বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মালয়েশিয়ায় পুলিশের অভিযানে ২৯৭ অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫, ৩:০৫ এএম
মালয়েশিয়ায় পুলিশের অভিযানে ২৯৭ অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রেপ্তার
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

🟨 হাইলাইটস: মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ায় পুলিশের ‘অপ সাপু’ অভিযানে ২৯৭ জন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রেপ্তার

পেনাং রাজ্যের বায়ান লেপাসের নির্মাণ সাইটে অভিযান পরিচালিত হয়

মোট ৫২০ জনের কাগজপত্র যাচাই করে ৩১৪ জনকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অধিকাংশই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ; নারী ও শিশু ছিল না

অভিযানে অংশ নেয় সাঁজোয়া যান ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা

ভিডিওতে দেখা গেছে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে পরিচয় যাচাই

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে

অভিবাসন আইন অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

যাচাই শেষে অনেককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রেপ্তার নিয়ে উদ্বেগ

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী রোধ করতে  বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৯৭ জন বাংলাদেশিকে। মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের বায়ান লেপাস এলাকায় একটি নির্মাণ সাইটে মঙ্গলবার (৪ জুন) এই অভিযান পরিচালনা করে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। অভিযানের কোডনাম ছিল ‘অপ সাপু’।

নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের বরাত দিয়ে পেনাং অভিবাসন বিভাগ জানায়, ওই এলাকায় গড়ে ওঠা একটি গাড়ি পার্ক নির্মাণস্থলে ৫২০ জন অভিবাসীর কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই শেষে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৩১৪ জনের বৈধ কাগজপত্র নেই। এদের মধ্যে ২৯৭ জনই মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী

গ্রেপ্তার হওয়া অভিবাসীদের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ। এদের মধ্যে বাংলাদেশের ২৯৭ জন ছাড়াও রয়েছে পাকিস্তানের ১৩ জন, মিয়ানমারের ২ জন, ভারতের ১ জন এবং ইন্দোনেশিয়ার ১ জন নাগরিক। তবে অভিযানে কোনো নারী, শিশু বা নিয়োগদাতাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর সাঁজোয়া যান ব্যবহার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, অভিবাসীদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুরো এলাকায় চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হয়।

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্মাণ, পরিষেবা ও কৃষি খাতে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কাজ করে থাকলেও, অনেকেই কাজের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে অবস্থান করছে বলে দাবি করে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

পেনাং অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে অনেককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকেও আটককৃতদের খোঁজখবর নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

🇲🇾 মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিয়ে চিন্তিত সরকার

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করছে দেশটির সরকার। বিশেষ করে অভিবাসন নীতিমালা কঠোর করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এই অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

মালয়শিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসী অভিযানের কোডনাম ‘অপ সাপু’

এমন অভিযানের মাধ্যমে মালয়েশিয়া সরকার স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে, মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী কিংবা অন্য কোনো দেশের অবৈধ অভিবাসীদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়ম না মেনে অবস্থান ও কাজ করা অভিবাসীদের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে সে দেশের পরিবেশ। বাংলাদেশ সরকার এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উচিত এই বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া, যাতে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা পায়। একইসঙ্গে বৈধভাবে বিদেশে কাজের সুযোগ বাড়িয়ে এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করতে হবে।


📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বাড়ছে পুশব্যাক আতঙ্ক

পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক পুলক ঘটকের স্ট্যাটাস: দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। ছবির গ্রাফিকস : আজকের কথা

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে শত শত মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী পুলক ঘটক। এ ঘটনায় বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমের নীরবতা নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে পুলক ঘটক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “ভারতীয় সীমান্তের কোনো কোনো চেকপোস্টে শত শত মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য জড়ো করা হয়েছে। এটা কি পুশব্যাক? বাংলাদেশ কি তাদের স্বেচ্ছায় নিচ্ছে? ব্যাপারটা কী?”
তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কোনো খবর প্রকাশ না হলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ভিডিওসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সীমান্তে অবস্থান নেওয়া মানুষের বক্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলক ঘটক লেখেন, “এ বিষয়ে বাংলাদেশের মিডিয়ায় কোনো নিউজ নেই… কিন্তু এখানে সবাই চুপচাপ!”
তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনেকেই সীমান্ত পরিস্থিতি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা এবং সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় আদৌ পুশব্যাক চলছে কি না, কিংবা জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক কি না—তা নিয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে এসব পুশব্যাক নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলার আসামিকে আদালতে পাঠালো পুলিশ

দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

দেবীদ্বারে হত‍্যাসহ ১১ মামলার আসামী সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিস মেম্বার। ছবি : এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

দেবীদ্বারে ‘সন্ত্রাসের গডফাদার’ আনিস মেম্বার গ্রেফতার, ঝুলছে ১১ মামলা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, সন্ত্রাসী হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার ওরফে আনিস মেম্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতার আনিস মেম্বার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

🔺 হত্যা, হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার
🔺 ছাত্র আন্দোলনের হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায়ও রয়েছে অভিযোগ
🔺 অটোচালককে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার মামলায় অভিযান চালায় পুলিশ
🔺 রুবেল-ছাব্বির হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় ছিলেন জামিনে
🔺 আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রসুলপুর বাজার এলাকায় অটোরিকশাচালক মো. মামুনকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার (২৫ মে) তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন আহত মামুনের স্ত্রী শারমিন আক্তারুজ্জামান।অভিযোগ রয়েছে, আনিস মেম্বার তার বাড়িতে দুটি সিমেন্টের বস্তা পৌঁছে দিতে বললে অন্যত্র ভাড়া থাকায় অটোচালক মামুন যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়।এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত শিক্ষার্থী আবুবকরকে হত্যাচেষ্টার মামলাতেও তাকে সন্দেহভাজন আসামি দেখানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আনিস মেম্বার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেল ও ছাব্বির হত্যা মামলাসহ আরও ৯টি মামলায় জামিনে রয়েছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আনিস মেম্বার এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।

    দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আনিস মেম্বারের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বরগুনার আমতলীতে সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৩:৪১ পিএম
রাতের আঁধারে খাল কাটার অভিযোগে তোলপাড়, গাছ কেটে সাবাড়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রাতের আঁধারে খাল খনন-গাছ কেটে সাবাড়, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ। ছবি : আজকের কথা

বরগুনার আমতলী উপজেলায় রাতের আঁধারে খাল খনন ও খালের দুই পাড়ের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. কায়েসুর রহমান ফকুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় গত এপ্রিল মাসে কুকুয়া ইউনিয়নের কালিপুরা খালের ২ হাজার ৫০০ মিটার খননের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ পান সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। গত ২০ মে থেকে খননকাজ শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সেচ দিয়ে খাল খননের কথা থাকলেও তা না করে রাতের আঁধারে দায়সারাভাবে ভরা খাল কাটা হচ্ছে। পাশাপাশি ভেকু মেশিন ব্যবহার করে খালের দুই পাড়ের অসংখ্য গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দিলেও কাজ বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে খাল খননের নামে প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করা হচ্ছে। এতে কৃষকদের কোনো উপকার হবে না, বরং পরিবেশ ও খালপাড়ের মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা আব্দুল জব্বার, নাদিম আহম্মেদ, রাসেল ও খলিল অভিযোগ করে বলেন, সঠিক নিয়ম না মেনে খননকাজ করায় পুরো প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত অনিয়ম বন্ধ ও সঠিকভাবে খাল খননের দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মুনসুরা বেগম বলেন, তার কয়েকটি গাছ ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গভীর রাতে খাল কাটার এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেননি।

এ বিষয়ে কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল আউয়াল ও তাসলিমা বেগম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম করছেন। অভিযোগ জানানো হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু। তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রকৌশলীর পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে। তবে খননকাজে দু-একটি গাছ কাটা পড়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী জানান, রাতের আঁধারে সেচ ছাড়াই খাল খননের অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সঠিক নিয়ম না মানলে প্রকল্প বাতিল করা হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×