রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দেবীদ্বারে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে দিনমজুর নিহত

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৫ পিএম
দেবীদ্বারে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে দিনমজুর নিহত

দেবীদ্বারে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে বিরোধে নিহত দিনমজুর সফিকুল ইসলাম (৪৫); হাসপাতালে নিহতের স্ত্রী ও স্বজনদের আহাজারি। ছবি : দৈনিক আজকের কথা

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে সফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন।
  • বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামের এনু মেম্বারের বাড়ির বাঁশঝাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
  • নিহত সফিকুল ইসলাম বারুর গ্রামের মৃত মহাজ উদ্দিনের ছেলে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে সফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামের এনু মেম্বারের বাড়ির বাঁশঝাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সফিকুল ইসলাম বারুর গ্রামের মৃত মহাজ উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সফিকুল দিনমজুরের পাশাপাশি বাঁশ-বেতের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বাড়ির পাশে নিজের বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটতে যান। এ সময় একই এলাকার মৃত এনু মেম্বারের ছেলে লিমন (৪৭) ও তাঁর বড় ভাই নজরুল ইসলামের ছেলে নিশাদ (২৬) বাঁশ কাটতে বাধা দেন।

সফিকুল নিজের বাঁশঝাড় থেকেই বাঁশ কাটছেন বলে দাবি করলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি ও পরে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে লিমন ও নিশাদ দা, ছোরা ও হাতুড়ি নিয়ে সফিকুলের ওপর হামলা চালান বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, হামলায় নিশাদ হাতুড়ি দিয়ে সফিকুলকে মারধর ও দা দিয়ে কোপান। একপর্যায়ে লিমন ছুরি দিয়ে তাঁর পেটে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত সফিকুলের পেটের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসে।

পরে স্থানীয়রা আহত সফিকুলকে দ্রুত দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চোখের সামনে লিমন ও নিশাদ আমার স্বামীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে, দা দিয়ে কুপিয়েছে। পরে ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করে হত্যা করেছে। আমি কিছুই করতে পারিনি।”

এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “বাঁশ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের ঝগড়ায় সফিক নামে এক দিনমজুর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।”

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

বাঙ্গরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হামলা-ভাঙচুর, যুবদল নেতাসহ আহত ৬

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম
বাঙ্গরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হামলা-ভাঙচুর, যুবদল নেতাসহ আহত ৬

কুমিল্লার বাঙ্গরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউপি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও যুবদলের নেতাসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের কোরবানপুর গ্রামের সৌদিয়াপাড়া স্টেশন মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

দৈনিক আজকের কথা
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এর মধ্যেই আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
— শুকলাল দেবনাথ
চেয়ারম্যান, পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ

আহতরা হলেন—পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওমর আলী (৭০), ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জিয়াউর রহমান (৩৫), ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম (৩৭), কোরবানপুর গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে আমির হোসেন (৩৮), দানু মিয়ার ছেলে আল আমিন (৪৮) ও শাহ জাহানের ছেলে রুবেল (২৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরবানপুর গ্রামের ১ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। শুক্রবার রাতে বাঙ্গরা বাজার থানা থেকে বাড়ি ফেরার পথে জিয়াউর রহমান ও রেজাউল করিমকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

এর জেরে শনিবার সকালে জিয়াউর রহমান ও রেজাউল করিমের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কোরবানপুরের সৌদিয়াপাড়া স্টেশন মোড়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এ সময় আমির হোসেনের মুখে দা দিয়ে আঘাত করা হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে ইউপি সদস্য ওমর আলী ও আল আমিনও মারধরের শিকার হন। হামলা করতে আসা রুবেল নামের এক যুবকও আহত হন।

পরে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লোকজন পাল্টা ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা সরে যায়। খবর পেয়ে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে হামলার কারণ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।

৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রনি অভিযোগ করেন, জিয়াউর রহমান মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার সন্ধ্যায় মাদক বিক্রির সময় স্থানীয় মাদকবিরোধী সংগঠনের লোকজন তাকে ও রেজাউল করিমকে মারধর করেন। এ সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুই যুবক উপস্থিত থাকায় শনিবার সকালে জিয়াউর রহমান ও রেজাউল করিমের পক্ষের লোকজন হামলা চালায় বলে দাবি করেন তিনি। হামলার সময় বাড়িঘর ও দোকানপাট থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগও করেন রনি।

অন্যদিকে, জিয়াউর রহমান তার বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেলে রেজাউল করিমকে সঙ্গে নিয়ে থানায় যাওয়ার পথে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন। রাতে থানার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই বাঙ্গরা বাজার থানায় অভিযোগ করেছেন বলেও জানান তিনি।

পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকলাল দেবনাথ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য আগামী মঙ্গলবার দুই পক্ষকে নিয়ে বসার কথা ছিল। এর মধ্যেই আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সহযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণে মুখর দিন

দেবীদ্বারে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণে মুখর প্রবীণ যোদ্ধারা

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২১ এএম
দেবীদ্বারে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণে মুখর প্রবীণ যোদ্ধারা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মহান মুক্তিযুদ্ধের ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সাবেক সদস্যদের নিয়ে স্মৃতিচারণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার মাশিকাড়া গ্রামের মূন্সীবাড়িতে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

তৎকালীন দেবীদ্বার উপজেলা গেরিলা কমান্ডার ও বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী আব্দুল হালিম মুন্সীর আহ্বানে আয়োজিত এ মিলনমেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতি, যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের নানা ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারী গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনীর তৎকালীন কুমিল্লা জেলা গেরিলা কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ শিক্ষক ও রাজনীতিক বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাকুর রহমান ফুল মিয়া, লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, চিকিৎসক ডা. আবু আইয়ুব হামিদ, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী কাজী ছিদ্দিকুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আওলাদ হোসেন মুন্সী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান, রাজনীতিক পরিমল শীল, মো. সুলতান আহমেদ ও দেলোয়ার হোসেন টুটুল।

এ ছাড়া ব্যাংকার ও সমাজসেবক আল আমিন মুন্সী, ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিউল আলম রাজীব, আব্দুল আলীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

মিলনমেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিচারণের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। দীর্ঘ সময় পর সহযোদ্ধাদের একত্রিত হওয়ার এ আয়োজনে পুরোনো দিনের নানা স্মৃতি ও ঘটনাও উঠে আসে আলোচনায়।

আয়োজকরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী ও অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য চা-নাশতা ও দুপুরের খাবারেরও আয়োজন করা হয়।

থানায় ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এবার মুরাদনগরের আরও ২ চোর গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
থানায় ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এবার মুরাদনগরের আরও ২ চোর গ্রেপ্তার

মুরাদনগরের দুইজন গ্রেপ্তার, থানায় আটক ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে

বগুড়ার ধুনটে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে থানায় দেখা করতে গিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মুরাদনগর উপজেলার দুলারামপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মো. মোস্তফা (৪০) এবং কেমতলী গ্রামের ধনু চৌধুরীর ছেলে বাবুল চৌধুরী (৪৮)।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে ধুনট থানায় চুরির মামলায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে দেখা করতে আসেন মোস্তফা ও বাবুল। তাদের গতিবিধি ও আটকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে ধুনট শহরের ইছামতি ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের প্রথম তলায় মাসুদ টেলিকমে চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৫ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় দোকান মালিক মাসুদ রানা বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তার আটজন হলেন চট্টগ্রামের আল আমিন (৩০), আক্কাস আলী (৩৫) ও হৃদয় (৩৪), নরসিংদীর ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইয়াছিন আরাফাত (৩৮) এবং কুমিল্লার রবিউল ইসলাম (৩৩), আলা উদ্দিন (২৫) ও ইস্রাফিল রহমান (২৭)।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার আটজন আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মোস্তফা ও বাবুল দেখা করতে আসেন।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, মোস্তফা ও বাবুল চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

×
ENG