শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

উড়োজাহাজ নামেনা, তবু কোটি টাকার আয়—নীরব কুমিল্লা বিমানবন্দরেই আটকে সম্ভাবনার আর্তনাদ!

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৬ পিএম
উড়োজাহাজ নামেনা, তবু কোটি টাকার আয়—নীরব কুমিল্লা বিমানবন্দরেই আটকে সম্ভাবনার আর্তনাদ!
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

“ফ্লাইট বন্ধ তিন দশক, তবু আকাশপথে দিকনির্দেশনা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়; চালু হলে বদলে যেতে পারে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি”

কুমিল্লার মানুষ প্রতিদিনই দেখেন—একটি বিমানবন্দর আছে, রানওয়ে আছে, টার্মিনাল আছে, জনবল আছে; নেই শুধু উড়োজাহাজ। তবুও বিস্ময়করভাবে, এই নীরব বিমানবন্দরই প্রতি বছর আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। প্রশ্ন একটাই—যেখানে উড়োজাহাজ ওঠানামাই করে না, সেখানে যদি এত আয় হয়, তবে চালু হলে কুমিল্লার ভাগ্যে কত বড় পরিবর্তন আসতে পারে?

শহরের দক্ষিণে প্রায় ৭৭ একর জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুমিল্লা বিমানবন্দর যেন এক থমকে যাওয়া স্বপ্ন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১-৪২ সালে ব্রিটিশ ও মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত এই বিমানবন্দর স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু রাখে। পরে লোকসানের অজুহাতে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৪ সালে আবার আশার আলো জ্বলে উঠলেও মাত্র দুই সপ্তাহেই নিভে যায় সেই স্বপ্ন। তারপর থেকে প্রায় তিন দশক ধরে নীরব এই রানওয়ে।

তবে থেমে নেই সবকিছু। আকাশে উড়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজগুলো আজও নির্ভর করছে কুমিল্লার এই বিমানবন্দরের ওপর। এখানে থাকা আধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি উড়োজাহাজকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লা বিমানবন্দরের সিএনএস প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন আহাম্মদ জানান, ডিভিওআর, ডিএমই ও ভিস্যাট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের বিমানকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। আর এই সেবা থেকেই বছরে আসছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা, যা সরকারি রাজস্বেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

এই বিমানবন্দরের পাশেই গড়ে উঠেছে কুমিল্লা ইপিজেড—যেখানে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক কাজ করছেন ৪৬টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে। গত বছর এখান থেকে ৯০২ মিলিয়ন ডলার রফতানি আয় হয়েছে, চলতি বছর ইতোমধ্যে ৬১৯ মিলিয়ন ডলার এসেছে। ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস—যদি আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর চালু হয়, তবে বিনিয়োগ বাড়বে, দ্রুত কার্গো পরিবহন সম্ভব হবে, সময় ও খরচ কমবে।

প্রবাসী শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রেও কুমিল্লা একটি বড় জেলা। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ বিদেশে গেলেও তাদের যাত্রা শুরু করতে হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেট থেকে। এতে বাড়ে দুর্ভোগ, সময় ও ব্যয়। কুমিল্লাবাসীর দাবি—নিজ জেলায় বিমানবন্দর চালু হলে এই ভোগান্তির অবসান হবে, একই সঙ্গে বদলে যাবে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু হলে এটি পূর্বাঞ্চলের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হতে পারে। শিল্প, রফতানি, পর্যটন, কার্গো—সব খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।

আজ প্রশ্ন একটাই—যে বিমানবন্দর উড়োজাহাজ ছাড়াই কোটি টাকা আয় করতে পারে, সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে কুমিল্লা কতটা এগিয়ে যেতে পারে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন কুমিল্লার মানুষ—কবে আবার আকাশ ছুঁবে তাদের সেই নীরব রানওয়ে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

শেখ হাসিনার সমর্থনে বিক্ষোভ

হাজারো নেতাকর্মীর শক্তি প্রদর্শন, নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের মিছিলে পিছু হটল পুলিশ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:১১ এএম
হাজারো নেতাকর্মীর শক্তি প্রদর্শন, নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের মিছিলে পিছু হটল পুলিশ

নোয়াখালী সদর উপজেলায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। বিপুলসংখ্যক মিছিলকারীর উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে সরে যান বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজার এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ হাসিনার সমর্থনে বিক্ষোভ, জনসমাগমে নিয়ন্ত্রণ হারায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মিছিলের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজ শেষে এক হাজারেরও বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক বাঁধের হাট বাজার এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে পুলিশ মিছিল ঠেকানোর চেষ্টা করলেও বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নেন।

মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু। তিনি বলেন, “দেশে অন্যায়, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই আমরা রাজপথে নেমেছি। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী হিসেবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া তাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এদিকে, মিছিলকারীদের বিপুল উপস্থিতির কারণে পুলিশ সদস্যদের সরে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায় এবং প্রথমে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

ওসি বলেন, “পুলিশের ছয় সদস্যের একটি টিম সেখানে ছিল। কিন্তু মিছিলকারীদের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় আমরা নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিয়েছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

প্রবাসে সফল বগুড়ার সুন্দরী আতিয়া

শুধু রূপেই নয়, কর্মগুণেও প্রবাসে উজ্জ্বল বগুড়ার সুন্দরী আতিয়া

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১০:২২ পিএম
শুধু রূপেই নয়, কর্মগুণেও প্রবাসে উজ্জ্বল বগুড়ার সুন্দরী আতিয়া
নিজের মেধা, কঠোর পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (আমেরিকা) নিজের এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছেন বাংলাদেশী তরুণী আতিয়া ইসলাম। শুধু রূপেই নয়, সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে সুদূর প্রবাসে আজ তিনি এক প্রতিষ্ঠিত নাম, যা একই সাথে দেশের জন্য বয়ে এনেছে এক বিশাল গৌরব।
আতিয়া ইসলামের শিকড় জড়িয়ে আছে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জেলা বগুড়ায়। শৈশব থেকেই পড়ালেখায় দারুণ মেধাবী আতিয়া সবসময়ই বড় স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্নের টানেই পাড়ি জমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। নতুন দেশ, ভিন্ন পরিবেশ আর চেনা পরিধির বাইরে প্রথম দিকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হলেও কখনো হাল ছাড়েননি তিনি। নিজের কর্মক্ষেত্রে সততা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে আজ তিনি প্রবাসে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত।
“নীল শাড়ির জমকালো সাজে অপরূপা আতিয়া ইসলাম; যিনি নিজ কর্মগুণে আজ সুদূর আমেরিকায় সুপ্রতিষ্ঠিত।”
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি স্নিগ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী লুকের ছবি বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে। ছবিতে তাকে একটি আকর্ষণীয় গাঢ় নীল রঙের জমকালো শাড়িতে দেখা যায়, যা প্রবাসের বুকেও বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করার এক দারুণ দৃষ্টান্ত। তার এই চমৎকার সাফল্য ও সাবলীল উপস্থাপনা নতুন প্রজন্মের নারীদের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক।
প্রবাসে সুপ্রতিষ্ঠিত হলেও আতিয়া ইসলামের মন পঁড়ে থাকে প্রিয় মাতৃভূমি এবং নিজের জন্মস্থান বগুড়ায়। সুযোগ পেলেই তিনি দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। মেধা আর পরিশ্রমে বাঙালী নারীরা যে বিশ্বমঞ্চের যেকোনো স্থানে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, আতিয়া ইসলাম তারই এক জীবন্ত উদাহরণ। তার এই ধারাবাহিক সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পথচলার জন্য রইল অনেক শুভকামনা।
📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

চিকিৎসা নিতে গিয়ে মৃত্যু

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ গেল চৌদ্দগ্রামের যুবকের

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ গেল চৌদ্দগ্রামের যুবকের

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় তার ছোট বোন ও ভগ্নিপতি গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহত নূরুল আমিন সোহাগ (৪০) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুস সোবহানের ছেলে। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাচাতো ভাই হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী।

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু, দগ্ধ বোন-ভগ্নিপতি হাসপাতালে

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি ছোট বোন ও ভগ্নিপতিকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে যান সোহাগ। সেখানে মালব্য নগরের হাউজ রানি এলাকায় অবস্থিত একটি পাঁচতলা ‘বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট’ আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছিলেন তারা।

বুধবার (৩ জুন) সকালে হোটেলটিতে হঠাৎ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আগুনে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান নূরুল আমিন সোহাগ।

অগ্নিকাণ্ডে তার ছোট বোন ও ভগ্নিপতিও গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পরিবার।

নিহতের চাচাতো ভাই হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী বলেন, “চিকিৎসার আশায় ভারতে গিয়েছিলেন সোহাগ। কিন্তু সেখানে এমন হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে হবে, তা কেউ কল্পনাও করেনি। পুরো পরিবার শোকে স্তব্ধ।”

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ রাখছেন।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কাজ করছে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×