ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরছেন দক্ষিণের মানুষ, ধন্যবাদ শেখ হাসিনা

স্বপ্নের সেতুতে স্বস্তির যাত্রা, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মুখে একটাই কথা—ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরছেন, ধন্যবাদ শেখ হাসিনা
🔹 ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ, পদ্মা সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারে যাত্রা নির্বিঘ্ন।
🔹 খুলনাগামী যাত্রী সালমা খাতুন বললেন, “৮ ঘণ্টার পথ এবার পেরিয়েছি ৩ ঘণ্টায়—ধন্যবাদ শেখ হাসিনা।”
🔹 পদ্মা সেতুতে সকাল পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় পার হয়েছে প্রায় ১১,৫০০ যান, আদায় হয়েছে কোটি টাকার বেশি টোল।
🔹 বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও যানজট ছাড়াই ঈদের আগে মাওয়া প্রান্তে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক।
🔹 প্রশাসনের প্রস্তুতি, উন্নত অবকাঠামো ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সম্ভব হয়েছে স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা।
ঈদের সময় ঢাকা ছাড়ার চেনা দৃশ্য হলো যানজট আর ভোগান্তি। কিন্তু এবার দৃশ্যপট ভিন্ন। ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরছেন দক্ষিণের মানুষ, আর একবাক্যে তারা বলছেন—“ধন্যবাদ শেখ হাসিনা”। পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারে তাদের ঈদযাত্রা হয়েছে নির্বিঘ্ন, আরামদায়ক ও ঝামেলাহীন।
ALSO READ
দক্ষিণের মানুষ বলছেন—ধন্যবাদ শেখ হাসিনা
✅ নিয়ন্ত্রিত যান চলাচল, বাড়তি চাপের পরও নেই যানজট
শুক্রবার (৬ জুন) সকালে মাওয়া প্রান্তে কিছুটা চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি নির্বিঘ্নে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে যায়। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতেও তেমন যানজট দেখা যায়নি, যা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলিয়েছেন যাত্রীরা।
পদ্মা সেতুর অতিরিক্ত পরিচালক শেখ ইশতিয়াক আহমেদ জানান—
“শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় সেতু পার হয়েছে প্রায় ১১,৫০০ যানবাহন। টোল আদায় হয়েছে কোটি টাকার বেশি। যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি।”
✅ প্রশাসনের প্রস্তুতি ও সহযোগিতা প্রশংসনীয়
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন—
“চলতি ঈদে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে কোনো বড় দুর্ঘটনার খবর নেই। আমরা আগাম প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, ফলে যানজট বা বিপত্তি হয়নি।”
তিনি জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ফায়ার সার্ভিসের টিম, পুলিশের সহায়তা এবং পরিবহন নিয়ন্ত্রণে নেওয়া ব্যবস্থাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
✅ যাত্রীদের মুখে তৃপ্তির হাসি: ভোগান্তি নয়, আনন্দের যাত্রা
খুলনাগামী যাত্রী সালমা খাতুন বলেন, “গত ঈদে খুলনায় যেতে লেগেছিল ৮ ঘণ্টা, এবার মাত্র ৩ ঘণ্টায় পৌঁছে গেছি। সত্যিই বিশ্বাস হচ্ছে না—ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরছেন দক্ষিণের মানুষ। ধন্যবাদ শেখ হাসিনা, এমন স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রার জন্য।”
ফরিদপুরের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন—
“প্রতিবার ঈদের আগে টেনশনে থাকি—কখন গাড়ি ছাড়বে, কেমন জ্যাম হবে। এবার তেমন কিছু হয়নি। এটা শেখ হাসিনার উন্নয়নের ফল।”
✅ উন্নয়নের বাস্তব রূপ: পদ্মা সেতু বদলে দিয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের ঈদযাত্রা
যেখানে অন্য মহাসড়কগুলোতে ভোগান্তির খবর পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন। নতুন এক্সপ্রেসওয়ে, আধুনিক অবকাঠামো এবং সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছু মিলিয়ে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরছেন দক্ষিণের মানুষ। আর এর জন্য তারা ধন্যবাদ জানাচ্ছেন শেখ হাসিনাকে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
বাঙ্গরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হামলা-ভাঙচুর, যুবদল নেতাসহ আহত ৬

কুমিল্লার বাঙ্গরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউপি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও যুবদলের নেতাসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের কোরবানপুর গ্রামের সৌদিয়াপাড়া স্টেশন মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এর মধ্যেই আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলেন—পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওমর আলী (৭০), ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জিয়াউর রহমান (৩৫), ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম (৩৭), কোরবানপুর গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে আমির হোসেন (৩৮), দানু মিয়ার ছেলে আল আমিন (৪৮) ও শাহ জাহানের ছেলে রুবেল (২৮)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরবানপুর গ্রামের ১ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। শুক্রবার রাতে বাঙ্গরা বাজার থানা থেকে বাড়ি ফেরার পথে জিয়াউর রহমান ও রেজাউল করিমকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
এর জেরে শনিবার সকালে জিয়াউর রহমান ও রেজাউল করিমের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কোরবানপুরের সৌদিয়াপাড়া স্টেশন মোড়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এ সময় আমির হোসেনের মুখে দা দিয়ে আঘাত করা হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে ইউপি সদস্য ওমর আলী ও আল আমিনও মারধরের শিকার হন। হামলা করতে আসা রুবেল নামের এক যুবকও আহত হন।
পরে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লোকজন পাল্টা ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা সরে যায়। খবর পেয়ে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে হামলার কারণ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।
৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রনি অভিযোগ করেন, জিয়াউর রহমান মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার সন্ধ্যায় মাদক বিক্রির সময় স্থানীয় মাদকবিরোধী সংগঠনের লোকজন তাকে ও রেজাউল করিমকে মারধর করেন। এ সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুই যুবক উপস্থিত থাকায় শনিবার সকালে জিয়াউর রহমান ও রেজাউল করিমের পক্ষের লোকজন হামলা চালায় বলে দাবি করেন তিনি। হামলার সময় বাড়িঘর ও দোকানপাট থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগও করেন রনি।
অন্যদিকে, জিয়াউর রহমান তার বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেলে রেজাউল করিমকে সঙ্গে নিয়ে থানায় যাওয়ার পথে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন। রাতে থানার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই বাঙ্গরা বাজার থানায় অভিযোগ করেছেন বলেও জানান তিনি।
পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকলাল দেবনাথ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য আগামী মঙ্গলবার দুই পক্ষকে নিয়ে বসার কথা ছিল। এর মধ্যেই আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণে মুখর দিন
দেবীদ্বারে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণে মুখর প্রবীণ যোদ্ধারা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মহান মুক্তিযুদ্ধের ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সাবেক সদস্যদের নিয়ে স্মৃতিচারণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার মাশিকাড়া গ্রামের মূন্সীবাড়িতে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
তৎকালীন দেবীদ্বার উপজেলা গেরিলা কমান্ডার ও বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী আব্দুল হালিম মুন্সীর আহ্বানে আয়োজিত এ মিলনমেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতি, যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের নানা ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারী গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর তৎকালীন কুমিল্লা জেলা গেরিলা কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ শিক্ষক ও রাজনীতিক বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাকুর রহমান ফুল মিয়া, লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, চিকিৎসক ডা. আবু আইয়ুব হামিদ, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী কাজী ছিদ্দিকুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আওলাদ হোসেন মুন্সী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান, রাজনীতিক পরিমল শীল, মো. সুলতান আহমেদ ও দেলোয়ার হোসেন টুটুল।
এ ছাড়া ব্যাংকার ও সমাজসেবক আল আমিন মুন্সী, ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিউল আলম রাজীব, আব্দুল আলীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মিলনমেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিচারণের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। দীর্ঘ সময় পর সহযোদ্ধাদের একত্রিত হওয়ার এ আয়োজনে পুরোনো দিনের নানা স্মৃতি ও ঘটনাও উঠে আসে আলোচনায়।
আয়োজকরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী ও অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য চা-নাশতা ও দুপুরের খাবারেরও আয়োজন করা হয়।
থানায় ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এবার মুরাদনগরের আরও ২ চোর গ্রেপ্তার

মুরাদনগরের দুইজন গ্রেপ্তার, থানায় আটক ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে
বগুড়ার ধুনটে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে থানায় দেখা করতে গিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মুরাদনগর উপজেলার দুলারামপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মো. মোস্তফা (৪০) এবং কেমতলী গ্রামের ধনু চৌধুরীর ছেলে বাবুল চৌধুরী (৪৮)।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ধুনট থানায় চুরির মামলায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে দেখা করতে আসেন মোস্তফা ও বাবুল। তাদের গতিবিধি ও আটকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে ধুনট শহরের ইছামতি ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের প্রথম তলায় মাসুদ টেলিকমে চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৫ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় দোকান মালিক মাসুদ রানা বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তার আটজন হলেন চট্টগ্রামের আল আমিন (৩০), আক্কাস আলী (৩৫) ও হৃদয় (৩৪), নরসিংদীর ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইয়াছিন আরাফাত (৩৮) এবং কুমিল্লার রবিউল ইসলাম (৩৩), আলা উদ্দিন (২৫) ও ইস্রাফিল রহমান (২৭)।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার আটজন আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মোস্তফা ও বাবুল দেখা করতে আসেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, মোস্তফা ও বাবুল চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
































