৩ লাখ টাকার চুক্তিতে ভুয়া পরিচয়ে ভোটার হতে এসে ধরা রোহিঙ্গা যুবক, গৌরীপুরে চাঞ্চল্য

গৌরীপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভুয়া পরিচয়ে ভোটার হওয়ার চেষ্টার সময় আটক রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ মাসুদ। ছবি : আজকের কথা
ভোটার জালিয়াতি চেষ্টায় আটক
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভুয়া পরিচয়ে ভোটার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করতে এসে আটক হয়েছেন এক রোহিঙ্গা যুবক।
অভিযোগ উঠেছে, ৩ লাখ টাকার চুক্তিতে স্থানীয় দুই দালালের সহায়তায় ভুয়া বাবা-মায়ের পরিচয়, জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ, চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য কাগজপত্র জোগাড় করে বাংলাদেশি নাগরিক সেজে ভোটার হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ দিক
- ৩ লাখ টাকার চুক্তিতে ভুয়া পরিচয়ে ভোটার হওয়ার অভিযোগ।
- শিক্ষাগত তথ্য লিখতে গিয়ে বার্মিজ ভাষা ব্যবহার করায় ধরা পড়ে যুবক।
- ভুয়া জন্মনিবন্ধন, চেয়ারম্যানের সনদ ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়।
- স্থানীয় দুই দালালের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দেয় আটক যুবক।
- ঘটনায় জাল কাগজপত্র তৈরির চক্র শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।
তবে আবেদনপত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার অংশ পূরণ করতে গিয়ে বার্মিজ ভাষায় লিখে ফেলায় বিষয়টি ধরা পড়ে যায়।
সোমবার (২৯ জুন) গৌরীপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে আটক করে প্রশাসন ও পুলিশকে খবর দেন।
আটক যুবকের নাম মোহাম্মদ মাসুদ (১৯)। তিনি কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮-ই ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. জোবায়ের এবং মায়ের নাম শাকিলা খাতুন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমীন পাপ্পা এবং গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত হন। প্রশাসন জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মাসুদ নিজেকে গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের দৌলতাবাদ এলাকার বাসিন্দা দাবি করে ভোটার হওয়ার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি বাবার নাম মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন এবং মায়ের নাম শান্তনা আক্তার উল্লেখ করেন।
আবেদনের সঙ্গে তিনি সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরযুক্ত নাগরিকত্ব ও চারিত্রিক সনদ, জন্মনিবন্ধন, একটি মাদ্রাসার শিক্ষাগত সনদ, বাড়ির হোল্ডিং নম্বর, বিদ্যুৎ বিল এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার প্রতিবেদনও জমা দেন।
গৌরীপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফাওজুল কবীর খান জানান, আবেদনপত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরটি ফাঁকা ছিল। সেটি পূরণ করতে বলা হলে যুবকটি বার্মিজ ভাষায় লিখতে শুরু করেন। এতে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে কাগজপত্র যাচাই করে সেগুলোর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেয় এবং তাকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন করে দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে এক লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি টাকা এনআইডি পাওয়ার পর দেওয়ার কথা ছিল।
অন্যদিকে, তার বড় ভাইয়ের দাবি, পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র তৈরি করে দেওয়ার জন্য মোট ৩ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল।
আটক মাসুদের ভাষ্য অনুযায়ী, সহনাটী ইউনিয়নের হুমায়ুন কবীর ও সাগর নামের দুই ব্যক্তি তাকে এ কাজে সহযোগিতা করেন। প্রায় ১৫ দিন আগে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গৌরীপুরে আসেন। প্রথমে স্থানীয় একটি হোটেলে সাত দিন অবস্থান করেন। ভোটার নিবন্ধনের দিনও ওই দুই ব্যক্তি নির্বাচন অফিসে ছিলেন। তবে তাকে আটক করার পর তারা সেখান থেকে দ্রুত সরে যান।
ঘটনার পর নির্বাচন অফিস, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। ভুয়া কাগজপত্র তৈরিতে কারা জড়িত এবং কোনো সংঘবদ্ধ চক্র এর সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নজরুল নগর নামকরণের দাবিতে আবেদন
মুরাদনগরের নতুন উপজেলার নাম ‘নজরুল নগর’ করার দাবি

নিকারের ১২১তম সভার আগে আবেদন জানালেন সম্পাদক শরিফুল আলম চৌধুরী
কুমিল্লার মুরাদনগরের নতুন উপজেলার নাম ‘বাঙ্গরা’ না রেখে ‘নজরুল নগর’ করার দাবি জানিয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনটি করেছেন দৈনিক আজকের কথা-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী। তিনি মুরাদনগর ও বাঙ্গরা অঞ্চলের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদের পক্ষে এ আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য নিকারের ১২১তম সভার আলোচ্যসূচিতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলাকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গরা’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নতুন উপজেলার নাম ‘নজরুল নগর’ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবিত উপজেলার অন্তর্ভুক্ত বাঙ্গরা থানার দৌলতপুর এলাকা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান। এখানেই কবির বিয়ে এবং শ্বশুরবাড়ির স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।
ফলে জাতীয় কবির স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নতুন উপজেলার নাম ‘নজরুল নগর’ রাখা হলে তা ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করবে।
আবেদনে নাম পরিবর্তনের পক্ষে কয়েকটি যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
বর্তমান মুরাদনগর উপজেলার নামের সঙ্গে ‘নগর’ শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
জাতীয় কবির নামে নামকরণ হলে স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কিংবা আঞ্চলিক মতবিরোধের সম্ভাবনা কম থাকবে এবং বিষয়টি সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
আবেদনে আরও বলা হয়, ‘নজরুল নগর’ নামটি শুধু একটি প্রশাসনিক নাম নয়; এটি জাতীয় ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন উপজেলার পরিচয়কে যুক্ত করবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাও সৃষ্টি হবে বলে আবেদনকারী মনে করেন।
এ কারণে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কাছে প্রস্তাবিত নতুন উপজেলার নাম ‘বাঙ্গরা’ পরিবর্তন করে ‘নজরুল নগর’ অনুমোদনের জন্য আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
‘চলতি বছরই দেশে ফিরব’—এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা

মৃত্যুদণ্ডের রায়েও ভয় নেই, দাবি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর
ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম NDTVকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশে ফেরার পথে যত বাধা ও ষড়যন্ত্রই থাকুক না কেন, তিনি এ বছরই স্বদেশে ফিরবেন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশ ছেড়ে ভারতে যাওয়ার পর এটিই তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ্য সাক্ষাৎকার। এতে তিনি দেশে ফেরা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, এ রায় বা মৃত্যুর আশঙ্কা তাঁকে দেশে ফিরতে নিরুৎসাহিত করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তাঁর দাবি, দলটি দেশের জনগণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে একে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
শেখ হাসিনা আরও দাবি করেন, তাঁর দেশে ফেরার লক্ষ্য ব্যক্তিগত ক্ষমতায় ফেরা নয়; বরং রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা। একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এদিকে তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সরকারের সমালোচক ও সমর্থকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার এ ঘোষণা আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। অন্যদিকে সরকার বলছে, তাঁর বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ।
অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
তেঁতুলিয়ায় ইউএনওকে ঘিরে ‘মিথ্যা অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন

সর্বস্তরের জনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের বিক্ষোভ
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজ শাহীন খসরু ইউএনওকে ঘিরে মিথ্যা অপবাদ ও হয়রানিমূলক অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন সর্বস্তরের জনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। বক্তারা দাবি করেন, ইউএনওর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে অভিযোগ থাকলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় উপস্থাপনের আহ্বান জানান।
অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের ঐতিহাসিক তেঁতুলতলায় সর্বস্তরের জনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘিরে ছড়ানো অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পরিবেশ পদকপ্রাপ্ত পরিবেশকর্মী মাহমুদুল হাসান মামুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক খন্দকার আবু সালেহ ইব্রাহিম ইমরান, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদিন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ফেরদৌস আলম লিটন, মাসুদ রানা, শিক্ষক ও সামাজিক কর্মী হুমায়ুন কবির, সাবেক ছাত্র সমন্বয়ক ওবায়দুল হকসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজ শাহীন খসরুর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ড প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনানুগ পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। মিথ্যা অপবাদ, ভিত্তিহীন প্রচারণা ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।




















