রাতেই পুড়ে ছাই বসতঘর
মাদক কারবারির ঘরে আগুন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবকদের তাণ্ডব

বেগমগঞ্জে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুড়ে যাওয়া বাবুলের বসতঘর। ছবি : আজকের কথা
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক মাদক কারবারির ঘরে আগুন দেয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এতে মুহূর্তেই পুরো ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের ভাষ্য: স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, মাদক ব্যবসার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বসতঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবুল ও তার বোন সুমির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা একাধিকবার তাদের সতর্ক করলেও অভিযোগ অনুযায়ী তারা এ কার্যক্রম বন্ধ করেননি। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
স্থানীয়দের দাবি, বুধবার রাতে একদল যুবক বাবুলের বাড়িতে গিয়ে তাকে মাদক ব্যবসার জন্য দায়ী করে। একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তারা বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে পুরো ঘর পুড়ে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাবুলের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেন জাহেদ জানান, বুধবার রাতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ উপলক্ষে গ্রামের কয়েকজন যুবক সড়কের পাশে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে।
পরে ক্ষুব্ধ যুবকেরা বাবুলের বাড়িতে গিয়ে অভিযোগ করেন, তার মাদক ব্যবসার কারণেই এলাকায় বারবার পুলিশি অভিযান হয় এবং নিরীহ যুবকদের হয়রানির শিকার হতে হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তারা বাবুলের বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাজগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান জুয়েল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক ব্যবসার অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
দেবীদ্বারে বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় মোবাইল চুরি, ২ চোর আটক

১১ মোবাইল চুরির অভিযোগ
কুমিল্লার দেবীদ্বারে কৃষি অধিদপ্তরের সাবেক উপপরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষিবিদ এম. এ. আউয়াল মোল্লার জানাজার নামাজে মোবাইল চুরির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১১টি মোবাইল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে তিনটি আইফোন রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা মোল্লা বাড়িতে মরহুম হারুন অর রশিদের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. আউয়াল মোল্লার জানাজার সময় এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক অজয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সল উদ্দিন রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন।
আটক দুজন হলেন—ঢাকার যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ এলাকার দুলাল দেবনাথের ছেলে রতন চন্দ্র দেবনাথ (৪২) এবং শনির আখড়া এলাকার আতিক মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫)।
পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা একটি পেশাদার চোর চক্রের সঙ্গে জড়িত। দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিচিত বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মৃত্যুর পর তাদের জানাজার তথ্য সংগ্রহ করে তারা সেখানে মুসল্লির ছদ্মবেশে উপস্থিত হতো। পরে জানাজার ভিড় ও আবেগঘন পরিবেশের সুযোগ নিয়ে মুসল্লিদের পকেট থেকে মোবাইল চুরি করে পালিয়ে যেত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গার্ড অব অনার শেষে জানাজার নামাজ চলাকালে মুসল্লিদের ভিড়ের মধ্যে মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করা দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেন উপস্থিত লোকজন।
দেবীদ্বার থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. আউয়াল মোল্লাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সদস্য ছিলেন। পরে দেবীদ্বার, মুরাদনগর ও চান্দিনা থানা কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
দেবীদ্বারে পিডিবিএফ মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গ্রাহকদের ভিড়

ঋণ ও এফডিআরের টাকা নিয়ে পালানোর অভিযোগ
কুমিল্লার দেবীদ্বারে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) এক মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে শতাধিক গ্রাহকের ঋণের জমা, সঞ্চয় ও এফডিআরের প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। টাকা ফেরতের দাবিতে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিডিবিএফের দেবীদ্বার কার্যালয়ে ভিড় করেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
দেবীদ্বার-চান্দিনা সড়কের এএসপি সার্কেল দেবীদ্বার কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত পিডিবিএফ অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়ে আমরা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন হেড অফিসে পাঠানো হবে।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, পিডিবিএফের অধীনে বিভিন্ন গ্রামে পরিচালিত সমিতির মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চয় জমা দিয়ে ঋণ নিয়ে আসছেন। অনেকেই ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করছেন। কেউ কেউ এফডিআর হিসেবেও সঞ্চয় জমা রেখেছেন।
গ্রাহকদের অভিযোগ, ২০২৫-২৬ সালে বিভিন্ন গ্রামের শতাধিক গ্রাহককে এক থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় বা জামানত হিসেবে নেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ঋণ না দিয়ে দিনের পর দিন তাদের ঘোরানো হয়। গ্রাহকদের সঙ্গে প্রায় আট বছর ধরে লেনদেন করতেন পিডিবিএফের মাঠকর্মী মো. শাহজাহান আলী। ফলে টাকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ওপরই বেশি নির্ভর করতেন গ্রাহকরা।
ভুক্তভোগী শিরিন আক্তার বলেন, তিন লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলে শাহজাহান আলী তার কাছ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা জামানত হিসেবে নেন। পুরোনো সঞ্চয় বইয়ে ওই টাকার হিসাবও লেখা হয়। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হতে তিনি মাঠকর্মী হৃদয় দাসকে বইটি দেখালে তিনিও হিসাব ঠিক আছে বলে জানান। কিন্তু পরে শাখা ব্যবস্থাপকের কাছে জানতে চাইলে তাকে বলা হয়, পুরোনো বইয়ের হিসাব গ্রহণযোগ্য নয় এবং ওই টাকা অফিসে জমা হয়নি।

একাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিরিন আক্তারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর তিনি পিডিবিএফের দেবীদ্বার শাখার মাঠকর্মী শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে দেবীদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর শাহজাহান আলী পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি জানতে পেরে আরও শতাধিক গ্রাহক অফিসে এসে তাদের জমা টাকা ফেরতের দাবি জানান।
অন্যান্য ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঋণের জমা, ব্যক্তিগত সঞ্চয় ও এফডিআরসহ শতাধিক গ্রাহকের অর্ধকোটি টাকার বেশি মাঠকর্মী শাহজাহানের কাছে জমা রয়েছে। এখন তিনি টাকা নিয়ে আত্মগোপনে থাকায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
গ্রাহকদের অভিযোগ, টাকা ফেরতের বিষয়ে অফিসে যোগাযোগ করলে তাদের যথাযথ সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তারা দাবি করেন, পিডিবিএফের শাখার মাধ্যমেই তারা নিয়মিত সঞ্চয় ও ঋণের লেনদেন করেছেন। তাই মাঠকর্মীর মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানকেও দায় নিতে হবে। তারা দ্রুত তদন্ত করে টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে পিডিবিএফের দেবীদ্বার শাখার হিসাবরক্ষক পারভিন আক্তার বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে সপ্তাহে দুই দিন তিনি ওই কার্যালয়ে কাজ করেন। এ বিষয়ে জেলার ডেপুটি ডিরেক্টরের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তনু হত্যা মামলায় দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ

জাহিদুজ্জামান ও শাহীন আলমের অবস্থান শনাক্তে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
কুমিল্লার আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. জাহিদুজ্জামান ও মো. শাহীন আলমের বিরুদ্ধে পৃথক রেড নোটিশ জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল)।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ইন্টারপোল তাদের বিরুদ্ধে এ রেড নোটিশ জারি করে। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দুজনকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির মাধ্যমে পলাতক দুই অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত ও তাদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল।
তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, তনু হত্যা মামলার তদন্তের একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন দেখা দেয়। তবে বর্তমানে জাহিদুজ্জামান ও শাহীন আলমের অবস্থান অজ্ঞাত এবং তারা পলাতক রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, ঘটনার সময় জাহিদুজ্জামান কুমিল্লা সেনানিবাসে সার্জেন্ট এবং শাহীন আলম সৈনিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানান, গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা কারাগারে রয়েছেন। হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার এবং ২০২৩ সালে অবসর নেন। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় তিনিও কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।
পলাতক দুই অভিযুক্তকে আন্তর্জাতিকভাবে শনাক্ত, তাদের অবস্থান নিশ্চিত এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পিবিআইয়ের অনুরোধে বাংলাদেশ পুলিশের এনসিবি-ঢাকা ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির প্রক্রিয়া শুরু করে। প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি যাচাই শেষে ইন্টারপোল তাদের বিরুদ্ধে পৃথক রেড নোটিশ জারি করে।
রেড নোটিশের মাধ্যমে ইন্টারপোলের সদস্যদেশগুলোর আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের শনাক্ত ও অবস্থান নির্ণয়ে পারস্পরিক পুলিশি সহযোগিতা করতে পারবে। কোনো দেশে তাদের অবস্থান শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কাঠামো অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যেভাবে হত্যা করা হয় তনুকে
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি সোহাগী জাহান তনু। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে ঝোপের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।
পরদিন তনুর বাবা ও তৎকালীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল ও ১২ জুন দুই দফা ময়নাতদন্তে তনুর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ পাওয়া যায়নি বলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ জানায়।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।





























