৭০ ঘণ্টা পর সমাধান
৭০ ঘণ্টার অবসান, বড়বাড়ি সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তের শূন্যরেখায় টানা ৭০ ঘণ্টা অবস্থানের পর নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে সরিয়ে নেয় বিএসএফ। ছবি : আজকের কথা
পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে টানা প্রায় ৭০ ঘণ্টা শূন্যরেখায় অবস্থানের পর অবশেষে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিরও অবসান হয়েছে এর মধ্য দিয়ে।
রোববার (৭ জুন) গভীর রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্ত এলাকার শূন্যরেখা থেকে ওই ১০ জনকে সরিয়ে নেয় বিএসএফ। সোমবার সকালে সীমান্ত এলাকা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
তিন দিন পর কাটল সীমান্ত উত্তেজনা, নারী-শিশুসহ ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল ভারতীয় বাহিনী
সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, গত তিন দিন ধরে যেখানে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। একই সঙ্গে সীমান্তে অতিরিক্ত মোতায়েন থাকা বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরাও নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে গেছেন। ফলে কয়েকদিনের উত্তেজনার পর সীমান্ত পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার ভোরে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করতে দেখা যায়। অভিযোগ ওঠে, তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা সীমান্তের শূন্যরেখাতেই আটকে পড়েন।
খোলা আকাশের নিচে দীর্ঘ সময় অবস্থানকালে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় তাদের। প্রচণ্ড রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও কোনো ধরনের আশ্রয় বা নিরাপদ ব্যবস্থা ছিল না। শিশু ও নারীদের দুর্ভোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, “আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় নজরদারিতে ছিলাম। রাত ১২টার দিকে বিএসএফ সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে কাটাতারের গেট খুলে ওই ১০ জনকে নিজেদের দিকে নিয়ে যায়।”
নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বিএসএফ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে রাত আড়াইটার দিকে তারা ওই ব্যক্তিদের শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।”
সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে চলা এই অচলাবস্থার কারণে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ বজায় ছিল। শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতির সমাধান হয়।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে পুশ-ইন নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বড়বাড়ি সীমান্তের ঘটনাটিও স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে ৭০ ঘণ্টা পর বিএসএফের ওই ১০ জনকে সরিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
মহেশখালীর নাগরিক হলে দেবীদ্বারে জন্মসনদ কেন? রোহিঙ্গা কাণ্ডে নতুন নাটক

মহেশখালীর বাসিন্দা হলে দেবীদ্বারে জন্মসনদ কেন?
তিন ব্যক্তির স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, তারা কক্সবাজারের মহেশখালী ও আশপাশের এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের এ দাবি সত্য হলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—কক্সবাজারের বাসিন্দা হয়েও তাদের কেন কুমিল্লার দেবীদ্বারের ফতেহাবাদ ইউনিয়ন থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ নিতে হলো?
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। তারা যদি সত্যিই কক্সবাজারের স্থায়ী ও জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে থাকেন, তাহলে তাদের নিজ এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষ থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ নেওয়া হয়নি কেন? তাদের পরিচয় সম্পর্কে এখন যারা স্বাক্ষ্য বা প্রত্যয়ন দিচ্ছেন, সেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কি আগে তাদের নাগরিকত্ব ও জন্মপরিচয়ের ভিত্তিতে জন্মনিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে পারতেন না?
এখানেই প্রশ্ন উঠছে—দেবীদ্বারে জন্মনিবন্ধন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হলো কীভাবে এবং কার মাধ্যমে? যদি প্রক্রিয়াটিতে নিয়মবহির্ভূত কোনো সুপারিশ, প্রত্যয়ন, তথ্য সরবরাহ বা ক্ষমতার অপব্যবহার হয়ে থাকে, তাহলে শুধু জন্মনিবন্ধনকারী কর্মকর্তার দায় নির্ধারণ করলেই কি তদন্ত সম্পূর্ণ হবে? প্রত্যয়নদাতা, সুপারিশকারী এবং জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট অন্যদের ভূমিকাও কি খতিয়ে দেখা হবে না?
তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত প্রকৃত পরিচয়
ঘটনাটিকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টিকে ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। তবে এ ধরনের দাবি এখনো প্রমাণিত নয়। তাই প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রয়োজন নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত।
তারা বাংলাদেশি নাগরিক হলে কক্সবাজারের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, স্থানীয় প্রশাসনের নথি, ভোটার তালিকা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পারিবারিক রেকর্ড ও পূর্ববর্তী নাগরিক সনদের মাধ্যমে তাদের পরিচয় যাচাই করা যেতে পারে। একই সঙ্গে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন থেকে ঠিক কোন কাগজপত্র ও কার প্রত্যয়ন বা সুপারিশের ভিত্তিতে জন্মনিবন্ধন করা হয়েছিল, সেটিও তদন্তে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।
অন্যদিকে, যদি তদন্তে তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে সেই তথ্যও প্রমাণসহ জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত। কারণ এখানে শুধু একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নয়—জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থার দুর্বলতা, মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা এবং সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়নকারীদের দায়ও সামনে আসার প্রশ্ন রয়েছে।
সুতরাং মূল প্রশ্ন একটাই—তারা যদি মহেশখালীর বৈধ বাংলাদেশি নাগরিকই হন, তাহলে দেবীদ্বারে এসে জন্মনিবন্ধন নেওয়ার প্রয়োজন কেন হলো? আর যদি প্রয়োজন না থাকে, তাহলে এই জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কার স্বার্থ কাজ করেছে—তারও নিরপেক্ষ তদন্ত কি হবে?
জমির জন্য আপন বোন-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা! মুরাদনগরে অভিযুক্ত মোস্তাফিজ এখনো পলাতক

মুরাদনগরে জমি বিরোধে বোন-ভাতিজা খুনের অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক
কুমিল্লার মুরাদনগরে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বড় বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে আবুর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের দড়ানীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন দড়ানীপাড়া গ্রামের জসীম উদ্দীনের স্ত্রী খালেদা আক্তার (৭০) এবং তার ভাই বাচ্চু মিয়ার ছেলে মঞ্জুরুল আলম ওরফে টিটু (৩৫)। খালেদা আক্তার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
বোনকে রক্ষায় এগিয়ে এসে প্রাণ গেল ভাতিজার
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর রহমান দা দিয়ে বড় বোন খালেদা আক্তারকে কুপিয়ে জখম করেন। গুরুতর আহত হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাকে রক্ষা করতে ভাতিজা মঞ্জুরুল আলম এগিয়ে আসেন।
এ সময় তাকেও দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ ওঠে মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ
স্থানীয়দের দাবি, মনু মিয়ার ছয় ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান সবার ছোট। জমির রেকর্ডের সময় তিনি পরিবারের জমি থেকে নিজের নামে অতিরিক্ত জমি রেকর্ড করিয়ে নিয়েছেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরমান হোসেন বলেন, পরিবারটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। প্রায় তিন মাস আগে বিষয়টি তাদের কাছে আসলে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বিরোধের মীমাংসা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মতিনের দাবি, মোস্তাফিজুর রহমানকে কেন্দ্র করেই পরিবারটির মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা বিচার-সালিশের চেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি।
অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে মোস্তাফিজুর রহমান তার বোন ও ভাতিজাকে হত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে গেছেন।

প্রাথমিকভাবে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। নিহত দুজনের মরদেহ গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
ওসি আরও জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। নিহতদের মরদেহ গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর কথা রয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জমির বিরোধে রক্তাক্ত পরিণতি
জমি নিয়ে বিরোধ, মুরাদনগরের দড়ানী পাড়ায় ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লার মুরাদনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফুফু ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দড়ানীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, দড়ানীপাড়া গ্রামের খালেদা আক্তার (৭০) ও তার ভাতিজা মনজুরুল আলম টিটু (৩৫)। খালেদা আক্তার ওই গ্রামের বাসিন্দা। টিটু সম্পর্কে তার ভাইয়ের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক জমি নিয়ে খালেদা আক্তার ও তার ভাই বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে তাদের আরেক ভাই আবু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সন্ধ্যায় জমি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে আবু মিয়া দা দিয়ে খালেদা আক্তার ও মনজুরুল আলম টিটুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
তবে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। তাদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।
গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাইমা হক রিফাত বলেন, সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। দুজনের শরীরেই একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আবু মিয়া পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল মুরাদনগর উপজেলায় হওয়ায় মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
ঘটনার কারণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।



























