বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ ব্যবহার, ব্যয় ৬ কোটি টাকা

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫, ৪:০০ পিএম
রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ ব্যবহার, ব্যয় ৬ কোটি টাকা

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ, প্রশিক্ষকদের হাতে ল্যাপটপ-প্রজেক্টর, মাঠে নামছে বুয়েটের ই-রিকশা রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ ব্যবহার এবং ছয় কোটি টাকা ব্যয়ের সরকারি উদ্যোগ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক ও আলোচনার ঝড়।
  • ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ধাপে ৩০০ জন মাস্টার ট্রেইনার প্রস্তুত করছে, যারা ই-রিকশা চালকদের প্রশিক্ষণ দেবেন।
  • প্রতিটি ট্রেইনারকে দেওয়া হবে একটি করে ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর।

রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ, প্রশিক্ষকদের হাতে ল্যাপটপ-প্রজেক্টর, মাঠে নামছে বুয়েটের ই-রিকশা

রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ ব্যবহার এবং ছয় কোটি টাকা ব্যয়ের সরকারি উদ্যোগ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক ও আলোচনার ঝড়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ধাপে ৩০০ জন মাস্টার ট্রেইনার প্রস্তুত করছে, যারা ই-রিকশা চালকদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

প্রতিটি ট্রেইনারকে দেওয়া হবে একটি করে ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর। শুধুমাত্র এই সরঞ্জাম কেনার জন্যই বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাস্টার ট্রেইনাররা বুয়েটের তৈরি আধুনিক ই-রিকশার বিষয়ে চালকদের সচেতন করবেন।

📊 বাজেট ও বিতর্ক

ডিএনসিসির হিসাব অনুসারে, ৩০০ জন প্রশিক্ষকের জন্য প্রশিক্ষণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
প্রশিক্ষণ চলাকালে দেওয়া হয়েছে নাশতা, ভাতা ও অন্যান্য খরচ বাবদ দৈনিক ১,০০০ টাকা।
প্রত্যেক ট্রেইনার পাবে একটি ল্যাপটপ ও একটি প্রজেক্টর, যার সম্ভাব্য খরচ একত্রে দুই লাখ টাকা।

এই ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর দিয়ে কীভাবে রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, তা জানতে চাইলে ব্র্যাক রোড সেফটি প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক জানান—ডাটাবেজ তৈরি, ট্রাফিক সাইন বোঝানো, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় ইত্যাদি ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট দেখাতেই এসব উপকরণ ব্যবহার হবে।

🚦 মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি

এই মাসেই পল্টন, ধানমন্ডি ও উত্তরার সড়কে পরীক্ষামূলকভাবে বুয়েটের তৈরি হাইড্রোলিক ব্রেকসহ ই-রিকশা নামানো হবে। প্রতিটি রিকশার দাম ধরা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এই মডেলের রিকশা ধীরে ধীরে সড়কে বিদ্যমান অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার পরিবর্তে চালু করা হবে।

এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) থেকে চালকদের জন্য সহজ ঋণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন চালকদের প্রশিক্ষণ ও নিবন্ধনের মাধ্যমে লাইসেন্সিং সিস্টেমে আনবে।

🧑‍🏫 প্রশিক্ষণ কীভাবে চলছে?

তিন দিনের প্রশিক্ষণ হয়েছে জুন মাসে

ব্র্যাকের সহযোগিতায় উপস্থাপনা ও প্রশিক্ষণ কনটেন্ট তৈরি

প্রশিক্ষকের জন্য কমিউনিকেশন স্কিল, আত্মবিশ্বাস ও কারিগরি জ্ঞান শেখানো হয়েছে

শেষদিন বুয়েটের ই-রিকশার কারিগরি বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ

🚗 বুয়েটের ই-রিকশার বৈশিষ্ট্য

গতি: ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ কিমি

নিরাপত্তা: উন্নত হাইড্রোলিক ব্রেক ও যাত্রী নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কাঠামো: মাইল্ড স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি

ওজন বহন: ৩২৫–৪২৫ কেজি

পরিবেশবান্ধব: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও চার্জিং স্টেশন উপযোগী

📣 সমালোচনা ও সুপারিশ

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন,

“প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ-প্রজেক্টরের ব্যবহার যদি ঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ না করা হয়, তাহলে এটি হতে পারে আরেকটি ব্যর্থ প্রকল্প। এইবার যেন সড়কে শৃঙ্খলা ফেরে, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণে ল্যাপটপ ব্যবহার সরকারের আধুনিকীকরণ প্রচেষ্টারই একটি অংশ। তবে এ উদ্যোগ বাস্তব রূপ পাবে কি না, তা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা, মনিটরিং ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চয়তার ওপর। অতীতের ব্যর্থতা যেন বর্তমানেও পুনরাবৃত্তি না ঘটে—এটাই এখন সময়ের দাবি।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

কুমিল্লায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইবিরোধী অভিযানে আটক ২৯৯

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫৬ পিএম
কুমিল্লায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইবিরোধী অভিযানে আটক ২৯৯

এক রাতেই ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, অভিভাবকের জিম্মায় মুক্তি ১৪০ জনের

কুমিল্লায় মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক রাতেই ২৯৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাকি ১৪০ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, মাদক কারবার ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।

জেলা পুলিশ আরও জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৮৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৬৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ২ হাজার ৮৯৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই নিয়মিত এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধপ্রবণতা রোধে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এবার জুলাই অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান চৌধুরী

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৭ এএম
এবার জুলাই অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান চৌধুরী

ডিবিসি নিউজ কার্যালয় থেকে আটক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে যাত্রাবাড়ীর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হত্যা মামলায় সাংবাদিক নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাটি জুলাই অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট।

এদিকে একই ঘটনায় ডিবির হেফাজতে নেওয়া ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিবেদক রাজীব ঘোষকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান।

এর আগে বুধবার বিকেলে রাজধানীর মহাখালীতে ডিবিসি নিউজের কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ। তাঁদের সহকর্মী ও ডিবি কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তখন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার মো. আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, একটি প্রতিবেদন প্রকাশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির পর তাঁদের দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁদের সঙ্গে কথা বলছিলেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে ডিবিসি নিউজের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মুকতাদির আনিক জানিয়েছিলেন, ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি, দৈনিক অবজারভারের সম্পাদক এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটকের প্রতিবাদে পুলক ঘটকের ক্ষোভ, ‘মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে ভয় দেখাচ্ছে সরকার’

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটকের প্রতিবাদে পুলক ঘটকের ক্ষোভ, ‘মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে ভয় দেখাচ্ছে সরকার’

সাংবাদিক নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটকের ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট। তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে সংগঠনটি। একই ঘটনায় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব পুলক ঘটক।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের আহ্বায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে নিজ কার্যালয় থেকে আটক করার ঘটনা দুঃখজনক ও নজিরবিহীন। এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত এবং মৌলিক ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব উল্লেখ করে তাঁরা অবিলম্বে ইকবাল সোবহান চৌধুরীর মুক্তি দাবি করেন।

এদিকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটকের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পুলক ঘটক বলেন, গণমাধ্যমের কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান এবং একজন সম্পাদককে আটক করা গণতন্ত্র ও সভ্যতার সঙ্গে চরম বৈরিতার শামিল।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগবিহীন একতরফা নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের ভাগাভাগির ভোটে ক্ষমতায় আসা সরকার নিজেদের বৈধতার সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন। শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারেক রহমানের সরকার এখন নার্ভাস। এ পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমকে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করা তাদের অগ্রাধিকারে পরিণত হয়েছে।

পুলক ঘটক আরও বলেন, দৈনিক অবজারভারের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের শীর্ষ নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করে সাংবাদিক সমাজকে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে—ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আইন প্রয়োগের ধরন নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ‘আইনের মধ্যে হত্যার অধিকার পুলিশের আছে, যদি প্রেক্ষাপট তৈরি হয়’—উপদেষ্টা জাহিদের এমন বক্তব্য মানুষকে ভীত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে সবাইকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।

পুলক ঘটক বলেন, অনৈতিক ও দুর্বল সরকার ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। হত্যা, নির্যাতন ও নিবর্তনমূলক আটকের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি ইকবাল সোবহান চৌধুরীর মুক্তি দাবি করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে ডিবিসি নিউজের কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করে মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি, দৈনিক অবজারভারের সম্পাদক এবং ডিবিসি নিউজের প্রধান সম্পাদক।

×
ENG