শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

কুরআন-হাদীসের ব্যাখ্যা

ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৩:১৩ এএম
ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  •  শূকরের গোশত
  • হারাম কেন, কুরআন-হাদীসের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যগত
  • দৃষ্টিভঙ্গি ইসলামে শূকরের গোশত

 শূকরের গোশত হারাম কেন, কুরআন-হাদীসের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যগত দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন—এই প্রশ্নটি অনেকের মনে আসে। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে হালাল-হারামের বিধান সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত। সেই বিধান অনুযায়ী মুসলমানদের জন্য শূকরের গোশত স্পষ্টভাবে হারাম করা হয়েছে।


ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন: কুরআনের নির্দেশনা

পবিত্র কুরআনের একাধিক আয়াতে শূকরের গোশত হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। সূরা আল-বাকারা (২:১৭৩), সূরা আল-মায়েদা (৫:৩), সূরা আল-আনআম (৬:১৪৫) এবং সূরা আন-নাহল (১৬:১১৫)-এ শূকরের গোশতকে ‘রিজস’ (অপবিত্র) বলা হয়েছে।

এ থেকেই স্পষ্ট, ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন—তার প্রধান কারণ হলো আল্লাহর সরাসরি নির্দেশ।


শরীয়তের মূলনীতি

ইসলামে মূলনীতি হলো—যা মানুষের জন্য উপকারী তা হালাল, আর যা ক্ষতিকর বা অপবিত্র তা হারাম। এই দৃষ্টিকোণ থেকেও শূকরের গোশতকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে ইসলামী ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে।

অতএব, ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন—এর উত্তর কেবল বৈজ্ঞানিক নয়, বরং ধর্মীয় বিধানের ওপরই নির্ভরশীল।


অন্যান্য ধর্মে শূকরের অবস্থান

শুধু ইসলাম নয়, খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলেও শূকরের গোশতকে অপবিত্র বলা হয়েছে এবং তা ভক্ষণে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে (লেভিটিকাস ও ডিউটেরোনমি গ্রন্থে উল্লেখ আছে)।

এতে বোঝা যায়, বিভিন্ন ধর্মেই এই খাদ্য সম্পর্কে সতর্কতা রয়েছে।


 স্বাস্থ্যগত ব্যাখ্যা

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, শূকরের গোশতে কিছু পরজীবী যেমন Taenia solium (টেপওয়ার্ম) ও Trichinella থাকার ঝুঁকি থাকতে পারে, যদি তা সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত বা রান্না না করা হয়।

এছাড়া শূকরের মাংসে তুলনামূলক বেশি চর্বি ও কোলেস্টেরল থাকায় অতিরিক্ত গ্রহণ হৃদরোগসহ নানা জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে উল্লেখ্য, আধুনিক প্রযুক্তিতে এসব ঝুঁকি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তাই ইসলামে শূকরের গোশত হারাম হওয়ার মূল কারণ চিকিৎসাবিজ্ঞান নয়, বরং আল্লাহর নির্দেশ।


উপসংহার

ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন—এর সরল উত্তর হলো, এটি কুরআনে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একজন মুসলমানের জন্য আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলাই সর্বাগ্রে গুরুত্বপূর্ণ।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার দিক থেকেও এ বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন।


অনলাইন জরিপে আপনার ভোট দিন

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পর চাঁদাবাজি ও দখল অনেকাংশে কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

তাড়াইলে ব্যতিক্রমী চিত্র

তাড়াইলে দুই এইচএসসি কেন্দ্রে মাত্র ২ পরীক্ষার্থী, দায়িত্বে ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
তাড়াইলে দুই এইচএসসি কেন্দ্রে মাত্র ২ পরীক্ষার্থী, দায়িত্বে ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় দুই এইচএসসি কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মাত্র দুইজন পরীক্ষার্থী। তবে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে ১৭ জন করে মোট ৩৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এতে দুটি কেন্দ্রেই দেখা যায় ব্যতিক্রমী চিত্র।

তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০৫ জন। কিন্তু এদিন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন কেবল একজন পরীক্ষার্থী। তিনি হাজী মোমতাজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নীলগঞ্জের শিক্ষার্থী রাকিব মিয়া। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের মহিনন্দ এলাকায়।

এই কেন্দ্রে হল সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আনেয়ার হোসেন। এছাড়া ছিলেন দুইজন সহকারী হল সুপার, দুইজন কক্ষ পরিদর্শক, পাঁচজন সহায়ক কর্মচারী, তিনজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার এবং ট্যাগ অফিসার হিসেবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

পরীক্ষার্থী একজন হলেও শিক্ষা বোর্ডের সব নির্দেশনা মেনেই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল,
আনোয়ার হোসেন
হল সুপার, তাড়াইল মুক্তিযোদ্ধা সরকারি কলেজ কেন্দ্র

অন্যদিকে তাড়াইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রেও একই বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন মাত্র একজন পরীক্ষার্থী। তিনি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার দামসুর এলাকার বাসিন্দা প্রিয় রঞ্জন বর্মন। এ কেন্দ্রেও একজন পরীক্ষার্থীর জন্য ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

পরীক্ষা চলাকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী দুটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে পরীক্ষা কার্যক্রম ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পরীক্ষার্থী সংখ্যা কম হলেও শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, সহযোগীর বুকে বিদ্ধ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ এএম
নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, সহযোগীর বুকে বিদ্ধ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাজী আবুল কাশেমকে (৬০) লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও চৌমুহনী হকার্স মার্কেটের ফার্মেসি ব্যবসায়ী ইয়াছিন সেন্টু (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত পৌনে ১২টার দিকে চৌমুহনী বাজারের হকার্স মার্কেটের মূল গলিতে ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি নেতা হাজী আবুল কাশেমকে লক্ষ্য করেই গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিটি তার সহযোগী ইয়াছিন সেন্টুর বুকে লাগে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এএনএম ইমরান খান
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল), নোয়াখালী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাজী আবুল কাশেম রাজনীতির পাশাপাশি নোয়াখালী জাতীয় হকার্স সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি হকার্স মার্কেটের কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে সহযোগী ইয়াছিন সেন্টুকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয় থেকে বের হয়ে মূল গলির ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এ সময় ইয়াছিন সেন্টু আবুল কাশেমকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে একটি গুলি কাশেমের হাত ছুঁয়ে গিয়ে সেন্টুর বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, দুর্বৃত্তদের গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) এএনএম ইমরান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি নেতা হাজী আবুল কাশেমকে লক্ষ্য করেই গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিটি তার সহযোগী ইয়াছিন সেন্টুর বুকে লাগে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

লাকসামে সোহান হত্যা মামলা

বৃদ্ধের যাবজ্জীবন, ছেলের বেকসুর খালাস

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৪ পিএম
বৃদ্ধের যাবজ্জীবন, ছেলের বেকসুর খালাস

বৃদ্ধের যাবজ্জীবন, ছেলের বেকসুর খালাস

কুমিল্লার লাকসামে যুবক সাইফুল ইসলাম সোহান হত্যা মামলায় মো. মিজানুর রহমান হাজারী (৬৫) নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে একই মামলার অপর আসামি ও তার ছেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান হাজারী কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চিকুনিয়া দক্ষিণপাড়া হাজারী বাড়ির মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, উপস্থাপিত আলামত এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে আদালত মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। অন্যদিকে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ এনামুল হক সরকার
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি)

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম সোহানের সঙ্গে মিজানুর রহমানের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন সোহান। তাকে প্রথমে মুজাফফরগঞ্জ হেলথ কেয়ার প্রাইভেট লিমিটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ১৮ মে রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা রুহুল আমিন ২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল লাকসাম থানায় পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমান হাজারী ও তার ছেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মোহাম্মদ এনামুল হক সরকার। তিনি জানান, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, উপস্থাপিত আলামত এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে আদালত মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। অন্যদিকে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

×
CLOSE X