বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের হৃদয়ছোঁয়া সৌন্দর্য: স্থাপত্য ও তাওহিদের সম্মিলনে ‘আল মদিনা জামে মসজিদ’

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫, ১২:১৭ এএম
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের হৃদয়ছোঁয়া সৌন্দর্য: স্থাপত্য ও তাওহিদের সম্মিলনে ‘আল মদিনা জামে মসজিদ’
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

স্থাপত্যশৈলী ও তাওহিদের সৌন্দর্যে মোড়ানো ‘আল মদিনা জামে মসজিদ’ শুধু একটি নামাজঘর নয়, বরং এটি যেন ঈমান, আবেগ ও নান্দনিকতার এক পবিত্র সমাহার। মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগরের হরপাড়া এলাকায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি এখন হাজারো পথচারী, মুসল্লি ও পর্যটকের ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। প্রথম দর্শনেই যে কারো চোখ আটকে যায় এর গম্বুজ, সুউচ্চ মিনার ও মনোমুগ্ধকর কাঠের দরজায়—যা যেন ধর্মীয় অনুভূতির পাশাপাশি শিল্পচেতনার প্রতীক।

স্থাপত্যশৈলী
স্থাপত্যশৈলী ও তাওহিদের সৌন্দর্যে মোড়ানো ‘আল মদিনা জামে মসজিদ’ শুধু একটি নামাজঘর নয়, বরং এটি যেন ঈমান, আবেগ ও নান্দনিকতার এক পবিত্র সমাহার।

২০১৫ সালের ১২ জুন পবিত্র জুমার জামাআতের মাধ্যমে শুরু হয় এই মসজিদের আনুষ্ঠানিক ইবাদতের পথচলা। প্রায় ৩০ শতক জমির ওপর নির্মিত, প্রায় ২০০০ মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই বিশাল স্থাপনাটি আল্লাহর ঘরকে ঘিরে নির্মিত একটি স্বপ্ন। আলাদা নারীদের নামাজের জায়গা, সুউচ্চ মিনার, ঝাড়বাতির জৌলুস, মিহরাবের কারুকার্য—সব মিলিয়ে এটি যেন হৃদয়ের গহীনে ঢুকে পড়া এক আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য।

মসজিদের মূল সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে তার নিখুঁত নকশা ও পরিবেশবান্ধব কাঠামোয়। ছাদের বিশাল গম্বুজ ও চারপাশের মিনারগুলো শুধু আকাশে সৌন্দর্যের রেখা টানে না, বরং তারা যেন তাওহিদের বার্তা বহন করে। ২০টি জানালা দিয়ে আসা আলো-হাওয়া নামাজের সময় মুসল্লিদের জন্য এক অনাবিল প্রশান্তি নিয়ে আসে।

শুধু ইবাদত নয়, মসজিদটির আশেপাশে গড়ে উঠেছে একটি নূরানী মাদ্রাসা। যেখানে গরিব ও পথশিশুরা পাচ্ছে কুরআন ও প্রাথমিক ইসলামি শিক্ষার সুযোগ। কোনো প্রাচুর্য নয়, বরং আন্তরিকতা ও খালেস নিয়তে পরিচালিত এই মাদ্রাসায় বর্তমানে অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থী জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হচ্ছে। ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেমসহ পাঁচজন নিষ্ঠাবান দ্বীনি খেদমতে জীবন ব্যয় করছেন এখানে।

স্থাপত্যশৈলী ও তাওহিদের সৌন্দর্যে মোড়ানো ‘আল মদিনা জামে মসজিদ’ শুধু একটি নামাজঘর নয়, বরং এটি যেন ঈমান, আবেগ ও নান্দনিকতার এক পবিত্র সমাহার।
স্থাপত্যশৈলী ও তাওহিদের সৌন্দর্যে মোড়ানো ‘আল মদিনা জামে মসজিদ’ শুধু একটি নামাজঘর নয়, বরং এটি যেন ঈমান, আবেগ ও নান্দনিকতার এক পবিত্র সমাহার।

প্রতিদিনই এক্সপ্রেসওয়ের যাত্রীরা একবার হলেও থেমে যান এই মসজিদের সামনে। কেউ নামাজ আদায় করেন, কেউ মোবাইলে বন্দি করেন এই অপূর্ব সৌন্দর্য। পদ্মা সেতু রেললাইন মসজিদের পেছনে দিয়ে চলে গেছে—যা এর সৌন্দর্যকে করে তুলেছে দ্বিগুণ গৌরবময়।

ধর্মীয় ঐতিহ্য, শিক্ষা ও স্থাপত্যের এক অপূর্ব সম্মিলন হয়ে ‘আল মদিনা জামে মসজিদ’ এখন কেবল ইবাদতের কেন্দ্র নয়, এটি হয়ে উঠেছে একটি সময়ের সাক্ষ্যবাহী নিদর্শন। এ স্থাপত্যশৈলী যেন প্রমাণ করে—আল্লাহর ঘর শুধু চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানুষের আত্মা, সংস্কৃতি ও অনুভবের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। আজ, এই মসজিদ শুধু মুন্সীগঞ্জ নয়—সারা দেশের মুসলমানদের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম।

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর অভিযান

দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম
দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষিজমি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে দুটি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথমে উপজেলার তুলাগাঁও গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরে রামের দিঘিরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ড্রেজার পরিচালনার দায়ে মো. আব্দুস ছামাদকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত আরও একটি ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমির মাটি কাটার কারণে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ছিল। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে অবৈধ ড্রেজার ব্যবহার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, কৃষিজমি ধ্বংস, খাল-বিল ও জলাশয়ের ক্ষতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

গোরস্তানে প্রতিবাদে হামলা

দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে হামলার শিকার বৃদ্ধ, কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে হামলার শিকার বৃদ্ধ, কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে গোরস্তানে এক কিশোরী ও দুই কিশোরকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করার জেরে এক বৃদ্ধকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ভূষণা গ্রামের মজিব কমিশনার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কর্মরত শহিদুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। সেই উদ্দেশ্যে স্বজন সফিকুল ইসলাম (৭০) কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরস্থানের এক পাশে এক কিশোরী ও দুই কিশোরকে দেখতে পান। তিনি তাদের সেখান থেকে সরে যেতে বললে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় দেবীদ্বারের কথিত ‘রেড ৯৯৯’ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে পরিচিত রামিম (১৭) সফিকুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁর বাম হাতে গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে আহত সফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক তাঁর হাতে ছয়টি সেলাই দিয়েছেন।

আহত সফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি কবর খুঁড়তে গিয়ে কয়েকজনকে কবরস্থানে অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থায় দেখে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। এর কিছুক্ষণ পর এক কিশোর তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে থাকা কিশোরীকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দেয়।

দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তানভির জানান, অভিযুক্ত রামিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। সাম্প্রতিক অভিযানেও তাঁর এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আহত ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ বা মামলা করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

উপকূলে বাড়ছে জনদুর্ভোগ

টানা বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত, দুর্ভোগে লাখো মানুষ

নোয়াখালী প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৩ পিএম
টানা বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত, দুর্ভোগে লাখো মানুষ

টানা বৃষ্টি কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও অস্বাভাবিক জোয়ারের প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বসতঘর, ফসলি জমি, মাছের ঘের ও গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ও দিনমজুর পরিবারগুলো।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে হাতিয়ার সাতটি ইউনিয়নের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তমরদ্দি, সুখচর, জাহাজমারা ও নলচিরা ইউনিয়নে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ। এসব এলাকার অসংখ্য বসতঘর, রান্নাঘর, আঙিনা, গ্রামীণ সড়ক এবং মাছের ঘের পানির নিচে চলে গেছে।

শুধু মূল ভূখণ্ড নয়, নিঝুম দ্বীপসহ দমারচর, ঢালচর, চরগাসিয়া, নলের চর, বয়ার চর, চর আতাউর ও মৌলভীর চরেও জোয়ারের পানি ঢুকে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। অনেক কৃষক ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন আলো বলেন, একদিকে অস্বাভাবিক জোয়ার, অন্যদিকে টানা বৃষ্টিতে পুরো এলাকা পানির নিচে চলে গেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অনেক পরিবারের রান্নাঘরে পানি ওঠায় গত দুই দিন ধরে চুলা জ্বলেনি। এখন পর্যন্ত তাঁরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি বলেও দাবি করেন।

জেলা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নোয়াখালীতে ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা জলাবদ্ধতা ও প্লাবন পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করেছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের কারণে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের ১১টি দল মাঠে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

×
CLOSE X