বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

গোয়াইনঘাট বিজিবি সদস্য নিখোঁজ: চোরাকারবারি ধরতে গিয়ে পিয়াইন নদীতে নৌকা ডুবি

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০০ এএম
গোয়াইনঘাট বিজিবি সদস্য নিখোঁজ: চোরাকারবারি ধরতে গিয়ে পিয়াইন নদীতে নৌকা ডুবি

নিখোঁজ বিজিবি সদস্য মাসুম বিল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • গোয়াইনঘাট বিজিবি সদস্য নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে সিলেটের পিয়াইন নদীতে।
  • ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী নৌকা থামানোর চেষ্টাকালে ধাক্কায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) নৌকা ডুবে গেলে মাসুম বিল্লাহ নামে এক সিপাহি নিখোঁজ হন।
  • ছবি : সংগৃহীত শনিবার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোয়াইনঘাটের সদর ও পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের মধ্যবর্তী পন্নগ্রাম ফেনাইকোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গোয়াইনঘাট বিজিবি সদস্য নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে সিলেটের পিয়াইন নদীতে। ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী নৌকা থামানোর চেষ্টাকালে ধাক্কায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) নৌকা ডুবে গেলে মাসুম বিল্লাহ নামে এক সিপাহি নিখোঁজ হন।

গোয়াইনঘাট বিজিবি সদস্য নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে সিলেটের পিয়াইন নদীতে। ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী নৌকা থামানোর চেষ্টাকালে ধাক্কায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) নৌকা ডুবে গেলে মাসুম বিল্লাহ নামে এক সিপাহি নিখোঁজ হন।শনিবার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোয়াইনঘাটের সদর ও পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের মধ্যবর্তী পন্নগ্রাম ফেনাইকোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ মাসুম বিল্লাহ সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধীন সোনারহাট বিওপিতে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টহলরত অবস্থায় দুইজন বিজিবি সদস্য ভারতীয় পণ্যবাহী নৌকা থামাতে গেলে ধাক্কায় উভয় নৌকাই ডুবে যায়। সঙ্গে থাকা আরেক বিজিবি সদস্য ও মাঝি তীরে উঠতে পারলেও সিপাহি মাসুম বিল্লাহ পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয়রা উদ্ধার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করি। কিন্তু এখনও নিখোঁজ বিজিবি সদস্যকে পাওয়া যায়নি।” ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল ইসলাম জানান, “ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী নৌকার আঘাতে একজন বিজিবি সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস তাকে উদ্ধারে কাজ করছে।” গোয়াইনঘাট বিজিবি সদস্য নিখোঁজ
নিখোঁজ বিজিবি সদস্য মাসুম বিল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

শনিবার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোয়াইনঘাটের সদর ও পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের মধ্যবর্তী পন্নগ্রাম ফেনাইকোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ মাসুম বিল্লাহ সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধীন সোনারহাট বিওপিতে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টহলরত অবস্থায় দুইজন বিজিবি সদস্য ভারতীয় পণ্যবাহী নৌকা থামাতে গেলে ধাক্কায় উভয় নৌকাই ডুবে যায়। সঙ্গে থাকা আরেক বিজিবি সদস্য ও মাঝি তীরে উঠতে পারলেও সিপাহি মাসুম বিল্লাহ পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয়রা উদ্ধার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করি। কিন্তু এখনও নিখোঁজ বিজিবি সদস্যকে পাওয়া যায়নি।”

৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল ইসলাম জানান, “ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী নৌকার আঘাতে একজন বিজিবি সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস তাকে উদ্ধারে কাজ করছে।”

গোয়াইনঘাট বিজিবি সদস্য নিখোঁজ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, আর প্রশাসন দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

২০ বছর পর মামলার রায়, জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর করে কারাদণ্ড

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
২০ বছর পর মামলার রায়, জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর করে কারাদণ্ড

বিষ্ণুপুরে বিস্ফোরক উদ্ধারের মামলায় তিনজন দণ্ডিত

কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা আলোচিত একটি মামলার প্রায় ২০ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মামলার দুই আসামিকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক নারী আসামিকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬) আদালতের বিচারক খাইরুন নেছা এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নওগাঁ জেলার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং গাজীপুরের শ্রীপুর থানার চকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানী।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৪/৬ ধারায় মামলা করা হয়। মামলাটির জিআর নম্বর ১০৬/০৬ এবং এসটি মামলা নম্বর ১৩৭/০৬।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৬ সালের মার্চে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার বিষ্ণুপুর এলাকায় র‍্যাব-৭ অভিযান চালায়। একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন বিস্ফোরক ও রাসায়নিক পদার্থ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধারের কথা মামলার এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়।

উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে সোডিয়াম সালফেট, লিড নাইট্রেট, সোডিয়াম নাইট্রেট, পটাসিয়াম ক্লোরাইড, সালফিউরিক অ্যাসিড, সালফার পাউডার, পটাসিয়াম ক্লোরেট ও অ্যালুমিনিয়াম পাউডারসহ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের কথা মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া ইলেকট্রিক ডেটোনেটর, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক তার, সার্কিট, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও টেস্ট টিউবসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দের কথাও বলা হয়।

মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন র‍্যাবের হেফাজতে থাকা শায়খ আবদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে এসব তথ্য ২০০৬ সালের এজাহার ও মামলার নথিতে উত্থাপিত তথ্য হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন সময়ে মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের বক্তব্য, জব্দ তালিকা ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

রায়ে মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ দুরুল হুদাকে প্রত্যেককে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানীকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের রায়সংক্রান্ত তথ্যে বলা হয়েছে, খালেদা আক্তার রানীর সাজা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার তিন সন্তান থাকা, স্বামী কারাগারে থাকা এবং তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকার বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা পরোয়ানামূলে প্রয়োজনীয় পুলিশ পাহারায় প্রিজন ভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিদের দুপুর ১টা ২০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে তাদের কারাগারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয় এবং দুপুর ২টা ৪ মিনিটে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছানো হয়।

দীর্ঘ দুই দশকের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০০৬ সালের বিষ্ণুপুরে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলাটির নিষ্পত্তি হলো। সাক্ষ্য, জব্দ করা আলামত ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

দেবীদ্বারে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৬ জনের কারাদণ্ড

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৬ পিএম
দেবীদ্বারে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৬ জনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার দেবীদ্বারে পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের মধ্যে ছয়জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে দেবীদ্বার থানার পুলিশের পাঁচটি দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ছয়জনকে পাঁচ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—দেবীদ্বার উপজেলার বেগমাবাদ গ্রামের মো. সুলতান আহমেদের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (২২), তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড; একই এলাকার রমজান মিয়ার ছেলে মো. নাহিদ (১৮), তাকে এক মাসের কারাদণ্ড; বরকামতা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মো. শরীফ (২০), তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড; একই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে রমজান আলী (৩২), তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড এবং মুরাদনগর উপজেলার নগরপাড় গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (১৮), তাকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের মৃত আলমগীরের ছেলে মো. দাবেদ (৩৬)-এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়ল উদ্দিন।

মাদক নির্মূলে আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত আছে। গত রাতে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা এবং ছয়জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মো. মনিরুজ্জামান
অফিসার ইনচার্জ (ওসি), দেবীদ্বার থানা

পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

দেবীদ্বারে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫০ পিএম
দেবীদ্বারে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ঘোষণা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বেলা ২টায় ছোট আলমপুর চৌরাস্তা থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউমার্কেট মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে ‘স্বাধীনতা স্তম্ভের’ পাদদেশে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. বিল্লাল হোসেন বিল্লু, মো. রাজীব হোসেন, মো. তাজুল ইসলাম, মো. বাছির আহমেদ, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, মো. শিপন, মো. সাইফুল আলমসহ আরও অনেকে।

“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালের ১৯ আগস্ট জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বেচ্ছাসেবক দল দেশের বিভিন্ন সংকট ও দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছে। বর্তমানে আমাদের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিহত করা। এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে মানুষের বসবাসযোগ্য সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মানুষের বসবাসযোগ্য সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য।
মো. জহিরুল ইসলাম
সাবেক আহ্বায়ক- দেবীদ্বার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল

সভায় বক্তারা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণমানুষের পাশে থেকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

×
ENG