সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঈদেও সন্তানদের কাছে ফিরতে পারছেন না নারী সাংবাদিক প্রিয়া
🟩 সংবাদের হাইলাইটস :
- 🎤 নারী সাংবাদিক প্রিয়া মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন।
- 👧 তার দুই শিশু কন্যা—সাদিয়া সাবা (৯) ও সাবিহা ইসলাম (৫) ঈদের দিন মায়ের জন্য অপেক্ষা করলেও প্রিয়া সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঘরে ফিরতে পারছেন না।
- 🗓️ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, কুমিল্লার দাউদকান্দি ও মুরাদনগর সীমান্তবর্তী এলাকা প্রিয়া স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও ভূমিদস্যুদের হাতে আক্রান্ত হন।
- 🩺 মাথা ও পিঠে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর তার চিকিৎসা থেমে আছে অর্থাভাবে; মানসিক ট্রমায় ভুগছেন তিনি।
- 🚔 সরকারের চাপ ও ভয়ভীতির কারণে পুলিশও কোনো সহায়তা দিতে পারছে না।
- 📉 বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ২০ জনের বেশি সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হলেও আন্তর্জাতিক মহলের নীরবতা উদ্বেগজনক।
- 📢 প্রিয়ার আহ্বান—“নিরাপদ আশ্রয় ও চিকিৎসা দরকার—but আমি একা, আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেছি।”
- 🌐 আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে তার চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানানো হয়েছে।
মূল প্রতিবেদন-
ঈদের আনন্দ সবার ঘরে ফিরলেও, সাংবাদিক ফাহিমা বেগম প্রিয়ার কাছে ঈদ মানে আরও এক নিঃসঙ্গ যুদ্ধ। দুই কন্যা সন্তান সাদিয়া সাবা (৯) ও সাবিহা ইসলাম (৫) মা’র পথ চেয়ে বসে থাকে, অথচ এ নারী সাংবাদিক প্রিয়া ফিরতে পারেন না। কারণ—তিনি এখন নিজ দেশেই এক প্রকারে ন্দি, নিজ বাড়িতেই অনিরাপদ। তার অপরাধ—তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, ভূমিদস্যুদের নাম প্রকাশ করেছেন, এবং সবচেয়ে বড় কথা—তিনি নারী, যিনি নারী অধিকার নিয়ে লেখেন, প্রতিবাদ করেন।
২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার মুরাদনগরে স্থানীয় মাদক কারবারি ও ভূমিদস্যুদের দ্বারা নৃশংস হামলার শিকার হন এই সাহসী নারী সাংবাদিক। মাথা ও পিঠে গুরুতর আঘাত পান তিনি। হামলার পরপরই তার জীবন থমকে দাঁড়ায়—চিকিৎসা অসম্পূর্ণ, মানসিকভাবে ভেঙে পড়া এক নারী, যার একটাই অপরাধ—সত্য বলা।
👉 আপনি চাইলে নারী সাংবাদিক প্রিয়ার উপর হামলার এই লেখাটি পড়তে পাড়েন
মুরাদনগরের নারী সাংবাদিককে নির্যাতনকারীদের এক সপ্তাহেও গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ
এ বিষয়ে অজ্ঞাত স্থান থেকে এ নারী সাংবাদিক বলেন,
“আমি শুধু সত্য বলার চেষ্টা করেছিলাম। এখন আমি অসুস্থ, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। চিকিৎসা দরকার, নিরাপদ আশ্রয় দরকার—but আমি একা, আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছি।”
বাংলাদেশে নারীর নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে। বিশেষ করে সেই নারীরা যারা সমাজের অন্ধকার কোণগুলোতে আলো ফেলেন, তাদের জীবন আজ সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে। সাংবাদিক প্রিয়া একজন প্রথাভাঙা নারী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মুরাদনগরে দুর্নীতি, মাদক, দখলদারিত্ব, এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করে আসছেন।
কিন্তু এই প্রতিবাদই তার জীবনের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু একবার নয়—নারী সাংবাদিক প্রিয়া কে হত্যার উদ্দেশ্যে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। অথচ আজও তার জন্য নেই কোনো কার্যকর পুলিশি সহায়তা, নেই সরকারি নিরাপত্তা।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ২০ জনেরও বেশি সাংবাদিক হামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। অথচ এই সংকট নিয়ে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিংবা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ে না। বরং অনেকে মনে করছেন, কূটনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক মহল বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নীরবতা পালন করছে।
👉 আপনি চাইলে এই লেখাটি পড়তে পাড়েন—-
জাতিসংঘের প্রতিনিধি গুয়েন লুইসের বক্তব্যে বিতর্ক
আগামী ৭ জুন দেশে ঈদ। সারা দেশের মানুষ পরিবারে আনন্দে মাতলেও, নারী সাংবাদিক প্রিয়া দূরে কোথাও নিরাপদ আশ্রয়ে ঘরছাড়া। তার সন্তানরা জানে না, মা ফিরবেন কবে। জানে না—মা আদৌ বাঁচবেন কি না।
এটা কি একজন সাংবাদিকের প্রাপ্য? একজন মায়ের?
আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আবেদন—বাংলাদেশে নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিন। ফাহিমা আক্তার প্রিয়ার পাশে দাঁড়ান। তার চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও পেশাগত অধিকারের নিশ্চয়তা দিন।
নইলে এ সমাজে সত্য বলা আরও এক ধাপে পিছিয়ে যাবে। সত্য চিরতরে হারিয়ে যাবে সন্ত্রাসীদের হুংকারে।
👉 আপনি চাইলে এই লেখাটি পড়তে পাড়েন
সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা
জিরো লাইনে মানবেতর জীবন
পতাকা বৈঠকেও সমাধান হয়নি, পঞ্চগড় সীমান্তের জিরো লাইনে দুই দিন ধরে মানবেতর জীবন ১০ জনের
পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে পুশইনের ঘটনায় টানা দুই দফা পতাকা বৈঠকেও কোনো সমাধান না হওয়ায় দ্বিতীয় দিনের মতো জিরো লাইনে মানবেতর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন নারী ও শিশুসহ ১০ বাংলাদেশি। প্রখর রোদ, বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেই ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখায় কাদা-পানির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।
জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৮-এর ৫ নম্বর সাব-পিলার এলাকা দিয়ে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে তারা ভারতীয় অংশের জিরো লাইনে আটকা পড়ে।
পুশইনের শিকারদের মধ্যে রয়েছেন তিন শিশু ও দুই নারী। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তারা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। দিনের তীব্র রোদ এবং রাতের ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেও কোনো নিরাপদ আশ্রয় ছাড়াই কাদা-পানির মধ্যে তাদের রাত কাটাতে হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একাধিক দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। ফলে নারী ও শিশুসহ ১০ জনের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, তাদের জন্য কোনো পক্ষ থেকেই খাবার বা বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়নি। সঙ্গে থাকা সামান্য খাদ্য দিয়ে কোনোমতে জীবনধারণ করছেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দারা মানবিক কারণে খাবার ও পানি পৌঁছে দিতে চাইলেও বিজিবির নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণে তা সম্ভব হয়নি।
পুশইনের শিকার আব্দুস সালাম জানান, ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় চরম কষ্টে দিন কাটছে তাদের। শিশু ও নারীরা খোলা মাঠে জমে থাকা কাদা মিশ্রিত পানি পান করেই বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন।
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তের উভয় পাশে বিজিবি ও বিএসএফকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।
শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঠাকুরগাঁও সেক্টরের বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সুরুজ মিয়া এবং নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম। পরিস্থিতি নিরসনে শনিবার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আবারও পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে রাতের আঁধারে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে বিএসএফের সঙ্গে পুনরায় বৈঠক হয়েছে। বিএসএফ দাবি করেছে, তারা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় তাদের ফেরত নেওয়া হবে না। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, কেউ বাংলাদেশের নাগরিক হলেও আন্তর্জাতিক আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের হস্তান্তর করতে হবে। রাতের অন্ধকারে এভাবে পুশইন করলে আমরা তাদের গ্রহণ করব না।”
তিনি আরও বলেন, “নারী ও শিশুসহ এসব মানুষ বৃষ্টি, বজ্রপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে খোলা মাঠে অবস্থান করছেন, যা অত্যন্ত অমানবিক। বিষয়টি নিয়ে বিএসএফ তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমাদের জানিয়েছে।”
জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল চুরি
ট্রেনে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাই: ভৈরবে ৫ ছিনতাইকারীকে কারাদণ্ড
কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশনে ট্রেনে ওঠার সময় কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগে পাঁচ সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হকের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সাজা দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ভৈরব পৌর শহরের পঞ্চবটী এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (২৮), নরসিংদীর পলাশ উপজেলার উত্তর চন্দন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে সবুজ মিয়া (২২), কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এতরায়পুর এলাকার মবিন মিয়ার ছেলে হাসান (২০), কুমিল্লা সদর কোতোয়ালি এলাকার মুরাপাড়া গ্রামের বাতেন মিয়ার ছেলে নুর আলম (২০) এবং শুভপুর এলাকার আবু তাহের মিয়ার ছেলে বিপ্লব আহসান (২৬)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৬ জুন) রাতে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিম আউটার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী ওঠার মুহূর্তে কৃত্রিম ভিড় ও জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায় একটি চক্র। গোপন নজরদারির মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ।
এদিকে রবিবার দুপুরের দিকে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এক যাত্রীর মোবাইল ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে বাবুল মিয়াকে হাতেনাতে ধরে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে রেলওয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের লক্ষ্য করে সংঘবদ্ধভাবে মোবাইল ছিনতাই ও চুরির ঘটনা ঘটিয়ে আসছিল একটি চক্র। যাত্রীদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে তারা ট্রেনে ওঠা-নামার সময় জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল ও মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিত।
তিনি বলেন, “বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চক্রটির পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে। এরপর আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।”
আদালতের রায়ে নুর আলম ও বিপ্লব আহসানকে তিন মাস করে কারাদণ্ড, সবুজ মিয়া ও হাসান মিয়াকে দুই মাস করে কারাদণ্ড এবং বাবুল মিয়াকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ওসি আরও জানান, রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় যাত্রী হয়রানি, চুরি ও ছিনতাই রোধে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
শেরপুর সীমান্তে ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী বাবেলাকোনা এলাকা থেকে মালিকবিহীন ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রবিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণঝোড়া বিওপির টহল কমান্ডার নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি অভিযানিক দল বাবেলাকোনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়। এসময়
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা গরুগুলো ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
৩৯ বিজিবি ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের কর্ণঝোড়া বিওপির ইনচার্জ নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান গরু জব্দের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ৫টি ভারতীয় গরুর আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। তিনি আরও জানান, জব্দকৃত গরুগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিলামে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

















