মুরাদনগরে পলাতক এনজিও দানিক: গ্রাহকের ২০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও পরিচালকরা

মুরাদনগরে পলাতক এনজিও দানিক, সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা টাকা ফেরতের আবেদন জানালেন
মুরাদনগরে পলাতক এনজিও দানিক নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দরিদ্র নিরসন ও কর্মসংস্থার নামে পরিচালিত এই সমবায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালকরা প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে মুরাদনগরের ধামঘর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা বিষয়টি তুলে ধরেন।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, দানিক পরিচালনা পর্ষদ গ্রাহকের ভয়ে এলাকায় আসতে পারছেন না। তার উদ্যোগে গ্রাহকদের সঙ্গে বৈঠক হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোরবানির ঈদের পর টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। বরং দানিকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন খোকন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গ্রাহকদের আরও হয়রানি করছে এবং মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ভুক্তভোগী শাহিনা আক্তার জানান, ২০১৫ সালে মাসে ১০ হাজার টাকা লভ্যাংশ দেওয়ার শর্তে তিনি ৫ লাখ টাকা জমা দেন। রেহানা বেগম জানান, ২০১৪ সালে দ্বিগুণ লভ্যাংশের প্রতিশ্রুতিতে ৫ লাখ টাকা জমা দিলেও আজও মূল টাকা ফেরত পাননি। আরও অনেকে লাখ লাখ টাকা হারিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
স্থানীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দানিকের লোভনীয় প্রস্তাবে অনেকেই ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বিনিয়োগ করেছিলেন। একপর্যায়ে ব্যাংক শাখা দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম হয়।
পরিচালকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হলেও দানিকের এক সাবেক পরিচালক স্বীকার করেছেন যে মৎস, পোল্ট্রি, জমি কেনাবেচা ও পরিবহন সেক্টরে লোকসানের কারণে প্রতিষ্ঠান ধসে পড়ে। এর পর থেকেই তারা অফিস বন্ধ করে সাইনবোর্ড খুলে উধাও হয়ে যান।
মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কক্ষে মিলল চিরকুট
সীতাকুণ্ডে মসজিদের ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মসজিদের দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে এক ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজা মিয়া সওদাগর জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আমির হোসেন দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ওই মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। তিনি মসজিদের ভেতরে নির্ধারিত একটি কক্ষে বসবাস করতেন।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মোতাওয়াল্লি মোহাম্মদ ইফতেকার আহমেদ জানান, মঙ্গলবার আসরের নামাজে তিনি মুসল্লিদের ইমামতি করেন। তবে মাগরিব ও এশার নামাজের সময় তাকে দেখা যায়নি। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, তিনি ব্যক্তিগত কোনো কাজে বাইরে গেছেন।
পরে দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে না পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় তলায় তার কক্ষে খোঁজ নিতে যান। কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। একপর্যায়ে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে দেখা যায়, ফ্যানের সঙ্গে সবুজ রঙের কাপড় গলায় পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ ঝুলছে। কক্ষের নিচে একটি মই পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এক নজরে
- সীতাকুণ্ডের বাংলাবাজার এলাকায় মসজিদের কক্ষ থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- নিহত মোহাম্মদ আমির হোসেন ১৩ বছর ধরে মসজিদে ইমামতি করতেন
- দ্বিতীয় তলার কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়
- ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে
- চিরকুটে পারিবারিক কলহের বিষয় উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি
- ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে কক্ষে প্রবেশ করে একটি হাতে লেখা চিরকুট পাওয়া যায়। মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই চিরকুটে পারিবারিক কলহের বিষয় উল্লেখ ছিল।
মোহাম্মদ ইফতেকার আহমেদ বলেন, “দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে তিনি এ মসজিদে খেদমত ও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তার অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক ছিল। তিনি ছিলেন নম্র, ভদ্র ও সজ্জন স্বভাবের একজন মানুষ।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর আগে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে আমির হোসেন একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “যার জীবনে দুঃখ ছাড়া কিছু নাই, তাকে দেখায় কষ্টের ভয়।”
ঘটনার খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ
বাংলাদেশের ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি সিপিজের

অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ আহ্বান জানায়।
এক নজরে
- ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি সিপিজের
- দুর্নীতিবিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে মামলা হয়েছে বলে দাবি
- সাইবার সুরক্ষা আইন, মানহানি, চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে
- ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম গ্রেপ্তার হয়ে পরে জামিনে মুক্তি পান
- অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
- সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনের অপব্যবহার বন্ধের আহ্বান সিপিজের
সিপিজে বলেছে, রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগসংক্রান্ত জনস্বার্থমূলক সংবাদ প্রকাশের কারণে ওই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। সংগঠনটি মামলার নথি পর্যালোচনা করে জানিয়েছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬, ফৌজদারি মানহানি, চাঁদাবাজি এবং অপরাধমূলক হুমকির অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার বাদী বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম রিমন। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে মামলাটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর প্রতিবেদন প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলাম প্রতিমন্ত্রী এবং বাদীর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ জুন বগুড়া থেকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ২১ জুন জামিন পাওয়ার আগ পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অপর আসামি প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার এবং আরও দুই প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সিপিজের এশিয়া-প্যাসিফিক কর্মসূচির সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার বলেন, সরকারের একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার এবং অপর পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা স্পষ্টতই ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি প্রচেষ্টা। তিনি এসব অভিযোগ প্রত্যাহারের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে সাইবার আইন ও ফৌজদারি মানহানির বিধানকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, তার পক্ষ থেকে মামলা করার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে সিপিজে বগুড়ার পুলিশ সুপার এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিবের কাছে ই-মেইল পাঠালেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব পায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিপিজে আরও বলেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক হামলা, হুমকি ও হয়রানির ঘটনা বেড়েছে। চলতি জুন মাসের শুরুতে সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।
সংগঠনটির মতে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো পুনর্বিবেচনা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ সুরক্ষিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিপিজে।
উল্লেখ্য গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে শতশত সাংবাদিককে বিনা বিচারে আটক করে গেছেন বিশ্ব বাটপার খ্যাত ড. ইউনুস সরকার। বর্তমানে এ ধারাবাহিকতা চলমান রয়েছে নতুন সরকারের আমলেও।
সচেতনতা বৃদ্ধিতে সম্মিলিত উদ্যোগ
মৌলভীবাজারে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

নারী নির্যাতন, যৌতুক প্রথা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে মৌলভীবাজারে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) দুপুরে জাতীয় মহিলা সংস্থা, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- মৌলভীবাজারে নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত
- আয়োজক জাতীয় মহিলা সংস্থা, সহযোগিতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
- প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুজ্জামান পাভেল
- নারীর অধিকার, যৌতুকের ক্ষতি ও বাল্যবিবাহের আইনগত পরিণতি নিয়ে আলোচনা
- সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান
- স্থানীয় নারী, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুজ্জামান পাভেল। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থা, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের জেলা কর্মকর্তা মো. কহিদুল ইসলাম।
বৈঠকে বক্তারা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, যৌতুক প্রথার নেতিবাচক প্রভাব, বাল্যবিবাহের সামাজিক ও আইনগত পরিণতি এবং নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া এসব সামাজিক সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় নারী, জাতীয় মহিলা সংস্থার সদস্যবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা বলেন, উঠান বৈঠকের মতো জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে নারী ও শিশুর অধিকার, আইনগত সুরক্ষা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের বার্তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে নারী নির্যাতন, যৌতুক এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।






















