সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

শেষ হলো বর্ণাঢ্য অধ্যায়

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই, শোকে স্তব্ধ রাজনৈতিক অঙ্গন

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৫:০৮ পিএম
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই। ছবি : আজকের কথা

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু হয়েছে।
  • সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
  • পরিবারের সদস্যরা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই

দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যু হয়েছে। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পরিবারের সদস্যরা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এরপর থেকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।

রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় তোফায়েল আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তার জন্ম। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তার নেতৃত্ব দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচিত হয় এবং তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেন।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন অভিজ্ঞ নেতা হিসেবে পরিচিত তোফায়েল আহমেদ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, ভোলা জেলা এবং দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ এএম
দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদ, পরে মামলায় গ্রেপ্তার

আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।

তিনি জানান, শেরেবাংলা নগর থানায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

দৈনিক আজকের কথা
মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
— মো. ইবনে মিজান
উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি), তেজগাঁও বিভাগ, ডিএমপি

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। পরে সিআইডির ফরেনসিক টিমকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় রোববার রাতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। পরে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ কী এবং এ ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর যাচ্ছে সংশোধনাগারে, কারাগারে দুই আসামি

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ এএম
অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর যাচ্ছে সংশোধনাগারে, কারাগারে দুই আসামি

চার আসামির তিনজনের স্বীকারোক্তি, মোবাইল ছিনিয়ে নিতেই হত্যার দাবি পুলিশের

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবে।

রোববার রাতে অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালত মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। তাদের সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবে। তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, সিয়াম এ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে রয়েছে।

রোববার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, একটি হত্যা মামলায় পুলিশ চার আসামিকে কারাগারে হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

দৈনিক আজকের কথা
মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে।
— মো. আনিসুজ্জামান
পুলিশ সুপার, কুমিল্লা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে অপ্রতিম বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, “শুক্রবার জুমার নামাজের পর অপ্রতিম আমাদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খায়। পরে বন্ধুদের সঙ্গে আইফোন দিয়ে ছবি তুলতে বাইরে যেতে চায়। কিন্তু আর ফিরে আসেনি।”

রোববার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।

সালিশে রাস্তা নির্ধারণের পরও বন্ধ, জুড়ীতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

জালালুর রহমান, মৌলভী বাজার থেকে : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ এএম
সালিশে রাস্তা নির্ধারণের পরও বন্ধ, জুড়ীতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

সালিশে নির্ধারিত চলাচলের পথ আটকে গোয়ালঘর-বাথরুম, বিপাকে পরিবার

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামে বসতবাড়িতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার এবং এর প্রতিবাদ করায় প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুল কাদিরের ছেলে কামরুল ইসলাম (২৮) জুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত তিনজন কামরুল ইসলামের চাচা। তারা হলেন—দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল জলিল (৬০), আব্দুল মনাফ (৫৫) ও আব্দুর রহিম (৫০)।

কামরুল ইসলামের অভিযোগ, বসতবাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হলে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে তাঁর পরিবারের চলাচলের জন্য একটি রাস্তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

তবে সালিশে রাস্তা নির্ধারণের পরও অভিযুক্তরা ওই চলাচলের পথের মধ্যে গোয়ালঘর, বাথরুম এবং বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাস্তা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেছেন কামরুল ইসলাম। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাস্তা পরিষ্কার করে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার কথা বললে অভিযুক্তরা উত্তেজিত হয়ে কামরুল ইসলামকে ভয়ভীতি দেখান এবং হুমকি দেন। এমনকি মামলা-মোকদ্দমা করলে সুযোগমতো তাঁকে প্রাণে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দৈনিক আজকের কথা
অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
— মো. রফিকুল ইসলাম
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), জুড়ী থানা।

অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামে তাঁর বসতবাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, চলাচলের রাস্তা বন্ধ থাকায় তারা অনেকটা গৃহবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এ ঘটনায় তারা প্রশাসনের কাছে প্রতিকার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে জুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবি ও অভিযোগের কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

×
ENG