সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

উড়োজাহাজ নামেনা, তবু কোটি টাকার আয়—নীরব কুমিল্লা বিমানবন্দরেই আটকে সম্ভাবনার আর্তনাদ!

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৬ পিএম
উড়োজাহাজ নামেনা, তবু কোটি টাকার আয়—নীরব কুমিল্লা বিমানবন্দরেই আটকে সম্ভাবনার আর্তনাদ!

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • “ফ্লাইট বন্ধ তিন দশক, তবু আকাশপথে দিকনির্দেশনা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়; চালু হলে বদলে যেতে পারে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি” কুমিল্লার মানুষ প্রতিদিনই দেখেন—একটি বিমানবন্দর আছে, রানওয়ে আছে, টার্মিনাল আছে, জনবল আছে; নেই শুধু উড়োজাহাজ।
  • তবুও বিস্ময়করভাবে, এই নীরব বিমানবন্দরই প্রতি বছর আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।
  • প্রশ্ন একটাই—যেখানে উড়োজাহাজ ওঠানামাই করে না, সেখানে যদি এত আয় হয়, তবে চালু হলে কুমিল্লার ভাগ্যে কত বড় পরিবর্তন আসতে পারে?

“ফ্লাইট বন্ধ তিন দশক, তবু আকাশপথে দিকনির্দেশনা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়; চালু হলে বদলে যেতে পারে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি”

কুমিল্লার মানুষ প্রতিদিনই দেখেন—একটি বিমানবন্দর আছে, রানওয়ে আছে, টার্মিনাল আছে, জনবল আছে; নেই শুধু উড়োজাহাজ। তবুও বিস্ময়করভাবে, এই নীরব বিমানবন্দরই প্রতি বছর আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। প্রশ্ন একটাই—যেখানে উড়োজাহাজ ওঠানামাই করে না, সেখানে যদি এত আয় হয়, তবে চালু হলে কুমিল্লার ভাগ্যে কত বড় পরিবর্তন আসতে পারে?

শহরের দক্ষিণে প্রায় ৭৭ একর জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুমিল্লা বিমানবন্দর যেন এক থমকে যাওয়া স্বপ্ন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১-৪২ সালে ব্রিটিশ ও মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত এই বিমানবন্দর স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু রাখে। পরে লোকসানের অজুহাতে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৪ সালে আবার আশার আলো জ্বলে উঠলেও মাত্র দুই সপ্তাহেই নিভে যায় সেই স্বপ্ন। তারপর থেকে প্রায় তিন দশক ধরে নীরব এই রানওয়ে।

তবে থেমে নেই সবকিছু। আকাশে উড়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজগুলো আজও নির্ভর করছে কুমিল্লার এই বিমানবন্দরের ওপর। এখানে থাকা আধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি উড়োজাহাজকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লা বিমানবন্দরের সিএনএস প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন আহাম্মদ জানান, ডিভিওআর, ডিএমই ও ভিস্যাট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের বিমানকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। আর এই সেবা থেকেই বছরে আসছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা, যা সরকারি রাজস্বেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

এই বিমানবন্দরের পাশেই গড়ে উঠেছে কুমিল্লা ইপিজেড—যেখানে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক কাজ করছেন ৪৬টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে। গত বছর এখান থেকে ৯০২ মিলিয়ন ডলার রফতানি আয় হয়েছে, চলতি বছর ইতোমধ্যে ৬১৯ মিলিয়ন ডলার এসেছে। ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস—যদি আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর চালু হয়, তবে বিনিয়োগ বাড়বে, দ্রুত কার্গো পরিবহন সম্ভব হবে, সময় ও খরচ কমবে।

প্রবাসী শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রেও কুমিল্লা একটি বড় জেলা। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ বিদেশে গেলেও তাদের যাত্রা শুরু করতে হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেট থেকে। এতে বাড়ে দুর্ভোগ, সময় ও ব্যয়। কুমিল্লাবাসীর দাবি—নিজ জেলায় বিমানবন্দর চালু হলে এই ভোগান্তির অবসান হবে, একই সঙ্গে বদলে যাবে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু হলে এটি পূর্বাঞ্চলের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হতে পারে। শিল্প, রফতানি, পর্যটন, কার্গো—সব খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।

আজ প্রশ্ন একটাই—যে বিমানবন্দর উড়োজাহাজ ছাড়াই কোটি টাকা আয় করতে পারে, সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে কুমিল্লা কতটা এগিয়ে যেতে পারে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন কুমিল্লার মানুষ—কবে আবার আকাশ ছুঁবে তাদের সেই নীরব রানওয়ে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ এএম
দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদ, পরে মামলায় গ্রেপ্তার

আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।

তিনি জানান, শেরেবাংলা নগর থানায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

দৈনিক আজকের কথা
মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
— মো. ইবনে মিজান
উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি), তেজগাঁও বিভাগ, ডিএমপি

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। পরে সিআইডির ফরেনসিক টিমকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় রোববার রাতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। পরে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ কী এবং এ ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর যাচ্ছে সংশোধনাগারে, কারাগারে দুই আসামি

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ এএম
অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর যাচ্ছে সংশোধনাগারে, কারাগারে দুই আসামি

চার আসামির তিনজনের স্বীকারোক্তি, মোবাইল ছিনিয়ে নিতেই হত্যার দাবি পুলিশের

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবে।

রোববার রাতে অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালত মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। তাদের সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবে। তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, সিয়াম এ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে রয়েছে।

রোববার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, একটি হত্যা মামলায় পুলিশ চার আসামিকে কারাগারে হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

দৈনিক আজকের কথা
মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে।
— মো. আনিসুজ্জামান
পুলিশ সুপার, কুমিল্লা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে অপ্রতিম বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, “শুক্রবার জুমার নামাজের পর অপ্রতিম আমাদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খায়। পরে বন্ধুদের সঙ্গে আইফোন দিয়ে ছবি তুলতে বাইরে যেতে চায়। কিন্তু আর ফিরে আসেনি।”

রোববার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।

সালিশে রাস্তা নির্ধারণের পরও বন্ধ, জুড়ীতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

জালালুর রহমান, মৌলভী বাজার থেকে : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ এএম
সালিশে রাস্তা নির্ধারণের পরও বন্ধ, জুড়ীতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

সালিশে নির্ধারিত চলাচলের পথ আটকে গোয়ালঘর-বাথরুম, বিপাকে পরিবার

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামে বসতবাড়িতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার এবং এর প্রতিবাদ করায় প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুল কাদিরের ছেলে কামরুল ইসলাম (২৮) জুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত তিনজন কামরুল ইসলামের চাচা। তারা হলেন—দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল জলিল (৬০), আব্দুল মনাফ (৫৫) ও আব্দুর রহিম (৫০)।

কামরুল ইসলামের অভিযোগ, বসতবাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হলে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে তাঁর পরিবারের চলাচলের জন্য একটি রাস্তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

তবে সালিশে রাস্তা নির্ধারণের পরও অভিযুক্তরা ওই চলাচলের পথের মধ্যে গোয়ালঘর, বাথরুম এবং বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাস্তা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেছেন কামরুল ইসলাম। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাস্তা পরিষ্কার করে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার কথা বললে অভিযুক্তরা উত্তেজিত হয়ে কামরুল ইসলামকে ভয়ভীতি দেখান এবং হুমকি দেন। এমনকি মামলা-মোকদ্দমা করলে সুযোগমতো তাঁকে প্রাণে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দৈনিক আজকের কথা
অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
— মো. রফিকুল ইসলাম
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), জুড়ী থানা।

অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামে তাঁর বসতবাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, চলাচলের রাস্তা বন্ধ থাকায় তারা অনেকটা গৃহবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এ ঘটনায় তারা প্রশাসনের কাছে প্রতিকার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে জুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবি ও অভিযোগের কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

×
ENG