ফের উঠে দাঁড়াচ্ছেন শেখ হাসিনা: মিথ্যা মামলায় রাজনৈতিক নেত্রীকে কাঠগড়ায় তোলার চেষ্টা?
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র- বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দীর্ঘমেয়াদী সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাকে আবারও এক অশুভ চক্রান্তের মুখোমুখি করা হচ্ছে। এবার সরাসরি ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ গঠনের দাবি উঠেছে—যেখানে শেখ হাসিনার নামও টেনে আনা হয়েছে। বিষয়টি শুধু দুঃখজনকই নয়, রাষ্ট্রীয়ভাবে গভীরভাবে উদ্বেগজনক।
এই ষড়যন্ত্র কাদের নেতৃত্বে?
কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যর্থ একাংশ এখন এই মামলাকে সামনে এনে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায়। তাঁদের মূল লক্ষ্য একটাই—শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করা এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা স্তব্ধ করা।
মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা কি আবার সক্রিয়?
যেসব শক্তি একাত্তরের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি, যারা এখনো পাকিস্তানি প্রেতাত্মার হয়ে কথা বলে—তাদের ছায়া এই ষড়যন্ত্রে স্পষ্ট। শেখ হাসিনাই তো সেই নেতা, যিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। আজ সেই নেতাকেই যুদ্ধাপরাধী সাজানোর চেষ্টা—এ যেন ইতিহাসের নির্মম পরিহাস।
জনগণের সমর্থন শেখ হাসিনার সাথেই
দেশের মানুষ জানে, শেখ হাসিনা কখনোই মুক্তিযুদ্ধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের অংশ ছিলেন না—বরং তিনি ছিলেন প্রতিরোধের নেত্রী। এমন অভিযোগ শুধু হাস্যকর নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর সরাসরি আঘাত। সাধারণ জনগণ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক সমাজ ও ছাত্রসমাজ এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে।
আন্তর্জাতিক আদালতের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে
যে আদালতের কথা বলা হচ্ছে, সেটি আদৌ কোনো স্বীকৃত বা বৈধ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল নয়। বরং এটি একটি প্রাইভেট উদ্যোগ—যেখানে একটি গোষ্ঠী নিজেদের মত করে বিচার বসাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের কোনো ভিত্তি নেই এতে, এবং বাংলাদেশ সরকার এই ভুয়া আদালতকে ইতোমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছে।
- শেখ হাসিনার পক্ষে এক জাগরণ
এই সময় একটাই প্রশ্ন—দেশের মানুষ কি বসে থাকবে? না। বাংলাদেশ জেগে উঠেছে, আবার। যেভাবে এক সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে রাজপথ কাঁপিয়েছিল, এবার শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়িয়ে জাতি বলছে—”এবার ষড়যন্ত্র রুখে দাও”।
✊ ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে বাংলাদেশ
যারা মনে করছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সরানো যাবে—তারা বাংলাদেশকে এখনো চেনে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জনগণ সব সময় সঠিক নেতৃত্বের পাশে থেকেছে। আজও থাকবে।



















