ফেনীতে বাঁধ ভাঙন: ১৪ স্থানে নদী তীরধস, ৩০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী
ফের মুহুরী, কহুয়া ও সিনিয়া পালা তান্ডবে বাঁধে যুদ্ধন, পবি ৩০ জন মানুষ দুর্ভোগে—তীরক্ষা ব্যবস্থায় নীরব শক্তি।
✍️ ফেনীতে বাঁধে ধস পড়ায় মুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সিলোনিয়া আন ১৪টি পয়েন্টে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা। এর ফুলগাজী ও পরশুরাম পার্টির ৩০টি গ্রাম পানি চাপা পড়েছে। ব্যাপক প্লাবনে হাজার মানুষ ঘর ছেড়ে আশ্রয়ের খোঁজে।
নদীবন ও তীররক্ষা প্রতিরোধে শুরু হয় সোমবার রাত থেকে, মঙ্গলবার (৮ জুলাই) গভীর রাত পর্যন্ত খবর ছিল। পানি উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রযুক্তি, পরশুরামের জঙ্গলঘোনায় ২টি, অলকা ৩টি, শাল ধরে ১টি, গাদানগর ও সাতকুচিয়া ৩টি এবং বাড়ীঘর ১টি অংশ অংশ নিয়েছে। ফুলগাজী উত্তর শ্রীপুর, এলাকা পাড়া, আপনিও আপনার পাশের ও বনের শুরুপুরত।

দুর্যোগ এতটাই কঠিন যে, মধ্যম ধনীকুন্ডার বাসিন্দা নাহিদা উত্তরে বলেন, “সন্ধ্যার পর শক্তিশালী জল চাপই, ছাদে গিয়ে আশ্রয় নি, গত বছর যেমন সব নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তাতেও সেই অপরাধতা। যাচ্ছো।”
শান্তির বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম পানি উন্নয়নের বোর্ড অব্যবনা ও গাফিলস্থাপকে বলেন, “প্রতি বছর দায়সারাস্কারের কারণে মানুষ কষ্ট পায়। মূল কারণ।”
ফেনীতে বাঁধে ধস নামায় দুই উপজেলার শতাধিক পরিবার পানিবন্দী, ত্রাণ ও আশ্রয়ের অভাবে চরম দুর্ভোগ
পরশুরাম নাগরিক ইউএনও আরিফুর রহমান জানান, নিজেকে বাধা দিতে নতুন এলাকা পানিতে যাচ্ছে । কিন্তু এখনো শান্তিকেন্দ্রে যেতে চাওয়া না। রাষ্ট্র পরিস্থিতি তদারক করছে।
ফুলগাজীও ফাহরিয়া ইসলাম বলেন, পাল্টা চারটি পয়েন্টে ইউনিভার্সিটি পাকিস্তানে আছে। শতাক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আগত। শুকনো ও রান্না করা খাবার বর্ণনা। পরীক্ষাও স্থির করা হয়েছে।
বৃষ্টিপাত সম্পর্কে ফেনী আবহাওয়া অফিস , গত ২৪ ঘণ্টা (৮ জুলাই পর্যন্ত) ৪৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে—এ বছর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। পট নদ-নদীর জল বিশাল বিপৎসীমা করেছে ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল কাশেম জানান, মুহুরী পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে। উজানে বৃষ্টি চলমান আরও বাধার আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, মুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাবার কারনে ফুলগা ও পরশুরামে ১৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় শতাধিক মানুষ আশ্রয়। তাদের জন্য শুকনো খাবার, চিকিৎসা ও জরুরি সহায়তা ৬.৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমে খোলা হয়েছে।
ফেনীতে বাঁধে ধস ও ভাঙন শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, এটি অব্যবস্থাপনার ফলে সৃষ্ট এক ভয়ংকর মানবিক পাকিস্তানে রূপ আদর্শ। যতক্ষণ পর্যন্ত বাঁধা সংস্কার ও নদী নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এমন দুর্যোগ বারবারই ঘটবে।

























