শাহ আলমের বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী।

গত ১৬ মে সকালে সংসারদীঘি গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ মে নিহতের মামা হারুন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আবু বক্কর কাজের কারণে বাড়ির বাইরে থাকতেন। এ সময় আরিফা বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের শাহিন শেখের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে শাহ আলম তাঁদের সম্পর্কের বিরোধিতা করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন জানান, ১৫ মে রাতে শাহিন আরিফার সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান। বিষয়টি টের পেয়ে শাহ আলম হাসুয়া হাতে উঠানে অবস্থান নেন। পরে আরিফা অন্য দরজা দিয়ে শাহিনকে পালাতে সহায়তা করেন।

এরপর শাহ আলম ধাওয়া করলে তিনি ধানখেতে পড়ে যান। এ সময় শাহিন তাঁর কাছ থেকে হাসুয়া কেড়ে নিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরও অভিযুক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×