শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

র‍্যালি, আলোচনা ও সচেতনতা

জামালপুরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান

ফজলে এলাহী মাকাম, জামালপুর : প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
জামালপুর মাদকবিরোধী দিবস

আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামালপুরে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনসহ জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছবি : আজকের কথা

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

র‍্যালি, আলোচনা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি, সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জামালপুরের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

                  হাইলাইটস

  • ‘মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি, সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ি’ প্রতিপাদ্যে দিবস পালন।
  • জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে র‍্যালি ও আলোচনা সভা।
  • প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
  • রঙিন বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
  • মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন জোরদারের আহ্বান জানান বক্তারা।

সকালে শহরের ফৌজদারি মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালির উদ্বোধনকালে শান্তি, সম্প্রীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যাশায় রঙিন বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়।

র‍্যালিতে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পরে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমেই মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব।

আয়োজকরা জানান, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে এবং তরুণদের মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এ ধরনের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভার পাশাপাশি বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচারণা কর্মসূচিও আয়োজন করা হয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

শীর্ষ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বিশ্ববাটপার ইউনুস থেকে শুরু, একের পর এক শীর্ষ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তীব্র উদ্বেগ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৪৯ এএম
বিশ্ববাটপার ইউনুস থেকে শুরু, একের পর এক শীর্ষ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তীব্র উদ্বেগ

বিশ্ববাটপার ইউনুস চালু করেছিল মব কালচার। স্বাস্থ্য খাত থেকেও সে মব কালচার ও অবিচার থেকে এখনো বের হতে পারেনি বাংলাদেশ। দেশের স্বাস্থ্য খাতে একের পর এক খ্যাতিমান চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। সমালোচকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিবেচনায় দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকদের হয়রানি, অপসারণ ও দেশত্যাগে বাধ্য করার প্রবণতা চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। তাদের দাবি, এর সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হচ্ছেন দেশের সাধারণ মানুষ।

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন শীর্ষ চিকিৎসককে ঘিরে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে চিকিৎসক সমাজ, বিশ্লেষক এবং বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

হাইলাইটস
  • শীর্ষ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ
  • অপসারণ নিয়ে তীব্র বিতর্ক
  • দেশ ছাড়ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
  • স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগ বাড়ছে
  • চিকিৎসাসেবা নিয়ে প্রশ্ন

ডা. সামন্ত লাল সেন

সমালোচকদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের অন্যতম খ্যাতিমান প্লাস্টিক সার্জন ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই তিনি এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তকে সম্প্রতি ভারতের ত্রিপুরার একটি মেডিকেল কলেজে পাঠদান করতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সমালোচকদের দাবি, মামলা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

প্রফেসর দ্বীন মুহাম্মদ

জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও দেশের প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট প্রফেসর দ্বীন মুহাম্মদকে তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসারই বহিঃপ্রকাশ।

ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’ পদ বাতিল এবং পূর্বে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ নিয়েও ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন অনেক চিকিৎসক ও বিশ্লেষক।

চিকিৎসকদের উদ্বেগ

স্বাস্থ্য খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকদের কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া বা বিদেশে চলে যেতে বাধ্য হওয়ার ঘটনা চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সমালোচকদের দাবি, বিশ্ববাটপার ইউনুস দেশ বিক্রি করে স্বাস্থ্যখাতের সব টাকা বিদেশ পাচার করেছেন। এই সুদখোর ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের হারানোর প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে আইন, বিধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে ব্যাখ্যা দিয়ে আসছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

রহস্য উদ্ঘাটনে চলছে তদন্ত

রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে হত্যাকাণ্ড: একমাত্র জীবিত ছেলের মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১১:১৯ পিএম
রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে হত্যাকাণ্ড: একমাত্র জীবিত ছেলের মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি

ময়নাতদন্তে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের প্রমাণ, ধর্ষণের আলামত মেলেনি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরে একটি ভাড়া বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে হত্যাকাণ্ড এর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাত (১৮) বাদী হয়ে রায়পুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলাটি করেন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

🚨 হাইলাইটস

  • একমাত্র জীবিত ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
  • ময়নাতদন্তে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে
  • প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি, নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
  • সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদার গণপিটুনিতে নিহত হওয়ায় তদন্ত জটিল হয়েছে
  • হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে

এদিকে শুক্রবার বিকেলে রায়পুর শহরের ধানহাটা সড়কে নিহত চারজনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় হাজারো মানুষ অংশ নেন। পরে মরদেহগুলো তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের দাফন করা হবে।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে চারটি মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল জানান, নিহতদের হাত, মাথা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।

ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহত শাহিনুর আক্তারের প্রয়াত স্বামী কামাল হোসেনের ভাই, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও অটোরিকশাচালক জামাল হোসেন মরদেহ গ্রহণ করেন।

জামাল হোসেন বলেন, প্রায় ছয় বছর আগে তার ভাই কামাল হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর শাহিনুর আক্তার চার সন্তানকে নিয়ে রায়পুর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সন্তানরা সবাই মেধাবী ছিল। তিন মেয়ে লেখাপড়া করত এবং ছেলে জুনাইদ লেখাপড়ার পাশাপাশি গত ছয় মাস ধরে চাকরি করছিল। তিনি বলেন, ভাবি ও ভাতিজা-ভাতিজিরা মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে আসতেন। কী কারণে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তাদের জানা নেই।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর শহরের ধানহাটা সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীর পাড়ের একটি ভাড়া বাসায় শাহিনুর আক্তার (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২০), মেঝো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৬) এবং ছোট মেয়ে সিফা আক্তারকে (৯) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পর স্থানীয় জনতা সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদারকে আটক করে গণপিটুনি দিলে সেও মারা যায়। পরিবারের দাবি, অন্তর তাদের পূর্বপরিচিত ছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে তদন্ত আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাতের ধারণা, ঘটনাটি টাকা-পয়সা বা স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যেও ঘটতে পারে। তিনি জানান, বাড়িওয়ালা অনুপস্থিত থাকলে ভাড়াটিয়ারা তার মায়ের কাছেই ভাড়া জমা দিতেন। পরে বাড়িওয়ালা এসে তা নিয়ে যেতেন। এছাড়া পুরো ভবনের দেখভালের দায়িত্বও তার মায়ের ওপর ছিল। তিনি আরও বলেন, বাসা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সন্দেহভাজন অন্তরকে আর সেখানে আসতে দেখেননি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, “মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

তীব্র গরমে মানবিক উদ্যোগ

তীব্র গরমে পথচারীদের পাশে সাপাহার মুক্ত স্কাউট, শরবত বিতরণে প্রশংসা

নাজমুল হক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম
তীব্র গরমে পথচারীদের পাশে সাপাহার মুক্ত স্কাউট, শরবত বিতরণে প্রশংসা

যানজট নিরসনের পাশাপাশি মানবিক উদ্যোগ

তীব্র গরমে তৃষ্ণার্ত পথচারীদের স্বস্তি দিতে নওগাঁর সাপাহারে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে মুক্ত স্কাউট। যানজট নিরসনের পাশাপাশি সংগঠনটির উদ্যোগে পথচারী, শ্রমজীবী মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ঠান্ডা শরবত বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদরের জিরোপয়েন্ট এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় আম ব্যবসায়ী, রিকশাচালক, পথচারী, শ্রমজীবী মানুষসহ সাধারণ মানুষের হাতে শরবত তুলে দেন মুক্ত স্কাউটের সদস্যরা।

🌿 হাইলাইটস

  • তীব্র গরমে পথচারীদের মাঝে ঠান্ডা শরবত বিতরণ
  • সাপাহার মুক্ত স্কাউটের মানবিক উদ্যোগ
  • যানজট নিরসনের কাজও করেন সদস্যরা
  • প্রধান অতিথি ছিলেন সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু)
  • জনকল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার মুক্ত স্কাউটের কমিশনার ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু)। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্ত স্কাউটের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান (কল্লোল), সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, পরিচালক সাহাবুদ্দীন এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারোয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, তীব্র গরমে পথচারীদের মাঝে শরবত বিতরণের মতো এমন মানবিক আয়োজন সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ও প্রশংসনীয়।

কর্মসূচিতে মুক্ত স্কাউটের নেতাকর্মী, সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x