বিচারের দাবিতে উত্তাল দেবীদ্বার
ফরিদা হত্যা: দেবীদ্বারে থানা ঘেরাও করে লাইলীসহ খুনিদের ফাঁসির দাবি

ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে দেবীদ্বার থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। ছবি : আজকের কথা
ফরিদা হত্যা, কুমিল্লার দেবীদ্বারে চাঞ্চল্যকর ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অবশেষে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয়রা। মিছিল থেকে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত লাইলী আক্তারসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা পরিষদ গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার নিউমার্কেট মুক্তিযুদ্ধ চত্বরের স্বাধীনতা স্তম্ভের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ও পরে দেবীদ্বার থানার ভেতরেই উত্তাল স্লোগানে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ সভা।
সভায় বক্তারা বলেন, গহনা ও টাকার লোভে বাসার ভাড়াটিয়া সেজে লাইলী আক্তারের নেতৃত্বে ফরিদা ইয়াসমিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘুমন্ত একজন নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর তাঁর মরদেহ দা দিয়ে কুপিয়ে অর্ধশতাধিক খণ্ডে বিভক্ত করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।
বক্তারা বলেন, এমন বর্বর হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁরা ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত লাইলী আক্তারসহ জড়িত সবার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অনেক অপরাধী উপযুক্ত শাস্তি না পেয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তাঁদের দাবি, লাইলী আক্তার এর আগেও একটি শিশু হত্যা মামলায় আসামি ছিলেন এবং ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর কয়েক বছরের মধ্যে জামিনে মুক্তি পান।
সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর দেবীদ্বারে পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে সাত বছরের শিশু ফাহিমাকে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় লাইলী বেগমসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে কয়েক বছরের মধ্যে আসামিরা জামিনে মুক্ত হন। বক্তাদের দাবি, ওই মামলায় কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক সাজা নিশ্চিত হলে পরবর্তী সময়ে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো সম্ভব হতো।
নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “সরকারের কাছে আমার দাবি, আমার স্ত্রীর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি চাই। এমন সাজা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে অপরাধীরা এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সাহস না পায়।”
প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য দেন নিহতের দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তার, কাজী নাসির উদ্দিন, সিয়াম আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, মো. জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাতে দেবীদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকায় মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন বাসা থেকে তাঁর মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। এরপর ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
তিনজনের এক ফ্রেমেই কারও কারও ‘জ্বালা’
বিশ্ববাটপার ইউনূস-বিরোধী তিন প্রতিবাদী কণ্ঠ এক ফ্রেমে, আনিস আলমগীরের পোস্টে ‘জ্বালা-পোড়া’র বিস্ফোরক বার্তা

এক ফ্রেমে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহেদ আলম এবং চিকিৎসক, উপস্থাপক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডা. আব্দুন নূর তুষার। তিনজনের একসঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে আনিস আলমগীরের দেওয়া কড়া ক্যাপশন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্ববাটপার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনায় তিনজনেরই প্রকাশ্য অবস্থান রয়েছে। ফলে তাঁদের এক ফ্রেমে উপস্থিতি এবং আনিস আলমগীরের ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশনকে অনেকেই ইউনূস ও তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া একটি কড়া রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিটি প্রকাশ করে আনিস আলমগীর লিখেছেন—
“আজ দুপুরে তিনজন এক ফ্রেমে- কারও কারও জ্বালা শুরু হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট! আমরা কথা বলি তথ্য, যুক্তি দিয়ে জোরে, হাসিও দিই জোরে। কে জ্বলল, কে পুড়ল- এসবের হিসাব রাখি না!”
ক্যাপশনের ‘কারও কারও জ্বালা’, ‘কে জ্বলল, কে পুড়ল’—এমন শব্দচয়নকে নিছক রসিকতা হিসেবে দেখছেন না অনেকে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটি অংশের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এটি ড. ইউনূসকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্কের মধ্যেই দেওয়া একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা।
বিশেষ করে তিনজনই যখন বিভিন্ন সময়ে সেই বাটপার ইউনূস সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, নীতি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন, তখন একই ফ্রেমে তাঁদের উপস্থিতি এবং এমন কড়া ভাষার ক্যাপশন পোস্টটিকে বাড়তি রাজনৈতিক তাৎপর্য দিয়েছে।
বার্তার সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ—“আমরা কথা বলি তথ্য, যুক্তি দিয়ে জোরে”। অর্থাৎ তাঁদের বক্তব্যের বিরুদ্ধে সমালোচনা বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া এলেও তথ্য ও যুক্তির ভিত্তিতে কথা বলা থেকে তাঁরা সরে যাবেন না—এমন অবস্থানই ফুটে উঠেছে পোস্টে।
আর শেষের বাক্য—“কে জ্বলল, কে পুড়ল- এসবের হিসাব রাখি না”—সেটিই যেন পুরো পোস্টের রাজনৈতিক খোঁচাটাকে আরও স্পষ্ট করেছে।
ছবিতে থাকা তিনজনের পরিচয়ও বিশ্বজুড়ে কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়। আনিস আলমগীর দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কাভার করেছেন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও টকশো বক্তব্যের জন্য পরিচিত। শাহেদ আলমও দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের সঙ্গে যুক্ত। আর ডা. আব্দুন নূর তুষার চিকিৎসক পরিচয়ের পাশাপাশি উপস্থাপক, লেখক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে জনপরিসরে সক্রিয়।
তাই ছবিটি শুধু তিনজন পরিচিত মানুষের একসঙ্গে দাঁড়ানোর ছবি নয়—এর সঙ্গে যুক্ত ক্যাপশনটি বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইউনূস-বিরোধী অবস্থানের একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রকাশ হিসেবেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।
সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করেও আনিস আলমগীরের বার্তা যেন স্পষ্ট—কারও ‘জ্বালা’ বা ‘পোড়া’র হিসাব না রেখে তথ্য ও যুক্তি দিয়েই কথা বলবেন তাঁরা।
স্বামীর দাফনের ছয় ঘণ্টা পর স্ত্রীর মৃত্যু
অগ্নিকাণ্ডে দেবীদ্বারের স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, পাশাপাশি দাফন

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে দেবীদ্বারের স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। স্বামী খোকন সরকার (৫৪) মারা যাওয়ার ছয় ঘণ্টার মধ্যে তাঁর স্ত্রী ফজিলত বেগমের (৪০)ও মৃত্যু হয়েছে। পরে স্বামীর কবরের পাশেই স্ত্রীকে দাফন করা হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজিলত বেগম মারা যান। এর আগে একই দিন সকালে গ্রামের বাড়িতে স্বামী খোকন সরকারের মরদেহ দাফন করা হয়।
নিহত খোকন সরকার কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ১০ নম্বর গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের উজানীকান্দি গ্রামের প্রয়াত আব্দুল গয়ফুরের দ্বিতীয় ছেলে। তাঁর স্ত্রী ফজিলত বেগম পাশের উজানীজোড়া গ্রামের নানু মিয়া খন্দকারের মেয়ে।
খোকন ও ফজিলত দম্পতি নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকার জাহীন গার্মেন্টসে পোশাকশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তাঁদের দুই সন্তান—ইউসুফ সরকার (২০) ও খাদিজা আক্তার (১৮)। অগ্নিকাণ্ডের সময় সন্তানরা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার মুরাদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে খোকন ও ফজিলত গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা যান খোকন সরকার। বুধবার সকালে তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি উজানীকান্দিতে আনা হয়। বাদ জোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
স্বামীর দাফন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারের কাছে আসে আরও একটি শোকের সংবাদ। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফজিলত বেগম। স্বামীকে দাফনের পরপরই স্ত্রীর মৃত্যুর খবরে স্বজনদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া।
মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর এমন করুণ মৃত্যুতে উজানীকান্দি ও উজানীজোড়া গ্রামে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় ফজিলত বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্বামী খোকন সরকারের কবরের পাশেই তাঁকে দাফন করা হয়েছে।
দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে দেবীদ্বারের দুই পোশাকশ্রমিকের মৃত্যুর খবরটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই কঠিন সময়ে অসহায় পরিবারটির পাশে উপজেলা প্রশাসন থাকবে। তাঁদের সরকারি আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অস্ত্রের মুখে এক লাখ টাকা দাবি
নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে তুলে নিয়ে গুলি, টাকা-মোবাইল ছিনতাই

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালককে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত হয়েছেন রাব্বি হোসেন রাকিব (২২)।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বর্দি গ্রামের চুল্লার বাড়ির পেছনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত রাকিব আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট সোনাইমুড়ী গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে।
ভুক্তভোগী রাকিবের অভিযোগ, রাতে চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজার থেকে বাজার করে স্থানীয় হায়দার বাড়ির দরজায় ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে আলাইয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংলগ্ন এলাকায় একদল অস্ত্রধারী তার অটোরিকশার গতিরোধ করে।
পরে অস্ত্রের মুখে তাকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পাশে চুল্লার বাড়ির পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আলমগীর (৩০), রাজন (২৮), রিপন (২১) ও আলম (২৮) নামে চারজন তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন রাকিব।
তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার কাছ থেকে নগদ ১ হাজার ৫০০ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এরপর তার ডান পায়ের হাঁটুর পাশে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে পাশের একটি ডোবায় লাফ দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান রাকিব। পরে তিনি চিকিৎসা নেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, এক ব্যক্তির শরীরে ২.২ বোরের ছোট একটি গুলি লাগার খবর তারা পেয়েছেন। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।































